Kostar pitibi
সুখ বড় নিষ্ঠুর আমায় বোঝেনা॥
কাছে এসে উঁকি দেয় ধরা দেয় না॥
29/05/2026
Best of luck 🇦🇷 Team 🇦🇷 AFA - Selección Argentina Best of luck Leo Messi
আজ দুপুরে হঠাৎ মোবাইলে একটা SMS এলো।
খুলে দেখি—
“সরকারের পক্ষ থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা জমা করা হয়েছে।”
মুহূর্তের মধ্যে বুকটা আনন্দে ভরে গেল। মনে হচ্ছিল—জীবনটা যেন এক লাফে বদলে গেল!
দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে চিৎকার করে বললাম—
“শোনো সবাই! আমাদের দিন বদলে গেছে! আমার অ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা এসেছে!”
বউ ঘর থেকে বেরিয়ে খুব শান্তভাবে বলল—
“এত উত্তেজিত হওয়ার কী আছে? আমার অ্যাকাউন্টেও তো ৭৫ লাখ টাকা এসেছে। এই দেখো মেসেজ।”
আমি থমকে গেলাম।
ভাবলাম, পাশের বাড়ির লোকদের বলি। কিন্তু গিয়ে দেখি, তারা যেন আগেই সব জানে।
একজন হেসে বলল—
“এত খুশি হচ্ছো কেন? আমাদের অ্যাকাউন্টেও তো ৭৫ লাখ এসেছে!”
মনে একটু অদ্ভুত লাগল।
তবুও ভাবলাম—আজ মিষ্টি খাওয়াবো সবাইকে।
বাজারে গেলাম…
দেখি সব দোকান বন্ধ।
একজনকে জিজ্ঞেস করলাম—
“মিষ্টির দোকান বন্ধ কেন?”
সে হেসে বলল—
“দোকানদার এখন আর দোকান চালাবে কেন? ওর অ্যাকাউন্টেও তো ৭৫ লাখ টাকা এসেছে!”
মাথার ভেতর কিছু একটা যেন কাঁপতে শুরু করল।
ভাবলাম, নিউ মার্কেটে যাই…
সেখানেও একই অবস্থা—সব দোকান বন্ধ, রাস্তাঘাট ফাঁকা।
যেদিকে তাকাই—
না আছে দোকানদার,
না আছে ক্রেতা,
না আছে কোনো কাজের মানুষ।
সবাই ব্যস্ত—ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে।
খিদে পেয়ে গেল। ভাবলাম, কোনো হোটেলে খেয়ে নিই।
কিন্তু হোটেলও বন্ধ…
স্বাগত জানানোর মানুষ নেই, রান্না করার কেউ নেই, সিকিউরিটি নেই—কেউ নেই।
চা-ওয়ালা নেই, সবজি-ওয়ালা নেই, ফাস্টফুড নেই—
পুরো শহরটা যেন হঠাৎ থেমে গেছে।
বন্ধুর ফোন এল—
“আমি জব ছেড়ে দিয়েছি। এখন কাজ করার দরকার কী?”
আরেকজন বলল—
“স্কুল বন্ধ করে দিয়েছি।”
“টিউশন পড়ানো বন্ধ।”
“কেউ আর কাজ করছে না।”
কারখানা বন্ধ, অফিস বন্ধ, পড়াশোনা বন্ধ—
কারণ সবার কাছে এখন টাকা আছে।
বিকেলে মাঠে গেলাম…
কৃষক নেই। জমি পড়ে আছে ফাঁকা।
কেউ আর রোদে পুড়ে কাজ করতে চায় না—
কারণ তাদেরও ৭৫ লাখ টাকা আছে।
প্রথম দিন, সবাই খুশি।
দ্বিতীয় দিন, সবাই আনন্দে।
তৃতীয় দিন… একটু অস্বস্তি।
তারপর—
৭ দিন পর…
মানুষ খিদের জ্বালায় কাঁদছে।
কারণ—
ফসল নেই,
খাবার নেই,
দোকান নেই,
ওষুধ নেই।
ডাক্তার নেই…
হাসপাতাল বন্ধ…
শিশুরা কাঁদছে,
পশুরা না খেয়ে মরছে,
মানুষ রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে টাকা নিয়ে।
কেউ বলছে—
“এই নাও ১০ হাজার টাকা, আমাকে একটু দুধ দাও…”
কেউ কাঁদছে—
“৫ লাখ টাকা নাও, আমাকে একটু চাল দাও…”
কিন্তু কারো কাছে কিছুই নেই।
১০ দিন পর—
শহরটা মৃত্যুপুরী।
মানুষ টাকার বস্তা নিয়ে ঘুরছে, কিন্তু একমুঠো খাবার নেই।
টাকা আছে…
কিন্তু জীবন নেই।
আমি নিজেও ছুটছি—
“এই নাও আমার ৭৫ লাখ… শুধু একটু খাবার দাও…”
কেউ নিচ্ছে না।
হঠাৎ দেখি—
মানুষ মানুষের দিকে হিংস্র চোখে তাকাচ্ছে…
যেন এখন মানুষই মানুষের খাবার হয়ে যাবে!
এক অচেনা লোক আমার দিকে তেড়ে আসছে…
আমি দৌড়াচ্ছি…
ক্ষুধার্ত শরীর আর পারছে না…
হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলাম—
চিৎকার করে উঠলাম—
“মা… বাঁচাও!”
---
হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল।
বউ আমাকে ঝাঁকিয়ে বলছে—
“কি হয়েছে? এমন চিৎকার করছিলে কেন? খারাপ স্বপ্ন দেখেছ?”
আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম—
“না… খারাপ না… এটা ছিল একটা ‘ভালো দিনের’ স্বপ্ন…”
চুপচাপ চারপাশে তাকালাম—
ঘরে দুমুঠো খাবার আছে…
পানির কল থেকে জল পড়ছে…
বাচ্চারা খেলছে…
বাইরে দোকান খোলা…
মানুষ কাজ করছে…
কৃষক মাঠে আছে…
প্রকৃতি বেঁচে আছে…
তখন বুঝলাম—
সবাই যদি একসাথে ধনী হয়ে যায়,
তাহলে আসলে কেউই বাঁচতে পারবে না।
কারণ টাকা জীবন নয়—
জীবন চলে কাজে, পরিশ্রমে, একে অপরের ওপর নির্ভরশীলতায়।
ঈশ্বর চাইলে সবাইকে সমান ধন দিতে পারতেন…
কিন্তু দেননি।
কারণ এই পৃথিবী টিকে আছে—
বৈচিত্র্যে,
অসমতায়,
একে অপরের প্রয়োজনের মধ্যে।
---
শিক্ষা:
ধনী হওয়া বড় কথা নয়,
প্রয়োজনীয় হওয়া বড় কথা।
টাকা থাকলেই জীবন চলে না,
মানুষের কাজই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।
Just collected
01/03/2026
৫৭টি মুসলিম দেশ, ২ বিলিয়ন জনসংখ্যা—অথচ ইরান আজ একা! 💔
ইতিহাসের এক অদ্ভুত ও নির্মম পরিহাস দেখছে বিশ্ব।
৫৭টি মুসলিম দেশের বিশাল মানচিত্র, অথচ ময়দানে দাঁড়িয়ে আছে কেবল ইরাক, লেবানন আর ইয়েমেনের মতো তথাকথিত "দুর্বল" দেশগুলো।
কোথায় আজ সৌদির বিশাল ঐশ্বর্য? কোথায় কুয়েত বা কাতারের ধনভাণ্ডার?
কোথায় তুরস্কের দাপট, মিশরের রণকৌশল কিংবা পাকিস্তানের পা র /মাণ বিক গর্ব?
সবাই নীরব। সবাই দর্শক।
ইরান ল ড়ছে একা। কিন্তু মনে রাখবেন, আজ যদি ইরানের পতন হয়, তবে সেই পতন শুধু একটা ভৌগোলিক ভূখণ্ডের হবে না। সেই পতন হবে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের আত্মসম্মানের।🙂
আজ যদি ইরান একঘরে হয়, তবে আগামীতে প্রতিটি মুসলিম দেশের দরজায় সেই আগুনের লে লি হান শি খা পৌঁছাবে।
যারা আজ হাত গুটিয়ে বসে আছেন, ইতিহাস আপনাদের ক্ষমা করবে না। কারণ, পতন কেবল ইরানের হচ্ছে না, পতন হচ্ছে আমাদের ঐক্যের, আমাদের অস্তিত্বের।
ইরান মাথা নোয়ায়নি, হয়তো হারবে না। কিন্তু আমরা কি হিসেবে বেঁচে থাকবো? দাবার ঘুঁটি নাকি স্বাধীন সত্তা?
Collected
30/12/2025
22/07/2025
হে আল্লাহ তুমি রহম করো।
25/05/2025
“জন্মের আগেই বন্ধন”
মা ও বাবার ভালোবাসার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি এই ছবি। গর্ভে সন্তান ধারণ করেছেন মা, আর হৃদয়ে ও চিন্তায় সেই সন্তানকে বয়ে বেড়াচ্ছেন বাবা। একজনের শরীরে সন্তান বেড়ে উঠছে, অন্যজনের মনে।
এই দৃশ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মাতৃত্ব আর পিতৃত্ব কেবল শারীরিক নয়, মানসিক এক বন্ধনও বটে। শিশুটি যখন পৃথিবীর আলো দেখে না, তখনও সে তার বাবা-মায়ের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু। মা যেমন প্রতিটি মুহূর্তে সন্তানের স্পন্দন অনুভব করেন, তেমনি বাবা প্রতিটি চিন্তায় সন্তানের ভবিষ্যৎ আঁকেন।
এই ছবি যেন বলে—সন্তান শুধু মায়ের গর্ভে নয়, থাকে বাবার হৃদয়েও। আর এভাবেই সম্পূর্ণ হয় একটি পরিবার, ভালোবাসা, ও জীবনের পথচলা।
দুই পাহাড়ের মধ্য দিয়ে বেয়ে চলা অপরূপ সৌন্দর্য্যপূর্ন সড়ক এশিয়ান হাইওয়ে, চট্টগ্রাম
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সকল পরিশ্রমী, মেহনতি মানুষের প্রতি।
শুভ মে দিবসের শুভেচ্ছা 🌹
পহেলা বৈশাখে পাহাড়ী শিশু নৃত্যশিল্পীদের অসাধারণ একটি নাচ।
08/04/2025
এটা কোনো আন্দোলন নয়—এটা চুরি, লুটতরাজ।
এটা কোনো প্রতিবাদ নয়—এটা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।
যারা প্রকৃতপক্ষে ফিলিস্তিনের পক্ষে আছে, তারা কখনোই এমন লুটতরাজের পক্ষে নয়।
যারা লুটপাট ভাংচুর করছে তাদেরকে চিহ্নিত করুন। ধরিয়ে দিন। সমাজকে বাঁচান। আন্দোলনকে বাঁচান।
বাংলাদেশে KFC, BATA, Coca-Cola কিংবা অন্যান্য বহুজাতিক কোম্পানির আউটলেটগুলো পরিচালিত হয় বাংলাদেশিদের মাধ্যমে। এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে হাজার হাজার পরিবার, এখান থেকেই চালিত হয় কারো বাবার চিকিৎসা, কারো সন্তানের পড়ালেখা, কারো স্বপ্ন।
এই প্রতিষ্ঠান ভাঙলে ক্ষতি হবে শুধু বাংলাদেশের মানুষের—ইসরায়েলের এক টাকাও কমবে না।
আর অসহায় ফিলিস্তিনের কোন উপকারে ও আসবে না।
আপনি যদি সত্যিই কোনো পণ্যের বিরুদ্ধে হন, তাহলে তা ছুঁবেন না, খাবেন না, কিনবেন না।
কিন্তু দোকান ভাঙবেন কেন? লুট করবেন কেন? চুরি করবেন কেন? বয়কট আর লুটপাট এক নয়।
যেটা হচ্ছে, সেটা বয়কট নয়—সেটা হচ্ছে উগ্রতা, সেটা হচ্ছে নৈরাজ্য।
দুঃখজনকভাবে কিছু গোষ্ঠী আন্দোলনের পবিত্রতাকে ব্যবহার করছে নিজেদের রাজনৈতিক বা গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নে। তারা সাধারণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করছে, আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি কলঙ্কিত করছে।
এই নৈরাজ্যবাদীরা যেটা করছে, তা আন্দোলনের বিরুদ্ধে একপ্রকার ষড়যন্ত্র।
আজ যদি দেশের ভিতরে সহিংসতা ছড়ায়, তাহলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নেবে।
চাকরি যাবে, ব্যবসা বন্ধ হবে—ক্ষতি হবে সাধারণ মানুষের।
এই দেশ আমাদের। এর ব্যবসা, এর কর্মসংস্থান, এর ভবিষ্যৎ—সবই আমাদের।
তাই ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ান, কিন্তু বাংলাদেশের ভিত নড়িয়ে দিয়ে নয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.