Restart with Ridwan
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Restart with Ridwan, Digital creator, Chittagong.
বাকিদের সাথে আমার পার্থক্য এতটুকুই যে আমি মিথ্যা বলিনা!😊
Assistant clinical psychologist | Ex-cadet | Public speaker | Fitness enthusiast | Life coach | Behaviour therapist
I pray 5 times salat, Alhamdulillah!🌻
প্রতিবারের মতো এবারও জাপান আবারও শিখিয়ে গেল—শৃঙ্খলা শুধু কথার বিষয় নয়, এটি একটি অভ্যাস।
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে হেরে যাওয়ার পরও জাপানি সমর্থকেরা স্টেডিয়ামে নিজেদের ফেলে যাওয়া ময়লা পরিষ্কার করে তবেই বের হয়েছেন। অথচ এই কাজ করার জন্য স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের নিজস্ব পরিচ্ছন্নতা কর্মী রয়েছেই।
তাহলে তারা কেন এটি করে?
কারণ, শৃঙ্খলা তাদের কাছে কোনো পরিস্থিতিনির্ভর আচরণ নয়; এটি তাদের চরিত্রের অংশ। ছোটবেলা থেকেই পরিবার, স্কুল ও সমাজ তাদের শেখায়—যে জায়গাকে ব্যবহার করবে, সেটিকে পরিষ্কার রেখে যাওয়াও নিজের দায়িত্ব।
আসলে শৃঙ্খলা এমন কোনো দক্ষতা নয়, যা ইচ্ছা হলে এক জায়গায় দেখাব, আর অন্য জায়গায় দেখাব না। এটি একটি অভ্যাস, যা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রকাশ পায়। যে মানুষ ছোট ছোট বিষয়েও দায়িত্বশীল, বড় বিষয়েও সাধারণত সেই একই মানসিকতা বহন করে।
Discipline is not what you do when someone is watching. Discipline is who you are, even when no one is.
চট্টগ্রামের বন্যা শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়। এর পেছনে যেমন অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা দায়ী, তেমনি আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসও এই সংকটকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
সারা বছর আমরা অনেকেই যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলি, প্লাস্টিক ও বর্জ্য ড্রেনে জমতে দিই, রাস্তা-ঘাট পরিষ্কার রাখার ব্যাপারে উদাসীন থাকি। এর ফল আমরা টের পাই বর্ষাকালে—যখন পানি সহজে নামতে পারে না, জলাবদ্ধতা বাড়ে, আর মানুষের দুর্ভোগও কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
আসলে discipline এমন কোনো বিষয় নয়, যা শুধু বড় অনুষ্ঠানে বা বিশেষ দিনে দেখাতে হয়। এটি প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজের মধ্যেই প্রকাশ পায়। আমি যদি নিজের বাড়ির সামনে, নিজের রাস্তা, নিজের শহরকে পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে না তুলি, তাহলে দুর্যোগের সময় সেই অবহেলার মূল্য পুরো সমাজকেই দিতে হয়।
পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়; এটি জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। Cleanliness is not an option but a mendatory decision.
আজ যদি আমরা অভ্যাস না বদলাই, তাহলে আগামী বর্ষায় আবারও একই সমস্যার মুখোমুখি হব। পরিবর্তনের শুরু হোক নিজের থেকেই।
May Allah (swt) grant us understanding and help us in this critical moment of the country.
Peace 🕊️
Tareq Rahman, Chairman. BNP
FIFA World Cup 2026 | Brazil vs. Japan
FIFA world cup বা আর্জেন্টিনা - ব্রাজিল বিতর্ক থেকে বেড় হয়ে এবার একটু HSC পরীক্ষার্থী এবং তাদের নেক্সট কি করতে হবে তা নিয়ে আলোচনা করি।
তোমরাও চাইলে তোমাদের প্ল্যান শেয়ার করতে পারো🤗
আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের ম্যাচ কি ফুটবল ইতিহাসের প্রথম বিতর্কিত ম্যাচ?
ফিফার বিশ্বকাপের মত এত বড় ওয়ার্ড ইভেন্ট কি আসলেই কারো কাছে liable থাকে?
এত এত প্রযুক্তির পরও কেন এত প্রশ্ন! আর কোথায় এসবের শেষ?
FIFA World Cup 2026 | Argentina vs. Egypt | Messi vs. Salah 💔
বিদায় ব্রাজিল, বিদায় প্রিয় নেইমার!💔😌
FIFA World Cup 2026 | Brazil vs. Norway
ড. সুষমা আর ড. কুশলের এই ঘটনার পর যা বুঝলাম, আমাদের পাব্লিক ঠিক এমন ভাবেই আমাদের প্রেসেন্স টা চান!
ওকে! আই এম রেডি!🤪🔥🥂
Dr. Shusama and Dr. Kushal divorce | Long term psychological effects that might be found as a result of this event (Part 1)
ডিভোর্স শুধু একটি সম্পর্কের সমাপ্তি নয়; অনেকের জন্য এটি জীবনের সবচেয়ে কষ্টদায়ক ও ট্রমাটিক ঘটনাগুলোর একটি।
দুইজন মানুষের বিচ্ছেদের প্রভাব শুধু তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। যখন সন্তান থাকে, তখন সেই প্রভাব প্রায়ই তাদের জীবনেও ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের ভাঙন, দ্বন্দ্ব, অনিশ্চয়তা বা আবেগগত দূরত্ব শিশুর নিরাপত্তাবোধ, আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করতে পারে।
বড় হওয়ার পর তারা হয়তো অজান্তেই একই ভয়, একই অনিরাপত্তা বা একই অস্বাস্থ্যকর সম্পর্কের ধরণ নিজেদের সম্পর্কেও বহন করতে পারে। এভাবেই এক প্রজন্মের অমীমাংসিত মানসিক ক্ষত আরেক প্রজন্মে গিয়ে পৌঁছাতে পারে—যাকে আমরা trauma cycle বা intergenerational trauma বলি।
তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—ডিভোর্স নিজে সবসময় ক্ষতির কারণ নয়। অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি বিষাক্ত, সহিংস বা অত্যন্ত দ্বন্দ্বপূর্ণ সম্পর্কে বেড়ে ওঠার চেয়ে একটি সুস্থ বিচ্ছেদ শিশুর জন্য কম ক্ষতিকর হতে পারে।
সচেতনতা, মানসিক সহায়তা, দায়িত্বশীল সহ-অভিভাবকত্ব (co-parenting) এবং ব্যক্তিগত healing-এর মাধ্যমে এই trauma cycle ভাঙা সম্ভব। কারণ ট্রমা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে যেতে পারে, কিন্তু সুস্থতাও যেতে পারে।
02/07/2026
সম্পর্ক একটা ফুলের মতো। যত্ন, সময় আর আন্তরিকতা দিয়ে তাকে জীবিত রাখতে হয়। কিন্তু সেই যত্ন শুধু একজনই করে যাবে, আর অন্যজন শুধু গ্রহণ করবে—এভাবে একটি সম্পর্ক দীর্ঘদিন সুস্থভাবে টিকে থাকা কঠিন।
মনোবিজ্ঞানে "Reciprocity" বা পারস্পরিকতার একটি ধারণা আছে। মানুষ স্বাভাবিকভাবেই চায় তার দেওয়া ভালোবাসা, সম্মান, সময় ও প্রচেষ্টার কোনো না কোনো প্রতিফলন দেখতে।
সেই প্রতিফলন সবসময় সমান পরিমাণে হতে হবে এমন নয়, কিন্তু একেবারে অনুপস্থিত থাকলে ধীরে ধীরে মানসিক ক্লান্তি, হতাশা এবং আবেগগত দূরত্ব তৈরি হতে পারে।
তবে সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—আমার সমস্ত মানসিক চাহিদা পূরণের দায়িত্ব আমার সঙ্গীর একার নয়।
অনেক সময় আমরা অজান্তেই নিজের একাকীত্ব, অনিরাপত্তা, আত্মসম্মানের ঘাটতি বা মানসিক অস্থিরতার সমাধান সম্পূর্ণভাবে সঙ্গীর কাছ থেকে আশা করতে শুরু করি। কিন্তু একজন মানুষ কখনোই আরেকজন মানুষের সব শূন্যতা পূরণ করতে পারে না।
সুস্থ সম্পর্কের জন্য যেমন পারস্পরিক যত্ন প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন self-healing, emotional regulation এবং নিজেকে নিজে সামলানোর সক্ষমতা।
কারণ সম্পর্ক আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কিন্তু পুরো জীবন নয়।
নিজের আবেগকে বুঝতে শেখা, নিজের দায়িত্ব নেওয়া এবং নিজের ভেতরে কিছুটা শান্তি তৈরি করতে পারা—এসবও সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী ও ভারসাম্যপূর্ণ করে।
তাই সম্পর্কে যত্ন চাইতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু নিজের ভেতরের প্রতিটি কষ্ট, ভয় বা অপূর্ণতার সমাধান সঙ্গীর কাছ থেকে প্রত্যাশা করাও বাস্তবসম্মত নয়।
একটি সুস্থ সম্পর্ক সাধারণত তখনই গড়ে ওঠে, যখন দু'জন মানুষ একে অপরের ভরসা হয়, কিন্তু কেউই সম্পূর্ণভাবে অন্যজনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে না।
"Your partner can support your healing, but cannot do the healing for you." অর্থাৎ, সঙ্গী আপনার সুস্থ হওয়ার পথে পাশে থাকতে পারে, কিন্তু আপনার হয়ে সুস্থ হওয়ার কাজটি করতে পারবে না।
Peace🕊️
29/06/2026
মানুষ তোমার কাছ থেকে ঠিক ততটুকুই নিতে পারবে, যতটুকু নেওয়ার সুযোগ আল্লাহ তাকে দিয়েছেন। এর বেশি নয়, এর কমও নয়।
তবে একটা বিষয় আমি বিশ্বাস করি— যার ভিত্তি বা basic foundation মজবুত, তার কাজ চোখে পড়বেই। হয়তো শুরুতে সবাই দেখে না, কিন্তু আন্তরিকতা, ধারাবাহিকতা আর দক্ষতা দীর্ঘদিন আড়ালে থাকে না।
আজ যখন দেখি, মাত্র ছয় মাসেরও কম সময় আগে একদম নতুন একটা কাজ শুরু করার পরও মানুষ আমার কাছ থেকে আরও বেশি কিছু প্রত্যাশা করছে, তখন বুঝতে পারি মানুষের উপকারে আসতে পারলে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি চায়। তারা চায় আমি থেমে না যাই, এই কাজটা চালিয়ে যাই।
তবে জীবনের পথচলায় ভুল-ত্রুটি অবশ্যই হবে। আমরা মানুষ, তাই ভুল করব— ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়। কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা চাওয়া আমাদের দায়িত্ব। ক্ষমা পেয়ে গেলে আলহামদুলিল্লাহ। আর ক্ষমা না পেলে, ধৈর্য ধরে নিজের ভুল শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
কারণ পৃথিবীতে সব কিছুর বিচার হয় না। অনেক অন্যায় শাস্তি পায় না, অনেক কষ্টের প্রতিকারও এই দুনিয়ায় মেলে না। তাই একজন মুমিন হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, চূড়ান্ত ও পরিপূর্ণ বিচার হবে সেই দিন, যেদিন কোনো হিসাবই বাকি থাকবে না।
তাই মানুষের প্রশংসায় যেমন অহংকার করার কিছু নেই, তেমনি সমালোচনায় ভেঙে পড়ারও কিছু নেই। এমন কি স্লো হয়ে গেলেও, থেমে যেতে নেই।
আমাদের কাজ হলো নিয়ত ঠিক রেখে নিজের দায়িত্ব পালন করে যাওয়া। ফলাফল, মানুষের হৃদয়ে গ্রহণযোগ্যতা, আর সব হিসাব-নিকাশ— সবই শেষ পর্যন্ত আল্লাহর হাতে।
Peace 🕊️
"আমার সাথেই কেন খারাপ হয়? আল্লাহ আমার সাথেই কেন সবসময় এমন অন্যায় করেন?"
এই প্রশ্নটা হয়তো আমরা অনেকেই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে করেছি।
যখন একের পর এক সমস্যা আসে, যখন প্রার্থনা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাই না, যখন অন্যদের জীবনকে সহজ আর নিজের জীবনকে কঠিন মনে হয়—তখন মনে হতে পারে, "কেন শুধু আমার সাথেই?"
কিন্তু একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, সব কষ্ট বা বিপদ এক ধরনের নয়।
কিছু পরিস্থিতি সত্যিই আমাদের জন্য পরীক্ষা হতে পারে। এমন কিছু, যা আমাদের ধৈর্য, বিশ্বাস, মানসিক শক্তি বা চরিত্রকে গড়ে তোলার সুযোগ দেয়।
আবার অনেক সময় এমনও হয়, যে অবস্থার জন্য আমরা আল্লাহকে দায়ী করছি, তার পেছনে আমাদের নিজের সিদ্ধান্ত, অভ্যাস বা বারবার করা ভুলগুলোরও ভূমিকা থাকে।
এর মানে এই নয় যে, প্রতিটি কষ্টের জন্য মানুষ নিজেই দায়ী। পৃথিবীতে অন্যায় আছে, দুর্ঘটনা আছে, অন্য মানুষের ভুলও আছে।
তবে নিজেকে শুধু একজন ভুক্তভোগী হিসেবে দেখলে আমরা উত্তর খুঁজে পাই না।
অনেক সময় "কেন আমার সাথে এমন হলো?" প্রশ্নের চেয়ে "এখন আমি কী করতে পারি?" প্রশ্নটাই আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়।
কারণ বাস্তবতা হলো, সব ঘটনার ব্যাখ্যা আমরা হয়তো আজই পাব না। কিন্তু নিজের দায়িত্বের অংশটুকু বুঝে নেওয়া এবং যেটুকু পরিবর্তন করা সম্ভব, সেটার দিকে মনোযোগ দেওয়াই আমাদের সবচেয়ে বেশি শক্তি দেয়।
Peace 🕊️
মনোবিজ্ঞানে আমরা প্রায়ই thought restructuring বা চিন্তার পুনর্গঠনের কথা বলি। অর্থাৎ, একজন মানুষকে তার ভুল ধারণা, বিকৃত চিন্তা বা অযৌক্তিক বিশ্বাসগুলো নতুনভাবে দেখতে সাহায্য করা।
তবে সময়ের সাথে সাথে আমি বিষয়টাকে একটু ভিন্নভাবে দেখতে শিখছি।
আমার কাছে এখন মনে হয়, thought restructuring হয়তো হেদায়াতের বিশাল প্রক্রিয়ার একটি ছোট অংশ মাত্র।
কারণ বাস্তবে আমরা এমন অনেক মানুষ দেখি, যারা পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়ার পরও সত্যকে গ্রহণ করতে চায় না। তাদের সমস্যা তথ্যের অভাব নয়; বরং সত্য মেনে নিলে নিজের অহং, অবস্থান, স্বার্থ বা দীর্ঘদিনের বিশ্বাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে হবে—সেটাই তারা এড়াতে চায়।
আবার আরেক ধরনের মানুষ আছে, যারা বুঝতে পারে। ভুলটা কোথায় সেটাও উপলব্ধি করে। কিন্তু তারপরও পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয় না। কারণ পরিবর্তন মানে অস্বস্তিকে মোকাবিলা করা, নিজের দুর্বলতার সামনে দাঁড়ানো, অথবা পরিচিত আরামের জায়গা থেকে বের হয়ে আসা।
অর্থাৎ, সত্যকে জানা আর সত্য অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা—দুইটি ভিন্ন বিষয়।
এ কারণেই সম্ভবত বলা হয়, "হেদায়াতের মালিক আল্লাহ।" মানুষের কাজ চেষ্টা করা, সত্য পৌঁছে দেওয়া, যুক্তি তুলে ধরা। কিন্তু কে সত্যকে হৃদয়ে গ্রহণ করবে এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে বদলাবে, সেটি সবসময় কেবল যুক্তি বা তথ্যের ওপর নির্ভর করে না।
ইতিহাসে এমন ঘটনাও দেখা গেছে যেখানে ক্ষমতাবান মানুষ সত্যকে অস্বীকার করেছে, এমনকি সত্য বলার মানুষকেও শাস্তি দিতে চেয়েছে। কারণ অনেক সময় সত্যের সাথে সংঘাতটা জ্ঞানের নয়, বরং অহং, স্বার্থ ও ক্ষমতার।
তাই আজ মনে হয়, মানুষের পরিবর্তনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা সবসময় অজ্ঞতা নয়। কখনো কখনো বাধা হয় সত্যকে গ্রহণ করার অনিচ্ছা, আর কখনো সেই সত্য অনুযায়ী বেঁচে থাকার সাহসের অভাব।
সত্য দেখানো যায়। সত্য বুঝিয়েও দেওয়া যায়। কিন্তু সত্যকে গ্রহণ করা এবং তার জন্য নিজেকে বদলানো—সেটি ভিন্ন এক journey!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
4000