Moon Star
চাওয়ার অধিকার সবার আছে,
কিন্তু পাওয়ার ভাগ্য সবার থাকে না🖤🌹
everyone has the right ask
But the luck
🤣🤣সকাল বেলা এক ছেলের ২০০ টাকার ফ্লেক্সি ভুল নাম্বারে চলে গেলো.....!
ফোনের অবশিষ্ট ৮ টাকা ২০ পয়সা বরাদ্দ
কল দিলো ভুল শোধরানোর জন্য.......!
ফোন রিসিভ করলো একজন সুকন্ঠী বালিকা। 😍
মনে হলো....!!!
২০০ টাকার কষ্ট তখন লাখ টাকার লাভে পরিনত হওয়ার উপক্রম।
হাই হ্যালো এর পরে শুরুটা ছেলেটিই করলো। 🤗
ছেলেঃ ভুলে চলে যাওয়া টাকাটা কি ফেরত পাওয়া যাবে...?? .
মেয়েঃ ভুলে চলে যাওয়া জিনিসটা ভুলে গেলেই ভালো,,, তাইনা....?? 🙃
ছেলেঃ ভাবছিলাম ভুলেই যাবো,
নিয়তি আপনার কাছেই নিয়ে যাবে ,
জানা ছিলো না। (কিঞ্চিৎ ফ্লার্ট) ...😅
মেয়েঃ (মৃদু হাসির সাথে) যদি ফেরত না দেই....?? 😇
(ছেলেটাকে স্লো বল দিচ্ছে, ছক্কা মা*র*তে হবে)
ছেলেঃ তবে আপনাকে ঋণী রাখবো না, প্রতিদিন হাসি শোনানোর পরিবর্তে সুধটা মওকুফ করা যাবে। 😁
মেয়েঃ হাসির বিনিময়ে পুরো আসলটা মাফ করা যায় না...?? (এইবার বাউন্স)
ছেলেঃ যদি হাসিটা চোখে দেখতে পেতাম, তবে না হয় আর্জি বিবেচনায় রাখতাম (ছেলেটাও কম কিসে!!)🙃
মেয়েঃ ২০০ টাকার বিনিময়ে চাওয়াটা বেশী হয়ে যাচ্ছে না....??☺🙄
(অফ স্টাম্পের বাইরের বল, দেখে শুনে খেলতে হবে)🙃
ছেলেঃ একটু আগে দু'শ টাকা ছিলো,
হাসিটা শোনার পর থেকে ওটা লাখ টাকা পার হলো বলে।
(কাভার ড্রাইভ দিলো)💪
মেয়েঃ (হা হা হা) উফফফ, আপনি পারেনও বটে।😆
বড্ড ফা*জি*ল তো আপনি.... !!!
(ব্যাটে বলে লেগেছে, ছক্কার সম্ভাবনা)💪
ছেলেঃমনে হচ্ছে আপনি ব্যস্ত, পরে কথা বলার জন্য আমার ফোন মেমরী খরচ করে নাম্বারটা সেভ করে রাখবো,😇
যদি অনুমতি দেন আর কি....!!!
(ফাইনাল শট, মিড অফের উপর দিয়ে)🙃
মেয়েঃ ও হো, আচ্ছা আমি আসলেই একটু ব্যাস্ত।
বাচ্চা দুইটা কাঁদছে!
নেন আমার হাজব্যান্ড এর সাথে কথা বলুন ২০০ টাকার ডিলটা সেই ক্লিয়ার করুক.....!!!!!!😳
এরপর এক মধ্য বয়স্ক বোলারের ঝাঁঝালো কন্ঠে ভেঙ্গে গেলো তরুনের উইকেট....!🙁
২০০ টাকার সাথে ৮ টাকা ২০ পয়সা গচ্ছা যাওয়ার পরে ফাকা চোখে আকাশে তাকালো....আহ !
সব ফাঁকা ফাঁকা লাগতেছে...!! 😪🐸
©️
🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣
নিয়মিত মজার মজার গল্প পেতে আইডি টা ফলো করে রাখুন আর হাসুন।
স্বামীর ক' লা' র ধরে স্ত্রী বলে ওঠলেন,
যদি পুরুষ হও তাহলে আমাকে তা' লা' ক দিয়ে দাও। তোমার মত মানুষের সাথে আর সংসার করতে চাই না। স্বামী অনেকক্ষণ চুপ থাকার পর বললেন, আচ্ছা। ঠিক আছে। তাহলে কাগজ কলম নিয়ে আসো। লিখে দিচ্ছি।.. স্বামী স্ত্রীর হাতে কাগজটি দিয়ে বলল, এই যে লিখে দিলাম। এখন এটা নিয়ে সোজা বাপের বাড়ি চলে যাও। ব্যাগ গুছিয়ে সন্তানকে কোলে নিয়ে বৌ বাপের বাড়ি চলে গেল।
দশ দিন পার হল। স্বামীর মোবাইল মেসেজ মেসেজ ভরে ওঠতে লাগল। স্বামী নিরুত্তাপ। নিরুত্তর। পনেরতম দিন থেকে শুরু হল কল। কখনো পরিচিত (স্ত্রী শশুর শাশুড়ি শ্যা"লক শ্যা"লিকার) নম্বর থেকে, কখনো অপরিচিত নম্বর থেকে। স্বামী কোন ফোনই রিসিভ করে না।.. শেষমেশ বিশ দিনের মাথায় স্বামী ফোন ধরল। স্ত্রী হাউমাউ করে কাঁদছে। ওগো.. লক্ষী.. সোনা.. আল্লাহর দোহাই.. তোমার মরা বাপের কসম সবই আরো কত কি বলছে। স্বামী সব শুনে বলল, কি বলতে চাও? সরাসরি বলো। এত ন্যাকামি শুনতে চাই না।
স্ত্রী: ওগো, আমি তো বুঝতে পারিনি। তুমি ছাড়া আমার কে আছে? তোমাকে ছাড়া আমি কিভাবে বাঁ'চবো বল!
স্বামী: তুমি ই তো বললে, পুরুষ হলে তালাক দাও।
স্ত্রী: তুমি পুরুষ। আমি তো মহিলা। আকল-বুদ্ধি কম।
স্বামী: আচ্ছা। ভেবে দেখি। এর আগে তোমাকে একটা কাজ করতে হবে
স্ত্রী : যা বলবে তাই করবো। তবুও..
স্বামী: এখন তো এগুলো বলবেই। এত ব্যস্ত হয়ো না। ভেবেচিন্তে কাজ করতে হবে। মাসআলা মাসায়েলের ব্যাপার আছে। আচ্ছা যে কাগজটা তোমাকে দিয়েছিলাম সেটা কি আছে তোমার কাছে?
স্ত্রী: হা। আছে।
স্বামী : ওটা খুলে দেখেছিলে?
স্ত্রী : না।
স্বামী: কী লিখেছিলাম, তাও তো মনে নেই। কাগজটা হাতের কাছে থাকলে একটু পড়ে শুনাও তো।.. স্ত্রী কাগজ খুলে পড়তে শুরু করল,
'আসমান যদি নীচেও নেমে আসে তবুও তোমায় তালাক দিব না আমার প্রেয়সী!'....🖤
"সমাপ্ত"
~°ভালোবাসা তো এমনি হওয়া উচিত °~❤️
"নিয়মিত এমন সব রোমাঞ্চকর গল্প পেতে আমাদের page ফলো করে রাখতে পারেন।" 🤍
একটা সিগারেট ধরিয়ে টানতে টানতে রাস্তা দিয়ে হাটতেছি!
এমন সময় পিছন থেকে একটা মেয়ে ডেকে উঠলো,
আঙ্কেল আঙ্কেল ভালো আছো
মেয়েটা খুব মিষ্টি! বয়স আনুমানিক চার কি পাঁচ!
আমি দাঁড়িয়ে বললাম,
হ্যা মা ভালো আছি!
কিন্তু কে তুমি
আমি মিথি! ক্লাস টু,তে পড়ি!
আমাকে চিনো কিভাবে
ওই যে মা (হাতে দেখিয়ে) বললো, তোমাকে আঙ্কেল ডাকতে!
আস্তে আস্তে মিথির মা আমার সামনে আসলো!
বোরকার মুখটা খুলতেই চমকে গেলাম! এতো আন্নেহা!
ভালো আছো ফাহিম
(আন্নেহা)
অনেক ভালো!
কিরকম ভালো সেতো দেখতেই আছি!
হাতে সিগারেট, মাথার চুল এলোমেলো! মুখে বিষন্নতার ছাপ!
হুম!
আচ্ছা ফাহিম জীবনটাকে একটু সুন্দর করে সাজাতে পারো না
সাজিয়েছিলাম তো, হঠাৎ একটা ঝড় এসে সব তছনছ করে দিলো!
আন্নেহা আর কিছু বললো না! আসলে ওর বলার মত কিছু নেই।
ইন্টারমিডিয়েট ফাস্ট ইয়ার থেকে শুরু করে অনার্স ফাস্ট ইয়ার পর্যন্ত আমাদের রিলেশন ছিলো!
অনেক ভালোবাসতাম আন্নেহাকে!
একদিন বৃষ্টিতে ভিজে আমার জ্বর হয়ে যায়,
৩দিন কলেজে যেতে পারিনি! তারপর যখন কলেজে গেলাম, তখন মেয়েটা আমাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে গেল!
অতঃপর এমন শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো যে ওর উষ্ণ পরশে আমার জ্বর একদম ভালো হয়ে গেল!
জড়িয়ে ধরে আন্নেহা কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলো,
এই হারামি তুই জানিসনা তোকে না দেখলে আমি একদিনও থাকতে পারিনা!
সেদিনেই বুঝেছিলাম ভালবাসা মানে কি!
তারপর থেকে আন্নেহার প্রতি আমি অসম্ভব দূর্বল হয়ে যায়!
দুজন খুব ভালোই ছিলাম। খুব ভালোই চলছিলো আমাদের দিনগুলো।
হঠাৎ একদিন খবর পেলাম, আন্নেহার বিয়ে ঠিক।
ফোন দিলাম,
আন্নেহা কি শুনছি এসব
তোমার নাকি বিয়ে ঠিক
হুম!
তুমি রাজি
হুম রাজি! রাজি না হয়ে কি করবো বলো
মানে
দেখো ফাহিম এ পর্যন্ত আমি অনেকগুলো বিয়ে ভেঙ্গেছি শুধু তোমার জন্য!
কিন্তু এখন পর্যন্ত তুমি কোনো চাকরি যোগার করতে পারোনি! আর কত
চাকরিটা ই কি সব
হুম চাকরিটা ই সব।
কারন আবেগ আর ভালবাসা দিয়ে জীবন চলে না।
ফোন রেখে দিলাম, সাথে সাথে নাম্বারটাও ডিলিট করে দিলাম।
আর কোনোদিন আন্নেহার সাথে আমি যোগাযোগ করার চেষ্টা করিনি। বহুদিন পর আজ হঠাৎ দেখা!
ঘোর ভেঙে দিয়ে আন্নেহা বলে উঠলো,
ইদানিং কি করছো ফাহিম..
কিছুনা!
কোনোরকম জব
হয়েছিলো, ছেড়ে দিয়েছি!
কেন
কার জন্য করবো বলো
দুনিয়াতে মা বাবা, বা আপন বলতে কেউ নেই!একজন মানুষকে অনেক ভালোবাসতাম সেও আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।
এখন চাকরি দিয়ে কি হবে!
কথাগুলো শুনে আন্নেহার চোখের কোণে জল চলে আসলো!
এমন সময় তার স্বামীর আগমন! পরিচিতি পর্ব শেষে বিদায়..
দোকান থেকে ২প্যাকেট সিগারেট কিনে মেসে চলে গেলাম! আজ সারারাত ঘুম হবে না, পূর্বের স্মৃতিগুলো খুব বেশী মনে পড়বে!
" সমাপ্ত "
গল্প : #সত্যিই_কী_ভালোবেসেছিলে?
মন ছুয়ে যাওয়া গল্প পেতে নীল লেখায় চাপ দিয়ে আইডিটা ফলো করুন 👉Moon star
Category
Website
Address
Chittagong
3890
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Moon Star posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.