Ariful Islam99
whatsApp +966532013981
দাড়ি টুপি মাথায় থাকলেই মানুষ হওয়া যায় না
11/06/2026
পুরুষ মানুষকে কখনো দায়িত্ব শেখাতে হয় না, পরিস্থিতি তাদের সময়ের আগেই পুরুষ বানিয়ে দেয়...😢
একটু ভালো করে তাকিয়ে দেখুন এই নিষ্পাপ মুখটার দিকে। ওর চোখের দিকে তাকালে কি দেখতে পান? কোনো চপলতা, কোনো ছেলেমানুষি? না, সেখানে লুকিয়ে আছে এক লড়াকু সৈনিকের গল্প। যে বয়সে ওর পিঠে থাকার কথা ছিল স্কুলের রঙিন ব্যাগ, হাতে থাকার কথা ছিল খেলার বল আর বন্ধুদের সাথে মেতে থাকার কথা ছিল দূরন্তপনায়—আজ সেই বয়সে ওর মাথায় চেপে বসেছে এক চরম নিষ্ঠুর বাস্তবতা! এক ঝুড়ি পানির বোতল।
আজ ওর বাবা বেঁচে নেই। মাথার ওপর থেকে ছায়াটা সরে গেছে। ঘরে অপেক্ষা করে আছে এক অসহায় মা আর একটা ছোট্ট ভাই। ক্ষুধার জ্বালা যে কত বড় কঠিন, তা এই বয়সেই ও বুঝে গেছে। ও জানে, ও যদি আজ স্টেশনের এই তপ্ত রোদে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পানি বিক্রি না করে, তবে রাতে ওর মায়ের চুলোয় হাঁড়ি চড়বে না, ছোট ভাইটার মুখে এক লোকমা খাবার উঠবে না।
আমরা অনেকেই সামান্য কষ্টেই ভেঙে পড়ি, ভাগ্যের দোহাই দিয়ে বসে থাকি। আর এই বয়সেই এই শিশুটি কোনো অভিযোগ ছাড়া, কোনো অজুহাত ছাড়া জীবনের কঠিনতম যুদ্ধে নেমে পড়েছে। সত্যি, ছেলে মানুষকে কখনো দায়িত্ব আঙুল দিয়ে শিখিয়ে দিতে হয় না; পরিবার যখন সংকটে পড়ে, তখন বুক পেতে সেই দায়িত্ব নিতে তারা ঠিকই জানে।
আমাদের বিবেক আজ কোথায়? আমরা প্রতিদিন কত টাকা অনাহারে-অহেতুক নষ্ট করি, অথচ আমাদের চারপাশেই এমন হাজারো 'ছোট্ট বাবা' তাদের পুরো পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ঘুরছে। এই বাচ্চাটার এই বয়সে শ্রম দেওয়াটা কোনো আনন্দের নয়, এটা আমাদের সমাজের এক নির্মম পরাজয়!
আসুন, এই ছবিটা শুধু দেখে এড়িয়ে না যাই। আমাদের চারপাশের এমন সুবিধাবঞ্চিত, জীবনসংগ্রামী শিশুদের প্রতি একটু সদয় হই। এদের কাছ থেকে জিনিস কেনার সময় দরাদরি না করে, একটু বেশি দিয়ে হলেও এদের পাশে দাঁড়াই।
আল্লাহ এই ছোট্ট ভাইটির এই কঠিন লড়াইকে সহজ করে দিন, ওর রিজিকে বরকত দিন এবং ওর পরিবারকে নিরাপদে রাখুন। আমীন। 🤲
এত রাগ কার সাথে দেখাবা যদি আমি না থাকি
11/06/2026
চেহারায় ভদ্রতার আড়ালে লুকিয়ে আছে ভয়ঙ্কর চোর চক্র! সবাই সাবধান হোন! 🚨⚠️
দেখুন, ছবিতে যে নারীদের দেখছেন, এদের দেখে কি সাধারণ কোনো চোর মনে হয়? সুন্দর চেহারা, পরিপাটি পোশাক—অথচ এরা সবাই একটি সুসংগঠিত চোর চক্রের সদস্য! সম্প্রতি ঢাকা গাউছিয়া মার্কেটে কাপড় চুরি করতে গিয়ে এই পুরো চক্রটি হাতেনাতে ধরা পড়েছে।
সবচেয়ে লজ্জাজনক এবং দুঃখজনক বিষয় কী জানেন?
এই নারীরা নিজেদের অপরাধ ঢাকতে এবং মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার জন্য সাথে একটা নিষ্পাপ অবুঝ বাচ্চাকেও রাখে! ধরা পড়ার পর একেকজন একেক অজুহাত দেয়—কারো নাকি স্বামী নেই, কেউ অসহায়, স্বামী ফেলে চলে গেছে!
আচ্ছা বুঝলাম স্বামী নেই বা পরিস্থিতি খারাপ, তাই বলে চুরি করতে হবে? পেটের দায়ে কি মানুষ গার্মেন্টসে চাকরি বা অন্য কোনো হালাল কাজ করতে পারে না? এই ছোট্ট একটা বাচ্চাকে সাথে নিয়ে যারা এমন অপরাধ করছে, তারা এই নিষ্পাপ শিশুটিকে বড় হয়ে কী শেখাবে? কোন অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে তাকে?
মার্কেটের ব্যবসায়ী এবং ক্রেতা ভাই-বোনদের উদ্দেশ্যে অনুরোধ:
চেহারা দেখে কাউকে বিশ্বাস করবেন না: আজকাল পেশাদার চোরেরা দেখতে অনেক মার্জিত ও ভদ্র পরিবারের সদস্যের মতো হয়, যাতে কেউ সহজে সন্দেহ না করে।
দোকানিরা সজাগ থাকুন: গ্রুপ বেঁধে যখন কোনো নারীদের দল দোকানে ঢুকবে, বিশেষ করে যাদের সাথে বাচ্চা বা বড় ব্যাগ থাকে, তাদের ওপর কড়া নজর রাখুন।
ভিডিও ও ছবিগুলো চিনে রাখুন: এদের চেহারাগুলো ভালো করে দেখে রাখুন, যেন আপনার দোকানে বা আশেপাশে এদের দেখলে আগে থেকেই সতর্ক হতে পারেন।
আসুন, এই অপরাধী চক্রের মুখোশ সবার সামনে উন্মোচন করি। একটি শেয়ার হয়তো কোনো ব্যবসায়ী ভাইকে বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে!
যারা বোর ইনকাম খাওয়ার চিন্তাভাবনা করেন
10/06/2026
বাবা হারানো এতিম দুই শিশুকে নিয়ে রাস্তায় বসে সাহায্য চাচ্ছেন এই অসুস্থ মা! নিয়তির কী নির্মম পরিহাস, আজকে যদি বাচ্চাদের বাবা বেঁচে থাকতেন, তাহলে হয়তো এই অবুজ সন্তানদের নিয়ে এভাবে ফুটপাতে ঘুরতে হতো না।
কোনো কোনো দিন কপালে একমুঠো খাবারও জোটে না। আর যেদিন জোটে, একটা মাত্র ডিম দুই ভাই ভাগ করে খায়! তাও এই মাসুম বাচ্চাদের মুখে কোনো অভিযোগ নেই। এই অসহায় মায়ের বুকফাটা আকুতি আর চোখের জল শুধু একটাই—তিনি তার এই দুই সন্তানকে পবিত্র কুরআনের হাফেজ বানাতে চান। কিন্তু বাবা না থাকায় আজ তারা নিঃস্ব, রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন।
মা বলছিলেন, "আমার আশা এখনো থামেনি, যেকোনো উপায়ে হোক আমি আমার এই দুই সন্তানকে আল্লাহর কালামের হাফেজ বানাবোই।"
এই অবুজ দুটি বাচ্চার মুখের দিকে তাকিয়ে, মায়ের স্বপ্নটা পূরণ করতে সবাই একটু মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনার পবিত্র যাকাত আর সদকার টাকা এই অসহায় এতিমদের জন্য পৌঁছে দিন।
📞 সরাসরি যোগাযোগ ও সাহায্য পাঠানোর নাম্বার: 01711085064 (WhatsApp)
(সবাই দয়া করে এই নাম্বারে কল দিয়ে যোগাযোগ করে আপনাদের সাহায্য পাঠান এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন।)
আমার সন্তান পঙ্গু মামা একটা পান নেন আমার সন্তানের চিকিৎসা করব
এতিম হাফেজ আশিকের ওয়াজ শুনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলেন না পথচারীরা মনটা জুড়িয়ে যায়
09/06/2026
মা-বাবা কেউ নেই, এই বিশাল ও নিষ্ঠুর পৃথিবীতে ওরা দুজনই এখন একে অপরের একমাত্র আশ্রয়, একমাত্র পরিবার। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে এভাবেই ফুটপাতে কেটে যায় ওদের দিন-রাত। কেউ দয়া করে দিলে দুটো মুখে অন্ন জোটে, আর না দিলে বুকভরা ক্ষুধা নিয়েই ঘুমিয়ে পড়তে হয় খোলা আকাশের নিচে।
নিজের পেটে খিদে নিয়ে, নিজের মুখের শেষ গ্রাসটুকু ছোট বোনটার মুখে তুলে দেওয়ার এই যে আকুলতা—তা কেবল কোনো বড় বোনের পক্ষেই সম্ভব। এই নিষ্পাপ মুখগুলোর দিকে তাকালে বুকটা ভেঙে যায়। আমাদের সামান্য একটু সহানুভূতি আর বাড়িয়ে দেওয়া হাত হয়তো বদলে দিতে পারে ওদের এই কষ্টের জীবন। আসুন, অবহেলা না করে যার যার সাধ্যমতো এই অসহায় প্রাণগুলোর পাশে দাঁড়াই। মানবতা বেঁচে থাকুক আমাদের হাত ধরে। জানিনা এদের ভাগ্য কোনোদিন বদলাবে কিনা!
রিয়াদ বাঙালি মার্কেট মসজিদের সামনে একমাস ধরে শুয়ে আছে!😢😢
Click here to claim your Sponsored Listing.