ASIF
and (2001 to 2010) he is most populer singer. Asif was pretty mischievous as a child and as he grew up he aspired to become a cricketer. Bachbona (2005)
14.
Asif has made numerous concert tours and bagged various prestigious awards and recognitions that include the National Award in 2006 for the best male playback singer and the Meril Prothom Alo Award for five consecutive times (from 2002 to 2006 & 2013). But fate had something else in store for him. “We had to take breaks while playing cricket during the rainy season, so we sang using milk cans as our 'tabla.' This led us to create a band called 'The Fickle Boys' and we gave our first performance in 1996.” Born, brought up and educated in Comilla, Asif decided that it was time to move to the city of dreams, Dhaka, in 1997. Asif said, “The famous music director, Shawkat Ali Emon gave me the first break and I started doing playback for films from '98 onwards. My first album was released in 2001. From then on I started to venture in all fields of music -- audio recording, stage performances, playback singing, you name it, I did it!”
A strong supporter of charity, Asif believes in honesty, integrity, punctuality, hard work and having fun. A dedicated social activist, At present he is working with the Prothom Alo Aid Fund for acid victims and is a special correspondent of the daily Manab Zamin also.
“I attend workshops and meet acid victims, our objective is to help them and train them to become self-reliant,” said Asif. Music, charity, social work, and journalism make Asif full fill. He Smiling continuesly, “I receive a call every 20 seconds and have to deal with different people. Sometimes it gets pain but I always try to keep my cool and be helpful.” This much sought after modern singer is committed to the music industry and has managed to keep his audiences enthralled with his song.
╔═════════════════╗
║ Solo Album Name ◙▐►►►►►►
╚═════════════════╝
01. O Priya Tumi Kothay (2001)
02. Tumie-E-Shukhi Hou (2002)
03. Tumi Kotha Rakhoni (2002)
04. Tumi-O-Kadbe Ekdin (2002)
05. Shukhe Theko Tumi Bandhobi (2003)
06. Pashanee Tumi Pashanee (2003)
07. Tumi-E-Mone Rakhoni (2003)
08. Eakbar Bolo Tumi (2004)
09. Keno Tumi Sukhe Thakbe (2004)
10. Tumi-E-Valo Bashoni (2004)
11. Tobu Valobashi (2004)
12. Batashe Prem Uriya Dio (2005)
13. Jobab Dao (2005)
15. Ovinoy (2006)
16. Songshar (2006)
17. Ridoya Rakta kharan (2006)
18. Bondi (2007)
19. Shorto (2007)
20. Boikaler Chand (2007)
21. Kichu Vul Kichu Smriti (2008)
22. Akhono Joshna Dekhi (2008)
23. Ek Phota Ossru (2008)
24. Bondhu Tor Khobor Kire (2009)
25. Pani Nai Cokhe (2009)
26. Sei Din Guli Koi (2009)
27. Dorodiaray(folk song) (2009)
28. Shonkolito Desher Gaan (2009)
29. Ex-Prem (2013)
30. Jaan Re (2014)
একজন বয়স্ক অপারেশন রোগীর জন্য জরুরি রক্তের প্রয়োজন।
রক্তের গ্রুপ: A পজেটিভ
বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, শাহবাগ।
যোগাযোগ : 01778887182
11/08/2026
মিউজিকে আমি অনুপ্রবেশকারী এবং সৌভাগ্যবান শিল্পী। সঙ্গীত গুরুমুখী বিদ্যা হলেও আমি সম্পূর্ন ব্যতিক্রম। তাই দেশীয় সঙ্গীতের প্রতি আমার দায়বদ্ধতাও রয়েছে শতভাগ। পেশাদার সঙ্গীত ক্যারিয়ারে প্রবেশের বয়সও প্রায় ২৮ বছর। সঙ্গীত অনেক দিয়েছে, সুরের মায়ার জড়িয়েছি, এ যেন বারমুডা ট্রায়াঙ্গল, ফিরে আসার পথ নেই। খুব বেশী পীড়া দেয় বছর বছর ক্যালেন্ডারে ফিরে আসা প্রয়ান দিবসগুলো।
শ্রদ্ধেয় গাজী মাজহারুল আনোয়ার চাচার গান গাওয়ার সুযোগ পেয়েছি, তিনি শুধু একজন গীতিকবি নন, ছিলেন ইন্ডাষ্ট্রীর জ্বালানী। শ্রদ্ধেয় গ্রেট কম্পোজার আলাউদ্দীন আলী কাকা, আনোয়ার পারভেজ স্যার, আলম খান আঙ্কেল, আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ভাই, লাকী আখন্দ ভাইয়ের বিরল সান্নিধ্য পাওয়া আমার সৌভাগ্য। শ্যাম সুন্দর বৈষ্ণব কাকা ছিলেন সদা প্রানবন্ত। উনারা একেকজন দেশের মিউজিকে সুউচ্চ মিসরীয় পিরামিডের মত।
শ্রদ্ধেয় শাহনাজ রহমতউল্লাহ্ আপার সাথে শো করেছি, প্ল্যান করেও রেকর্ডিং হয়নি, এই আফসোস থাকবে আজীবন। লালন কন্যা ফরিদা পারভীন আপা ছিলেন মেজাজী মানুষ, তবে হাসিটা লেগেই থাকতো মুখে। শাম্মী আকতার আপার স্নেহমিশ্রিত ভাইডি' ডাক খুব মিস করি। অ্যান্ড্রু কিশোর দাদা আর আইয়ুব বাচ্চু ভাইয়ের সাথে কাটানো সবচেয়ে মজার দিনগুলো সেলুলয়েডের ফিতার মত এখনো সজীব। মিস করি হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল ভাইয়ের আন্তরিকতা আর শাফিন আহমেদ ভাইয়ের স্টাইলিশ অ্যাটিট্যূড। সুবীর নন্দী দাদার বিনয় এবং সিনসিয়ারিটি ছিল আনপ্যারালাল। গুরু আজম খান ভাইয়ের সাথে কেটেছে আলাদা কিছু সময়, তিনি শিল্পীর চেয়েও বেশী ছিলেন দার্শনিক। মিস করি আমাদের বাঁশীওয়ালা বারী সিদ্দিকী ভাইয়ের সাথে আড্ডা। ফকির আলমগীর ভাইয়ের উপস্থিতি সবসময় ছিল উৎসবমুখর। প্রিয় মনি কিশোর দাদা ছিলেন রসিকরাজ, মাতিয়ে রাখতেন সবাইকে। প্রয়াত কিংবদন্তীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। আমার ছোট্ট ক্যারিয়ার ভাবনার বাইরে গিয়ে বড় আকাশটায় বিলীন হয়েছে, একজীবনে এটাই স্বার্থকতা।
ভালবাসা অবিরাম।
প্রয়াত আলম খান আঙ্কেলের সাথে একটা প্রতীকী ছবি...
🩸 জরুরি রক্তের প্রয়োজন 🩸
রক্তের গ্রুপ: ও নেগেটিভ (o)
পরিমাণ: ১ ব্যাগ
রোগীর সমস্যা: কিডনিতে পাথর
ঠিকানা নিউ লাইফ হাসপাতালে ধানমন্ডি গ্রীন রোড, ঢাকা
যোগাযোগ: :01921806730
(রোগীর লোক)
একজন ও নেগেটিভ রক্তদাতা খুবই জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন।
একজন মুমূর্ষু রোগীর জন্য আজকের মধ্যে এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন ।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট শ্যামলী ঢাকা।
মোট ১৪ ব্যাগ রক্ত প্রয়োজন।
যোগাযোগ : 01932121247
01915568904
01611880328
লিফটে : ৫
ওয়ার্ড নাম্বার : ১৫
বেড নাম্বার : ৭
বি:দ্র: অপ্রয়োজনীয় কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
একজন মুমূর্ষু রোগীর জন্য আজকের মধ্যে এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন ।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট শ্যামলী ঢাকা।
মোট ১৪ ব্যাগ রক্ত প্রয়োজন।
যোগাযোগ : 01932121247
01915568904
01611880328
লিফটে : ৫
ওয়ার্ড নাম্বার : ১৫
বেড নাম্বার : ৭
08/08/2026
মহামতি সত্যজিত রায়ের হীরক রাজার দেশে সিনেমাটি আবারও দেখলাম। এই সিনেমাটি দেখলে প্রায় বিস্মৃত হয়ে যাওয়া কিছু সুক্ষ্ম আচরন আবার মানসপটে চলে আসে। হীরক রাজা যন্তরমন্তর ঘরে ঢুকিয়েছিল কৃষক ফজল মিয়া ও খনি মজুর বলরামকে, আর চরনদাস বাউলকে পিটিয়ে গর্তে ফেলে দিতে বলেছে, পতনের শুরু তখন থেকেই। মাস্টারমশাই পালিয়ে পাহাড়ে আশ্রয় নিলেও ছাত্ররা উনার প্রদেয় শিক্ষা ভোলেনি। পরবর্তীতে স্বয়ং হীরক রাজা যন্তরমন্তর ঘর থেকে ব্রেনওয়াশ ( মস্তিষ্ক প্রক্ষালণ ) শেষে সমস্বরে বলতে থাকলো- দড়ি ধরে মারো টান রাজা হবে খান খান...
অত্যাচার কাবু করতে পারেনি চরনদাস বাউলকে, একটু গরম দুধ খেয়েই আবার গেয়ে উঠলেন- দেখো ভাল যে জন রইলো ভাঙ্গা ঘরে, মন্দ যে সে সিংহাসনে চড়ে, ও ভাই সোনার ফসল ফলায় যে তার দুইবেলা জোটেনা আহার, হীরার খনির মজুর হয়ে কানাকড়ি নাই ! ঐদিকে মাস্টামশাই হাল ছাড়েননি, ঠিকই হীরক রাজার পতন ঘটিয়েছেন। রাজ জ্যোতিষি, চাটুকার মন্ত্রী, কাল- চাড়াল ( কালচারাল) ফ্যাসিস্টসহ সব অত্যাচারীর পতন ঘটেছে, ঠিক যেন ৩৬ জুলাই !!!
দেশের গান অনেক গেয়েছি আরো গাইবো, তবে এবার তৈরী করবো এন্টি চাটুকার সঙ্গীত। শিল্পীদের অনুরোধ করবো, নিকট অতীতের চাটুকার শিল্পীদের আচরন এবং পরিনতি থেকে শিক্ষা নিন, নিজ নিজ অবস্থান থেকে বাংলাদেশের পক্ষে সংস্কৃতির চর্চা করুন। চরনদাস বাউলের ভাষায়- গান শেষ তো জান শেষ, আমার যেদিন থেকে জ্ঞান, সেদিন থেকেই গান! গতকাল আবারো পড়লাম বিদ্রোহী কবির "সাহেব ও মোসাহেব" কবিতাটি।
সাহেব কহেন, "চমৎকার! সে চমৎকার!"
মোসাহেব কহে, "চমৎকার সে তো হতেই হবে! হুজুরের মতে অমত কার!"
নতুন বাংলাদেশে চর্বিওয়ালা বিশ্বাসঘাতক চাটুকারদের পুরনো সংস্কৃতি জেঁকে বসেছে আবার। এই দূর্ভাগা দেশটার জন্যই গান ও কবিতার শক্তিকে অস্ত্র বানিয়ে তারুন্যের মশাল জ্বালিয়ে রাখতে হবে।
ভালবাসা অবিরাম...
07/08/2026
সফল জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তিতে জেগেছে নতুন বাংলাদেশ। স্বদেশী দানবের বিরুদ্ধে ছাত্র- জনতার ঐতিহাসিক বিজয়ে বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো ১৪০০ বীর জুলাই শহীদ, ৩০ হাজার আহত জুলাই যোদ্ধার প্রতি। অত্যাচারী খুনী লুটেরা দেশদ্রোহী ফ্যাসিস্টরুপে দানবীয় অসুরের বিরুদ্ধে মুক্তিকামী জনতার বহু আকাঙ্খিত বিজয়ের নাম জুলাই বিপ্লব। বাংলাদেশ আজ অনুশোচনাহীন অসভ্য বর্বর পলাতক ফ্যাসিস্টের খপ্পর থেকে রাজনৈতিক পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্ত।
অনুভূতির প্রতিটি অনুরণনে বাজতেই থাকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথাগুলো। ফ্যাসিস্টকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন- ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বেগম জিয়ার মত আপসহীন দৃঢ়তা বিরাজমান জেন-জি প্রজন্মের অস্তিত্বে। তিনি বলেছিলেন- দেশের বাইরে আমার কোন ঠিকানা নেই, এই দেশ, এই দেশের মাটি মানুষই আমার ঠিকানা। তিনি শায়িত হয়েছেন এই মাটিতেই, বেগম জিয়ার জানাজায় বিস্ফোরিত হয়েছে সর্বস্তরের মানুষের আবেগ, তিনি বিদায় নিয়েছেন গর্বিত বিজয়ীর মতই।
রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে বেগম খালেদা জিয়া এদেশের মানুষের স্মৃতিতে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে থাকবেন চিরঅম্লান। উনার ত্যাগ আর সংগ্রামের ইতিহাস যুগে যুগে প্রেরনা যোগাবে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে। ম্যাডাম আপনি সফল, এই দেশের তারুণ্য আপনার আপসহীনতাকে অন্তরে ধারন করে। আর কোন শৃঙ্খলে আবদ্ধ হবেনা বাংলাদেশ, আপনি এই বাংলাদেশের আপামর জনতার হৃদয়ে দ্রোহের অগ্নিমশাল হয়ে জ্বলবেন অনন্তকাল। বিনম্র শ্রদ্ধা প্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আপনার কাছ থেকে শেখা ইস্পাত কঠিন দেশপ্রেম ভোলার মত নয়, আপনাকেও ভুলবোনা কোনদিন।
ভালবাসা অবিরাম...
দেশের গ্রেট প্লেয়ার হিসেবে তার প্রতি সিমপ্যাথি ছিল। আসলে সে খুনীর প্রমানিত দোসর, ফ্যাসিস্ট। বিলম্বিত বোধোদয়ের জন্য আমি লজ্জ্বিত, দূঃখিত, ক্ষমাপ্রার্থী।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি ( ভারপ্রাপ্ত),
মাননীয় স্পীকার,
আপনার সময় আনলিমিটেড 🔥
04/08/2026
চার্লস ডারউইনের বিখ্যাত বিবর্তণবাদের (Evolution Theory) ছয়টি মুলনীতি- অতিরিক্ত বংশবৃদ্ধি, জীবন সংগ্রাম, বৈচিত্র্য বা প্রকরণ, যোগ্যতমের উদ্ভব ও প্রাকৃতিক নির্বাচন, বংশগতি এবং নতুন প্রজাতির উৎপত্তি।
জুলাই বিপ্লবের মূল লক্ষ্য ছিল দেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করা। ১৪০০ শহীদ এবং ৩০ হাজার আহত জুলাই যোদ্ধার ত্যাগের বিনিময়ে সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। সফল জুলাই বিপ্লবের পরে দেশের মানুষের আশা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি ছিল জাতীয় ঐক্যের পক্ষেই। নতুন ধারার রাজনীতি শুরু হবে, বিভক্ত জাতি এইবার ঐক্যবদ্ধ হবে। নাহ্, এসবের কোন কিছুই দৃশ্যমান নয়।সেই পুরনো ডিভাইড এন্ড রুল খেলা শুরু হয়েছে। পালিয়ে গেছে ব্যাঙ্গের দল, উচ্ছিষ্ট ব্যাঙ্গাচিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের আসল জাত দেখানোর ক্ষুদ্র অপচেষ্টায় লিপ্ত, ওরা মিশে গেছে স্বক্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোয়, আশাহত জাতি।
ডারউইনের বিবর্তণবাদের বৈজ্ঞানিক সমর্থন প্রশ্নবিদ্ধ, তবে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় এই তত্ত্ব মিলিয়ে ফেলতে গবেষণার প্রয়োজন নেই। মূহুর্মূহু মোবাইল স্ক্রল করা পন্ডিতের দেশে জ্ঞানচর্চা বা যুক্তিতর্কের কোন খাদ্য নেই, যে কারনে ক্ষুদ্রতম দেশ কেপ ভার্দে বিশ্বকাপ খেলে আর আমরা জনসংখ্যার চেয়েও বেশী ৩০ কোটি ফেসবুকার গনি মিয়ার মত হাততালি দেই। কোন ব্যক্তি দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয় জুলাই বিপ্লব, পলাতক ফ্যাসিস্ট গং ছাড়া এ বিজয় মুক্তিকামী জনতার। এই সাধারন জনতাই ৭১ সালে মহান মু্ক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন করেছেন, আর ২৪ এর জুলাইয়ে জাতি মুক্তি পেয়েছে স্বজাতি দানবের কাছ থেকে, সুতরাং পড়তে হবে, নকল চলবেনা। জুলাই নিয়ে বিজনেস অথবা ইগনোর করে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা যাবেনা। জুলাই কোন মৃত কিংবা ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি নয়, ৭১ এর মতই এই জুলাই সুপ্ত এবং জীবন্ত ভিসুভিয়াস।
ভালবাসা অবিরাম...
ছবি- মুশফিক, NY