SM Rafiq
বাক্য অপেক্ষা কর্মের দ্বারা নিজেকে পরিচিত করিতে অধিক আগ্রহী। সত্যের জয় অনিবার্য।
01/06/2026
একটি জীবন্ত ইতিহাসের অবসান... বিদায় জননেতা তোফায়েল আহমেদ! 😢
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক জ্বলন্ত নক্ষত্র, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আর নেই। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক, যিনি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন, তিনি আজ নিজেই ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে গেলেন। '৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর অবদান এ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
তৎকালীন তুখোর ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতির এক অবিসংবাদিত অভিভাবক হয়ে ওঠার এই বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের সমাপ্তি বাংলাদেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। একটি যুগের অবসান হলো।
মহান আল্লাহর কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
ওপারে ভালো থাকবেন, বাঙালির ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি। 🙏🇧🇩
20/05/2026
নিস্পাপ দুটো চোখে কত স্বপ্ন থাকার কথা ছিল, অথচ সেই চোখ দুটো চিরতরে বুজে গেল এক নির্মম পৈশাচিকতায়। মাত্র সাত বছরের একটা শিশু, যে হয়তো এখনো ঠিকমতো পৃথিবীটাকেই চিনে উঠতে পারেনি, তাকে যে অমানুষিক বর্বরতার মধ্য দিয়ে যেতে হলো—তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়।
আমরা কি আসলেই একটা সভ্য সমাজে বাস করছি? যেখানে একটা ছোট্ট শিশুও নিরাপদ নয়? এই ব্যর্থতা কার? এই দায় কার? ক্ষমা করে দিও মা... এই সমাজ, এই দেশ তোমাকে রক্ষা করতে পারেনি। তোমার এই চলে যাওয়া আমাদের বিবেককে আরও একবার কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিল। আমরা আর কত এমন নির্মমতার সাক্ষী হবো? শুধু শোক প্রকাশ আর দুঃখ প্রকাশে কিচ্ছু বদলাবে না। এই ঘৃণ্য অপরাধের সাথে জড়িত পশুদের দৃষ্টান্তমূলক এবং দ্রুততম বিচার নিশ্চিত করতেই হবে। যেন আর কোনো মায়ের কোল এভাবে খালি না হয়।
29/04/2026
সুখ কোনো রাজপ্রাসাদে থাকে না, সুখ থাকে মায়ের ওই এক চিলতে হাসিতে। শত কষ্টের মাঝেও সন্তানের হাসিমুখ দেখে সব দুঃখ ভুলে যাওয়ার নামই হলো 'মা'।
হয়তো কোনো এক রাজপ্রাসাদের নরম বিছানায় শুয়ে কেউ আজ বিষণ্ণতায় ভুগছে, অথচ এই ধুলোমাখা কঠিন সিমেন্টের ওপর বসেও মা-ছেলের মুখে কী তৃপ্তির হাসি! একেই কি বলে বিধাতার শ্রেষ্ঠ বিচার?
আমরা যারা সামান্য কিছু না পেলে জীবনকে অভিশাপ দেই, তারা কি একবারও ভেবেছি—এই মাটির পৃথিবীতে একজন মায়ের কাছে তার সন্তানের হাসির চেয়ে দামী আর কোনো সম্পদ নেই? দারিদ্র্য হয়তো তাদের পরনের কাপড় মলিন করেছে, পেটে ক্ষুধা দিয়েছে, কিন্তু মায়ের ওই জাদুকরী মমতা আর সন্তানের নিষ্পাপ ভালোবাসা কেড়ে নিতে পারেনি।
দেখুন, মা তাঁর সবটুকু দুঃখ একপাশে সরিয়ে রেখে নিজের সর্বস্ব দিয়ে সন্তানকে আগলে রেখেছেন। ওই ছোট্ট শিশুটি হয়তো জানেও না 'অভাব' কী জিনিস, কারণ তার কাছে মা-ই হলো আস্ত একটা পৃথিবী। মা নামক এই পরম আশ্রয়ের কাছে পৃথিবীর সব জৌলুস তুচ্ছ। শত কষ্টের মাঝেও মা যখন তার সন্তানের চোখের দিকে তাকান, তখন তিনি ভুলে যান কাল কী খাবেন কিংবা কোথায় রাত কাটাবেন।বুক ফেটে কান্না আসে এই ভেবে যে, দামী পারফিউমের ঘ্রাণে ভরা এই শহরে এই মা-ছেলের ঘামে ভেজা শরীরের গন্ধে কতটুকু স্বর্গ মিশে আছে! তাঁদের এই অভাবের সংসারে বিলাসিতা নেই ঠিকই, কিন্তু যা আছে তাকে ছুঁতে পারার ভাগ্য ক'জনের হয়? ভালোবাসা আসলে এভাবেই বেঁচে থাকে—কখনো ধুলোয়, কখনো রোদে, আবার কখনো মায়ের আঁচলের তলায়। পরম করুণাময়ের কাছে একটাই প্রার্থনা, পৃথিবীর সব মা আর সন্তানের এই বন্ধন যেন অটুট থাকে।
পৃথিবীর কোনো অভাব যেন মায়ের ওই পবিত্র হাসিটুকু কেড়ে নিতে না পারে।
29/04/2026
বাবা মানেই এক নিরাপদ আশ্রয়, বাবা মানেই শ্রেষ্ঠ নায়ক। সন্তান যখন ট্রেন আর প্ল্যাটফর্মের মাঝের সেই অতল গহ্বরে পড়ে গেল, তখন সময় যেন থমকে গিয়েছিল। ট্রেনের বাঁশি বাজছে, চাকা ঘুরতে শুরু করেছে—সবাই যখন ভয়ে দিশেহারা, ঠিক তখনই নিজের জীবনের মায়া তুচ্ছ করে যমদূতের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়লেন এক বাবা। ট্রেনের চাকা মাথার মাত্র কয়েক ইঞ্চি ওপর দিয়ে চলে গেল, কিন্তু বাবার বুক থেকে সরেনি সন্তানের মুখ। তিনি কেবল একজন মানুষ নন, তিনি এক দুর্ভেদ্য ঢাল। আজ পুরো স্টেশন কাঁদছে ঠিকই, কিন্তু এ কান্না বিষাদের নয়, এ কান্না এক মহান পিতার প্রতি শ্রদ্ধার।
28/04/2026
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে পরমাণু শক্তিধর দেশগুলোর তালিকায় যুক্ত হয়েছে। এটি দেশের উন্নয়ন যাত্রায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ক্ষেত্রে এক বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত।
এই অর্জনের মূল ভিত্তি হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে নিরবচ্ছিন্ন ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এটি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনেই নয়, বরং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সংকটে ভুগলেও এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ভবিষ্যতে শিল্পায়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসেও সহায়তা করবে এই উদ্যোগ।
শেখ হাসিনার সরকারের এই পদক্ষেপকে উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে বাংলাদেশ এখন বিশ্বমঞ্চে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করছে।
আজ ২৮ এপ্রিল এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি সংযোজন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। যা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি, যা কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বাংলাদেশকে নতুন ধাপে পৌঁছে দেবে।
27/04/2026
নানু ভাই ♥️
27/04/2026
ভাবতেও গা শিউরে ওঠে যে, স্রেফ "জেল খাটার অভিজ্ঞতা" নিতে একদল কিশোর একটা নিষ্পাপ প্রাণ কেড়ে নিতে পারে!এটি আমাদের সমাজের এক ভয়ানক অসুখ। আমাদের কিশোরদের মনে যখন সহমর্মিতার বদলে এমন বিকৃত নৃশংসতা দানা বাঁধে, তখন বুঝতে হবে আমরা এক গভীর অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছি। আমরা সন্তানদের আধুনিক করছি, কিন্তু মানুষ করতে পারছি কি? কৌতূহল যখন খুনের নেশায় রূপ নেয়, তখন সেই ব্যর্থতা শুধু ওই কিশোরদের নয়, বরং আমাদের পুরো সমাজ ব্যবস্থার। আমরা কি এতটাই সংবেদনহীন হয়ে পড়েছি যে জীবনের চেয়ে সস্তা আজ রোমাঞ্চ খোঁজার নেশা?এই পচন রুখতে না পারলে আগামীর পৃথিবী হবে এক শ্মশান। প্রতিটি মা-বাবার কাছে অনুরোধ, আপনার সন্তানের মনের খোঁজ রাখুন। তাকে শেখান জীবন কেড়ে নেওয়া নয়, জীবন রক্ষা করাই আসল বীরত্ব।নিষ্পাপ সেই শিশুটির আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং দাবি জানাই—এমন পৈশাচিকতার যেন কোনো ক্ষমা না হয়। সমাজ শুদ্ধ হোক, আমাদের শিশুরা আবার মানুষ হয়ে উঠুক।
শোকাতুর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই এবং এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করি।
27/04/2026
আমাদের জীবনে ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা পরিশ্রমের চেয়েও অনেক সময় বড় হয়ে দাঁড়ায় আমরা ঠিক কোন পরিবেশে বা কাদের সাথে অবস্থান করছি। একটি সাধারণ মাছির ওজন সবজির পাল্লায় একেবারেই নগণ্য, সেখানে তার উপস্থিতিতে ওজনের কোনো হেরফের হয় না বললেই চলে। কিন্তু সেই একই মাছি যখন স্বর্ণ মাপার সূক্ষ্ম তুলাদণ্ডে গিয়ে বসে, তখন তার ওজনের কারণে দামের পার্থক্য কয়েক হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়। এখানে মাছির নিজের ওজন কিন্তু বাড়েনি, বেড়েছে শুধু তার অবস্থানের গুরুত্ব। আমাদের জীবনটাও ঠিক এই সমীকরণে চলে। আপনি কতটা প্রতিভাবান বা পরিশ্রমী, তার চেয়েও বড় বিষয় হলো আপনি কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে নিজের মূল্য দাবি করছেন। ভুল জায়গায় অবস্থান করলে আপনার চরম আত্মত্যাগও মানুষের কাছে মূল্যহীন মনে হতে পারে, ঠিক যেমন সবজির পাল্লায় মাছির ওজন। আবার সঠিক এবং উপযুক্ত পরিবেশে আপনার সামান্য উপস্থিতিও হয়ে উঠতে পারে অপরিহার্য ও অমূল্য। তাই জীবনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ে কেবল কঠোর পরিশ্রম করলেই হবে না, বরং নিজেকে এমন একটি স্তরে এবং এমন সব মানুষের মাঝে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে আপনার মেধার সঠিক মূল্যায়ন করা হয়। মনে রাখবেন, অযোগ্য স্থানে পড়ে থাকা হীরাও ধুলিকণার সমান মনে হতে পারে, কিন্তু জহুরির কাছে পৌঁছালে তার আসল দীপ্তি ফুটে ওঠে। আপনার পরিবেশই নির্ধারণ করে দেবে সমাজ আপনাকে অবহেলার চোখে দেখবে নাকি শ্রদ্ধার সাথে গ্রহণ করবে। তাই নিজের অবস্থান নির্বাচনে সচেতন হোন, কারণ আপনার চারপাশটাই আপনার প্রকৃত মূল্যের আয়না।
26/04/2026
লজ্জিত জাতি, নির্লজ্জ নীরবতা!
আজ কথা খুঁজে পাচ্ছি না। শুধু এক অসীম লজ্জায় মাথা নত হয়ে আসছে। লজ্জিত এই সমাজ ব্যবস্থা, লজ্জিত আমরা—যারা নিজেকে 'সভ্য' বলে পরিচয় দিই।
একজন মা... যে তার কোলের সন্তানের জন্য স্বপ্ন বুনে চলছিল, তাকে এমন নির্মমভাবে শেষ করে দেওয়া হলো যে কল্পনা করাও কষ্টদায়ক। কিন্তু আজ সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি আমাদের বিবেককে কাঁপিয়ে দিচ্ছে, তা হলো—মানুষের উদাসীনতা।
র*ক্তা*ক্ত দেহ, অসহায় অবস্থা... আর চারপাশে ভিড়। শত শত মানুষ। কেউ এগিয়ে এসে ওই মায়ের মর্যাদা রক্ষার্থে একটি কাপড়ও ঢেকে দিল না। বরং অনেকেই মোবাইল তুলে ভিডিও করল, ছবি তুলল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে 'ভাইরাল' করার আশায় দাঁড়িয়ে রইল।
কোথায় গেল আমাদের মানবতা?
কোথায় গেল সেই বিবেক, যা একজন নারীর অপমান সহ্য করতে পারে না?
ডিজিটাল যুগের এই 'মানুষগুলো' কি তবে বিবেকহীন যন্ত্রে পরিণত হয়েছে? যাদের আমরা প্রতিদিন রাস্তায়-ঘাটে দেখি, তারা কি তবে এতটাই পাথরপ্রাণ যে, একজন মৃত বা মৃত্যুপথযাত্রী নারীর মর্যাদা রক্ষা তাদের কাছে গৌণ হয়ে যায়?
যে পিশাচরা এমন কাজ করেছে, তারাও তো কারও পেট থেকে জন্ম নিয়েছে। কিন্তু যে সমাজ এই পিশাচদের পাশে দাঁড়িয়ে নীরব দর্শক সেজে রইল, সেই সমাজের কি কোনো মুখ আছে?
আজ আমরা স্তব্ধ। কারণ, অপরাধী শুধু তারা নয়, যারা দেখেও কিছু দেখল না, তারাও এই অপরাধের শরিক।
আমাদের বিবেক জাগুক। নীরবতা ভাঙুক। অন্যায়ের প্রতিবাদে রুখে দাঁড়াই। আমাদের দাবি দ্রুত বিচার
কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত হোক।
25/04/2026
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মোঃ ইকবাল মাহমুদ রাসেল ভাইয়ের পিতা এবং কুষ্টিয়া খানাপাড়ার নিবাসী, সাবেক খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম মিয়া আজ সকাল ৭:৪০ মিনিটে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন।
জানাজার সময়: আজ বাদ আসর।
স্থান: কুষ্টিয়া বড় জামে মসজিদ।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। মহান আল্লাহ পাক উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।
Click here to claim your Sponsored Listing.