Md Rokonuzzaman Riyad
চেতনা বিস্তৃত হোক। It's a personal blog page.
তোর আর আসা লাগবে না রে সুদিন মাদার**, তুই তোর মতো থাক!😒
বিতর্ক করতে এসে এক পক্ষ আরেক পক্ষকে কেন যে 'বিজ্ঞ প্রতিপক্ষ' বলে সম্বোধন করে, আমি বুঝি না। এমন করে বিতর্ক জমে নাকি!
আমি জীবনে একবারই ডিবেট করছিলাম, ক্লাস নাইনে। বিপক্ষ দলের যুক্তিখণ্ডনের একপর্যায়ে বলে উঠছিলাম, হালার্পো, বালের যুক্তি সোদাও?
@আহমেদ ইশতিয়াকেত দেওয়াল থেকে!
আশপাশে কত কত পাগল ছাগলের পাগলামি দেখি। দেখলেই হাসি পায়। তবুও ধৈর্য্য ধরি। ধৈর্য ধরে দেখি।
এদের অসভ্যতা আর বেহায়াপনা দেখলেই আমার কেমন জানি গা গুলিয়ে আসে। মনে প্রশ্ন জাগে - আরেহ এরা এজুগের তো! নাকি হুজুগের! ধুর ছাইঃ পাগল নাকি বে!
অথচ, মুখ ফুটে বলি না। ভাবি, না থাক ওরাও তো মানুষ। পাগল হোক আর যাই হোক মনুষ্যকুলের-ই তো জ্ঞাতি! ভুল করতে করতে একদিন ঠিকঠাক পথে আসবে হয়তো।
কিন্তু, আমার এ ভাবনা ভুল! ওরা ভুল কয়দিন পরপর চেতি ওঠে। অসভ্যের দলেরা সুচিন্তিত সভত্যার দিকেও আঙ্গুল তুলে! এমন ভাব নেয় যেন মনে হয় আরেহ ওরাই তো সভ্য! ওদের জুয়ার আসর, ওদের র'ঠা। থুক্কু র'ঠাপাঠাপি সব-ই যেন মহৎ। আহা কি মহান। ওদের করতল ঢোলের বাজনা যেন কতই না মধুর। কত-ই না পরিমিত স্বরে ওরা উদযাপন করে। আহা সভ্য, আহা সভ্যতা।
আসলে এগুলো আমার মতো সর্বাংসহা, ছুছিল মারানির জন্য ওদের এই সাহস হয়। এদের সামনে পাইলেই যদি শা**য়া-মা**য়া ছিড়ড়া ফ্যালানো যায় তাহলে এমন কথা প্রকাশ্যে তো দূরে থাক কল্পনায় আনার সাহস পাইতো না!
মেয়েদের একটা জিনিস খুব ভালো। পুরো দুনিয়ার সব মেয়েদের মধ্যে একটা মানসিক ঐক্য আছে। ধরেন কারো স্বামী খারাপ হলে ঐ স্বামী দুনিয়ার সব মেয়ের কমন শত্রু। সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে তাকে ধরবে। পুরুষদের মধ্যে আবার এই ধরনের ঐক্য নাই। কারো স্ত্রী দুষ্ট হলে পুরুষদের একাংশ আবার সেই নারীর পাশে 'খাঁড়াবে'। মেসেজ পাঠাবে, "মন কি বেশি খারাপ? একা একা লাগতেছে? দেখা করবা?"
Doctors never write on a prescription, "You should listen to the birds right now." 🌱
হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে আমি সবচেয়ে ভুল বুঝছিলাম মেয়েদের। বিশেষ করে ভার্সিটিতে পড়া মেয়েদের। তার লেখা পড়ে আমার এই ধারণা প্রবল হইছিল যে, ভার্সিটিপড়ুয়া রূপবতী মেয়েরা মায়াবতীও হয়। তাদের কথাবার্তা হয় সুন্দর। মানে এতটাই সুন্দর যে, এই মেয়েকে পাওয়ার জন্য দিন-দুনিয়া ছেড়ে দিতে ইচ্ছা করবে।
এই ভুল ভাঙছিল ভার্সিটির ইয়ারেই। একদিন নীল শাড়ি পরা এক ক্লাসমেটকে দেখে মুগ্ধ হয়ে আমি বলেছিলাম, নীল শাড়িতে তোমাকে অদ্ভুত মায়াবতী লাগতেছে। ঠিক রূপার মতো।
মেয়েটার সাথে এটাই ছিল আমার প্রথম কথা। সে বিরক্ত মুখে বলেছিল, এইসব বালের আলাপ কইরো না, আমার এক্স চোদনারপুতেও আমারে সেম কথা বলছিল!
16/07/2026
শামস নেই। রুমির হৃদয় উদাও হয়ে গেল।কোথায় সেই ভালবাসা?সেই অগ্নি? সেই সূর্য? সেই শক্তি? বিচ্ছেদের তরবারি দিয়ে হৃদয় দীর্ন করে কোথায় পালালো সেই সুখ?বোধের অতীত দহনের রঁশিতে ঝুলে রইলেন মাওলানা রুমি।
বিরহের বেদনায় রুমি প্রায় মুমূর্ষ। কথাবার্তা একেবারে কমিয়ে দিলেন।জ্ঞান শূন্য হননি, কিন্তু আত্মসমাহিত হলেন।ক্ষতি, শোক ও নিঃসঙ্গতার ভয়াবহতায় স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তিনি উদাস মৌন এবং সারাক্ষণ কাতর। তিনি হারিয়েছেন তাকে,যিনি কেবল তার জন্যে। তিনি জানেন শামস তাকে ভেঙ্গে -চুরে কোথায় নিয়ে গেছেন। চূর্ণ-বিচূর্ণ এই সত্তার রক্ত ঝরছে, গভীর অন্তরতলে।
কী সেই রহস্য, যা লুকিয়ে ছিলো শামস ও রুমীর সম্পর্কে ভেতর?
রুমি ছাড়া কে পারতো এ রহস্যকে সুন্দর ভাবে উন্মোচন করতে?তিনি শামসকে অভিহিত করছেন এক চাঁদ, যে ভোরবেলা আকাশে জেগেছিল এবং বাজপাখির মতো তাকে ছোঁ মেরে নিয়ে গেয়েছিলো উর্ধ্বালোক। অনুভবের সর্বোচ্চ শিখরে। যেখানে রুমির দেহ নিঃশেষিত হলো। বাকি থাকলো শুধু আত্মা।
"আমি আমার দিকে তাকালাম।
কিন্তু আমাকে দেখতে পেলাম না।
কারন আমার দেহকে গিলেছে সেই চাঁদ।
এখন সে কেবলই এক রুহ।
16/07/2026
সবাই সুন্দর স্ত্রী খোঁজে।
আমি খুঁজেছি কৌতূহলী একজন মানুষ।
যার ব্রেন কিচেনে বন্দী নয়
বিগ ব্যাং থেকে ব্ল্যাক হোল,
ডিএনএ থেকে বিবর্তন,
কোয়ান্টাম থেকে মাল্টিভার্স—
ঘণ্টার পর ঘণ্টা আলোচনা করতে পারে।
তার হাতে গয়নার চেয়ে বেশি মানায় একটা বই।
কারণ সে জানে, সবচেয়ে আকর্ষণীয় অলংকার হলো একটি চিন্তাশীল মস্তিষ্ক।
একজন সঙ্গী মানে শুধু সংসার নয়;
একজন সঙ্গী মানে এমন একজন মানুষ, যে আপনার চিন্তার সীমাকে প্রতিদিন একটু করে বড় করে।
আমি থাকি আর না থাকি, তুমি হাসি খুশি থেকো তুমি মানুষটা আমার অনেক শখের..!!🥺❤️
02/07/2026
মৈথুন শেষে প্রতিটা রমণীকে মনে হয় জননী
অথচ প্রেমিকাদের কাছে গেলে
আমি ভুলে যাই কেউ আমায় জন্ম দিয়েছিল!
০২
গুলি কোরে মারা যেত, তবু তাকে মারলাম চুমু দিয়ে,
কেননা মূহুর্তে একেকটি গুলি একেকটি নক্ষত্রের চেয়ে দামী,
তাই, অনেস্টলি চুমুগুলো গুলি বানিয়ে বন্দুকে ভরে নিলাম।
যেহেতু বিগ্রহের তৃতীয় দৃশ্য আমি চুমুতেই মুছে দিতে চাই!
০৩
বিষণ্ণ ঈশ্বরের ঠোঁটে আমরা
চিরকাল জ্বলছি ক্ষীয়মাণ সিগারেট হয়ে;
কবর আর শ্মশানগুলি মূলত সিগারেটের অ্যাস্ট্রে
এরবেশি কিছু নয়!
০৪
সাময়িক প্রেমের কায়দা জানা নেই
তাই পাঁচ আঙ্গুলেই সেরে নিই সমাসবদ্ধ প্রণয়ের কাজ,
লাজ আমার যেহেতু নেই
নেই হাতেরও কোনো
প্রতিটা আঙ্গুল নাচে কৃত্তিম দরদে!
এই ভূমিহীন মরদের ওরাই মূলত প্রেমিকা
শরীরে বিনামূল্যে যারা ফোটায় সাবলীল সুখ!
০৫
কোথায় যাও হে ভবঘুরে ঈশ্বর?
কবরে?
শ্মশানে?
নাকি ব্রোথেলে?
শুনেছি আরেকটি নতুন ঈশ্বরের খোঁজ পাওয়া গেছে
সেই ঈশ্বর ভাত খেতে পারে
এবং নিয়মিত সঙ্গমে পারদর্শী!
তুমি কি তাঁর দিকেই যাচ্ছো?
নাকি অন্যকিছু?
আত্মহত্যা নয়তো, ঈশ্বর?
০৬
পৃথিবীটা গ্যালাক্সির একমাত্র পানশালা
যেখানে 'জীবন' এসেছে সময়ের উচ্ছিষ্ট মদ খেতে
এবং কিছুকাল মাতলামির পর
'মৃত্যু' এসে তাকে ঘাড় ধরে নিয়ে যায়, ঘরে...
০৭
পরকালে নিজের আমলনামা হাতে পাওয়ার পর
আর সবাই কি করবে জানি না
তবে আমি সেখানে পার্মান্যান্ট মার্কার দিয়ে
একখানা প্রেমের কবিতা লিখতে চাই
এবং আমার দৃঢ়বিশ্বাস যে,
ঈশ্বর আমলনামার পরিবর্তে আমার হাতে
ধরিয়ে দিবেন একখানা A4 সাইজের সাদাকাগজ।
-
মাতালগুচ্ছ || আদিত্য আনাম
Rokonuzzaman Riyad
Category
Contact the establishment
Telephone
Address
9260
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Md Rokonuzzaman Riyad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.