M A K Roni
কিছু একটা অপূর্ণ ছিল -যা পূরণ হয়নি।
একজন আমারও ছিল -যে আমার হয়নি 🥲
06/06/2026
"চাওয়ার ভাগ্য সবার থাকলেও পাওয়ার ভাগ্য সবার থাকে না.!😅💔🥀
25/05/2026
যমুনা সেতুর পূর্ব পার্শ্বে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে টাঙ্গাইলের অংশে ট্রাক উল্টে ১৭ জন মানুষ নিহত হয়েছে।
🥲 ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন 🥲
20/05/2026
মেয়ের মায়েরা এটা দেখার পর আর কারো ছাঁয়া ও বিশ্বাস করবেন না। বাচ্চাটাকে দেখে কষ্ট হচ্ছে আমার,আমার কান্না চলে আসছে।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 💔
আগে থেকেই বলে রাখি, যাদের মন খুব নরম তারা লেখাটা না পড়লেও পারেন।
রাজধানী ঢাকার মিরপুর পল্লবীর ঘটনা৷ ক্লাস টুতে পড়ে ছোট্ট শিশু রামিসা৷ প্রতিদিনের মতো তার মা তাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ খেয়াল করলেন তাদের রামিসাকে বাসার কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷
রামিসার মা প্রথমে ভাবছে হয়তো পাশের বাসায় খেলতে গেছে কিন্তু সময় গড়িয়ে যাচ্ছে রামিসা ফিরে আসছে না৷ মায়ের মনে অজানা ভয় আসতে লাগলো৷ প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে এদিক সেদিক সবদিকে খুঁজেও মেয়েকে পেলেন না৷
একপর্যায়ে তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটের সামনে পড়ে থাকতে দেখা যায় ছোট্ট রামিসার স্যান্ডেল। তখনই সবার মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। দরজার ভেতরে থাকা লোকজনকে অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও কোনো সাড়া মিলছিল না। অবশেষে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর সামনে আসে এমন এক দৃশ্য, যা দেথে কোনো সাধারন মানুষ ঠিক থাকতে পারবে না৷
খাটের নিচে প%ড়ে ছিল দ্বিতীয় শ্রেণির রামিসা কিন্তু সাথে তার মিষ্টি মু%খখানা ছিলো না৷ আর কিছুক্ষণ পর বাথরুম থেকে পাওয়া যায় মিষ্টি মু%খখানা৷
আর এমন নিকৃষ্ট কাজের পেছনে ছিলো অভিযুক্ত সোহেল রানা৷ যে কি না পেশায় একজন রিকশা মেকানিক, ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
একটি নিষ্পাপ শিশুর সঙ্গে এমন নিষ্ঠুরতা কীভাবে করতে পারে একজন মানুষ?
আমাদের দেশে মেয়েরা কোথায় নিরাপদ বলতে পারবেন? প্রতিদিনই এমন ঘটনা গুলো হচ্ছে৷ এরপরেও কারো ভেতর কোনো ডর ভয় নাই৷ কেনো জানেন? কারণ তারা জানে এ দেশের বিচার নাই।
আজব এক জীবন আমাদের
মরে গেল সবাই কাঁদে
কিন্তু বেঁচে থাকতে সবাই কাঁদায়।
15/05/2026
সব কষ্ট মানুষ প্রকাশ করতে পারে না; কিছু কষ্ট বৃষ্টির মতো নীরবে ঝরে যায়।🌧️
দেশটা গড়ার কোন ইচ্ছে নাই শুধু নিজেরটাই করা। দেশ থেকে যে সকল বাংলাদেশের লোকজন বিদেশে যান তারাই বলেন। আগের এয়ারপোর্ট নাকি বর্তমান এয়ারপোর্ট ⛔❤️✅
#এয়ারপোর্টে লাগেজ কাটার স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই!
"ফিরিয়ে দাও মোর সোনালী যুগ।"☣️☣️
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এয়ারপোর্টের লাগেজ কাটার স্বাধীনতা সংকটের মুখে!
সরকার পতনের পর বাংলাদেশের প্রধান বিমানবন্দর যখন অরক্ষিত, ঠিক তখনই অবস্থার ভয়াবহতা উপলব্ধি করে বিমানবাহিনী হুট করে এয়ারপোর্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিলো, আর তাতেই ঘটলো এক মহা বিপর্যয়—দুর্নীতির স্বর্ণযুগ যেন মুহূর্তে অন্ধকারাচ্ছন্ন! লাগেজ কাটা বন্ধ, যাত্রী হয়রানি নেই, ঘুষ ছাড়া সব কাজ হচ্ছে! এ তো চরম অন্যায়!
সিভিল এভিয়েশনের কিছু ‘অসৎ’ কর্মকর্তা আর তাদের কুকর্মের সহযোগী কিছু ( আনসার, এপিবিএন, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং স্টাফ নামেই পরিচিত) এখন বেকার বসে! সেইসব চৌকস লাগেজবাজ, চেকিং মাস্টার আর পার্সেল পারমিট বাণিজ্যের দক্ষ উদ্যোক্তারা বুঝতেই পারেনি যে এক সকালে উঠে দেখবে, তাদের ইনকামের প্রধান খাত বন্ধ হয়ে গেছে!
চলুন দুর্নীতির সোনালী দিনগুলোর দিকে ফিরে তাকাই:
এক সময় এই এয়ারপোর্ট ছিল এক টুকরো ‘স্বর্ণখনি’। এখানে কর্মরত বেশিরভাগ লোক ঘুষ ছাড়া কথা পর্যন্ত বলত না। লাগেজ পেলেও সেটা খুলে দেখার পরই বোঝা যেত, মালিককে কত টাকা ‘ফাইন’ দিতে হবে!
লাগেজ খোলার বিশেষ স্কিম: যাত্রীরা যদি সঠিক চাঁদা না দিত, তাহলে ব্যাগ থেকে ‘ম্যাজিকালি’ জিনিস উধাও হয়ে যেত! (বিশেষ করে দামি পারফিউম, ইলেকট্রনিকস, স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা)
গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সিন্ডিকেট: লাগেজ নামিয়ে ভাঙার এক্সপার্টরা ছিল ‘নিখুঁত শিল্পী’। ট্রলি আনতে গেলেও টাকা, লাগেজ তুলতে গেলেও টাকা, এমনকি ফাঁকা লাগেজ পেলেও ‘ ফি’ দিতে হতো!
ইমিগ্রেশন ধান্দাবাজি: বিদেশগামী শ্রমিকদের ‘পেপারস ক্লিয়ার’ করার নামে চলত বিশাল বাণিজ্য। কাজের ভিসা থাকলেও যদি তারা বখশিশ না দিত, তাহলে একরাত ‘বিশেষ হেফাজতে’ থাকতে হতো।
বিশেষ ট্রানজিট সার্ভিস: ট্রানজিট যাত্রীরা ছিল এই দুর্নীতিবাজদের সবচেয়ে পছন্দের খরিদ্দার। একবার যদি ভুল করে ট্রানজিট লাউঞ্জ থেকে বেরিয়ে যেত, তবে ফেরার সময় ডলারের নোট ছাড়া ইমিগ্রেশন পার হওয়া ছিল অসম্ভব।
বিমান বাহিনী এয়ার পোর্টে ঢুকে কামডা করলো কি?
বিমানবাহিনী এসেই, সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে। ঘুষ ছাড়া পাসপোর্ট চেক হচ্ছে, লাগেজ কাটা বন্ধ, আনসার ভাইদের ‘চা-নাশতা খরচ’ আসা বন্ধ হয়ে গেছে, এমনকি ব্যাগের তালাও কেউ কেটে দিচ্ছে না! যাত্রীদের কাছে এ এক স্বপ্নের পরিবেশ হলেও, দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের কাছে এটি এক দুঃস্বপ্ন!
এইসব মর্মান্তিক অবিচার সহ্য করতে না পেরে সিভিল এভিয়েশনের কিছু মহৎপ্রাণ কর্মকর্তা, কর্মচারী আজ এয়ারপোর্ট সড়কে অবস্থান নিয়েছেন! তাদের একটাই দাবি—“এয়ারপোর্ট আমাদের দাও, নইলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে!”
জনগণ রাস্তায় তাদের অবরোধে আটকে পড়েছে, ফ্লাইট মিস করছে, কিন্তু তাতে কী আসে যায়? কতিপয় গুণী ব্যক্তি তাদের হারানো লাগেজ কাটা, ঘুষের সোনালী দিন ফিরিয়ে আনার জন্য লড়াই করছে, এটাই তো আসল বিষয়!
সোনার বাংলা, নাকি লাগেজ কাটা?
প্রশ্ন হচ্ছে—এয়ারপোর্ট কি ঘুষবাজদের হাতে ফিরে যাবে, নাকি সুশাসনের নতুন যুগ শুরু হবে? দেশবাসী তাকিয়ে আছে, আর দুর্নীতির অভিজ্ঞ কর্মচারীরা এখন একটাই স্লোগান তুলছে—
"আমাদের ঘুষ ফিরিয়ে দাও, লাগেজ কাটার স্বাধীনতা দাও!"
14/03/2025
নারী তুমি শাসনে বিরক্ত হইয়ো না,,
কারণ পুরুষই জানে বাইরের দুনিয়ায় অন্য পুরুষের মধ্যে হায়না বাস করে 🎗️🎗️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mirpur
1216