FF GAMAR

FF GAMAR

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from FF GAMAR, Mymensingh.

24/06/2026

টানা ৬ বিশ্বকাপে গোল করে রোনালদোর নতুন ইতিহাস


মাঠে নামার আগে চারপাশ থেকে ধেয়ে আসছিল সমালোচনা । তবে মাঠের জবাব যে মাঠেই দিতে হয়, তা আরও একবার প্রমাণ করলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ২০২৬ বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটে জালের দেখা পেয়ে পর্তুগালকে চালকের আসনে বসিয়েছেন এই মহাতারকা। হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচে রোনালদোর করা গোলটি কেবল তাঁর দলকে এগিয়েই দেয়নি, একই সঙ্গে বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের পাতায় তার নাম লিখিয়ে দিয়েছে একাধিক অমর কীর্তির পাশে।

ডানপ্রান্ত থেকে আসা একটি নিখুঁত ক্রস দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে জড়িয়ে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে (২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬) গোল করার কীর্তি গড়লেন রোনালদো। একইসঙ্গে ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে লক্ষ্যভেদ করে বিশ্বকাপের ইতিহাসের দ্বিতীয় বয়স্ক গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম লেখালেন এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড, যার ওপরে আছেন কেবল ক্যামেরুনের কিংবদন্তি রজার মিলা। তা ছাড়া বিশ্বমঞ্চে এটি রোনালদোর নবম গোল। এর মাধ্যমে তিনি ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ৯টি গোল করা পর্তুগালের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার ইউসেবিওর রেকর্ড স্পর্শ করলেন। পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে যৌথভাবে এখন তারাই সর্বোচ্চ গোলদাতা।

প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ড্র করে চাপের মুখে থাকা পর্তুগাল এদিন শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই ব্রুনো ফার্নান্দেস ও জোয়াও কানসেলোর দারুণ কম্বিনেশন উজবেক রক্ষণভাগকে কাঁপিয়ে দেয়। এর তিন মিনিট পরেই আসে কাঙ্ক্ষিত সেই গোল, যা উদযাপনে রোনালদো সরাসরি ছুটে যান সাইডবেঞ্চে থাকা সতীর্থদের কাছে। ম্যাচের ১২ মিনিটে ফার্নান্দেসের একটি বিপজ্জনক ফ্রি-কিক উজবেকিস্তানের নতুন গোলরক্ষক আবদুভোহিদ নেমাতোভ পাঞ্চ করে ফিরিয়ে দিলেও ম্যাচের শুরুর ভাগেই পূর্ণ আধিপত্য বজায় রেখেছে রবার্তো মার্তিনেসের শিষ্যরা।

24/06/2026

রোনালদোর জোড়ায় পর্তুগালের দাপট দেখানোয় জয়

প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর হতাশা ভুলে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে পর্তুগাল। গ্রুপপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নকআউট পর্বের পথ সুগম করেছে রবার্তো মার্তিনেসের দল। হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পর্তুগিজদের গোছানো ও গতিময় ফুটবলের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ফাবিও কানাভারোর শিষ্যরা। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, যার রেকর্ডময় জোড়া গোল পর্তুগালকে ম্যাচের শুরুতেই চালকের আসনে বসিয়ে দেয়।

ম্যাচের শুরু থেকে মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নেয় পর্তুগাল। মাঝমাঠের চমৎকার সমন্বয়ে মাত্র সপ্তম মিনিটে প্রথম সাফল্যের দেখা পায় তারা। ডান প্রান্ত থেকে আসা একটি নিখুঁত পাস বক্সের ভেতর চমৎকার ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। এই গোলের মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য এক কীর্তি গড়েন তিনি। একই সঙ্গে এই গোল তাঁকে এনে দিয়েছে আরেকটি বিরল রেকর্ড। পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপে একই সঙ্গে কনিষ্ঠতম (২০০৬ সালে ২১ বছর ১৩২ দিন বয়সে) এবং সবচেয়ে বয়স্ক (৪১ বছর ১৩৮ দিন) গোলদাতা এখন তিনিই।

শুরুর এই ধাক্কা উজবেকিস্তান সামলে ওঠার আগেই ১৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে পর্তুগিজরা। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে পাওয়া একটি ফ্রি-কিক থেকে চমৎকার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয় তারা। ফ্রি-কিক নেওয়ার জন্য রোনালদোকে ডামি হিসেবে দাঁড় করিয়ে সরাসরি জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন পিএসজির ডিফেন্ডার নুনো মেন্দেস। পুরো ম্যাচেই রক্ষণ ও আক্রমণ—উভয় ভাগেই দুর্দান্ত ছিলেন তিনি। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের ২ মিনিটে গানিভের এক শটে উজবেকিস্তান ব্যবধান কমালেও শেষ পর্যন্ত ভিএআরের কারণে গোলটি বাতিল হয়। আক্রমণের শুরুতে জোয়াও কানসেলোর ওপর ফাউল হওয়ার কারণে রেফারি গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন।

সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৩৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। ডি-বক্সে সঠিক সময়ে দারুণ এক রান করে গোলের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে নিজের মোট গোলসংখ্যা ১০-এ নিয়ে যান তিনি। এর ফলে কিংবদন্তি ইউসেবিওর (৯) ৬০ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বকালের একক সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেন রোনালদো।

দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের চাকা নিজেদের অনুকূলেই রাখে পর্তুগাল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে ব্রুনো ফের্নান্দেসের নেওয়া একটি কর্নার থেকে বক্সের ভেতর জটলার মধ্যে আত্মঘাতী গোল করে বসেন উজবেক ডিফেন্ডার আবদুকোদির খুসানভ। ফলে পর্তুগাল এগিয়ে যায় ৪-০ ব্যবধানে।

বড় ব্যবধানের লিড পাওয়ার পর কোচ মার্তিনেস তার বেঞ্চের শক্তি ঝালিয়ে নিতে দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনেন। জোয়াও ফেলিক্স, ভিতিনিয়া ও রুবেন নেভেসদের তুলে নিয়ে ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, রাফায়েল লিয়াও ও বের্নার্দো সিলভাদের মাঠে নামানো হয়। ম্যাচের শেষ দিকেও আক্রমণের গতি সচল রাখে পর্তুগিজরা। ৮৬ মিনিটে ফের্নান্দেসের একটি দূরপাল্লার শট উজবেক গোলরক্ষক নেমাতোভ চমৎকার দক্ষতায় রুখে দিলেও এর দুই মিনিট পরেই আসে ম্যাচের শেষ গোলটি।

৮৮ মিনিটে রোনালদোর উদ্দেশে বাড়ানো একটি ক্রস প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে চলে আসে রাফায়েল লিয়াওয়ের পায়ে। চমৎকার এক ওয়ান-টাচ ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান এই বদলি ফরোয়ার্ড। ফলে ৫-০ গোলের বড় জয় এবং দাপুটে এক পারফরম্যান্সের স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগিজরা। যদিও শেষ দিকে কিছুটা আক্ষেপ ছিল রোনালদোর হ্যাটট্রিক পূরণ না করার।

23/06/2026

মেসিকে নিয়ে প্রশ্ন শুনতে চান না রোনালদো। ছবি: এক্স



উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৫-০ গোলের দাপুটে জয়ে জোড়া গোল করে নায়ক পর্তুগাল অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে ম্যাচ শেষে হিউস্টন স্টেডিয়ামের মিক্সড জোনে দেখা গেল তাঁর ভিন্ন রূপ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির নাম আসতেই বেশ বিরক্তি প্রকাশ করলেন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা। সাংবাদিককে মাঝপথেই থামিয়ে দিয়ে এড়িয়ে যেতে চাইলেন তিনি।

মিক্সড জোনে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় টিএনটি স্পোর্টসের এক সাংবাদিক অন্য তারকাদের প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন শুরু করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল লিওনেল মেসি দুটি গোল করেছেন, এমবাপ্পে... না, হালান্ড, আর তুমি প্রতিনিয়ত প্রমাণ করেই চলেছ যে...।’ কিন্তু এই তুলনামূলক প্রশ্নটি শেষ করতেই দেননি পর্তুগিজ অধিনায়ক। সেই সাংবাদিককে মাঝপথেই থামিয়ে দিয়ে বেশ বিরক্ত হয়ে রোনালদো বলেন, ‘এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাও, অন্য প্রশ্ন করো...।’

যদিও পরে প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন রোনালদো। প্রশ্নটি ছিল— মেসি পারফর্ম করেছে, এমবাপ্পে পারফর্ম করেছে, হালান্ড এসেছে। আজ কি ক্রিস্টিয়ানো দেখাল যে সে এসে গেছে, সে পৌঁছে গেছে? জবাবে রোনালদো বলেন, ‘আমি সবসময়ই আসি। আগে হোক বা পরে, আমি ঠিকই সেখানে থাকি। তাই, আমার কাজ চালিয়ে যাওয়াই মূল বিষয়। আমি যা করি তার ওপর আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে যারা পরিশ্রম করে, ঈশ্বর তাদের সাহায্য করেন। আমার পুরো ক্যারিয়ারটাই এমন ছিল, কোনো কিছুই এটি পরিবর্তন করতে পারত না।’

এর আগে শুরুতে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একটি স্বপ্নের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখনও বিষয়টিকে একপ্রকার উড়িয়ে দেন রোনালদো। প্রশ্নের কোনো যৌক্তিকতা খুঁজে না পেয়ে তিনি বলেন, ‘কী উত্তর দেব তা আমি জানি না, কারণ এই প্রশ্নটার কোনো... তেমন একটা অর্থ হয় না, তবে ঠিক আছে। এহ... এটা... এটা (ফাইনাল) চমৎকার হবে। কিন্তু আজকের দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল জেতা, যাতে গ্রুপ পর্ব পার হয়ে সামনের ম্যাচগুলোর জন্য প্রস্তুত হওয়া যায়। আমরা জানি কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের একটি কঠিন ম্যাচ হতে যাচ্ছে, কিন্তু প্রধান লক্ষ্য ছিল গ্রুপ পর্ব পার হওয়া এবং আমরা তা অর্জন করেছি। আমি ভালো খেলেছি, গোল করেছি, দলকে সাহায্য করেছি। দল খুব ভালো খেলেছে এবং আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ধন্যবাদ।’

Website

Address

Mymensingh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FF GAMAR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Mymensingh.