Cric Explore with Remon
ক্রিকেট অনুসন্ধান
ক্রিকেটের সবচেয়ে সেরা ও সুন্দর সংস্করণ হচ্ছে "টেস্ট ক্রিকেট" দীর্ঘ সময়ের খেলা তাই অনেকের ধৈর্যে কুলায় না তবে প্রকৃত ক্রিকেট প্রেমী'রা এই ফরম্যাটের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভূলে না।
ইমাম উল হক, শান মাসুদ,সৌদ শাকিল , সালমান আঘা,রিজওয়ান'দের মতো হাই কোয়ালিটি ব্যাটিং লাইনআপের সামনে ২৬৮ রানে ইনিংস ডিক্লেয়ার দেওয়া এটা পুরাই রিস্কি ডিসিশন ছিলো ক্যাপ্টেন "শান্তর" জন্য তবে বোলার'রা সেটা ভূল প্রমান হতে দিলোনা। প্রথম থেকেই ব্যাটারদের উপর প্রেশার ক্রিয়েট করতে পারছিলো যার ফলস্বরূপ পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের নাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট ম্যাচ জয় পেলো স্বাগতিক বাংলাদেশ।
প্লেয়ার শান্তর চাইতে ক্যাপ্টেন শান্ত আমার অনেক পছন্দের! ক্যাপ্টেন শান্ত যথেষ্ট ম্যাচিউর, ভালো মানের প্লেয়ার সাথে ভালো মানের ক্যাপ্টেন হয়ে উঠতে গেলে শুরুতেই যেসব গুণাবলী অত্যাবশ্যকীয় হয়ে থাকে তার সবটায় আমাদের ক্যাপ্টেন শান্তর মাঝে বিদ্যমান।
এনার্জি লসের কথা ভেবে রানাকে ব্যাটিংয়ে না নামানো, লাঞ্চের ঠিক আগ মূহুর্তেই পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠানো এবং সাথে সাথেই ইমাম উল হকের উইকেট নেওয়া! এলবিডব্লুর আবেদনে মিরাজের সাথে সাড়া না দেওয়া পরবর্তিতে দেখা গেছে সেটা স্ট্যাম্পের বাইরেই ছিলো আবার নোমান আলির বল প্যাড টাচ করার পর আম্পায়ার কল ছিলো নট আউট সেখানে আম্পায়ারের এগেইনস্ট এ গিয়ে রিভিউ সাকসেস হওয়া! একটা প্লেয়ারের নেতৃত্বের ক্যারিয়ার শুরুতেই এত গোছানো হলে সহজেই অনুমান করা যায় সে দেশকে অনেক কিছুই দেবে এক্ষেত্রে আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে তার থেকে সবটুকু আদায় করতে হলে।
10/11/2025
ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে "শিবনারায়ণ চন্দরপল" এর পরে আমার প্রিয় দুই ক্রিকেটার হলো "ড্যারেন সামি"আর "মারলন স্যামুয়েলস "।
"দ্য আইকন" খ্যাত "মারলন নাথানিয়েল স্যামুয়েলস" এর জন্ম ১৯৮১ সালে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত হন ২০০০ সালে। অভিষেক ম্যাচে ডাক মারা এই ব্যাটার পরবর্তীতে ব্যাটের জাদুতেই অনেক কিছু তার নিজের করে নিয়েছিলেন।
ওডিয়াইতে ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৭২ রানের যে পার্টনারশিপ সেখানেও স্যামুয়েলসের ছায়া রয়েছে! ক্রিজ গেইলের সাথে রেকর্ড গড়া এই ইনিংসে মারলনের সংগ্রহ ছিলো ১৩৩ রান যা ওডিয়াইতে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস।
২০১২ ও ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী এই প্লেয়ার সবসময়'ই পর্দার আড়ালেই থেকেছেন। ব্যাটিং স্কিল ও অর্জনের তুলনায় তিনি সর্বদায় আন্ডাররেটেড ছিলেন।
১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মালিঙ্গার মতো ইয়র্কার স্পেশালিষ্ট কে একরকম মজা করেই ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন ডান হাতি এই অলরাউন্ডার,এছাড়াও ১৬ সালে কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের বিধ্বংসী সেই ইনিংসেও ক্যারিবিয়ানদের জন্য ঢাল হয়ে ছিলেন এই ব্যাটার যার ফলস্বরূপ দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালেই তিনি "ম্যান অব দ্য ম্যাচ" নির্বাচিত হয়েছিলেন।
আজকে তার স্বদেশী প্লেয়ার স্যামুয়েল বাদ্রির একটা ভিডিও দেখে তার কথা মনে পড়লো তাই তাকে নিয়ে হালকা স্মৃতিচারণ করলাম।
09/11/2025
ভারতীয় ক্রিকেটে যেমন নতুন নতুন প্রতিভার আবির্ভাব ঘটে ঠিক তেমনিভাবে অনেক প্রতিভা অকালে নষ্ট ও হয়। কখনো কখনো বোর্ড কর্তাদের মধুর সমস্যার বলি হয়ে অনেকের ক্যারিয়ার থামে আবার কখনো কখনো নিজেরাই নিজেদের হারিয়ে ফেলে।
নিজেকে নিজে হারিয়ে ফেলার কালো তালিকায় সবার প্রথমে যে নাম'টা আসবে সেই নাম'টা হলো "পৃথ্বী শ্ব"।
টেষ্ট ডেবিউ ম্যাচে শতক হাঁকানো এই ব্যাটার'কে এখন কোথাও দেখা যাচ্ছে না। জাতীয় দলে মাত্র ১৫-১৬ ইনিংসের ক্যারিয়ার রান ও আছে পাঁচ-শতাধিক। আইপিএলে খেলতো দিল্লির হয়ে তার ব্যাটে কি তেজ, কোনো বোলার'ই পাত্তা পেতোনা তার এলোপাতাড়ি ব্যাটিংয়ের কাছে। আইপিএলে ৭০-৭৫ ইনিংসের ক্যারিয়ারে রান প্রায় দু'হাজার, হাজারের গল্প করেও এখন আর লাভ নেই কারন সে নিজেই নিজেকে বাইস গজ থেকে বহু দূরে সরিয়ে নিয়েছে। অনিয়মিত জীবন-যাপন, ফিটনেসে খামখেয়ালি আর প্র্যাকটিসে উদাসীন মনোভাব এসবই তার পতনের মূল কারন।
তার ব্যাচের প্লেয়ার শুভমান গিল এখন জাতীয় দলের নেতৃত্ব দিচ্ছে, জায়সয়াল তো বলে কয়ে রান করে নিয়মিত আর সে জায়গায় 'পৃথ্বী শ্ব" ছেলেটাকে কোথাও দেখা যায়না। নিউজফিড স্ক্রল করার সময় জানলাম ওর জন্মদিন আজ, ঠিক তখনি ওর ব্যাটিংয়ের তেজ টা চোখে ভেসে উঠলো আর ওকে নিয়ে হালকা আফসোস ও লাগলো। ও একটু চেষ্টা করলেই আমরা আরো বহু বছর ওর ব্যাটিং দেখার সুযোগ পেতাম।
সুন্দর প্রত্যাবর্তনের আশা রেখেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি! "শুভ জন্মদিন পৃথ্বী শ্ব"❤️
অঙ্কুরের সাথে ঘুরতে বের হলাম, গাড়িতে উঠে কিছুদূর আসার পর দেখলাম পোলাপান ক্রিকেট খেলতেছে। অঙ্কুরকে বললাম নাতি আজকে ঘুরাঘুরি হবে এই মাঠে, তারপর মাঝপথে নেমে পড়লাম স্ট্রেইট বাউন্ডারি দিয়ে ঘন্টা দুয়েক ক্রিকেট খেললাম।
এখন পর্যন্ত আমার কাছে অন্য কোনো কিছু ক্রিকেটের চাইতেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেনাই।
🏏🙂
🏏Icc women's cricketer of the decade (2010-2020)
Happy birthday Ellyse Perry 👸❤️.
30/10/2025
সেরা! সেরা! সেরা!👏👏
নারীদের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের করা সর্বোচ্চ রান ছিলো ৩৩০। এই রান তাড়া করে জিতার রেকর্ড গড়লো অজি উইমেন্স ক্রিকেট টিম তাও চলতি বিশ্বকাপেই এই রেকর্ড করলো তারা ।
অস্ট্রেলিয়া আজকে প্রথম ইনিংসে ৩৩৮ রান করে নিজেদের রেকর্ড আবার নিজেরাই ভাঙ্গলো! আশ্চর্যের বিষয় তাদের এই রেকর্ড এক ইনিংস ও স্থায়ী হতে পারলোনা, ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসেই ভারতীয় নারী দল ৩৪১ রান করে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড পুনরায় নিজেদের করে নিলো।
লিচফিল্ড, এলিস পেরি আর গার্ডনারের ব্যাটে ভর করে বিশাল টার্গেট সেট করে অস্ট্রেলিয়া, স্মৃতি মান্ধানা আউট হওয়ার পর ভাবলাম আজকে ম্যাচ জিতা ভারতের পক্ষে অসম্ভব কিন্তু ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত কৌর আর জেমিমা রড্রিগস কি সুন্দরভাবে ম্যাচ টা বের করে আনলো।
অসাধারণ একটা ম্যাচ ছিলো! ওয়েল প্লেড ইন্ডিয়া উইমেন্স ক্রিকেট টিম ❤️
27/10/2025
গত দু'দিন যাবত আমি ভাবতেছিলাম শ্রেয়াস আইয়ার আর শিখর ধাওয়ানকে নিয়ে লিখবো কারন ভিরাট কোহলির পর ভারতীয় ক্রিকেটে এই দুইজন প্লেয়ার আমার খুব পছন্দের। এদের চাইতেও সমৃদ্ধ ক্যারিয়ারের প্লেয়ার আছে ইন্ডিয়াতে, কিন্তু এদের ব্যাটিংয়ের ধরন আর মাঠের চালচলন আমাকে এদের প্রতি মুগ্ধ করে। যত ডিফিকাল্ট সিচুয়েশন হোক শ্রেয়াস ক্রিজে আসলে সেটা খুব সহজেই সামলে নিতে পারেন! জানিনা শ্রেয়াস এখন জীবনের এই কঠিন সময় কিভাবে সামলাবেন।
সিডনিতে ২৫ তারিখের ম্যাচে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ান দুই ব্যাটার ম্যাট রেনশো আর অ্যালেক্স ক্যারি চাপের মুহূর্তে একটা পার্টনারশিপ করছিলো। ইনিংসের যখন ৩৪ নাম্বার ওভার তখন হর্ষিত রানার বলে ক্যারি ক্যাচ তুলছিলো যেটা খুব সহজ ছিলোনা, তারপরও আইয়ার নিজের উল্টো দিকে দৌড়ে সেটা তালুবন্দি করছিলেন এবং মাটিতে পড়ে সাথে সাথেই পেটে হাত দিয়ে কাতরাচ্ছিলেন। তখন আমি ভাবছিলাম এরকম হয় ফিল্ডারদের ক্ষেত্রে বাট সেটা যে তাকে অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণের মাধ্যমে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে নিয়ে দাঁড় করাবে তা ভাবতেও পারিনাই।
আপনার অপেক্ষায় রইলাম "শ্রেয়াস" তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরে আসুন 😓।
25/10/2025
প্রথম ওয়ানডেতে অজিদের কাছে পাত্তায় পেলোনা টিম ইন্ডিয়া। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আর্লি উইকেট পড়ার পর রোহিত আর শ্রেয়াস সম্ভবত ২৯ ওভার পর্যন্ত সুন্দর একটা পার্টনারশিপ করেছিলো ভাবছিলাম ইন্ডিয়ার রান ৩০০ হবে কিন্তু রোহিত আউট হওয়ার পর কেউ আর দ্বায়িত্ব নিয়ে ইনিংস ক্যারি করতে পারলোনা।
যার ফলস্বরূপ সেই ম্যাচেও পরাজয়ের স্বাদ নিতে হলো আকাশি-নীলদের।
আজকে তৃতীয় ম্যাচে এসে রোহিতের সেঞ্চুরি আর ভিরাটের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ২৩৬ তাড়া করে জয়ের দেখা পেলো ইন্ডিয়া ! ইন্ডিয়ার ব্যাটিং-বোলিং উভয় সেক্টরই সেরা ছিলো আজকে।
23/10/2025
ক্যারিবিয়ানদের সাথে বাংলাদেশ আজকে সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো। আপনাদের সাথে সাথে আমার কাছেও কিছুটা স্বস্তি লাগতেছে কিন্তু যখন মনে পড়ে মিরপুরের ম*রা পিচের কথা তখন মন খারাপ হয়ে যায়। এমন পিচে খেলার উদ্দেশ্য হলো সাম্প্রতিক সময়ের ব্যর্থতা গুলো লুকানো এর বাইরে দলের আর কোনো চিন্তা আছে কিনা সেটা আপাতত বুঝা যাচ্ছে না। এই পিচে বোলিং করে আপনি লেটার মার্ক পাইলেও কোনো লাভ নাই অন্যকোনো পিচে কিংবা বাইরের দেশের পিচে বোলিং করলে আপনি ফেইল ই করবেন, ফেইল না করলেও আশানুরূপ কিছু করে দেখাতে পারবেন না। বিসিবির উচিত প্রতিযোগিতা মূলক পিচ বানানোর, তাতে দেশের ক্রিকেটের উন্নতি হবে। সাকিব আল হাসান একবার বলছিলেন ব্যাটসম্যানের ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্য মিরপুরের পিচ ই যথেষ্ট। Bangladesh Cricket : The Tigers প্লিজ এসব বাচ্চামি থেকে বেরিয়ে আসুন 🙏।
সৌম্যকে মানুষ ভালো না বাসলেও অন্তত তাকে নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত সমালোচনা করেনা, কারন বাংলাদেশ দলে সৌম্যই একমাত্র প্লেয়ার যে নিজের চিন্তা করেনা, সেঞ্চুরির চিন্তা করেনা,সবসময় দল'কেই ফার্স্ট প্রায়োরিটি দেয় । তবে আজকে সৌম্য একটু সেলফিশ হয়ে শতক হাঁকানোর দরকার ছিলো, আমার কাছেও ভালো লাগতো। সাইফ যে ইনটেন্ট নিয়ে ইনিংস শুরু করতে চায় সেটা বাহবা পাওয়ার যোগ্য!তবে এক্ষেত্রে তাকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য এবং মাঝে মাঝে সে ব্যর্থ হলে তার ব্যাকআপ হিসেবে অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজকের ম্যাচেও কিছু রেকর্ড ছিলো শুধুমাত্র মিরপুরের মাঠ বলে সেগুলা নিয়ে লিখলাম না। এই পিচে হার-জিত আমার কাছে কিছুই ম্যাটার করেনা।
22/10/2025
৮০ দশকে বাবা "কেভিন ম্যালকম কারান" জিম্বাবুয়ের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন! বাবার অবসর নেওয়া দল থেকেই ২০২৪ এ অভিষেক করেন। বলতেছি "বেঞ্জামিন জ্যাক কারান" ওরফে "বেন কারানের" কথা। সদ্য সমাপ্ত হওয়া জিম্বাবুয়ে বনাম আফগানিস্তানের মধ্যকার একমাত্র টেষ্টে তিনি সেঞ্চুরি করেন এবং প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন । ৮ ওডিআইতে ৩৪০ রানের পাশাপাশি ৮ টেষ্টে করেন ৪৯৫ রান, কি সুন্দর শুরু উনার ক্যারিয়ারের। আশা করি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।
আসলে এই "কারান" ফ্যামিলি'টা ক্রিকেটের মাঝেই বেড়ে উঠেছে! পরিবারে পুরুষ সদস্য সংখ্যা চারজন, যেখানে চারজনই ক্রিকেটার। বাবা "কেভিন কারানের" তিন ছেলে "বেন কারান", "টম কারান" ও "স্যাম কারান" প্রত্যেকেই দাপটের সাথে ক্রিকেট খেলতেছেন।
"টম কারান"ও "স্যাম কারান" খেলতেছেন ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে,যেখানে "স্যাম কারান"এখন ইংল্যান্ড জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ।
Category
Website
Address
Noakhali
2002
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Cric Explore with Remon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.