Situation Analysis

Situation Analysis

Share

অন্যকে সাহায্য করার মাধ্যমে একসাথে এগিয়ে যেতে হবে।

28/09/2026

১৯৪৭ সালের বিভক্তির চুড়ান্ত সময়ের প্রাক্কালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হলো। সেই দাঙ্গার সময়ে যুক্তবাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। শেখ মুজিবের প্রিয় নেতা তাঁকে বললেন, “এই দাঙ্গার সময়ে শুধু সরকারী কর্মচারীদের উপরে ভরসা করতে পারছি না। তাই তুমি যদি ছাত্রলীগ ও মুসলিম লীগ ন্যাশনাল গার্ডের একটা ভলান্টিয়ার কোর গঠন করে বর্ডারে গিয়ে শরণার্থীদের আসা-যাওয়ার বিষয়টি তদারক করো তবে আমি নিশ্চিন্ত থাকি”। একথা বলেই শহীদ সোহরাওয়ার্দী দ্বিধাগ্রস্তভাবে শেখ মুজিবের দিকে তাকিয়ে বললেন, “ আমি জানি রেণুর শরীর ভালো নয়। তোমার উচিৎ তাকে সঙ্গ দেওয়া। অবশ্য আরো প্রায় দশদিন সময় বাকী আছে কাজ শুরু হতে। তুমি ভেবে দেখো। আর তোমার পক্ষে সম্ভব না হলে অন্য কারো নাম সাজেষ্ট করতে পারো”।

শেখ মুজিব শুধু কয়েকদিন সময় নিয়ে চলে এলেন। তখন বেগম মুজিব অন্তঃসত্ত্বা। ভেবেছিলেন এই সময়ে হয়ত স্বামীকে কাছে পাবেন। কিন্তু শেখ মুজিব কলকাতার ঘটনাপ্রবাহ উল্লেখ করে চিঠি লিখলেন। দ্রুতই উত্তর পেলেন। সেই উত্তরে স্বামীকে নিশ্চিন্তে তার কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে লেখেন, “আপনি শুধু আমার স্বামী হওয়ার জন্য জন্ম নেননি, দেশের কাজ করার জন্যও জন্ম নিয়েছেন। দেশের কাজই আপনার সবচাইতে বড় কাজ। আপনি নিশ্চিন্ত মনে আপনার কাজে যান। আমার জন্য চিন্তা করবেন না। আল্লাহর উপরে আমার ভার ছেড়ে দিন”। গ্রামের অল্পবয়সী একজন নারী যার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা নেই, তিনি এরকম কথা লিখেছেন ব্রিটিশ ভারত যুগে। চিন্তা করা যায়! এখানেই স্বামীকে দেশের জন্য উৎসর্গ করা একজন বিদুষী নারীর চরিত্র ফুটে উঠে। এমনি একজন মহিয়সী নারীর গর্ভে জন্ম নিয়েছেন আমার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ মুজিব এই চিঠি পাওয়ার পরেই তার নেতা শহীদ সোহরাওয়াদী’র নিকট গিয়ে শরণার্থীদের তদারকিতে যাওয়ার কথা ব্যক্ত করলে শহীদ সাহেব বিস্মিত হয়ে বললেন, “তুমি রেণুর সঙ্গে পরামর্শ করেছো? শেখ মুজিব হ্যাঁ সূচক জবাব দিয়ে বললেন, “চিঠি পেয়েছি। সে (রেণু) নিশ্চিন্তে দেশের কাজে যেতে বলেছে।” শহীদ সাহেব রাশভারী মানুষ ছিলেন। ভাবাবেগ প্রকাশ করতেন না। কিন্তু সেদিন শেখ মুজিবকে বললেন, “Mujib, She is a precious gift to you from God. Don’t neglect her please.” অর্থাৎ, সে(রেণু) তোমার জন্য খোদার দেওয়া অমূল্য দান। তাকে অবহেলা করো না।” পরবর্তী ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয় শহীদ সোহরাওয়ার্দীর কথা কত সত্য। বেগম মুজিবের এই পত্র লেখার সময়ে তিনি যে সন্তানটি গর্ভে ধারণ করছিলেন তিনিই শেখ মুজিবের আদরের ‘হাচু’, বাংলাদেশের মানুষের জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রচলিত আছে, সন্তান গর্ভে থাকাকালীন সময়ে অন্তঃসত্ত্বা জননী যা ভাবে, স্বপ্ন দেখে; সন্তানের মধ্যে সেগুলোই প্রতিফলিত হয়। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে যেমন বেগম শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের চরিত্রের উজ্জ্বল একটি দিক প্রতিভাত হয়, ঠিক তেমনি অন্তঃসত্ত্বাকালীন একজন মায়ের ভাবনা-চিন্তার প্রতিফলন হিসেবে ১৯৪৭ সালের এই দিনে জন্ম নেওয়া শিশুটির উপরেও সেটার চূড়ান্ত প্রভাব প্রমাণিত হয়।

ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয়, শেখ হাসিনার নিরন্তর সংগ্রামী চেতনার প্রেরণা পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাতা বেগম শেখ ফজিলাতুণ নেছা মুজিবের রক্তের ধারাবাহিকতায়-ই এসেছে।

শুভ জন্মদিন, মা!

24/09/2026

জামাত নেতা রা যেভাবে সিসি টিভি কাপায় বেড়াচ্ছে,
তাতে করে খুব সহজেই প্রতীয়মাণ হয় যে তারা ক্ষমতায় গেলে দেশ টা চলে যাইতে পারত,
তূর্কী সম্রাজ্যের "সুলতান-সুলেমান" এর সেই সোনালী অতীতে।
প্রাসাদের চারিদিকে দাস-দাসীদের কলকলানি, নাচগান আর থোকা থোকা আংগুর ফল🌹
আহা🥰🥰🥰

24/09/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mahammed Ramzan, Jamil Ahmed, Firoz Ali, Ibrahim Shikdar, Mousthofa Siddqi, Iqbal Mia

24/09/2026

একজন উপদেষ্টার মন্ত্রিপাড়ার বাসা থেকে যারা ছাগল চুরি করে খেয়ে ফেলতে পারে, তারা রাষ্ট্রক্ষমতা পেলে তো পুরো দেশটাই চুরি করে খেয়ে ফেলত।
ডক্টর ইউনূসের সময়কালে টি আই বি এর রিপোর্ট দেখুন, ঘুষ লেনদেনের পরিমান বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল, ১২৬৩৩ কোটি টাকা এটি।
আর কর ফাঁকিতে এক উপদেষ্টা ২৩ হাজার কোটি টাকা। কর দিতে হয় আয়ের উপর এটা জনগনের অংশ একাই এই বিশাল অংশ মেরে দিয়েছে।

হামে আক্রান্ত হয়ে সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় ১১ শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। হামের উপসর্গ নিয়ে মোট শিশু মৃত্যুর ঘটনা ১ হাজার ৭৬ জন। ইউনিসেফ ৫ বার চিঠি দিয়ে হামের টিকার জন্য বলেছে। নুরজাহান বেগম দেখলাম ১০ কোটি দিয়ে নতুন বাড়ি করছে।

আহ, আমরা এমন এক সিচুয়েশনে আছি। না সরকারি দল, না বিরোধী দল মহা প্রতারক ইউনূসকে নিয়ে কথা বলছে, না কোন বিচার এর দাবি করছে!

21/09/2026

মোঘল সম্রাজ্যের মুকুটবিহীন সম্রাট বৈরাম খাঁ কনৌজের যুদ্ধে পরাজিত হয়ে পালাতে গিয়ে আটক হোন ।
বৈরাম খাঁকে আটক করেন শেরশাহ এর মিত্র উচ্ছি বেগের অনুসারীগণ । তারা বৈরাম খাঁকে দেখেনি আগে । বৈরাম খাঁর হেংলা পাতলা চেহারা দেখে বুঝার উপায় ছিলনা তিনি এত মহান সেনাপতি ।
একই সময়ে সেখানে আটক করে আনা হয় মোঘলদের গভর্নর আবুল কাশেমকে । আবুল কাশেম ছিলেন সুঠাম, শক্তিশালী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ।

আবুল কাশেম বৈরাম খাঁকে বাঁচাতে বললেন, " আরে ওকে নিয়ে কী করছো, ও তো সামান্য ভৃত্য , আমি বৈরাম খাঁকে রেখে তোমরা ভৃত্যকে কেন জেরা করছো "

তারা বিশ্বাস করে ফেলে আবুল কাশেমই বৈরাম খাঁ । এবং আবুল কাশেমকে হত্যা করে । বৈরাম খাঁ পালানোর সুযোগ পায় এবং বেঁচে যায় ।

পরবর্তীতে সেই বৈরাম খাঁ এর নেতৃত্বেই মোঘল সম্রাজ্য
পুন: প্রতিষ্ঠিত হয় । ইতিহাস বৈরাম খাঁকে মনে রেখেছে কিন্তু আবুল কাশেমের আত্মত্যাগ হয়ত মনে রাখেনি ।

তথ্যসূত্র: বাদশাহ নামদার ( হুমায়ূন আহমেদ)

21/09/2026

"পাঞ্জাবিদের শাসন করো, সিন্ধিদের ভয় দেখাও, পশতুদের টাকা দিয়ে কিনে নাও, আর বালুচদের সম্মান করো।”

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা ভারতবর্ষের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত ও এর জাতিসত্তাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে এই নীতি ব্যবহার করত। এই একটি লাইনেই লুকিয়ে আছে বেলুচিস্তানের অপ্রতিরোধ্য চরিত্র এবং তৎকালীন ভূ-রাজনীতিতে তাদের অনমনীয় অবস্থানের ইতিহাস।
ইসলামের সূচনা লগ্ন থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের চীন-পাকিস্তান করিডোর পর্যন্ত বেলুচিস্তানের ইতিহাসে চোখ বলানো যাক।

খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে প্রথম মুসলিম বাহিনী বেলুচিস্তানের উপকূলীয় অঞ্চল বা তৎকালীন মাকরানে প্রবেশ করে। খলিফা উমর (রা.)-এর খেলাফতকালে সুহাইল ইবনে আদি এবং আবদুল্লাহ ইবনে উমর মাকরান অভিযান পরিচালনা করেন। তবে অঞ্চলটিতে স্থায়ী মুসলিম শাসন ও ব্যাপক ইসলাম প্রচার শুরু হয় খলিফা উসমান (রা.), খলিফা আলী (রা.) এবং উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়া (রা.)-এর আমলে। আব্দুর রহমান ইবনে সামরা এবং হারিস ইবনে মারাহ আবদির মতো সেনাপতিরা এই অঞ্চলে বিদ্রোহ দমন ও মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

৭১২ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধু অভিযানের আগে মাকরান অঞ্চলকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন, যার ফলে এটি ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার হয়ে ওঠে।
মুসলিম শাসনামলে বেলুচিস্তানে একটি আধা-স্বাধীন উপজাতীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। আরবরা খুজদারকে তাদের রাজধানী বানায়, যা আরব, পারস্য ও তুর্কি সংস্কৃতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। এর ফলে ওই অঞ্চলে বাণিজ্য রুট ও সরাইখানা তৈরি হয়, যা ভারতের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্য ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করে।

অষ্টাদশ শতাব্দীতে মীর নাসির খান, যাকে "দ্য গ্রেট খান" বলা হতো। তার নেতৃত্বে কালাত খানাত এক শক্তিশালী মুসলিম স্বায়ত্তশাসিত রাজ্যে পরিণত হয়। তিনি বিচ্ছিন্ন বেলুচ উপজাতিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং অঞ্চলে ব্যাপক শান্তি ও শাসনতান্ত্রিক সংস্কার আনেন।

ইসলামের আগমনের বহু শতাব্দী আগে বেলুচিস্তানের কিছু অংশ বিভিন্ন হিন্দু রাজবংশ দ্বারা শাসিত হয়েছিল।
প্রাচীনকালে পারাত-রাজা কুশান এবং পরবর্তীতে সিন্ধুর রাই রাজবংশ ও সেওয়া রাজবংশ এই অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করত। কালাতের প্রাচীন নাম 'সেউইস্তান' ছিল রানী সেউই -এর নামানুসারে।

ঐতিহাসিকভাবে বেলুচিস্তানে মুসলমানদের দ্বারা হিন্দুদের কোনো পদ্ধতিগত বা রাষ্ট্রীয় "নিধন" বা জোরপূর্বক বিতাড়নের প্রমাণ পাওয়া যায় না। আরব বা অন্যান্য মুসলিম শাসকেরা ক্ষমতা দখলের জন্য তৎকালীন হিন্দু রাজাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন, তবে তা ছিল রাজনৈতিক অঞ্চল দখলের লড়াই, কোনো ধর্মীয় নিধনযজ্ঞ নয়।

বেলুচ সমাজ ঐতিহাসিকভাবে তাদের হিন্দু সংখ্যালঘুদের প্রতি অত্যন্ত সহনশীল। এমনকি আধুনিক যুগেও নওয়াব আকবর বুগতি সহ বেলুচিস্তানের প্রধান উপজাতীয় নেতারা স্থানীয় হিন্দুদের নিজেদের সুরক্ষায় রেখেছিলেন। বর্তমানেও বেলুচিস্তানে প্রায় ৫০,০০০ হিন্দু অত্যন্ত শান্তিতে বসবাস করছেন।

ব্রিটিশরা পুরো ভারতবর্ষ গ্রাস করলেও বেলুচিস্তানের দুর্গম উপজাতীয় অঞ্চলগুলোকে কখনোই সম্পূর্ণ নিজেদের অধীনে আনতে পারেনি। এর প্রধান কয়েকটি কারণ হলো:

দুর্গম ভৌগোলিক পরিবেশ। বেলুচিস্তানের রুক্ষ পাহাড়, জলহীন মরুভূমি এবং চরম আবহাওয়ার কারণে সেখানে বিশাল ব্রিটিশ সেনাবাহিনী নিয়ে সামরিক অভিযান চালানো প্রায় অসম্ভব ছিল।

বালুচদের গেরিলা যুদ্ধকৌশল। বালুচ যোদ্ধারা প্রথাগত সেনাবাহিনী নিয়ে লড়ত না, বরং ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে পাহাড়ের আড়াল থেকে চোরাগোপ্তা হামলা চালাত। যাকে ব্রিটিশরা বলত 'ফ্রিডম ফাইটার্স' বা মুজাহিদ।

ব্রিটিশরা ১৮৪২ সালের আফগান যুদ্ধে শোচনীয় পরাজয়ের পর বুঝতে পারে যে, এই অঞ্চলের উপজাতিদের জোর করে দমন করা যাবে না। তাই তারা সরাসরি শাসনের পরিবর্তে 'কালাত রাজ্য' সহ বিভিন্ন বালুচ সর্দারদের সাথে চুক্তি করে তাদের স্বায়ত্তশাসন মেনে নিতে বাধ্য হয়। তারা বালুচদের অসমসাহসিকতাকে সমীহ করত এবং তাদের সম্মান দেখানোর মাধ্যমে শান্ত রাখার নীতি গ্রহণ করে।

বেলুচিস্তান পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ছোট, কিন্তু এর কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম।

এই অঞ্চলটি সোনা, তামা, কয়লা এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল ভাণ্ডার। পাকিস্তানের অর্থনীতি বহুলাংশে এই অঞ্চলের সম্পদের ওপর নির্ভরশীল, যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ—তারা এর সুফল পায় না।
বর্তমানে চীনের উচ্চাভিলাষী 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (BRI) এর অন্যতম প্রধান অংশ হলো CPEC।

বেলুচিস্তানে অবস্থিত এই গাওদার বন্দরটি চীনের জন্য সরাসরি আরব সাগরে পৌঁছানোর একমাত্র পথ। এর মাধ্যমে চীন মালাক্কা প্রণালী এড়িয়ে সরাসরি জ্বালানি আমদানি করতে পারে। বালুচ জাতীয়তাবাদীরা এই করিডোরকে তাদের ভূমি দখলের চীনা ও পাকিস্তানি ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখে। ফলে তারা এই করিডোরের অবকাঠামো এবং চীনা প্রকৌশলীদের ওপর প্রতিনিয়ত সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে, যা চীন ও পাকিস্তানের জন্য এক বিশাল নিরাপত্তা হুমকি।

বেলুচিস্তান কেন স্বাধীন থাকতে চায়?
বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা কোনো নতুন বিষয় নয়।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় কালাতের খানাত নিজেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু যোগাযোগের সুবিধা, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও আঞ্চলিক রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় ১৯৪৮ সালের এপ্রিল মাসে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জোরপূর্বক এটি পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করে। বালুচদের মতে, তাদের এই স্বাধীন ইচ্ছা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

সম্পদের দিক থেকে সবচেয়ে ধনী হলেও বেলুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র এবং অনগ্রসর অঞ্চল। স্থানীয়দের রাজনৈতিক অধিকার নেই বললেই চলে।
পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বেলুচিস্তানে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং চরম দমনপীড়নের অভিযোগ রয়েছে।

এই বঞ্চনা ও ক্ষোভ থেকেই বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (BLA) এবং বেলুচ লিবারেশন ফ্রন্ট (BLF) এর মতো সশস্ত্র গেরিলা গোষ্ঠীগুলো আজ পাকিস্তানের শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন 'গ্রেটার বেলুচিস্তান' রাষ্ট্র গঠনে মরিয়া। যেমন, পাকিস্তান ভেঙে গঠন হয়েছে বাংলাদেশ।

ব্রিটিশরা একসময় যে জাতিকে 'সম্মান' দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখত, বর্তমান পাকিস্তানি রাষ্ট্রব্যবস্থা সেই জাতির অধিকার ও সম্মান ধূলিসাৎ করায় বেলুচিস্তান আজ রক্তাক্ত, অশান্ত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

16/09/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Sree Titu, Mpmd Khokon Khan, H M Omar Faruk, Shakil Ahmmed, ডাঃ আবুল বাসার, Arju Patawary, মোঃ তারজুল ইসলাম সরকার, Md Dinislam, Dïpèñdrà Bhâr, সুভাষ দে, ফকির উদ্দিন ব্যবসা, Shaidul Islam, Shoriful Islam Sj, Kawsar Ali

16/09/2026

জিন্নাহর কারণেই ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে, সম্ভ্রম হারিয়েছে ২ লাখ মা বোন.. কিভাবে?

১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে ভারতবর্ষে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে একাধিক স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের কথা ছিলো।

কিন্তু ১৯৪৬ সালের ঐতিহাসিক দিল্লি প্রস্তাবে জিন্নাহর নির্দেশে লাহোর প্রস্তাব সংশোধন করে একাধিক স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের পরিবর্তে পাকিস্তান নামে একটি মুসলিম রাষ্ট্র করার প্রস্তাব ঘোষিত হয়।

১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব বলবৎ থাকলে ১৯৪৭ সালেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যেতো, হয়তো দেশের নাম পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ব বাংলা হতো। কিন্তু তা না হয়ে পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণের রাজ্য হয়ে ওঠে, যেই বৈষম্য থেকে মুক্তি পেতে এদেশে ভাষা আন্দোলন আসে, গনঅভ্যুত্থান আসে ও সর্বশেষ মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদে আত্মত্যাগ ও ২ লাখ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশকে হানাদার মুক্ত করে।

পূর্ব পাকিস্তান নিয়ে জিন্নাহ ২ টি বড় ভুল যেটা তিনি মৃত্যুর আগে স্বীকার করেছেন। মৃত্যুর আগে তিনি তার ব্যক্তিগত চিকিৎসককে বলেন,

'দেখ ডাক্তার, আমি জীবনে দুটি ভুল করেছি তাও পূর্ব পাকিস্তান সম্পর্কে। প্রথম ভুল করেছি লাহোর প্রস্তাবকে বিকৃত করে, যা দেশের একজন নেতা হিসেবে আমার পক্ষে আদৌ উচিত হয় নি। আমি দিব্য চক্ষে দেখতে পাচ্ছি পূর্ব পাকিস্তান, পশ্চিম পাকিস্তানের কর্তৃত্ব মানবে না। তারা নিশ্চয়ই স্বাধীন হয়ে যাবে। আর এর অন্যতম কারন হচ্ছে, ওদের ওপর বিমাতাসুলভ আচরণ। পাকিস্তান প্রকৃতপক্ষে ওদের ত্যাগের জন্যই এসেছে, কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের নেতারা ওদের প্রতি অবিচার করছে।…

আমার দ্বিতীয় ভুল, আমি ঢাকায় গিয়ে করেছি। গভর্ণর জেনারেল হিসেবে ভাষা সমস্যা নিয়ে কথা বলা আমার উচিত হয়নি। আসলে ভাষা প্রশ্নের মীমাংসা পার্লামেন্ট করতে পারত। কিন্তু আমি কয়েকজন পূর্ব পাকিস্তানী নেতার দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে ভাষার প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলাম। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানী ছাত্র ও জনগনের যে দৃঢ় মনোভাব লক্ষ্য করেছি তাতে আমি বিশ্বাস করি বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র-ভাষা করার দাবী তাদের অযৌক্তিক নয়।'- বলেছেন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

15/09/2026

মওলানা আবুল কালাম আজাদ সুন্দর করে ওয়াজ করেন। তার ওয়াজ আমি শুনি। ভালো কথা বলেন। বলার স্টাইল আকর্ষণীয়।

তিনি জামাতের বক্তা। তিনি ফাতওয়া দিয়েছেন, জিন্নার বিরুদ্ধে যে কথা বলবে সে ইন্ডিয়ার পা চাটা গোলাম।

তো জিন্নার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন স্বয়ং মওদুদি। তার মানে আজাদ হুজুরের কথা মতো জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদি ভারতের পাচাটা গোলাম।

ডাকসুর সেক্রেটারি জুনিয়র মওদুদি ফরহাদ আজ ব্যাখ্যা দিয়েছেন, জিন্নাকে তারা স্থান দিয়েছেন তার অপকর্ম তুলে ধরার জন্য। অর্থাৎ ফরহাদ জিন্নার বিপক্ষে। তার মানে ফরহাদও ভারতের পা চাটা গোলাম।

জামাতের প্রিয় ভাই-বোনেরা, পাকিস্তান সৃষ্টির বিপক্ষে জামাতের অবস্থান ছিলো। বাংলাদেশ সৃষ্টিরও বিপক্ষে। তাই ইতিহাস নিয়ে মুখ না খোলায় ভালো। মুখ খুললেই নিজের বাপকেও শালা বলে ফেলবেন। এই যেমন জামাতের মওলানা শিবিরকে ভারতের পা চাটা গোলাম বলে ফাতওয়া দিলেন।
© S M Atiq

12/09/2026

সবাই পদত্যাগ করতে পারেনা, সে সাহস সবার হয়না।

জালিয়াতির অভিযোগে পদত্যাগ। হাহাহা।
অথচ পদত্যাগ পত্রে পুতুল লিখেছেনঃ

"যেহেতু আপনি আমাকে আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা থেকে প্রতিনিয়ত বাধা দিয়ে আসছেন, তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় (WHO) আপনার নেতৃত্বের ওপর আমার আর কোনো আস্থা বা বিশ্বাস নেই," তিনি লিখেছেন। "তাছাড়া, আমাকে বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় এক বছর ধরে কোনো পারিশ্রমিক না পাওয়ায় আমার আর্থিক অবস্থা অসহনীয় হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।"

হাহাহা।সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ডিপ স্টেটের গুতাগুতি, ইউনুসের গুতাগুতির কারনে ভদ্রতার খাতিরে পদত্যাগ করেছেন।ভদ্র মহিলা কখনো গুতাগুতির জায়গায় কাজ করেন না।সেইটারে বানিয়েছে জালিয়াতির অভিযোগে।
যেইটা কোন প্রমাণিত কিছুই না।একজন অভিযোগ দিলো আর তাই সত্য হয়ে যাবে এ কোন গান্ডুর দেশে জন্মাইছি আল্লাহ মাবুদ।

★ গতকাল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে খলিলুর আসীন হওয়ার পর তিনি বুঝে গেছেন এখানে আর ন্যায় বিচার পাওয়া সম্ভব নয় তাই তিনি স্বেচ্ছা পদত্যাগ করেছেন। অভিযোগ প্রমাণ ২ বছরেও করতে পারেনি তাই বহিষ্কার ও করতে পারেনাই। বহিষ্কার ও স্বেচ্ছায় পদত্যাগ এক জিনিস নয়।

Category

Website

Address

River View
Pabna
রাজশাহী