Apical Learning
HELLO STUDENTS,YOU ARE GOING TO ENJOY YOUR BEST CLASS.STAY WITH US.
HSC ICT CHAPTER-03 LECTURE-03।।এইসএসসি অধ্যায়-০৩ লেকচার-০৩।।APICAL LEARNING
HSC ICT CHAPTER-03 LECTURE-01।।এইসএসসি আইসিটি অধ্যায়-০৩ ক্লাস-০১।।APICAL LEARNING
IN EXAM hall ME and MY FRIEND
HSC ICT CHAPTER-01 Lecture-01 part-2।এইসএসসি আইসিটি ২০২৭-২৮।APICAL LEARNING.
HSC ICT CHAPTER-01 LECTURE-01।।এইসএসসি আইসিটি-২০২৭।।APICAL LEARNING
06/09/2026
🎓 HSC ICT 2027 & 2028 Online Batch
ICT নিয়ে আর ভয় নয়!
এবার ICT শিখুন একদম শুরু থেকে সহজ ও গুছানো পদ্ধতিতে।
📚 যা থাকছে:
✅ Live Online Classes
✅ Google Classroom
✅ Google Meet
✅ Class Recording
✅ Chapter-wise Preparation
✅ CQ + MCQ Practice
✅ Board Exam Preparation
✅ Regular Exam & Revision
🎯 Batch: HSC 2027 & 2028
💻 Class: Online
🎥 Live + Recorded Classes
📅 Class শুরু: [১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬]
⏰ সময়: [সন্ধ্যা ৭টা ৪০মিনিটে]
💰 Course Fee: [মাসিক-১৯৯/-
Full Course- ১৪৯৯/-]
📌 ভর্তি/রেজিস্ট্রেশনের জন্য:
whatsapp: 01681-609202
06/09/2026
🎓 HSC ICT 2027 & 2028 Online Batch
ICT নিয়ে আর ভয় নয়!
এবার ICT শিখুন একদম শুরু থেকে সহজ ও গুছানো পদ্ধতিতে।
📚 যা থাকছে:
✅ Live Online Classes
✅ Google Classroom
✅ Google Meet
✅ Class Recording
✅ Chapter-wise Preparation
✅ CQ + MCQ Practice
✅ Board Exam Preparation
✅ Regular Exam & Revision
🎯 Batch: HSC 2027 & 2028
💻 Class: Online
🎥 Live + Recorded Classes
📅 Class শুরু: [১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬]
⏰ সময়: [রাত ৭টা ৪০ মিনিটে]
💰 Course Fee: [মাসিক ১৯৯ টাকা এবং পুরো কোর্স ১৪৯৯ টাকা]
📌 ভর্তি/রেজিস্ট্রেশনের জন্য:
[whatsapp- 01681609202 ]
বিস্তারিত জানতে Page-এ Message করুন।
05/09/2026
🎓 HSC ICT 2027 & 2028 Online Batch
ICT নিয়ে আর ভয় নয়!
এবার ICT শিখুন একদম শুরু থেকে সহজ ও গুছানো পদ্ধতিতে।
📚 যা থাকছে:
✅ Live Online Classes
✅ Google Classroom
✅ Google Meet
✅ Class Recording
✅ Chapter-wise Preparation
✅ CQ + MCQ Practice
✅ Board Exam Preparation
✅ Regular Exam & Revision
🎯 Batch: HSC 2027 & 2028
💻 Class: Online
🎥 Live + Recorded Classes
📅 Class শুরু: [তারিখ]
⏰ সময়: [সময়]
💰 Course Fee: [ফি]
📌 ভর্তি/রেজিস্ট্রেশনের জন্য:
whatsapp: 01681609202
বিস্তারিত জানতে Page-এ Message করুন।
১০ তারিখ হতে শুরু হবে।
11/08/2026
সক্রেটিস যদি আমাদের সময়ে জন্ম নিতেন, তাহলে কি তিনি সক্রেটিস হয়ে উঠতে পারতেন?
ধরা যাক, আজকের কোনো মধ্যবিত্ত পরিবারে সক্রেটিস জন্ম নিলেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁকে বলা হবে ভালো করে পড়ো, ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হও, ভালো চাকরি করো, বাড়ি-গাড়ি করো, প্রতিষ্ঠিত হও। তাঁর বাবা-মা হয়তো তাঁকে ভালোবাসা থেকেই এসব বলতেন। কিন্তু সেই ভালোবাসার মধ্যেই তৈরি হবে জীবনের একটি নির্দিষ্ট ছক।
সক্রেটিস যদি বলতেন,“আমি এসব চাই না। আমি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে চাই, প্রশ্ন করতে চাই, সত্য জানতে চাই।”
পরিবার হয়তো বলত, “এসব করে জীবন চলে? আগে একটা চাকরি করো।”
তিনি যদি চাকরি না করে মানুষের সঙ্গে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে দর্শন নিয়ে আলোচনা করতেন, সমাজ তাঁকে বলত “আমুকের পোলা তমুক তো কাজকর্ম নেই, সারাদিন ঘুরে বেড়ায়।”
তিনি যদি সাধারণ পোশাকে থাকতেন, দামি ফোন ব্যবহার না করতেন, বিলাসবহুল রেস্টুরেন্টে না খেতেন তাহলে অনেকেই তাঁকে বলত, “তুমি মিয়া জীবনে কিছু করতে পারেনি।”
অথচ সক্রেটিসের কাছে হয়তো ‘কিছু করা’ মানে হতো নিজের ভেতর ও পৃথিবীর সত্যকে খুঁজে বের করা। কিন্তু আধুনিক সমাজ তো আমাদের সাফল্যের সংজ্ঞাটাই বদলে দিয়েছে।
আজ একজন মানুষের মূল্য অনেক সময় নির্ধারিত হয় তার চাকরি, বেতন, বাড়ি, গাড়ি, পোশাক, ফোন, জীবনযাপন এবং সামাজিক অবস্থান দিয়ে। ফলে একজন মানুষ নিজের ইচ্ছায় সরল জীবন বেছে নিলেও তাকে বারবার বোঝানো হয়—তুমি পিছিয়ে পড়ছ।
সক্রেটিস যদি আজকের যুগে সংসারী হতেন, তাঁর স্ত্রী-সন্তানও হয়তো সমাজের এই চাপ থেকে মুক্ত থাকতেন না।
সন্তানের ভালো স্কুল, ভালো পোশাক, কোচিং, বিশ্ববিদ্যালয়, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা—সবকিছুর জন্য অর্থ প্রয়োজন। ফলে তাঁকে হয়তো এমন পেশায় ঢুকতে হতো, যেটা তিনি নিজে কখনোই করতে চাইতেন না।
আর যদি তিনি এসব প্রত্যাখ্যান করতেন তাহলে?
তাহলে আধুনিক সমাজ তাঁকে দায়িত্বজ্ঞানহীন, অলস, ব্যর্থ কিংবা অদ্ভুত মানুষ হিসেবে দেখত।
সক্রেটিসের সবচেয়ে বড় সমস্যা হতো সম্ভবত সময় নিয়ে। যেটা আমার ক্ষেত্রে হয়।
আজকের মানুষকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যস্ত থাকতে হয়। চাকরি, ব্যবসা, যাতায়াত, বিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিনোদন, পরিবারের দায়িত্বসব মিলিয়ে নিজের সঙ্গে বসার সময়ই আর কই।
অথচ দর্শনের জন্ম হয় অনেক সময় অবসর থেকে। যখন একজন মানুষ থেমে গিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করতে পারে।
সক্রেটিস যদি আজকের পৃথিবীতে জন্মাতেন, তাঁর হাতে হয়তো এথেন্সের বাজারের মতো মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপ করার সময় থাকত না। তাঁর হাতে থাকত স্মার্টফোন। চারপাশে থাকত নোটিফিকেশন, রিলস, শর্টস, বিজ্ঞাপন আর অবিরাম তথ্যের স্রোত।
তিনি হয়তো একটি প্রশ্ন করতেন— “সুখ কী?” কিন্তু তার আগেই স্ক্রিনে ভেসে উঠত— “কীভাবে ৩০ দিনে সফল হবেন।”
তিনি হয়তো জানতে চাইতেন— “ভালো জীবন কাকে বলে?” অ্যালগরিদম তাঁকে দেখাত—“৫টি অভ্যাসে আপনার জীবন বদলে যাবে।”
আর সবচেয়ে বড় বিপদ সক্রেটিসকে আজকের সমাজ হয়তো ‘ভাইরাল’ করে ফেলত।
কেউ তাঁর ভিডিও কেটে ৩০ সেকেন্ডের রিল বানাত। কেউ তাঁর বক্তব্য দিয়ে মোটিভেশনাল কনটেন্ট বানাত। কেউ তাঁকে নিয়ে মিম বানাত। কেউ তাঁকে অনুসরণ করত, আবার কেউ তাঁর বিরুদ্ধে ট্রেন্ড চালাত।
কিন্তু তাঁর প্রশ্নের গভীরতা? সেটা হয়তো হারিয়ে যেত কয়েক সেকেন্ডের কনটেন্টের ভিড়ে।
সক্রেটিস বলতেন, “নিজেকে জানো।” আর আধুনিক সমাজ হয়তো বলত, “নিজেকে ব্র্যান্ড বানাও।”
যাইহোক, এবার মূল কথায় আসি। সক্রেটিস যদি আমাদের সময়ে হতেন তাহলে তিনি অবশ্যই সক্রেটিস-ই হতেন। হা সত্যি শুনছেন। তিনি সক্রেটিস-ই হতেন।
একবার এথেন্সে সমস্ত কিছু পাওয়া যায় এমন একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। লোকজন কেনাকাটা করছেন। তখন সক্রেটিস বললেন; হায়, দোকানে কত জিনিপত্র, অথচ এর একটিও আমার দরকার নেই।
সামাজিক ও পারিবারিক যেসব পিছুটানের কথা আজকে আমরা বলি তা প্রায় সব যুগেই কম বেশি ছিলো। তবুও তাঁরা এসবের উর্ধে গিয়ে মহামানব হয়ে উঠেছেন। সুতরাং আজকের দুনিয়ায় জন্ম নিলেও তারা ঠিকই একই কাজ করতে পারতেন।
11/08/2026
📊 SSC ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ — ফলাফলের পূর্ণাঙ্গ চিত্র
২০২৬ সালের SSC ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে জাতীয়ভাবে পাসের হার ৬২.২৫%এবং মোট ১,১৬,৬৭৬ জন** শিক্ষার্থী GPA-5 পেয়েছে।
🔹 মোট পরীক্ষার্থী: ১৮,২৯,৪৮৫ জন
🔹 উত্তীর্ণ:১১,৩৮,৮৭৭ জন
🔹জাতীয় পাসের হার ৬২.২৫%
🔹 GPA-5:১,১৬,৬৭৬ জন
🏆 **বোর্ডভিত্তিক সর্বোচ্চ পাসের হার:
ঢাকা বোর্ড — ৭১.৬৩%
📉 সর্বনিম্ন পাসের হার:
মাদ্রাসা বোর্ড — ৫৫.৪৯%
সাধারণ বোর্ডগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ — ৫৭.৩৯%
📚 **বিভাগভিত্তিক ফলাফল:
🔬 বিজ্ঞান — ৮০.৬৪%
💼 ব্যবসায় শিক্ষা — ৬৪.২৯%
📖 মানবিক — ৪৮.৭৪%
👧 ছেলে-মেয়ে তুলনা:
GPA-5-এ মেয়েরা এগিয়ে।
মেয়ে — ৬৩,৮৯৬ জন
ছেলে — ৫২,৭৮০ জন
📌 ২০২৫ বনাম ২০২৬:
২০২৫ সালে জাতীয় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫%, যা ২০২৬ সালে কমে ৬২.২৫%হয়েছে। অর্থাৎ পাসের হার কমেছে ৬.২০ শতাংশ পয়েন্ট
🏅 GPA-5 পাওয়া শিক্ষার্থীও কমেছে:
২০২৫: ১,৩৯,০৩২ জন
২০২৬: ১,১৬,৬৭৬ জন
➡️ কমেছে ২২,৩৫৬ জন।
🏫 ১০০% পাস করা প্রতিষ্ঠান ৯৮৪টি থেকে কমে ৬৬৯টিহয়েছে। অন্যদিকে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠান ১৩৪টি থেকে বেড়ে ৩১২টি হয়েছে।
📌 সারসংক্ষেপ:
২০২৬ সালের SSC ফলাফল ২০২৫ সালের তুলনায় কঠিন হয়েছে। জাতীয় পাসের হার ও GPA-5 উভয়ই কমেছে। বিভাগগুলোর মধ্যে বিজ্ঞান এগিয়ে, আর GPA-5 অর্জনে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ভালো করেছে।
আপনার ফলাফল কেমন হয়েছে? 💙
কমেন্টে জানাতে পারেন।
#এসএসসি২০২৬ #এসএসসিরেজাল্ট
Category
Contact the business
Address
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Apical Learning posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.