Science Bee
Science Bee (সায়েন্স বী) is one of the largest science education platforms for youths nationwide. Sections:
1.
Science Bee is one of the largest science-based education platforms for youths across the country including Bangladesh's largest science-based website, with 200,000 registered students and 40,000 daily learners. They have impacted more than 10 million Bengali-speaking students from over 30 countries and has received numerous awards for their contributions to community development and achieving sustainable development goals. The purpose of this platform is to transform the diversity and inclusivity of science & technology, to reach the under-served community, and increase the number of people who are actively engaged and involved in science & technology. Visit the Country's first Science News Portal:
https://www.sciencebee.com.bd/daily-science/
2. Visit the Country's largest Science-Based Q&A:
https://sciencebee.com.bd/qna/
3. Visit a dynamic Blog site and design your's:
https://blog.sciencebee.com.bd/
4. Download our Free Ebook on Rocket Science:
https://www.sciencebee.com.bd/ebook-2/
5. Watch our first-ever science-based Dramas:
https://www.youtube.com/c/sciencebee
Awards:
🏆 The Diana Award 2023 in memory of Diana, Princess of Wales, United Kingdom.
🏆 Winner- Funding For Bangladesh 1.0 by Volunteer Opportunities
🏆 Our Founder Mobin Sikder received IVD Volunteer Award 2021 by UNV Bangladesh and become one of the country’s best 20 volunteers through Science Bee Community voluntarism.
🏆 Our Founder Mobin Sikder received Young Global Changemaker Award 2021 by YEF for Contributing to Science Education Through Science Bee.
🏆 Winner- BYLC Volunteer Awards 2021
🏆 YSSE Global Education Award 2021
Features:
- Featured on Somoy TV: https://tinyurl.com/mrvzv37v
- Featured on The Daily Star: https://tinyurl.com/355ztunb
- Featured on News24 TV: https://tinyurl.com/4scp6sbn
- Featured on Prothom Alo: https://tinyurl.com/2sy2jxb8
- Featured on Kaler Kantho: https://tinyurl.com/3aumsmu3
- Featured on Daily Ittefaq: https://tinyurl.com/2zd5xy9w
- Featured on The Business Standard: https://tinyurl.com/yzzdbxlp
- Featured on Daily Samakal: https://tinyurl.com/f4yfkddk
- Featured on Jagonews: https://tinyurl.com/yhrbwtrr
- Featured on Portidiner Songbad: https://tinyurl.com/f3uhpudp
- Award featured on Daily Ittefaq: https://tinyurl.com/2hokwvtl
- Award featured on The Daily Star: https://tinyurl.com/ssehhx23
- Award featured on Dhaka Tribune: https://tinyurl.com/dm9r5s5n
- Award featured on Financial Express: https://tinyurl.com/pyncakdt
- Award featured on the Daily Star: https://tinyurl.com/3v6wye2d
- News published on NewAge: https://tinyurl.com/bdf99u2n
- Diana Award News on RTV News: https://tinyurl.com/2tsz7jk8
- Diana Award News on Financial Express:
https://tinyurl.com/23h7wr5h
- Diana Award News on Daily Star: https://tinyurl.com/2736v47t
- Diana Award News on Dhaka Tribune: https://tinyurl.com/39emrujj
- Diana Award News on Prothom Alo: https://tinyurl.com/52edrf66
Join Our Team: https://www.sciencebee.com.bd/join-us/
20/08/2026
রেজিস্ট্রেশনের জন্য সময় বাকি আর মাত্র ১ ঘন্টা!
20/08/2026
হাইপোথার্মিয়া হলো শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া। অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশেষায়িত বার্ন ইউনিটে ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ২৬৮ জন দগ্ধ রোগীর ওপর গবেষণা করা হয়। তাদের মধ্যে ৪১ জন (১৫%) রোগীর শরীরের মূল তাপমাত্রা ৩৫°C বা তার কম ছিল, যাদের হাইপোথার্মিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশেষ করে শরীরের ৫০%-এর বেশি অংশ পুড়ে যাওয়া রোগীদের মধ্যে হাইপোথার্মিয়ার হার বেশি ছিল।
এই শারীরিক অবস্থার সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকি ও অন্যান্য জটিলতা বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া যায়। হাইপোথার্মিক রোগীদের মৃত্যুহার ছিল ১৪.৬%, যেখানে অন্যদের মধ্যে তা ছিল ৩.৫%। এছাড়া তাদের সেপসিসের হার এবং ICU-তে থাকার সময়ও বেশি ছিল। তাই দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালে দ্রুত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় উন্নত ব্যবস্থাপনা রাখা গুরুত্বপূর্ণ। গুরুতর হাইপোথার্মিয়া শরীরের রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ও অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারে, ফলে জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
Sumaiya Begum
Team Science Bee
20/08/2026
রেজিস্ট্রেশনের জন্য সময় বাকি আর মাত্র ২ ঘন্টা!
20/08/2026
রেজিস্ট্রেশনের জন্য সময় বাকি আর মাত্র ৩ ঘন্টা!
যারা নিজেদের টাকা দিয়ে বিদেশে পড়তে যেতে চান, তাদের কথা বাদ দিয়ে আমি যদি তাদের কথা বলি, যারা চান যে বাইরে যাওয়ার বা বাইরে পড়াশোনা করার যে খরচ, টিউশন ফি এবং সেইসাথে প্রতি মাসে ইউনিভার্সিটি থেকে একটা মাসিক স্যালারি, অর্থাৎ যারা আসলে মাস্টার্স অথবা পিএইচডিতে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেতে চান, তাদের জন্য এখন জিনিসটা কিছুটা কঠিন হয়েছে।
আগে কিছুটা সহজ ছিল। বিশেষ করে যারা সায়েন্সের সাবজেক্টগুলোতে পড়াশোনা করতেন, তারা সেন্ট্রালি অ্যাপ্লাই করলেও ভালো রেজাল্ট ও ভালো প্রোফাইল দেখে অনেক সময় ইউনিভার্সিটিগুলো তাদের নিয়ে নিত। কিন্তু এখন এত বেশি কম্পিটিশন হয়েছে যে, সেন্ট্রাল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই সুযোগ পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে।
এই কারণে প্রফেসর ম্যানেজ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফান্ড আসে প্রফেসরের নিজস্ব রিসার্চ ফান্ড থেকে। তাই প্রফেসরের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং তাকে আপনার প্রোফাইল সম্পর্কে আগ্রহী করে তোলা এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এমনও মানুষ আমরা দেখছি, যারা প্রায় ১,১০০টা মেইল করছে। এবং প্রত্যেকটা মেইল এমন না যে ১,১০০ জন প্রফেসরের নাম BCC-তে দিয়ে সবাইকে একই মেইল পাঠিয়ে দিচ্ছে। প্রত্যেকজন প্রফেসরকে আলাদাভাবে, স্ট্র্যাটেজিক্যালি মেইল পাঠাতে হয়।
আমি এমনও দেখেছি, কেউ ৫০০টা মেইল পাঠিয়েছে, সেখানে মাত্র ৫-১০ টা রেসপন্স এসেছে এবং সেখান থেকে হয়তো একটা কল এসেছে।
তো এই পরিশ্রমটা করার এবং লেগে থাকার মানসিকতাটাই আসলে লাগবে, যদি আপনি US, Canada অথবা UK-এর মতো দেশে ফুল ফান্ডেড মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চান।
এই বিষয়টা নিয়েই আমরা একটা ডিটেইলড সেশন আয়োজন করছি। আজকেই রেজিস্ট্রেশনের শেষ দিন।
আপনার যদি মনে হয় এই সেশনটা আপনার জন্য উপকারে আসবে, তাহলে আপনি রেজিস্ট্রেশন করতে কমেন্টে “Interested” লিখে দিন। এতে করে অনেক মানুষের কাছে পৌছাবে এবং আপনার সাথে ডিরেক্ট যোগাযোগ করবো।
20/08/2026
হিব্রু ইউনিভার্সিটি অব জেরুজালেমের এক গবেষণায় এমনটা দেখা গেছে। ক্যান্সার কোষ তাদের বৃদ্ধির জন্য দায়ী জিনগুলোকে সর্বোচ্চ ক্ষমতায় সচল রাখতে সুপার-এনহ্যান্সার নামক শক্তিশালী সুইচ ব্যবহার করে। কিন্তু একটানা অতিরিক্ত সক্রিয়তার ফলে DNA এর ওপর প্রবল চাপ পড়ে এবং তা ছিঁড়ে যায়। ক্যান্সার কোষের নিজস্ব মেরামত ব্যবস্থা দ্রুত এই ভাঙন জোড়া লাগিয়ে তাদের বাঁচিয়ে রাখে। বারবার তড়িঘড়ি করে মেরামত করার কারণে সেখানে ত্রুটি হতে হতে নতুন মিউটেশন তৈরি হয় যা ক্যান্সারকে আরও আক্রমণাত্মক করে তোলে।
তবে, এই ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়াটিই ক্যান্সারের সবচেয়ে বড়ো দুর্বলতা। ক্যান্সার কোষ বেঁচে থাকার জন্য এই ভাঙা-গড়ার ওপর নির্ভরশীল। চিকিৎসকগণ এমন ঔষধ তৈরির চেষ্টা করছেন যা সুপার-এনহ্যান্সারের গতি কমাবে বা DNA মেরামত বন্ধ করে ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে দেবে।
Md. Musfiqul Alam
Team Science Bee
20/08/2026
রেজিস্ট্রেশনের জন্য সময় বাকি আর মাত্র ৬ ঘন্টা!
20/08/2026
প্রাগৈতিহাসিক যুগের তুলনায় আধুনিক মানুষের মস্তিষ্কের গড় আকার কিছুটা ছোট হয়েছে; এমন ইঙ্গিত মিলেছে কয়েকটি গবেষণায়। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, এর অর্থ এই নয় যে মানুষের বুদ্ধিমত্তা কমেছে। বরং, মস্তিষ্কের আকারের চেয়ে এর কার্যকারিতা, স্নায়বিক সংযোগ এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের দক্ষতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
গবেষকদের ধারণা, সভ্যতার বিকাশ, প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং সমষ্টিগত জ্ঞানের ওপর মানুষের ক্রমবর্ধমান নির্ভরশীলতার ফলে বড় মস্তিষ্কের প্রয়োজন আগের তুলনায় কমে যেতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো গবেষণাধীন, তাই এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
Mahzuba Tajri Oyshi
Team Science Bee
20/08/2026
রেজিস্ট্রেশনের জন্য সময় বাকি আর মাত্র ১২ ঘন্টা!
19/08/2026
Emailing Professor For Research Funding (MS and PHD)- সেশনের আর বাকি ১ দিন।