DK RASEL 93
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন ধৈর্যশীল ব্যক্তিদের সাথে আছে এবং থাকবেন ইনশাআল্লাহ।
⇨খামেনীর জা'না'জা অনুষ্ঠানে সৌদি ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের সামনে তাদের করা ভুলগুলো কোরআনের ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তিলাওয়াতের মাধ্যমে ইরান বুঝিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, কাতার এবং ইরানকে সহায়তাকারী হুথি, হামাস ও হিজবুল্লাহকেও পৃথকভাবে সুন্দর বার্তা দেওয়া হয়েছে।♦️
➤সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের সামনে:
সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩ তিলাওয়াত করা হয়।
➤"নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য দুটি দলের মুখোমুখি হওয়ার মধ্যে একটি নিদর্শন ছিল; একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করছিল এবং অন্য দলটি ছিল কাফের (অবিশ্বাসী)...।" (সূরা আলে ইমরান, ৩:১৩)
➤ইরানের আসল বার্তা :
ইসলামের ইতিহাসে বদরের যুদ্ধ ছিল হক (সত্য) ও বাতিলের (মিথ্যা) মধ্যকার প্রথম মুখোমুখি লড়াই। সৌদি আরবকে এই আয়াত শোনানোর অর্থ হলো—ইরান নিজেকে আল্লাহর পথের দল (হক) দাবি করছে। আর সৌদি আরব যেহেতু আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের প্রতিরোধ অক্ষের সরাসরি পক্ষে দাঁড়ায়নি, তাই ইরান তাদের পরোক্ষভাবে 'বাতিল' বা 'অবিশ্বাসী' শিবিরের কাছাকাছি অবস্থানকারী হিসেবে ইঙ্গিত করে এক কূটনৈতিক খোঁচা দিয়েছে।✨🥀
➤তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সামনে:
সূরা আন-নিসা, আয়াত ৯৫ তিলাওয়াত করা হয়।
"➤ঈমানদারদের মধ্যে যারা কোনো কারণ ছাড়াই ঘরে বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করে, তারা সমান হতে পারে না। যারা জান-মাল দিয়ে জিহাদ করে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা ঘরে বসে থাকা লোকদের চেয়ে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছেন...।" (সূরা আন-নিসা, ৪:৯৫)🌿
ইরানের আসল বার্তা :
➤তুরস্ক ও দেশটির প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান মুখে ফিলিস্তিন বা গাজার পক্ষে অনেক বড় বড় কথা বললেও, বাস্তবে ইসরায়েল বা আমেরিকার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপে যায়নি বা ইরানের মতো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি। তুরস্কের প্রতিনিধিদলকে এই আয়াত শোনানোর উদ্দেশ্য ছিল প্রতীকী বার্তা দেওয়া। ইরান এর মাধ্যমে বার্তা দিয়েছে—"তোমরা কেবল মুখে বড় কথা বলে ঘরে বসে আছ, আর আমরা (ইরান, হিজবুল্লাহ, হুথি) জান-মাল দিয়ে ময়দানে লড়াই করছি। তাই আল্লাহর দরবারে আমাদের মর্যাদাই সবার উপরে।"♦️
➤এছাড়াও পাকিস্তানকে কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আমেরিকা ও ইসরায়েলের ভয়ে ভীত না হয়ে সত্যের পথে অটল থাকা এবং সঠিক পথে সমঝোতার বার্তা দেওয়া হয়েছে। কাতারকেও তাদের ভুল বুঝতে পারা এবং সঠিক সমঝোতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
➤পাশাপাশি হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের তাদের বীরত্ব,শহীদ হওয়া, দমে না যাওয়া,বিজয় এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য পুরস্কারের বিষয়ে আয়াত তিলাওয়াত করা হয়েছে।
➤আফগানিস্তানের জন্য ইরান সূরা আল-ফাতহ (৪৮ নম্বর সূরা)-এর ১ থেকে ৩ নম্বর আয়াতের তেলাওয়াত শোনায়।
➤"নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ) একটি স্পষ্ট ও পরিপূর্ণ বিজয় দান করেছি।" (সূরা আল-ফাতহ, আয়াত:১)♦️
➤ইরানের আসল বার্তা :
২০ বছরের দীর্ঘ যুদ্ধের পর আমেরিকার মতো পরাশক্তিকে দেশ থেকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য করায়, আফগানিস্তানের এই সংগ্রাম ও রাজনৈতিক বিজয়কে প্রতীকী অর্থে সম্মান জানাতে এবং অভিনন্দন জানাতেই ইরান তাদের এই আয়াতটি শোনায়।
বাংলাদেশের জন্য পঠিত আয়াত (সূরা আল-বাকারা: ১৪৩):
➤"এবং এভাবেই আমি তোমাদের এক মধ্যপন্থী জাতি (উম্মাতান ওয়াসাতান) বানিয়েছি, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষী হও এবং রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী হন।"♦️
➤ইরানের বার্তা: বাংলাদেশ কোনো আগ্রাসী যুদ্ধ বা ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণে সরাসরি জড়ায়নি। বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে, আবার বৈশ্বিক শান্তি ও মধ্যপন্থাও বজায় রেখেছে। ইরান এই আয়াতের মাধ্যমে বাংলাদেশকে 'উম্মাহর এক ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানিত অংশ' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বাংলাদেশের শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে।
জুম্মার নামাজ মানেই আত্মার পরিশুদ্ধি,
পাপ থেকে মুক্তির এক অনন্য সুযোগ 🌿
এই দিনটিকে ভালো কাজে ব্যয় করো,
কারণ জান্নাতের দরজা আজ খোলা 🤲🌙
যিনি বোঝে তিনি শব্দ শুনেই বোঝেন
যিনি বুঝেনা তিনি আর্তনাদে ও বুঝেনা!!
আজকে ভোর চারটার খেলায় কেউ রাগ করলে নাকি
11/06/2026
দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম গতিশীল করতে (৯ম বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সেতু) নির্মাণে দুই দেশের মধ্যে বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব (বৈদেশিক সহায়তা অধিশাখা) ড. মো. মোকছেদ আলী এবং চীনের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কাউন্সেলর সং ইয়াং স্বাক্ষর করেন।
প্রস্তাবিত সেতুটি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালী–বাউফল–গলাচিপা–আমড়াগাছিয়া জেলা মহাসড়কের (জেড-৮৮০৬) ১৪ কিলোমিটারে লোহালিয়া নদীর ওপর বগা ফেরিঘাটের ভাটিতে নির্মিত হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ দশমিক ৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ১ দশমিক ৩৪৮ কিলোমিটার মূল সেতু এবং ১ দশমিক ২৭২ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সেতুর মূল অবকাঠামো ও এপ্রোচ সড়ক নির্মাণে অর্থায়ন অনুদান হিসেবে দেবে চীন সরকার। ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তরসহ অন্যান্য ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার। চুক্তি অনুযায়ী, পরবর্তী ধাপে চীনা মনোনীত প্রতিষ্ঠান সেতুর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন করবে। পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের কাজও চলমান রয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণাঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে সময় ও পরিবহন ব্যয় কমার পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে নতুন গতি আসবে।
27/04/2026
শেরেবাংলা আবুল কাশেম (এ.কে) ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৬২ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এ.কে. ফজলুল হক। প্রথিতযশা বাঙালি এই রাজনীতিবিদ রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের কাছে ‘শেরেবাংলা’ (বাংলার বাঘ) ও ‘হক সাহেব’ নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন।
তিনি ছিলেন উপমহাদেশের এক অসাধারণ প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদ।
তিনি কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), পূর্ব বাংলার গভর্নর।
(১৯৫৬-১৯৫৮) পদসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।
আজকের এই দিনে মহান এই নেতার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।😭
একটি ঘুমন্ত সজারুুকে জড়িয়ে ধরে একটি সাপ খুব আনন্দ উপভোগ করতে লাগল। সেটাকে নিরাপদ আশ্রয় মনে করে সেও ঘুমিয়ে পড়লো। কিন্তু সজারুটির যখন ঘুম ভেঙে গেল, স্বভাবগতভাবেই সে তার গায়ের কাঁটাগুলি খাড়া করে দিল। কাঁটার আঘাতে সাপের কষ্ট হচ্ছিল কিন্তু সে পিছনের আনন্দের সময়টুকু স্মরণে রেখে এবং এই কষ্টকে সাময়িক সমস্যা মনে করে আরও শক্তভাবে জড়িয়ে ধরল এই ভেবে যে, হয়তো সজারুটি আবার পূর্বের অবস্থানে ফিরে যাবে।
পরবর্তীতে দেখা গেল কেউ তার অবস্থান পরিবর্তন না করায় কাঁটার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে রক্তক্ষরণে সাপটি একসময় মারা গেল। সাপটি মারা যাওয়ার পর সজারুর মনে আফসোস তৈরি হলো এই যে, সাপটি তো আমার কোন ক্ষতি করেনি, ও শুধুমাত্র আমাকে আঁকড়ে ধরে সুখী হতে চেয়েছিলো। আমি একটু নমনীয় হলে হয়তো ওকে জীবন দিতে হতো না।
প্রশ্ন হলো - এখানে কার ভুল বেশি ছিল এবং প্রকৃত অপরাধী কে?
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতু বন্ধুরা বর্তমানে কার কার এলাকায় বিদ্যুৎ নাই আমার এলাকায় বিদ্যুৎ নাই নক করেন আমাকে।
GOOD NIGHT IN BANGLADESH 🇧🇩
GOOD NIGHT BANGLADESH
Category
Website
Address
Savar