Sylhet Journalist Unity Club

Sylhet Journalist Unity Club

Share

সবার আগে সংবাদ পেতে
'Sylhet Journalist Unity Club'
পেইজে চোখ রাখুন।

08/09/2026

১৯তম বর্ষে দৈনিক আলোকিত সিলেট, ছাতকে আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন

ছাতক প্রতিনিধি:
দীর্ঘ ১৮ বছর পেরিয়ে গৌরবের সঙ্গে ১৯তম বর্ষে পদার্পণ করেছে সিলেটের জনপ্রিয় সংবাদপত্র দৈনিক আলোকিত সিলেট।

এ উপলক্ষে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার দৈনিক আলোকিত সিলেটের ছাতক অফিসের উদ্যোগে এক আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সংবাদপত্রটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিক, লেখক, সুধীজন, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অতিথিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

আয়োজকরা জানান, দীর্ঘ পথচলায় পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের ভালোবাসা ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি নতুন প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নিয়েই এ আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকলের স্ববান্ধব উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করেছেন আয়োজকরা।

03/09/2026

দৈনিক আলোকিত সিলেটের ১৯ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়

ডেস্ক নিউজ:
দৈনিক আলোকিত সিলেটের ১৯ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলজার আহমদ হেলাল-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন দৈনিক আলোকিত সিলেটের স্টাফ রিপোর্টার ও ছাতক উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি তানভীর আহমদ জাকির।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ড. রাগীব আলী মিলনায়তনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তানভীর আহমদ জাকির দৈনিক আলোকিত সিলেটের ১৯ বর্ষে পদার্পণে পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক গোলজার আহমদ হেলালকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং পত্রিকার উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় হয়।

উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠার পর থেকে দৈনিক আলোকিত সিলেট পাঠকের কাছে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সিলেটের স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনসাধারণের কথা তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পত্রিকাটির ১৯ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

31/08/2026

সাহসিকতা, দক্ষতা ও জনবান্ধব নেতৃত্বে ছাতকের প্রশাসনে আস্থার প্রতীক ইউএনও মহিউদ্দিন

ডেস্ক নিউজ:
দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় তিন মাসের মধ্যেই কর্মদক্ষতা, সাহসিকতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে ছাতক উপজেলা প্রশাসনে স্বতন্ত্র কর্মধারার পরিচয় দিতে শুরু করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহিউদ্দিন। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে দৃঢ়তা, জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে তাঁর সক্রিয়তা স্থানীয় সচেতন মহলে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি করেছে। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন প্রায় তিন মাস আগে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর পাশাপাশি তিনি বর্তমানে ছাতক পৌরসভার প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পৌর এলাকার নাগরিক সেবা, উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাতেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।

দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব একসঙ্গে সামলে তিনি নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসেবা, আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন অনিয়ম প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর কর্মতৎপরতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দৃঢ়তা স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে।
এর আগে তিনি সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা এবং মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার ফলে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং জনসম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে।
একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহুমাত্রিক। সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, জনসাধারণের সেবা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমন্বয়, সরকারি সম্পদ সংরক্ষণ এবং নাগরিক সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখা তাঁর দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব দায়িত্ব পালনে দৃঢ়তা, নিরপেক্ষতা, সাহসিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় প্রয়োজন।

ছাতকে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মো. মহিউদ্দিনের কর্মকাণ্ডে এসব বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। বিশেষ করে অনিয়মের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান, জনস্বার্থ রক্ষায় তৎপরতা এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সাহসিকতা তাঁর দায়িত্ব পালনের উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে কুলাউড়ায় দায়িত্ব পালনকালে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেছিলেন, “জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবো।” তাঁর এই বক্তব্যে জনসম্পৃক্ত প্রশাসনের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানের অভিজ্ঞতাও রয়েছে মো. মহিউদ্দিনের। দেশে ফিরে প্রশাসনিক দায়িত্বে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার মাধ্যমে তিনি মাঠ প্রশাসনের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

ছাতকবাসীর প্রত্যাশা
শিল্প, বাণিজ্য, নদী, পরিবেশ, যোগাযোগ, আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক সেবাসহ নানা ক্ষেত্রে ছাতক একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। একই সঙ্গে পৌর এলাকার নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রমও একটি বড় দায়িত্ব। ফলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক হিসেবে মো. মহিউদ্দিনের ওপর রয়েছে দ্বৈত দায়িত্ব ও বড় ধরনের প্রত্যাশা।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রত্যাশা, তাঁর অভিজ্ঞতা, কর্মদক্ষতা ও সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে ছাতকের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ, গতিশীল, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব হবে। মাদক, সন্ত্রাস, অবৈধ দখল, পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপের পাশাপাশি পৌর এলাকার নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রমেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশা ছাতকবাসীর।

দায়িত্বে দৃঢ়তা, সিদ্ধান্তে সাহসিকতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা—এই তিনের সমন্বয়ে ইউএনও ও পৌর প্রশাসক মো. মহিউদ্দিন ছাতকের প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা আরও বেগবান করবেন—এটাই এখন স্থানীয়দের প্রত্যাশা।

20/08/2026

মেধা, অধ্যবসায় ও সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত ব্যারিষ্টার আবিদুর রহমান (শাহি)

ডেস্ক নিউজ:
শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক সাফল্য, উচ্চশিক্ষার প্রতি আগ্রহ এবং আইন পেশায় নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছেন ছাতকের মেধাবী তরুণ ব্যারিষ্টার আবিদুর রহমান শাহি। মেধা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে আইন পেশায় উচ্চতর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে নিজেকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছেন।

ব্যারিষ্টার আবিদুর রহমান শাহি ছাতকের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ নিজাম উদ্দিনের সুযোগ্য সন্তান। তিনি ছাতক পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহিদ মজনুর ভাতিজা। পারিবারিকভাবে শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব ও মূল্যবোধের পরিবেশে বেড়ে ওঠা শাহি ছোটবেলা থেকেই উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত জীবনে সফল হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে আসেন।

তিনি Metropolitan University থেকে ২০২১ সালে LLB ডিগ্রি অর্জন করেন। আইন বিষয়ে আরও উচ্চতর শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেকে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। সেখানে Swansea University থেকে ২০২৪ সালে দ্বিতীয় LLB ডিগ্রি অর্জন করেন।

শুধু একাডেমিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে আইন পেশায় নিজেকে আরও দক্ষ ও পেশাগতভাবে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে তিনি যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য BPP University-তে Bar Training Course (BTC) সম্পন্ন করেন। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে তিনি সফলভাবে এই প্রশিক্ষণ শেষ করেন।

এর পাশাপাশি, যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ও মর্যাদাপূর্ণ The Honourable Society of Lincoln’s Inn-এর সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন ব্যারিষ্টার আবিদুর রহমান শাহি। আইন পেশায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়।

ছাতকের মাটিতে বেড়ে উঠে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণ অর্জনের মাধ্যমে ব্যারিষ্টার শাহি তরুণ প্রজন্মের সামনে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। তাঁর এই অর্জন শুধু পরিবারের জন্য নয়, ছাতকের মানুষের জন্যও গর্বের বিষয়।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, মেধা, পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও সঠিক লক্ষ্যে অবিচল থাকলে একজন তরুণ কীভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারেন—ব্যারিষ্টার আবিদুর রহমান শাহি তার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

14/08/2026

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা—কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চাই

সিলেট বিভাগের বিএনপির রাজনীতিতে যেসব নেতা দীর্ঘদিন ধরে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয়, সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন।

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন আসনে বিএনপির যে বড় ধরনের বিজয় এসেছে, তার মধ্যে সুনামগঞ্জের ফলাফল বিশেষভাবে আলোচনার দাবি রাখে। আর সুনামগঞ্জ-৫ আসনে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের বিজয়কে শুধু একটি নির্বাচনী জয় হিসেবে দেখলে ভুল হবে; এটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিশ্রম, সাংগঠনিক ভিত্তি, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক এবং মানুষের আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।

একটি আসনের রাজনৈতিক ইতিহাস

ছাতক ও দোয়ারাবাজার নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৫ আসনটি সুনামগঞ্জ জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন। এই আসনের রাজনৈতিক ইতিহাসও বেশ বৈচিত্র্যময়। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তি এখানে জয় পেয়েছে। অর্থাৎ এই আসন কোনো একটি দলের চিরস্থায়ী ঘাঁটি নয়; বরং এখানকার মানুষ প্রার্থী, নেতৃত্ব, রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সময়ের বাস্তবতা বিবেচনা করেই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছেন।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়লাভ করেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির কলিম উদ্দিন বিজয়ী হন। একই বছর জুনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মুহিবুর রহমান মানিক জয়লাভ করেন। এরপর ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে আবারও বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। ২০০৮ সালে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হলেও উল্লেখযোগ্য ভোট পান।

এরপর দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-হামলা এবং নানা রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে তিনি মাঠে সক্রিয় ছিলেন। দলীয় সংকটের সময়েও তিনি সংগঠনকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন। প্রকাশিত রাজনৈতিক প্রতিবেদনগুলোতেও দেখা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন এবং ২০২৫ সালে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

২০২৬ সালের বিজয় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের বিজয় তাই কেবল একটি নির্বাচনী ফলাফল নয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর তৃণমূলের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া একটি নতুন ম্যান্ডেট। নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী তিনি ১ লাখ ৫১ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়েছেন এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছেন।

এই ফলাফল প্রমাণ করে—ছাতক ও দোয়ারাবাজারের মানুষ তাকে শুধু একজন দলীয় নেতা হিসেবে দেখেননি; তারা তাকে তাদের এলাকার একজন পরিচিত রাজনৈতিক প্রতিনিধি হিসেবেও গ্রহণ করেছেন। একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার পদ-পদবি নয়, মানুষের আস্থা। আর মানুষের সেই আস্থা অর্জন করতে বছরের পর বছর মাঠে থাকতে হয়। সুখের সময়ে পাশে থাকা সহজ, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোই একজন নেতার প্রকৃত পরীক্ষা। কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য এখানেই—দলের দুঃসময়ে তিনি মাঠ ছেড়ে যাননি।

শুধু সংসদ সদস্য নয়, একজন পরীক্ষিত সাংগঠনিক নেতা

একজন মন্ত্রী হওয়ার জন্য শুধু নির্বাচনে জয়লাভ করাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক চিন্তাভাবনা, সাংগঠনিক দক্ষতা, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষমতা, দল পরিচালনার অভিজ্ঞতা এবং সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা। আমার বিবেচনায় কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের মধ্যে এসব যোগ্যতার অনেকগুলোই বিদ্যমান। তিনি দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে।

২০২৫ সালে তাকে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়ার পর হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অভ্যর্থনার খবরও প্রকাশিত হয়েছে। নির্বাচনের আগে ছাতক-দোয়ারাবাজারে সাংগঠনিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করেছেন। এমনকি দলীয় অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতার পরও নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখে নির্বাচনী মাঠে কাজ করার বিষয়টি সামনে এসেছে। এগুলো একজন নেতার সাংগঠনিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

হাওরাঞ্চলের মানুষের কথাও ভাবতে হবে

সুনামগঞ্জ বাংলাদেশের একটি বিশেষ ভৌগোলিক বাস্তবতার জেলা। হাওর, নদী, সীমান্ত, যোগাযোগব্যবস্থা, কৃষি, মৎস্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান—প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই জেলার মানুষের রয়েছে আলাদা চ্যালেঞ্জ। বর্ষাকালে অনেক এলাকা পানিতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কৃষকের জীবন প্রকৃতিনির্ভর। অনেক শিক্ষার্থী ভালো শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। চিকিৎসার জন্য মানুষকে ছুটতে হয় জেলা বা বিভাগীয় শহরে। কর্মসংস্থানের অভাবে তরুণদের বড় একটি অংশ দেশের বিভিন্ন জায়গা কিংবা বিদেশমুখী হয়।

ছাতক আবার শিল্পাঞ্চল হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতে ছাতকের রয়েছে ঐতিহাসিক ভূমিকা। অন্যদিকে দোয়ারাবাজারের বিশাল জনগোষ্ঠী কৃষি, মৎস্য, প্রবাসী আয় ও ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল।
এমন একটি জেলার জন্য একজন শক্তিশালী, অভিজ্ঞ ও তৃণমূলভিত্তিক মন্ত্রীর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও সুনামগঞ্জের প্রত্যাশা

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহু নেতা মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পেয়েছেন। অনেক জেলা বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পেয়েছে। কিন্তু সুনামগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশা এখনো পূর্ণতা পায়নি—এই জেলার একজন যোগ্য রাজনৈতিক নেতাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বে দেখা।

সেই জায়গা থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে আমাদের বিনীত প্রশ্ন—

হাওরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার কথা কি একবার বিবেচনা করা যায় না?

সুনামগঞ্জ-৫ আসনের জনগণ যে নেতাকে বিপুল ভোটে সংসদে পাঠিয়েছেন, যিনি দীর্ঘদিন দলীয় সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন, প্রতিকূল রাজনৈতিক সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়েও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন—তাকে একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে তার সক্ষমতা যাচাই করা যায় না?

এটি শুধু একজন ব্যক্তির জন্য দাবি নয়

কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে মন্ত্রী করার দাবি শুধু তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মর্যাদা বৃদ্ধির দাবি নয়। এটি সুনামগঞ্জের মানুষের প্রতিনিধিত্বের দাবিও। কারণ একজন মন্ত্রী যখন একটি জেলার প্রতিনিধিত্ব করেন, তখন সেই জেলার মানুষের সমস্যাগুলো জাতীয় নীতিনির্ধারণের টেবিলে আরও শক্তিশালীভাবে উপস্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

আমরা চাই—

হাওরের মানুষের কথা জাতীয় পর্যায়ে আরও জোরালোভাবে উচ্চারিত হোক। সুনামগঞ্জের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন হোক। হাওর রক্ষা ও টেকসই বাঁধ ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হোক। কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্য কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হোক। ছাতকের শিল্প সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো হোক। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হোক। প্রবাসীদের বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানো হোক। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সুনামগঞ্জের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো জাতীয় গুরুত্ব পাক। আর এসব দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় পর্যায়ে একজন শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতিনিধি থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কঠিন সময়ে যারা পাশে থাকে, তাদের মূল্যায়ন হওয়া উচিত।

রাজনীতির সবচেয়ে কঠিন সময়েই একজন নেতার প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায়।

সুখের সময়ে অনেকেই পাশে থাকে। কিন্তু দলের দুঃসময়ে যখন নেতাকর্মীরা মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার, হয়রানি কিংবা রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন, তখন যারা তাদের পাশে থাকেন, তারাই প্রকৃত অর্থে পরীক্ষিত নেতা।

কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় এমন অনেক প্রতিকূল সময় এসেছে। তারপরও তিনি সংগঠনের সঙ্গে থেকেছেন, মাঠে থেকেছেন এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন—এমন দাবিই তার সমর্থকদের দীর্ঘদিনের বক্তব্য। রাজনীতিতে মূল্যায়ন শুধু পদ দেওয়ার মাধ্যমে হয় না; একজন পরীক্ষিত নেতাকে আরও বড় দায়িত্ব দিয়ে তার যোগ্যতাকে কাজে লাগানোও রাজনৈতিক মূল্যায়নের অংশ।

ফ্যামিলি কার্ড শুমারি থেকে প্রশাসনিক সমন্বয়—নেতৃত্বের আরেকটি পরীক্ষা

বর্তমানে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ নিয়োগসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ধরনের অভিযোগ, অসন্তোষ কিংবা আন্দোলনের খবর পাওয়া গেলেও সুনামগঞ্জে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনের সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধু নিজের রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করা নয়; বরং জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের যোগাযোগ সহজ করা, মানুষের অসন্তোষের কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ভূমিকা রাখা।এখানেও কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের মতো অভিজ্ঞ নেতার রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে কাজে লাগানো যেতে পারে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত আবেদন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

আপনি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন পর্যায়ে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক অবদানের ভিত্তিতে নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, সামনে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আপনার হাত দিয়ে আসবে। সেই সিদ্ধান্তের তালিকায় হাওরাঞ্চল সুনামগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাটিও বিবেচনা করুন। কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে দেখুন।

একজন পরীক্ষিত রাজনৈতিক নেতা, দীর্ঘদিনের সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমান সংসদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে তিনি কতটা দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে পারেন—সেটি প্রমাণ করার সুযোগ তাকে দেওয়া হোক।

মানুষ পৃথিবীতে দুইশ বছরের জন্য আসে না। জীবনের একটি সীমিত সময়ের মধ্যেই মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। একজন মানুষ জীবিত থাকা অবস্থায় যদি তার যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়, তাহলে তিনি আরও বড় পরিসরে মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পান। মৃত্যুর পর সম্মান দেওয়া যায়, স্মরণ করা যায়; কিন্তু দায়িত্ব দিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ আর ফিরিয়ে দেওয়া যায় না।

তাই সময় থাকতে যোগ্যতার মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
সুনামগঞ্জের মানুষ একটি স্বপ্ন দেখতে চায়
আমরা এমন একটি দিন দেখতে চাই— যেদিন সুনামগঞ্জের কোনো নেতা শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে নয়, জাতীয় সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেশের নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখবেন। যেদিন হাওরের কৃষকের কথা মন্ত্রিসভার টেবিলে আরও জোরালোভাবে উঠবে। যেদিন সুনামগঞ্জের উন্নয়ন পরিকল্পনা আরও বড় পরিসরে গ্রহণ করা হবে।

যেদিন ছাতক-দোয়ারাবাজারের মানুষ বলবে—আমাদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হয়েছে। আমরা মনে করি, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন একজন সম্ভাবনাময় ও পরীক্ষিত নাম। সিলেট বিভাগের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতাদের যেমন বিভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে, তেমনি সুনামগঞ্জের এই জনপ্রিয় নেতাকেও জাতীয় পর্যায়ে আরও বড় দায়িত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করা হোক—এটাই আজ ছাতক-দোয়ারাবাজারবাসীর প্রত্যাশা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষের কথা বিবেচনা করুন।
ছাতক-দোয়ারাবাজারের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা বিবেচনা করুন। একজন পরীক্ষিত রাজনৈতিক নেতার দীর্ঘ পথচলা ও অবদানের কথা বিবেচনা করুন। কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে সুনামগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করুন। হয়তো এই একটি সিদ্ধান্ত শুধু একজন নেতাকে মূল্যায়ন করবে না—বরং একটি অবহেলিত জনপদের মানুষের মনে নতুন আশার সৃষ্টি করবে।

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলও জাতীয় নেতৃত্বে তার যোগ্য প্রতিনিধিত্ব দেখতে চায়। এটি কোনো ব্যক্তির প্রতি অন্ধ সমর্থনের দাবি নয়; এটি একজন পরীক্ষিত নেতার যোগ্যতা কাজে লাগানোর এবং একটি জনপদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাকে সম্মান করার আবেদন। সময় এসেছে সুনামগঞ্জকে মূল্যায়ন করার। সময় এসেছে হাওরাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়ার। সময় এসেছে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে আরও বড় দায়িত্বে দেখার।

ইনশাআল্লাহ, যোগ্যতা ও দায়িত্বের সমন্বয়ে তিনি জাতীয় পর্যায়েও সুনামগঞ্জের মানুষের মুখ উজ্জ্বল করবেন—এটাই আমাদের বিশ্বাস।

সুনামগঞ্জের জন্য একটি মন্ত্রণালয়—এবার সময়ের দাবি।

লেখক-
তানভীর আহমদ জাকির
সভাপতি, ছাতক উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাব।
(১৪ আগষ্ট ২০২৬ শুক্রবার)

29/07/2026

সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার সমাবর্তন উপলক্ষে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ:
ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার ২০২২–২০২৩ শিক্ষাবর্ষের কামিল (মাস্টার্স) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘সমাবর্তন-২০২৬’ অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, সুন্দর ও সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে তানভীর আহমদ জাকির-কে আহ্বায়ক, মোঃ জালাল উদ্দিন-কে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং নোমান আহমদ-কে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামছুল আলম চৌধুরী, মুফতি ফুরকান আহমদ তালুকদার, মোস্তাক আহমদ, মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ, রেজওয়ানা বেগম এবং তাহমিনা আক্তার।

কমিটির আহবায়ক তানভীর আহমদ জাকির জানিয়েছেন, সমাবর্তন অনুষ্ঠানকে মর্যাদাপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও স্মরণীয় করে তুলতে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা, সমন্বয় ও বাস্তবায়নে কমিটির সদস্যরা সম্মিলিতভাবে কাজ করবেন।
এছাড়াও হাদিস বিভাগ, ফিকহ বিভাগ, তাফসীর বিভাগ ও আদব বিভাগের সকল নিয়মিত ও অনিয়মিত, নতুন ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাবর্তন-২০২৬ অনুষ্ঠানটি একটি ঐতিহাসিক, গৌরবময় ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হবে—ইনশাআল্লাহ।

আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, এ আয়োজন শুধু একটি সমাবর্তন নয়; বরং সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্যের এক মিলনমেলা। তাই অনুষ্ঠানের সার্বিক সফল বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, সুচিন্তিত পরামর্শ, স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং দোয়া একান্তভাবে কামনা করা হচ্ছে।

সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় সমাবর্তন-২০২৬ মাদ্রাসার ইতিহাসে একটি অনন্য, সফল ও স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে স্থান করে নেবে—এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্ট সবার।

26/07/2026

ছাতক থানায় নতুন ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হিসেবে যোগ দিলেন ঝলক মোহন্ত

ডেস্ক নিউজ:
সুনামগঞ্জের ছাতক থানায় নতুন ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হিসেবে যোগদান করেছেন পুলিশ পরিদর্শক জনাব ঝলক মোহন্ত। সম্প্রতি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে থানায় তাঁর নতুন পদের কার্যভার গ্রহণ করেন।

​থানা সূত্রে জানা গেছে, ঝলক মোহন্ত এর আগে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ থানায় অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনে অপরাধ দমন, মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাঁর ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে।

​নবযোগদানকারী ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, ছাতক থানার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের আইনি সেবা নিশ্চিত করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে ঝুলে থাকা মামলাগুলোর দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত সম্পন্ন করতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন। এ লক্ষ্যে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। ​এদিকে একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হিসেবে পাওয়ায় ছাতক থানার অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধ এবং তদন্ত ব্যবস্থায় আরও গতিশীলতা আসবে বলে আশা প্রকাশ করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

21/07/2026

ছাতকে বন বিভাগের বাগান পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন

ডেস্ক নিউজ:
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নাছিমপুর মৌজার হাদাটিলা এলাকায় বন বিভাগের ছাতক বিটের আওতাধীন ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে সৃজিত ৫০ হেক্টর উডলট বাগান পরিদর্শন করেছেন সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেল ৪টায় স্পিডবোটযোগে উপজেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বনাঞ্চল পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, বন ও বনভূমি থেকে যারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে পরিবেশের ক্ষতি করছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, বনভূমি রক্ষার স্বার্থে প্রয়োজন হলে হাদাটিলা এলাকায় একটি অস্থায়ী আনসার ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ ও বন বিভাগ সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে।

ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকবে। সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত বৈধ বা অবৈধ—কোনো ধরনের বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হবে না। এ নির্দেশনা অমান্য করে কেউ বালু উত্তোলনে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাগান পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রিয়াজ উদ্দিন, ছাতক থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ঝলক মোহন, নৌ পুলিশের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন, বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা কে. বি. এম. ফেরদৌস, ইসলামপুর ইউনিয়নের বিট কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ রুমেন এবং ছাতক উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি তানভীর আহমদ জাকির।

19/07/2026

মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে স্টুডেন্ট ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশনের বিবৃতি

ডেস্ক নিউজ:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহাম্মদ নাজমুল হাসান জুয়েলকে নিয়ে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে স্টুডেন্ট ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (এসডিএ), ১নং ইসলামপুর ইউনিয়ন, ছাতক, সুনামগঞ্জ। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, মুহাম্মদ নাজমুল হাসান জুয়েল একজন সৎ, মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। পাশাপাশি স্টুডেন্ট ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শিক্ষার্থী ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, মানহানিকর ও অপপ্রচারমূলক বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়, দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। এ ধরনের অপপ্রচার একজন সম্মানিত ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা বলেও দাবি করা হয়। স্টুডেন্ট ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের গুজব, মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার থেকে বিরত থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে।

10/07/2026

ছাতকে জালালিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ:
ছাতক জালালিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের
নতুন কমিটি গঠন উপলক্ষে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে মাদ্রাসা হলরুমে ছাতক সরকারি বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও নরসিংপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক ও আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাতক জালালিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আহাদ। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও প্রাক্তন শিক্ষক মাওলানা আবু জয়ীদ মো. নুমান, গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি ও ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আম্বিয়া মাজকুর পাভেল, আরবি প্রভাষক মাওলানা আলী আছগর খান এবং শিক্ষক মাওলানা সাইফুল ইসলাম।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এলংগি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা আব্দুল ওয়াহাব, মঈনুল ইসলাম, ফারুক আহমদ, হাফিজ আতাউর রহমান, বুরাইয়া কামিল মাদ্রাসার বাংলা প্রভাষক গোলজার আহমদ, শাহরিয়ার তারেক, মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, ব্যাংকার ফয়সল আহমদ, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, আমজাদ মাহমুদ মাসুম ও ছাতক উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি তানভীর আহমদ জাকিরসহ অন্যান্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

সভায় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী হাফিজ সেলিম আহমদ কাওছার এবং নাতে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন ছাতক জালালিয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্র সংসদের ভিপি রাসেল আহমদ। সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ছাতক জালালিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের নতুন কমিটিতে মাওলানা জাকির হোসেন কে সভাপতি ও মাওলানা কাদির বিল্লাহ কে সাধারণ সম্পাদক করে ২৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয় এবঋ নবগঠিত কমিটির সফলতা কামনা করে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ দোয়া ও শুভকামনা জানান।

Website

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sylhet Journalist Unity Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Sylhet.