Md Shafi Al Siam
-----I am the soldier of the black flag,Who is waiting for imam Mahdi
আমি চির-সেই বিপ্লবী হিতু, মহা-জাগরণে আমি বিদ্রোহী ধূমকেতু!--------
04/07/2026
হুমায়ূন আহমেদকে নানা কারণে পছন্দ এবং অপছন্দ করি। পছন্দ করার একটা কারণ হলো, একবার একটা ছোট চিরকুটে তিনি লিখেছিলেন—
‘শাওন, তুমি গু খাও।’
আরিফ আজাদ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতে তাহলে কি বলতেন
#সোনারতরী
01/07/2026
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৩৬ দিন
https://www.bbc.com/bengali/extra/aimee860o7/36-days-of-july-revolution-in-bangladesh
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৩৬ দিন এই বিশেষ প্রতিবেদনে, কোটা সংস্কারের দাবি থেকে ক্রমে ক্ষোভ বৃদ্ধি এবং এক পর্যায়ে সেসময়কার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসি....
"যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও, তবে তুমি বাংলাদেশ।"
Sylhet July 2024
30/06/2026
জান দেবো জুলাই দেবো না
27/06/2026
মানুষ কত বোকা যে তার ভাই উপোস তাকে সে মাজারে টাকা দেয় !
গাজা----------
এটি খুব কমই দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেছে: ২০১১ সালে সোমালিয়ায়, ২০১৭ ও ২০২০ সালে দক্ষিণ সুদানে এবং গত বছর সুদানের পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুর অঞ্চলের কিছু অংশে। দুর্ভিক্ষের প্রযুক্তিগত সংজ্ঞাটি বেশ কঠোর, যেখানে তিনটি বিষয়ের মধ্যে অন্তত দুটি পূরণ হতে হয়: ২০% পরিবারে খাদ্যের চরম অভাব; ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে অন্তত ৩০% তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে; এবং প্রতি ১০,০০০ জনে অনাহারে বা অপুষ্টি ও রোগের সম্মিলিত প্রভাবে প্রতিদিন অন্তত দুইজন ব্যক্তি অথবা পাঁচ বছরের কম বয়সী চারজন শিশুর মৃত্যু।
আইপিসি-র নতুন মূল্যায়নে দেখা গেছে যে গাজায় প্রথম সীমাটি পূরণ হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১১ মে থেকে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত সময়ে ৪৭৭,০০০ মানুষ—যা মোট জনসংখ্যার ২২ শতাংশ—সর্বোচ্চ স্তর ‘ভয়াবহ’ ক্ষুধার সম্মুখীন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হয়েছেন। তবে, অন্যান্য সীমাগুলো পূরণ হয়নি।
গাজার মানবিক কর্মকর্তারা বলছেন, তারা আশঙ্কা করছেন যে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করার আগেই অনেক দেরি হয়ে যাবে এবং ততদিনে বহু মানুষ মারা যাবে।
আইপিসি ২০২৪ সালের মার্চ মাসে উত্তর গাজায় “আসন্ন” দুর্ভিক্ষের বিষয়েও সতর্ক করেছিল, কিন্তু পরের মাসেই একটি ইসরায়েলি হামলায় সাতজন সাহায্যকর্মী নিহত হওয়ার পর মার্কিন চাপে ইসরায়েল ত্রাণসামগ্রী আসার অনুমতি দেয়।
পশ্চিম আফ্রিকা------------------
ইকোওয়াস সতর্ক করেছে যে, জরুরি হস্তক্ষেপ ছাড়া ২০২৫ সালের জুন থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে পশ্চিম আফ্রিকার ৪ কোটি ৭০ লক্ষ মানুষ খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হতে পারে।
পশ্চিম আফ্রিকান রাষ্ট্রসমূহের অর্থনৈতিক জোট, ইকোওয়াস, সতর্ক করেছে যে বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা সংকট মোকাবেলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে ২০২৫ সালের জুন থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে এই অঞ্চলের প্রায় ৪ কোটি ৭০ লক্ষ মানুষ খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হতে পারে।
ইকোওয়াস জানিয়েছে যে, বর্তমানে এই অঞ্চলে ৩ কোটি ৪৭ লক্ষ মানুষের জরুরি খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন।
ইকোওয়াস-এর অর্থনৈতিক বিষয় ও কৃষি বিষয়ক কমিশনার মিসেস মাসান্দজে তুরে-লিৎসে মঙ্গলবার আবুজায় আঞ্চলিক খাদ্য নিরাপত্তা রিজার্ভ (আরএফএসআর)-এর ব্যবস্থাপনা কমিটির তৃতীয় বৈঠকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
ইকোওয়াস-এর আঞ্চলিক কৃষি ও খাদ্য সংস্থার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ জোঙ্গোর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্বকারী তুরে-লিৎসে বলেছেন, টেকসই স্থিতিস্থাপকতার ভিত্তি সুসংহত করার পাশাপাশি অঞ্চলটির জন্য তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালী করা অপরিহার্য।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পশ্চিম আফ্রিকা ও সাহেল অঞ্চলের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটেছে।
কমিশনার ব্যাখ্যা করেন যে, এই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় পুষ্টি সংকট অব্যাহত রয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী তীব্র অপুষ্টির হার ১০ থেকে ১৪ শতাংশের মধ্যে। তিনি বলেন: “সমন্বিত কাঠামোর (Harmonized Framework) উপর ভিত্তি করে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পরিচালিত বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, প্রায় ৩ কোটি ৪৭ লক্ষ মানুষের অবিলম্বে খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন। যদি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে ২০২৫ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত মঙ্গা মৌসুমে এই সংখ্যা ৪ কোটি ৭০ লক্ষে পৌঁছাতে পারে।”
এছাড়াও, আমাদের অঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় পুষ্টি সংকট অব্যাহত রয়েছে, যেখানে বিশ্বব্যাপী তীব্র অপুষ্টির হার ১০ থেকে ১৪ শতাংশের মধ্যে।
26/06/2026
একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকারসমূহ-
আমরা প্রায়ই ভাবি –“অধিকার” মানে শুধু ভোট দেওয়া বা মত প্রকাশ করা। কিন্তু এর বাইরেও একজন ব্যক্তির এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধিকার আছে, যেগুলো সম্পর্কে আমরা জানি না কিংবা যেগুলো নিয়ে আমরা ততটা সচেতন নই। রাষ্ট্রের সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের উচিত নিজের দায়িত্ব ও অধিকারগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা। আজ আমরা এমন কিছু নাগরিক অধিকারের বিষয়ে আলোচনা করবো যেগুলো আমরা প্রায়ই নিজের অজান্তত উপেক্ষা করে ফেলি :
১. সাংবিধানিক প্রতিকার পাওয়ার অধিকার
বাংলাদেশের সংবিধান এর ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে যে কেউ সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করতে পারেন। রিট হলো আদালতের একটি বিশেষ আদেশ, যার মাধ্যমে–
● বেআইনি সিদ্ধান্ত বাতিল করা যায়
● কোনো কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য করা যায়
● বেআইনি আটক থেকে মুক্তি পাওয়া যায়
ধরুন, কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত আপনার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে, তাহলে আপনি Writ of Mandamus বা Certiorari এর মাধ্যমে প্রতিকার চাইতে পারেন। যদি কোনো সরকারি চাকরির নিয়োগে স্বচ্ছতা না থাকে, বা বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাহলে হাইকোর্টে রিট করা যায়।
২. তথ্য জানার অধিকার
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ আমাদের সরকারি দপ্তর থেকে তথ্য চাওয়ার অধিকার দিয়েছে।
ধরুন, আপনার এলাকায় রাস্তা নির্মাণে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে কাজ হয়নি। তাহলে আপনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করে জানতে চাইতে পারেন কত টাকা ছাড় হয়েছে? ঠিকাদার কে? কাজের অগ্রগতি কতদূর? যদি আপনাকে কতৃপর্ক্ষ যথাযথ তথ্য না দেয়, তাহলে আপনি তথ্য কমিশনে আপিল করতে পারেন। প্রশ্ন করা নাগরিকের অধিকার, অপরাধ নয়। এটি দুর্নীতি প্রতিরোধের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার।
৩. গ্রেপ্তারের কারণ জানার অধিকার
সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কাউকে গ্রেপ্তার করলে দ্রুত কারণ জানাতে হবে এবং আইনজীবীর সাথে পরামর্শের সুযোগ দিতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধান এর ৩৩ অনুচ্ছেদ বলছে
● ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে হবে
● আইনজীবীর সাথে পরামর্শের সুযোগ দিতে হবে
● ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে
যদি কোনো ব্যক্তির পরিবারকে না জানিয়ে আটকে রাখা হয় এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির না করা হয় তাহলে হাইকোর্টে Habeas Corpus রিট করা যায়। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ব্যক্তিস্বাধীনতার সুরক্ষা দেয়।
৪. আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার
রাষ্ট্রের সকল নাগরিক নিজ খরচে আইনজীবী নিয়োগ করার সামর্থ্য রাখে না। এজন্য রয়েছে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা। (National Legal Aid Services Organisations) এখানে সাধারণত অসচ্ছল ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ যারা নিজ খরচে মামলা পরিচালনা করতে অক্ষম তাদের জন্য বিনামূল্যে আইনি সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ, একজন দরিদ্র নারী যদি পারিবারিক সহিংসতার শিকার হন, তিনি এখানে বিনামূল্যে আইনজীবী ও মামলা পরিচালনার সহায়তা পেতে পারেন। ন্যায়বিচার একজন নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার।
Written by Ishrath Ibrahim
Associate, Law, Rights and Justice Team
26/06/2026
ভারত ও মালদ্বীপের শিক্ষার্থীরা ছিলেন, যারা বর্তমানে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজে ইন্টার্নশিপ করছেন। বিদেশি শিক্ষার্থী এভাবে ফিরিয়ে দেওয়া বাংলাদেশে শিক্ষা খাতে বৈদেশিক মুদ্রার অর্জন ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের আস্থা হারাবে ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি ছিল ২ হাজার ৭৪ জন। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে যা প্রায় ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এই শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৮ জন।
কর্মকর্তা ও মেডিকেল কলেজ মালিকেরা জানান, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের টানাপড়েনের কারণে ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় এই অবস্থা দাঁড়িয়েছে।
ভর্তি থেকে আয় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা
সরকারি কলেজের চেয়ে বেসরকারিতে ভর্তি ফি ১২০ গুণ বেশি। এ ব্যাপারে নজরদারির ঘাটতি আছে।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ৪৫ শতাংশ আসনে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারে।
গড়ে একজন বিদেশি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৪০ হাজার মার্কিন ডলার নেওয়া হয়।
-DinMedicalCollegeHospital
23/06/2026
গোলাপের মত নয়, আবার কাঠের সাথেও সেধরণের সম্পর্ক নেই। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে ফুলটির নাম ‘কাঠ-গোলাপ’। বিশাল বিশাল আকারের পাতাদের মাঝখানে জবুথবু হয়ে একগুচ্ছ ফুল ঘাপটি মেরে বসে থাকে। আর সুঘ্রাণ ছড়িয়ে মাদকতা তৈরী করে রাখে তার চারপাশ জুড়ে। পাঁচ-পাপড়ির মাঝখান থেকে হলুদের একটুখানি আভা উঁকি-ঝুঁকি দেয়ার কারণেই কিনা সাদার রূপ যেন আরো বহুগুন বেড়ে যায়।
কাঠ-গোলাপ ফুল
কাঠগোলাপের বৈজ্ঞানিক নাম Plumeria obtusa। এর গণের নামকরণ করা হয়েছে ফরাসী উদ্ভিদবিদ শার্ল প্লুমিয়ে-র নামানুসারে। প্লুমেরিয়া গণের ফুলগুলিকে ইংরেজিতে সাধারণভাবে Frangipani ডাকা হয়। এর নিকটাত্মীয় করবী বা ওলেয়ান্ডার। কাঠগোলাপ মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা, ভেনেজুয়েলা ও দক্ষিণ ভারতের স্থানীয় ফুল। কাঠগোলাপের রং হতে পারে সাদা, হলুদ বা গোলাপী। বর্তমানে বিষুবীয় অঞ্চলের প্রায় সব জায়গাতেই কাঠগোলাপ দেখা যায়।
কাঠগোলাপের গাছ ঝোপ আকৃতির, এবং পরিস্থিতিভেদে কয়েক মিটার উঁচু হতে পারে। গাছে পাতা গজানোর আগেই ফুল ফুটতে পারে। এর পাতাগুলো ডালের শেষপ্রান্তে গুচ্ছবদ্ধ হয়ে থাকে, পাতা ঝরার পর ডালে একটি চিহ্ণ রয়ে যায়।
এই ফুল সারা বছর ধরে ফোটে, বসন্তে কিছু বেশি ফোটে। এর ডালগুলি রসালো, এবং ডালের রস বিষাক্ত। এর গন্ধ রাতে তীব্রতা লাভ করে। কাঠগোলাপে কোন মধু নেই, গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে পতঙ্গ এর পরাগায়ন ঘটায়।
কলম করে কাঠগোলাপের বংশবিস্তার সম্ভব।
#কাঠগোলাপ
23/06/2026
২৩ জুন | ঐতিহাসিক পলাশী দিবস
১৭৫৭ সালের এই দিনে পলাশীর আম্রকাননে যে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল, তা শুধু একটি যুদ্ধের পরাজয় ছিল না, বরং একটি সমৃদ্ধশালী জনপদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সভ্যতাগত পতনের সূচনা।
পলাশী শুধু একটি যুদ্ধের পরাজয়ের ইতিহাস নয়; এটি একটি সমৃদ্ধ জনপদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা হারানোর সূচনাবিন্দু। পলাশী শুধু বাংলার পতনই নয়, একই সাথে সমগ্র ভারতবর্ষে পাশ্চাত্য শোষণের ইতিহাসের সূচনা করেছিলো।
১৯০ বছরের বৃটিশ ঔপনিবেশিক শোষণের বিরূদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু স্বাধীন ভূখণ্ডে বাস করলেও প্রশ্ন থেকে যায়—আমাদের অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও চিন্তার জগতে আমরা কতটা স্বাধীন হতে পেরেছি? কতটা আমরা নিজেদের ইতিহাস, মূল্যবোধ ও আত্মপরিচয়কে পুনর্গঠন করতে পেরেছি?
এই প্রশ্নগুলোর জবাবই আমাদের স্বাধীনতার আড়ালে পরাধীনতার গ্লানীকে ভাবতে বাধ্য করে। তাই, পলাশীর ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে গভীরভাবে অনুধাবন করে, হারানো সভ্যতার অভিজ্ঞতা এবং ৩০০ বছরের পতনকালীন শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে নতুন সভ্যতা বিনির্মাণ-ই হোক আজকের শপথ।
#1757
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet
BAGA-3166