Fiha Rani
নতুন নতুন গল্প পেতে পেইজটি কে ফলো করুন।
23/02/2026
09/02/2026
# # # **চুপচাপ ভালোবাসা নোটিফিকেশন**
# # # **পর্ব – ১১ : নীরব সংসারের প্রথম ঝড়**
বিয়ের কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। নতুন সংসারের সকালগুলো এখন আর শুধু লাজুক হাসিতে ভরা নয়, তাতে ঢুকে পড়েছে হিসাব-নিকাশ, অভাবের হিসেব আর না-বলা কথার ভার।
শ্বশুরবাড়ির ছোট্ট ঘরটায় নায়িকা প্রথম দিন থেকেই সবকিছু গুছিয়ে নিতে চেষ্টা করছিল। ভোরে উঠে রান্না, শাশুড়ির ওষুধ মনে করে দেওয়া, শ্বশুরের চা—সবই সে মন দিয়ে করত। কিন্তু সমস্যা ছিল একটাই—
**তার স্বামী এখনো বেকার।**
শ্বশুরবাড়ির মানুষ মুখে কিছু না বললেও চোখের ভাষা বদলে যেতে শুরু করেছিল।
একদিন সকালে শাশুড়ি রান্নাঘরে ঢুকে হালকা গলায় বললেন,
— *“মা, চালটা একটু হিসেব করে দিস। মাস তো এখনো অনেক বাকি।”*
নায়িকা চুপ করে মাথা নাড়ল। কথাটা ছোট, কিন্তু বুকের ভেতর কোথাও যেন কাঁটা বিঁধে গেল।
স্বামী তখন পাশের ঘরে বসে মোবাইলে চাকরির বিজ্ঞাপন দেখছিল। চোখে ক্লান্তি, মুখে হতাশা। নায়িকা কিছু বলল না—সে জানত, কথাই এখন সবচেয়ে ভারী বোঝা।
দুপুরে শ্বশুর হঠাৎ বলে ফেললেন,
— *“এই ছেলেটার কবে একটা কাজ হবে? সংসার কি শুধু মেয়ের কাঁধে চলবে?”*
ঘরটা হঠাৎ নিস্তব্ধ হয়ে গেল।
নায়িকার হাত কাঁপছিল, কিন্তু সে কিছু বলল না। শুধু রান্নাঘরের দরজার আড়াল থেকে স্বামীর দিকে তাকাল। স্বামীর চোখ নামানো—কথা নেই, প্রতিবাদ নেই।
রাতে নিজের ঘরে ফিরে নায়িকা আর থাকতে পারল না। ফিসফিস করে বলল,
— “তুমি কিছু বলো না কেন? ওরা ভাবে আমি সব মেনে নেব।”
স্বামী দীর্ঘশ্বাস ফেলল,
— “আমি জানি… বেকার থাকা শুধু আমার লজ্জা না, তোমার কষ্টও। কিন্তু বিশ্বাস করো, আমি চেষ্টা করছি।”
নায়িকা চুপ করে বসে রইল। ভালোবাসা এখনো আছে, কিন্তু বাস্তবতা সেই ভালোবাসাকে প্রতিদিন প্রশ্ন করছে।
পরের দিন পাড়ার এক আত্মীয় এসে শাশুড়িকে বলল,
— *“আজকালকার মেয়েরা তো চাকরি করে, বেকার জামাই নিয়ে এত চিন্তা কিসের?”*
এই কথায় আগুনটা যেন আরও ছড়িয়ে পড়ল।
নায়িকা সেদিন প্রথম বুঝল—
এই সংসারে লড়াইটা শুধু অভাবের সঙ্গে নয়,
**সমাজের চোখ আর কথার সঙ্গেও।**
তবু সে সিদ্ধান্ত নিল—
চুপচাপ ভালোবাসার মতোই,
এই ঝামেলাগুলোও সে চুপচাপ সহ্য করবে না,
বরং ধীরে ধীরে শক্ত হবে।
কারণ সে জানে—
এই নীরবতার ভেতরেই একদিন বদলের শব্দ উঠবেই।
# # # চুপচাপ ভালোবাসার নোটিফিকেশন
# # # পর্ব ১০
**প্রথম শ্বশুরবাড়ির উঠোন আর নীরব বাসর**
বিয়ের পরের সকালটা ছিল অদ্ভুত রকম শান্ত।
নায়িকার কানে তখনও ভাসছিল আগের রাতের দোয়া, তাকবির আর মায়ের চোখের জল। আজ সে আর বাবার বাড়ির মেয়ে নয়—আজ সে কারও বউ, কারও ঘরের মানুষ।
গাড়ি থামতেই শ্বশুরবাড়ির উঠোনে নেমে এলো সে।
মাটিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই বুকের ভেতর কেমন করে উঠল। অচেনা উঠোন, অচেনা মানুষ—তবু কোথাও ভয় নেই, শুধু একটু দ্বিধা।
শাশুড়ি এগিয়ে এসে মাথায় হাত রাখলেন।
— “আয় মা, আল্লাহ ভরসা।”
এই এক বাক্যেই নায়িকার চোখ ভিজে উঠল।
মনে হলো, এই বাড়িটাও তাকে আপন করে নেবে।
বউভাতের আনুষ্ঠানিকতা খুব সাদামাটা।
কোনো জাঁকজমক নেই, নেই লোক দেখানো হাসি। কিন্তু আছে আন্তরিকতা। নায়িকা খেয়াল করল—এই বাড়ির অভাব আছে, কিন্তু অহংকার নেই।
আর নায়ক?
সে চুপচাপ। আগের মতোই।
বেকার শব্দটা যেন তার কপালে অদৃশ্য সিল মারা।
তবু চোখে লজ্জা নেই, আছে দায়িত্ববোধ। বারবার স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে যেন মনে মনে বলছে—
*“আমি পারব… একদিন অবশ্যই পারব।”*
# # # # বাসর ঘর
রাত নামল।
বাসর ঘর সাজানো নয় ফুলে-আলোয়। একটা সাধারণ খাট, পাশে একটা হারিকেন, আর জানালা দিয়ে ঢুকে পড়া জোনাকির আলো।
নায়িকা চুপচাপ বসে ছিল খাটের এক কোণে।
মাথায় ঘোমটা, হাতে শাড়ির আঁচল। বুকের ভেতর হাজারটা প্রশ্ন—
*এই মানুষটাকে কি সে ঠিক বুঝতে পারবে? অভাবের সংসারে কি সে মানিয়ে নিতে পারবে?*
নায়ক এসে ধীরে খাটের পাশে বসল।
কিছুক্ষণ নীরবতা।
তারপর সে বলল—
— “আমি এখন কিছু দিতে পারি না… না টাকা, না নিশ্চয়তা। শুধু একটা কথা দিতে পারি—কখনো তোমার সম্মান কমতে দেব না।”
এই কথাটুকুই যেন বাসর ঘরের সবচেয়ে দামি উপহার।
নায়িকা মাথা তুলে তাকাল।
চোখে কোনো অভিযোগ নেই, আছে শুধু বিশ্বাস।
— “আমি বিলাসিতা চাই না,” সে আস্তে বলল,
— “আমি চাই, আপনি সৎ থাকুন… আর আমার পাশে থাকুন।”
হারিকেনের আলোয় দুজনের ছায়া দেয়ালে মিশে গেল।
কোনো ছোঁয়া নেই, কোনো তাড়াহুড়ো নেই—শুধু দুটো হৃদয়ের নীরব চুক্তি।
সেই বাসর ঘর কাটল কথা আর স্বপ্নে।
একজন বলল—কাজ খুঁজবে।
আরেকজন বলল—অভাব এলেও হাসিমুখে সামলাবে।
বাইরে রাত গভীর হচ্ছিল।
ভিতরে জন্ম নিচ্ছিল এক নতুন সংসার—
চুপচাপ, কিন্তু ভীষণ শক্ত ভালোবাসা।
# # # চুপচাপ ভালোবাসা
# # # পর্ব: ৯
# # # **নীরব ভালোবাসা থেকে হালাল বন্ধন**
দীর্ঘ চুপচাপ ভালোবাসার পর অবশেষে সেই দিনটা এসে গেল।
যে ভালোবাসা এতদিন নোটিফিকেশনের আলো–আঁধারে লুকিয়ে ছিল, আজ সে ভালোবাসা পরিবারের দোয়া আর আল্লাহর রহমতে হালাল পথে পা রাখছে।
ছেলেবেকার বাড়িতে সকাল থেকেই ব্যস্ততা।
সাদা পাঞ্জাবি, মাথায় টুপি—ছেলেটা আজ আর শুধু প্রেমিক নয়, আজ সে একজন দায়িত্ব নিতে আসা মানুষ।
মায়ের চোখে আনন্দের জল, বাবার মুখে চাপা গর্ব—
“আলহামদুলিল্লাহ, ছেলেটা আজ সঠিক পথে যাচ্ছে।”
অন্যদিকে মেয়ের বাড়িতে নীরব ব্যস্ততা।
হেনা রাঙানো হাতে কাঁপন, চোখে কাজল, লাজে মাথা নিচু।
যে মেয়েটা কখনো জোরে ভালোবাসার কথা বলেনি, আজ তার জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।
দুপুর গড়াতেই কাজী সাহেব এলেন।
ঘরজুড়ে নীরবতা নেমে এলো।
মাহরানা ঠিক হলো—
সবাই আল্লাহর নাম নিয়ে প্রস্তুত।
কাজী সাহেব প্রশ্ন করলেন,
“আপনি কি স্বেচ্ছায়, পূর্ণ সম্মতিতে অমুককে বিবাহ করতে রাজি আছেন?”
মেয়েটার কণ্ঠ প্রথমে কাঁপলেও,
তৃতীয়বারে স্পষ্ট উত্তর এলো—
“জি, কবুল।”
ঘরে যেন একসাথে নিশ্বাস পড়ল।
ছেলেটাও কবুল বলল দৃঢ় কণ্ঠে।
**নিকাহ সম্পন্ন হলো।**
দোয়া উঠল—
“হে আল্লাহ, এ দাম্পত্য জীবনকে শান্তি, ভালোবাসা আর রহমতে ভরে দাও।”
কোনো জাঁকজমক নয়,
কিন্তু এই বিয়েতে ছিল
সম্মান, দায়িত্ব আর চুপচাপ ভালোবাসার গভীরতা।
যে ভালোবাসা এতদিন নোটিফিকেশনে লুকিয়ে ছিল,
আজ সে ভালোবাসা বৈধ নাম পেল—
**স্বামী আর স্ত্রী।
# # # ভালোবাসা নোটিফিকেশন
# # # **পর্ব–৮ : সিদ্ধান্তের আলো**
খবরটা প্রথমে বাতাসের মতো ছড়ায়—নিঃশব্দে, কিন্তু গভীরভাবে।
একটা নোটিফিকেশন যেমন ফোনের স্ক্রিনে আলো জ্বালায়, তেমনি এই খবর দু’পরিবারের ঘরে আলো আর ছায়া একসাথে নিয়ে আসে।
নায়িকার মা প্রথমে কিছুক্ষণ চুপ করে ছিলেন।
চুপ মানেই যে সম্মতি, তা নয়—এই চুপের ভেতর ছিল ভয়, সমাজের কথা, মেয়ের ভবিষ্যৎ।
আর নায়কের বাবা? তিনি একবার ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে শুধু বলেছিলেন,
“ভালোবাসা যদি দায়িত্ব নিতে শেখায়, তাহলে সেটাকে অবহেলা করা যায় না।”
দুই পরিবারের মাঝখানে বসে ছিল অদ্ভুত এক নীরবতা।
কেউ চিৎকার করেনি, কেউ নাটক করেনি।
শুধু প্রশ্ন ছিল—
এই ভালোবাসা কি টিকে থাকার মতো শক্ত?
নায়ক প্রথমবার খুব দৃঢ় কণ্ঠে কথা বলে।
সে বলে, “আমি শুধু ভালোবাসতে চাই না, আমি দায়িত্ব নিতে চাই।
পড়াশোনা শেষ করবো, দাঁড়াবো, তারপর বিয়ে।”
নায়িকার চোখে তখন জল, কিন্তু সেই জলে ভয় কম, বিশ্বাস বেশি।
সে কিছু না বললেও তার নীরবতাই ছিল সবচেয়ে বড় সম্মতি।
মুরুব্বিরা বসেন।
শর্ত আসে—
সময় নিতে হবে, প্রস্তুত হতে হবে, আবেগ নয়, বাস্তবতার পথে হাঁটতে হবে।
ঠিক হয়,
এখনই বিয়ে নয়—কিন্তু **বিয়ের সিদ্ধান্ত এখনই।**
এই সম্পর্ক আর লুকিয়ে থাকবে না।
এটা হবে সম্মানের, ধৈর্যের, আর অপেক্ষার সম্পর্ক।
সেদিন রাতে আর কোনো মেসেজ আসেনি।
কোনো “মিস ইউ”, কোনো ইমোজি না।
শুধু একটি নোটিফিকেশন—
**“আমাদের গল্প এখন পরিবারের গল্প।”**
ভালোবাসা এবার আর শুধু দু’জনের নয়,
ভালোবাসা এবার দায়িত্বের পথে।
---ভালোবাসা নোটিফিকেশন পর্ব নাম্বার ৭
# # # বিবাহ আলাপ
অনেকদিন পর আবার কথা হলো দুজনের।
এবার আর রাত জেগে নোটিফিকেশন চেক করা নয়,
এবার কথা হলো দিনের আলোয়—
বাস্তবতা, দায়িত্ব আর ভবিষ্যৎ নিয়ে।
নায়ক প্রথমে কথাটা তুলল খুব সাবধানে,
“আমরা তো আর আগের মতো নেই…
জীবন এখন অন্য জায়গায় দাঁড়িয়ে।
তোমার পরিবার কী ভাবে?”
নায়িকা একটু চুপ করে রইল।
এই চুপটা আর অভিমানের নয়,
এই চুপটা হিসাবের—
মা-বাবা, সমাজ, নিজের স্বপ্ন
সব একসাথে ভাবার চুপ।
সে ধীরে বলল,
“আমার মা জানে আমি তোমাকে পছন্দ করি।
বাবা কঠিন মানুষ,
কিন্তু ঠিক মানুষ দেখলে তিনি না বলেন না।”
এই কথাটুকুই যেন সাহস দিল নায়ককে।
সে বুঝল—
এবার লুকিয়ে ভালোবাসা নয়,
এবার **সম্মানের সাথে চাওয়া**।
কয়েকদিন পর দুই পরিবারের মধ্যে
হালকা আলাপ শুরু হলো।
কে কোথায় থাকে,
কি করে,
পরিবার কেমন—
এইসব সাধারণ প্রশ্নের আড়ালে
লুকিয়ে ছিল দুইটা হৃদয়ের অপেক্ষা।
নায়িকা রাতে নামাজ শেষে দোয়া করল,
“হে আল্লাহ,
যদি এই মানুষটা আমার জন্য ভালো হয়,
তাহলে সব পথ সহজ করে দাও।”
নায়কও মায়ের কাছে বলল,
“আমার পছন্দ আছে মা,
কিন্তু আমি ভুল কিছু চাই না।”
এভাবেই ভালোবাসা
নোটিফিকেশন ছেড়ে
ঢুকে পড়ল **বিবাহের আলাপের বাস্তব ঘরে**—
যেখানে কথা কম,
দায়িত্ব বেশি,
আর দোয়ার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।
20/01/2026
আমার দুই রাজকন্যার মিষ্টি হাসি
19/01/2026
**মা–বাবার দোয়া**
টাকা দিয়ে কেনা যায় ঘর, গাড়ি, সোনা,
কিন্তু মা–বাবার দোয়ার নেই কোনো দাম জানা।
ব্যাংকের হিসাবে জমে না সে অদৃশ্য আলো,
তবু দোয়ার ছোঁয়ায় বদলে যায় ভাগ্য ভালো।
কষ্টের পথে হাঁটলে যখন থমকে যায় পা,
মায়ের দোয়া ঢাল হয়ে ধরে সামনে বাধা।
বাবার নীরব আশীর্বাদ শক্ত করে মন,
ভেঙে পড়া হৃদয়ে দেয় সাহসের ধন।
টাকা ফুরায়, মানুষ বদলায়, সময়ও যায়,
কিন্তু মা–বাবার দোয়া কখনো ফুরায় না ভাই।
আকাশ ভরা দোয়া নিয়ে যে সন্তান বাঁচে,
সে গরিব হলেও সুখ তার পিছু পিছু হাঁটে।
তাই সোনা নয়, নোট নয়—চাও দোয়ার হাত,
মা–বাবার হাসি থাকলেই জীবন হয় স্বর্গসম রাত।
19/01/2026
# # # ভালোবাসার নোটিফিকেশন
# # # পর্ব ৭ : নীরবতার ভেতর সবচেয়ে জোরে যে ডাক
রাত তখন অনেক।
মোবাইলটা টেবিলের উপর উল্টো করে রাখা, তবু মনে হচ্ছে ওটা কাঁপছে—নোটিফিকেশন না এলেও হৃদয়ের ভেতর এক অদ্ভুত শব্দ বাজছে।
নায়িকা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে। বাইরে ম্লান আলো, দূরে কুকুরের ডাক, বাতাসে হালকা শীত।
কয়েকদিন ধরে ওরা কথা বলে না।
অভিমান না—তার চেয়েও বড় কিছু।
একটা ভুল বোঝাবুঝি, যেটা কেউ পরিষ্কার করে বলার সাহস করেনি।
নায়কও চুপ।
সে ভেবেছিল, নীরব থাকলেই হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু নীরবতা যে কখনো কখনো সবচেয়ে বড় দূরত্ব তৈরি করে—সেটা সে এখন বুঝছে।
হঠাৎ—
**টিং!**
মোবাইলের স্ক্রিন জ্বলে ওঠে।
> *“অনলাইন”*
এই একটা শব্দেই নায়িকার বুক ধক করে ওঠে।
সে রিপ্লাই করে না।
শুধু দেখে… তাকিয়ে থাকে।
ওদিকে নায়কও দেখে—
সে অনলাইনে।
কিন্তু কোনো মেসেজ নেই।
দু’জনের মাঝখানে কেবল একটা স্ক্রিন,
আর হাজার না বলা কথা।
অনেকক্ষণ পর নায়ক লিখে—
> “তুমি ভালো আছো?”
নায়িকা পড়ে, কিন্তু উত্তর দেয় না।
চোখ ভিজে আসে।
ভালো থাকা আর খারাপ থাকা—এই প্রশ্নটা আজ বড় নিষ্ঠুর।
কিছু সময় পর সে শুধু লিখে—
> “থাকলে কী হতো?”
নায়কের বুকটা মোচড় দেয়।
এই ছোট্ট লাইনের ভেতরে কত জমে থাকা কষ্ট!
সে আর ঘুরিয়ে কথা বলে না—
> “আমি ভেবেছিলাম চুপ থাকলে তোমার কষ্ট কমবে।
> ভুল করেছি।
> তোমাকে না বলা প্রতিটা মুহূর্তে আমি নিজেই ভেঙেছি।”
নায়িকার আঙুল কাঁপে।
এই প্রথম সে অনুভব করে—
নীরবতার ভেতরেও ভালোবাসা ছিল, শুধু প্রকাশ পায়নি।
সে লিখে—
> “আমি শুধু চাইনি, তুমি দূরে যাও।
> আমি চাইছিলাম, তুমি পাশে এসে বলো—
> ‘আমি আছি।’”
মোবাইলের স্ক্রিনে আবার নোটিফিকেশন জ্বলে ওঠে।
কিন্তু এবার সেটা শুধু প্রযুক্তির শব্দ না—
এটা দু’টা হৃদয়ের মিলনের ডাক।
নায়ক লেখে—
> “আমি আছি।
> আজ, কাল, সব নীরবতার পরেও।”
নায়িকা হালকা হাসে।
চোখের কোণ দিয়ে একফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ে।
এই নোটিফিকেশন সে মিস করতে চায় না।
কারণ কিছু নোটিফিকেশন
শুধু স্ক্রিনে আসে না—
সেগুলো এসে হৃদয়ে থেকে যায়।
18/01/2026
---অসহায়বৃদ্ধ মা
কি হবে ভাই ছেলে দিয়ে
যদি না দেখে মাকে?
যে মায়ের পায়ের নিচে
জান্নাত রেখেছেন আল্লাহ্ তায়ালা তাকে।
রাতে জেগে কান্না চেপে
যে মা দোয়া করে সন্তানের তরে,
সেই মায়ের চোখে জল দেখে
ছেলের কি বুক কাঁপে না রে?
নামাজ পড়ে, তাসবিহ ঘোরে,
কিন্তু মাকে ভুলে যায়,
মায়ের কষ্টে আল্লাহ্ অসন্তুষ্ট
এই কথা কি সে জানে না ভাই?
রাসুল বলেছেন তিনবার করে—
“মা, মা, মা”—তারপর বাবা,
মায়ের দিকে চোখ না তুললে
কিভাবে মিলবে জান্নাতের দরজা?
ভাত না হোক, কথা দে রে,
একটু আদর, একটু দেখা,
মায়ের মুখে হাসি থাকলে
আল্লাহ্ দেন রহমতের রেখা।
কি হবে ভাই ছেলে দিয়ে
যদি না দেখে মাকে?
মাকে খুশি না রাখলে ছেলে
দূরে থাকে জান্নাত থেকে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Tangail
25/01/2026