Baniajan Union
This is a public page.
10/08/2026
স্কুলের এই হাল সত্যিই হতাশ করে তোলে
ধনবাড়ী বাসীর জন্য সুখবর-
ধনবাড়ী-মধুপুরে রেল লাইন হচ্ছে ইনশাআল্লাহ। 🤝
গাজীপুর থেকে শুরু হয়ে গারোবাজার,মোটেরবাজার, কাকরাইদ হয়ে ধনবাড়ী।
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় ধনবাড়ী-মধুপুরবাসী কৃতজ্ঞ এবং আপনার সুস্থতা সহ নেক হায়াত কামনা করে।
15/06/2026
টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এর সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় মাননীয় মন্ত্রী আলহাজ্ব ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি মহোদয়কে বানিয়াজান ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
11/05/2026
শোক সংবাদ
বানিয়াজান খানপুরপাড়ার মরহুম হাসমত আলী মন্ডলের ২য় ছেলে ২নং বানিয়াজান ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ফরিদ (ফরিদ মেম্বার) ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অদ্য ১১/০৫/২০২৬খ্রি. সোমবার বিকাল ৩.৩০টায় ইন্তেকাল করেছে " ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।"
মরহুমের নামাজে জানাজা আজ ১১/০৫/২০২৬খ্রি. রোজ সোমবার দিবাগত রাত ১০ ঘটিকায় তার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে।
17/02/2026
অভিনন্দন প্রিয় লিডার।
01/02/2026
১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন।
03/12/2025
সময়টা ৮০এর দশকের তখন আমরা মধুপুর উপজেলার অন্তর্গত। টাংগাইল জেলার সর্বশেষ ইউনিয়ন হলো বীরতারা ইউনিয়ন। এখন বীরতারা ইউনিয়ন ভেঙে বীরতারা এবং বানিয়াজান দুটি ইউনিয়নের পরিণত হয়েছে। ৮০ এর দশকে বীরতারা ইউনিয়নে পুলিশ আসতে ভয় পেত। যাতায়াত ব্যবস্থা খুব খারাপ ছিলো এবং মধুপুর থানা থেকে বীরতারা ইউনিয়ন বেশ দূরে ছিলো। তখন বীরতারা হয়ে উঠেছিলো ডাকাত এবং চোরের একটি আস্তানা । তৎকালীন স্হানীয় প্রশাসন ছিলো চোর এবং ডাকাতের কাছে ভীষণ অসহায়। ডাকাতরা আগাম বার্তা দিয়ে ডাকাতি করতে যেত।অমুকের বাড়ীতে ডাকাতি করবো কাল তারা যেন বাড়ীতে থাকে না ঠিক এইভাবে। কেউ ফেরাতে পারতো না।বীরতারার সাধারণ মানুষ ছিলেন ভীষণ অসহায়। ঠিক সেইসময় একজন ভীষণ সাহসী অকুতোভয় জনদরদী নেতা এগিয়ে এসেছিলেন তার নাম মুহাম্মদ আলী কিসলু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে এসে প্রয়োজন বোধ করেছিলেন জনগণের পাশে দাড়ানোর। বন কর্মকর্তার চাকরি পেয়েও চাকরিতে যোগদান না করে বেছে নিয়েছিলেন জনগণের সেবা করা। ১৯৮৮ সালে একটি তুমুল প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে অনেক বড় বড় নেতৃত্বকে পরাজিত করে যুবক বয়সে বীরতারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হয়েই প্রথম মিটিং করেন চোর এবং ডাকাতের সাথে। তার প্রথম কথা ছিলো তোমরা চুরি এবং ডাকাতি ছেড়ে দাও,তোমাদের কাজের ব্যবস্থা আমি করে দিবো। আজকের পর থেকে যদি তোমরা চুরি এবং ডাকাতি করো তাহলে তোমাদের সাথে আমি যুদ্ধ ঘোষণা করবো। চোর না শুনে ধর্মের কাহিনী। যা হওয়ার তাই হলো চোর চুরি ছাড়লো না ডাকাতরা ডাকাতি ছাড়লো না। তারপর থেকেই চোর এবং ডাকাতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মুহাম্মদ আলী কিসলু। নিজের জীবন বাজি রেখে চোর এবং ডাকাতদের ধরতে শুরু করলেন। মুহাম্মদ আলী কিসলুর একটি হোন্ডা ছিলো সেই হোন্ডা দিয়ে বীরতারা ইউনিয়নের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে প্রতিদিন রাতে নিজে পাহাড়া দেওয়া শুরু করলেন। তার কথা ছিলো আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন আমি নিজে জেগে থেকে আপনাদের পাহাড়া দিবো আপনারা নিশ্চিন্তে ঘুমাবেন। প্রথমবার চেয়ারম্যান হয়ে চোর এবং ডাকাতদের বীরতারা ইউনিয়ন থেকে বিতারিত করেছিলেন। কেন্দুয়া নদী সাঁতার কেটে চোর ধরেছেন, নিজের জীবন বাজি রেখে ডাকাতদের সাথে লড়েছেন,রাতে ফাঁদ পেতে চোর ধরেছেন, বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে ১-২ দুইজনকে জাগিয়ে দিয়ে এসেছেন যেন চোর আসলে বুঝতে পারে ঘুমিয়ে না থাকে।আরো অনেক অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এই চোর আর ডাকাতদের নির্মুল করার জন্য।তার এই সাহসী পদক্ষেপের জন্য বীরতারার মানুষ তাকে ভীষণ ভালোবাসতেন। সেই থেকে বীরতারা ইউনিয়নের জনগণ মুহাম্মদ আলী কিসলু সাহেবকে পরপর ৩ বার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন এবং ধনবাড়ী উপজেলার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন। নিচের ছবিটিই এর একটি প্রতিচ্ছবি। ১৯৯০ সালে কিসলু চেয়ারম্যান চোরকে ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন তৎকালীন বীরতারা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব মুহাম্মদ আলী কিসলু।
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
2052
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Baniajan Union posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.