Mehedi The Explorer

Mehedi The Explorer

Share

Keep Exploring

13/07/2026

Even now, watching this match still gives me goosebumps.
Fifa World cup 2022 ✌️🇦🇷

28/06/2026

Messi's magic after half time Against Jordan.

18/06/2026
Exploring Marine Bay | Singapore | Night View | 2025 02/04/2026

https://youtu.be/J_51z6kzJIw?si=Qq09w_dT8LY01cF-

Exploring Marine Bay | Singapore | Night View | 2025 In this video actually I am not present, though this thumbnail I'm using my picture for my channel reach purpose, although the video has shoot on Singapore a...

12/03/2026

তাহাজ্জুদ নামাজ ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং মর্যাদাপূর্ণ একটি নফল বা সুন্নত ইবাদত। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর তাহাজ্জুদের স্থান। নিচে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম, সময় এবং রাকাত সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. তাহাজ্জুদ নামাজের সময়
* শুরু ও শেষ: এশার নামাজের পর থেকে শুরু করে সুবহে সাদিকের (ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার) আগ পর্যন্ত তাহাজ্জুদ পড়া যায়।
* উত্তম সময়: রাতের শেষ তৃতীয়াংশ হলো তাহাজ্জুদের জন্য সবচেয়ে উত্তম সময়।
* শর্ত: তাহাজ্জুদ নামাজের মূল শর্ত হলো, এশার নামাজের পর রাতের কিছু অংশ ঘুমাতে হবে এবং এরপর ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়তে হবে। (তবে কেউ যদি রাতে না ঘুমান, তবে তিনি শেষ রাতে নামাজ পড়লে তা 'কিয়ামুল লাইল' বা নফল হিসেবে গণ্য হবে এবং তাহাজ্জুদের সওয়াবও পেতে পারেন)।

২. রাকাত সংখ্যা
* তাহাজ্জুদ নামাজ ২ রাকাত করে পড়তে হয়।
* সর্বনিম্ন ২ রাকাত পড়া যায়। তবে ২ রাকাত করে ৪, ৬, ৮ অথবা ১২ রাকাত পর্যন্ত পড়া উত্তম।
* রাসূলুল্লাহ (সা.) সাধারণত ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ এবং ৩ রাকাত বিতরসহ মোট ১১ রাকাত পড়তেন।

৩. নামাজের নিয়ত
মুখে আরবিতে নিয়ত করা জরুরি নয়, অন্তরের ইচ্ছাই যথেষ্ট। আপনি মনে মনে এই নিয়ত করতে পারেন:
"আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ক্বিবলামুখী হয়ে ২ রাকাত তাহাজ্জুদের সুন্নত (বা নফল) নামাজ আদায়ের নিয়ত করছি। আল্লাহু আকবার।"

৪. নামাজ পড়ার নিয়ম
তাহাজ্জুদ নামাজ অন্যান্য সাধারণ সুন্নত বা নফল নামাজের মতোই পড়তে হয়। তবে এর কিছু বিশেষত্ব রয়েছে:
* ১ম রাকাত: 'আল্লাহু আকবার' বলে নিয়ত বেঁধে ছানা পড়বেন। এরপর সূরা ফাতিহা পড়ে পবিত্র কোরআনের যেকোনো একটি সূরা মেলাবেন।
* ২য় রাকাত: সূরা ফাতিহার পর অন্য একটি সূরা মেলাবেন। এরপর রুকু, সেজদা করে তাশাহহুদ, দরুদ শরিফ ও দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরাবেন।
* সূরার ধরন: তাহাজ্জুদের নামাজে দীর্ঘ সূরা পড়া এবং রুকু ও সেজদায় বেশি সময় কাটানো উত্তম। তবে বড় সূরা মুখস্থ না থাকলে ছোট সূরা দিয়েও পড়া যাবে।
* তাসবিহ: রুকু এবং সেজদার তাসবিহ সাধারণ ৩ বারের জায়গায় ৫, ৭ বা ৯ বারও পড়া যেতে পারে।

৫. বিতর নামাজ পড়া
আপনি যদি তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করে থাকেন, তবে এশার নামাজের পর বিতর নামাজ না পড়ে রেখে দেওয়া উত্তম। তাহাজ্জুদ নামাজ শেষ করার পর সবশেষে বিতর নামাজ পড়ে রাতের ইবাদত শেষ করা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ। তবে যদি রাতে ঘুম থেকে ওঠার ব্যাপারে সন্দেহ থাকে, তবে এশার পরই বিতর পড়ে নেওয়া ভালো।

৬. তাহাজ্জুদের পর দোয়া
রাতের শেষ ভাগ দোয়া কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়। এই সময়ে আল্লাহ প্রথম আসমানে নেমে আসেন এবং বান্দাদের ডাকেন। তাই নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে দুই হাত তুলে নিজের দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করবেন এবং বেশি বেশি ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করবেন।

08/03/2026

আপনি কি জানেন—এমন একটি দোয়া আছে, যা সম্পর্কে বলা হয়েছে: এটি মৃ'ত্যু ছাড়া সব রোগের জন্য শিফা?

ভাবুন তো, যদি এমন একটি আমল থাকে, যা নিয়মিত করলে আল্লাহ আপনার শরীর থেকে রোগের অন্ধকার সরিয়ে দেন! শুধু শরীর নয়—হৃদয়, মন, জীবন—সবকিছুর ওপর নেমে আসে প্রশান্তি। এই দোয়াটি শিখিয়েছেন আমাদের প্রিয় নবী মোহাম্মদ (সা.)।

তিনি বলেছেন, কালোজিরায় (হাব্বাতুস সাওদা) আছে মৃ'ত্যু ছাড়া সব রোগের শিফা। আর সেই সাথে অসুস্থতার সময় তিনি আমাদের যে দোয়াটি শিখিয়েছেন, সেটি হলো—
اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَأْسَ اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা রব্বান্ নাস, আযহিবিল বা’স, ইশফি আন্তাশ শাফি, লা শিফা’আ ইল্লা শিফা’উক, শিফা’আন লা ইউগাদিরু সাকামা।

অর্থ:
“হে মানুষের প্রতিপালক আল্লাহ! কষ্ট দূর করে দিন। আপনি শিফা দানকারী। আপনার শিফা ছাড়া আর কোনো শিফা নেই। এমন শিফা দান করুন, যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখবে না।” রোগ আল্লাহর পরীক্ষা, কিন্তু শিফাও আল্লাহরই দান। চিকিৎসা করা সুন্নাহ, কিন্তু আরোগ্য আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে।

কেন এই দোয়া এত শক্তিশালী?
কারণ এতে আছে তিনটি জিনিস:

১. আল্লাহকে তাঁর গুণে ডাকা — “আশ-শাফি” (শিফা দানকারী)
২. সম্পূর্ণ নির্ভরতা — “আপনার শিফা ছাড়া আর শিফা নেই”
৩. পূর্ণ আরোগ্যের প্রার্থনা — “যাতে কোনো রোগ অবশিষ্ট না থাকে”

তবে মনে রাখতে হবে—
“মৃত্যু” একমাত্র বাস্তবতা, যেখান থেকে কেউ রক্ষা পায় না। রোগ সেরে যেতে পারে, বিপদ কেটে যেতে পারে, কিন্তু নির্ধারিত সময় এলে মৃত্যু আসবেই।
আর তাই এই দোয়া আমাদের শুধু রোগমুক্তির নয়—আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের শিক্ষা দেয়।

আজ থেকেই অভ্যাস করুন— নিজের জন্য পড়ুন।
অসুস্থ কাউকে দেখে পড়ুন। পরিবারের সদস্যের মাথায় হাত রেখে পড়ুন। বিশ্বাস রাখুন— যখন আপনি বলেন “লা শিফা’আ ইল্লা শিফা’উক”… তখন আকাশের দরজাগুলো কাঁপতে থাকে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে শিফা দান করুন।
আমিন।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন, এতে অনেকেই উপকৃত হবে। 🖤🤲

Telephone

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mehedi The Explorer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.