BRAC

BRAC

Share

Building a world free from all forms of exploitation and discrimination.

22/09/2026

কখনো সুন্দরবনের বুক চিরে ছুটে আসে তুফান, কখনো মাথার ওপর ভেঙে পড়ে আস্ত এক আকাশ। কেমন দেখতে সেই জঙ্গলজীবন? কতটা চড়াই, কতটা উতরাই পেরিয়ে কাটে লতার প্রতিটি দিন?

18/09/2026

কী আছে এই ক্যাম্পাসের স্থাপত্যশৈলীতে, যা গড়ল দৃষ্টান্ত- সাথে জায়গা করে নিল মর্যাদাপূর্ণ RIBA International Prize 2026-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায়?

BRAC University

17/09/2026

ব্র্যাকের উপ-নির্বাহী পরিচালক নিযুক্ত হয়েছেন অরিঞ্জয় ধর। এই দায়িত্বগ্রহণের মাধ্যমে তিনি মাইক্রোফাইন্যান্স, টেকনোলজি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, মাইগ্রেশন ও অপারেশনস কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন।

ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের রূপান্তরে তিনি নিরলস কাজ করে গেছেন, যার ফলস্বরূপ দেশজুড়ে বিস্তৃত ৩,৩০০ শাখা অফিসের মাধ্যমে এই কর্মসূচি আর্থিক সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছে ১ কোটি ২০​ লাখ মানুষের মাঝে।

প্রান্তিক মানুষের জীবন পরিবর্তনে তার দিকনির্দেশনায় শস্যনিরাপত্তা বিমার আওতায় যুক্ত হয়েছেন ১৫ ​লাখ কৃষক, ঋণ নিরাপত্তা বিমার আওতায় এসেছেন ১ কোটি ২০ ​লাখেরও বেশি এবং সদস্যদের জন্য পরিচালিত ডিজিটাল অ্যাপের অন্তর্ভুক্ত হয়ে আর্থিক সেবা কার্যক্রমের অংশ হয়েছেন ১৭ ​লাখ মানুষ।

আর্থিক সেবাগ্রহণকারীদের মধ্যে ৮৯ শতাংশেরও বেশি আছেন নারীরাই, অন্যদিকে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির নিবেদিতপ্রাণ কর্মীবাহিনীর মধ্যে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে নারীনেতৃত্ব।

তার নতুন এই যাত্রায় ব্র্যাক পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।

13/09/2026

ড্রেন আর ইছামতি নদীতে জমছে শহরের বর্জ্য। সমাধানে হাত মিলিয়েছে তিন প্রতিষ্ঠান। কী বদলাবে?

11/09/2026

আগুনে পুড়েই তো লোহা খাঁটি হয়। মানুষও বোধহয় তেমন, সংগ্রামেই সে শক্ত হয়ে ওঠে।

আমি মো. আসাদুল ইসলাম। নাটোর সদর উপজেলার একটি গ্রামের ছেলে। পরিবারের ষষ্ঠ সন্তান আমি। বাবা চালাতেন ভ্যান। সংসারের খরচ জোগাতে যেন রীতিমতো যুদ্ধ করতেন বাবা, প্রতিটা দিন।

অভাবের কারণে বেশিদূর পড়া হয়নি। ছোটবেলাতেই তাই নেমে পড়তে হলো কাজে। স্থানীয় এক ওয়ার্কশপে লোহা আর ওয়েল্ডিংয়ের কাজ শিখতে শুরু করি। হাতে-কলমে অনেক কিছুই শিখলাম। কিন্তু এই দক্ষতাটাকে যে একটা ব্যবসায় রূপ দেওয়া যায়, সে বুদ্ধি তখন মাথায় আসেনি।

স্বপ্ন ছিল, একদিন নিজের একটা ওয়ার্কশপ হবে। কিন্তু হাতে ছিলো না টাকা, ব্যবসার হিসাব জানি না, ছিল সাহসের অভাব। ঠিক এই সময়ে ব্র্যাকের উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণের কথা কানে আসে। ভর্তি হয়ে গেলাম তিন মাসের স্কিলস ডেভেলপমেন্ট কোর্সে। শিখলাম ব্যবসার পরিকল্পনা, হিসাব রাখা, গ্রাহকের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয়। তবে সবচেয়ে বড় যা পেলাম, তা হলো নিজের ওপর বিশ্বাস।

প্রশিক্ষণ শেষে জমানো টাকায় একটা ছোট দোকান নিয়ে শুরু করি। নাম দিলাম আসাদুল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ। শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। কাঁচামালের চড়া দাম, টাকার টানাটানি, সব মিলিয়ে কঠিন সময় গেছে। কিন্তু হাল ছাড়িনি, কারণ নিজের উপর বিশ্বাস ছিলো।

আজ আমার ওয়ার্কশপে ওয়েল্ডিং, লোহার কাজ, মেরামত, সবই হয়। মাসে আয় প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা। শুধু নিজে উন্নতি করেছি তা নয়, আরও কয়েকজনের কাজের সুযোগও তৈরি হয়েছে আমার এই ছোট্ট দোকানটাকে ঘিরে।

হাতের এই কাজটা দিয়েই আমার শুরু, আজ সেই কাজই আমাকে একজন উদ্যোক্তা বানিয়েছে। জীবন আমাকে শিখিয়েছে, সংগ্রামই মানুষকে সবচেয়ে বেশি গড়ে তোলে। তবে এ পথ একা হাঁটিনি, পাশে সঠিক প্রশিক্ষণ আর একটু সহযোগিতার হাত ছিল বলেই আজ এখানে দাঁড়াতে পেরেছি।

মো. আসাদুল ইসলাম
উদ্যোক্তা, আসাদুল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ
নাটোর সদর

Photos from BRAC's post 08/09/2026

'বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র'
পৃথিবীর এই পাঠশালায় প্রকৃতি আমাদের নিয়মিত শেখাচ্ছে, দিচ্ছে নানা সংকেত। কিন্তু আমরা কি মনোযোগ দিচ্ছি?

07/09/2026

জ্বালানির এই হিসাব প্রতিবেশীরা আগেই মিলিয়েছে, আমাদের পালা কবে?

04/09/2026

যা দিয়ে সংসারটা চলত, একদিন তারই মেয়াদ ফুরিয়ে গেল। নতুন পথ খুলে দিল প্রাকৃতিক পণ্য।

আমার নাম শিরিন সুলতানা। থাকি নাটোরের হালসা এলাকায়। আমাদের একটা পারিবারিক ফার্মেসি ছিল, স্বামীই চালাতেন। সেটার আয়েই সংসার চলতো। কিন্তু একদিন সব ওলটপালট হয়ে গেল, স্বামী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন। বারবার হাসপাতাল, চিকিৎসার চাপ, সব মিলিয়ে মানুষটা আর কাজ চালিয়ে যেতে পারলেন না।

ফার্মেসি বন্ধ, বিক্রি নেই। চোখের সামনে জমে থাকা প্রায় চল্লিশ লাখ টাকার ওষুধের মেয়াদ একে একে ফুরিয়ে গেল। কী অসহায় লাগত তখন, ভাষায় বলে বোঝাতে পারব না। ভয়াবহ এক আর্থিক সংকটে পড়লাম আমরা। সংসার চালানোর আর কোনো পথ দেখছিলাম না। ঠিক তখনই মনে মনে একটা সিদ্ধান্ত নিলাম, যা হওয়ার হবে, এবার আমাকেই সামনে দাঁড়াতে হবে।

স্বামীর সেবা, সংসার, তার ওপর ফার্মেসির কাজ, সব একসঙ্গে হাতে তুলে নিলাম। কয়েকজন কর্মচারী আর ছোট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে ধীরে ধীরে দায়িত্ব বুঝে নিতে থাকি। সত্যি বলতে, রাতের পর রাত ভয় আর অনিশ্চয়তা আমাকে ভেঙে দিত। তবু ভোর হলে আবার উঠে দাঁড়াতাম, কারণ ভেঙে পড়ার সুযোগটুকুও তখন আমার ছিল না।

এই সময়েই ব্র্যাকের একজন প্রতিনিধির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের কথা জানতে পারি, যুক্ত হই সেখানে। শিখলাম কীভাবে ব্যবসা গুছিয়ে চালাতে হয়, নিয়ম মেনে চলতে হয়, ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আগে ছিল শুধু চেষ্টা আর ইচ্ছা, এবার কাজগুলো আরও গোছানো হয়ে উঠল।

অনেকদিন ধরেই প্রাকৃতিক খাবারের প্রতি আমার একটা টান ছিল। সেই টান থেকেই শুরু করি প্রাকৃতিক খাবারের ব্যবসা। প্রথমে বনের মৌচাকের মধু দিয়ে শুরু। পরে যোগ হলো সজনে পাতার গুঁড়া, বিটরুট পাউডার, ড্রাই ফ্রুটস, চিয়া সিড, সরিষা, আরও কত কী। প্রতিটা পণ্যের মান ঠিক রাখতে সংগ্রহ থেকে প্রক্রিয়াজাত, সবই নিজে তদারকি করি। আমার সজনে পাতার গুঁড়া বিএসটিআই অনুমোদন পেয়েছে, মধু একাধিকবার উত্তীর্ণ হয়েছে ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষের পরীক্ষায়।

ফার্মেসিতেও এল অনেক পরিবর্তন। কর্মচারীদের সঙ্গে চুক্তিপত্র, অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ফার্স্ট এইডের সুবিধা। প্রশিক্ষণে শেখা কাজে লাগিয়ে দশ লাখ টাকার একটা ঋণও নিই, যা ব্যবসাটাকে থিতু হতে সাহায্য করেছে।

কষ্ট এখনো আছে, হয়তো কোনোদিন পুরোপুরি যাবেও না। তবু আজ আমার আয় বেড়েছে, সংসারের ভিতটা শক্ত, আর সবচেয়ে বড় পাওয়া, নিজের ওপর হারিয়ে ফেলা বিশ্বাসটা আবার ফিরে পেয়েছি। স্বপ্ন দেখি, আমার এই প্রাকৃতিক পণ্যগুলো একদিন স্থানীয় বাজার পেরিয়ে সুপারশপের শেলফেও জায়গা করে নেবে, ফার্মেসিটাও টিকে থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, জীবনের যুদ্ধ যতই কঠিন হোক, সঠিক দক্ষতা আর একটুখানি সহযোগিতা পেলে একজন নারী নিজের ভেতর থেকেই আবার উঠে দাঁড়াতে পারে।

শিরিন সুলতানা
উদ্যোক্তা, হালসা, নাটোর

03/09/2026

স্বপ্নপূরণে দাঁত ভাঙতে হয়নি ঠিকই, তবে শত বাধা পেরিয়ে গিয়েছিলেন গ্রাম থেকে রাজধানীতে, সেখান থেকে সুদূর চীনে। কীসের টানে ফিরলেন তিনি?

Photos from BRAC's post 01/09/2026

সুস্থতার এই যাত্রায় আমরা আছি শহর থেকে দুর্গম চরে, মা ও শিশু থেকে সব বয়সী মানুষের পাশে। বিস্তারিত জানতে দেখুন পুরো অ্যালবাম।

Telephone

Address

Dhaka