Sheikh Rakibul Islam Tuhin
আমার জন্য আমার এক আল্লাহই যথেষ্ট সহ-সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা, যুগ্ম-আহ্বায়ক বলইবুনিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ।
19/09/2026
জামালপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীদের
উদ্যোগে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মশার মিছিল।
অপ্রতিরোধ্য সিলেট জেলা ছাত্রলীগ।✊✊
বাধা যতই আসুক, প্রতিবাদের মশাল জ্বলবেই।
আগামীকাল ঢাকা লকডাউন।
রাজধানীর অবস্থা ভালো নয়,আগামীকাল নিজেদের এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার স্বার্থে ঘরে থাকুন, লকডাউন সফল করুন।
17/09/2026
❤️❤️🌹
15/09/2026
একজন লোক সারাজীবন শু ক র আর মদ খাইছে (অবশ্য ওনারে পছন্দ করি এই একটা কারণেই) সে নাকি বাঙালি মোসলমানরে গরু খাওয়ার পারমিশন দিছে! আর এই উপমহাদেশে নাকি তার জন্য টুপি পরতে পারে মোসলমানরা। মানে এমন আ-চোদা হাস্যকর কথা বাংলাদেশে না জন্মালে হয়তো শোনাই হইতো না।
অবশ্য জিন্নাহ একটা টুপি পরতো যার সঙ্গে ধর্মের কোন সম্পর্ক আছে বলে মনে করিনা। এমন টুপি সনাতনরাও পরে।
কি আর কমু বলেন! বাঙালি মোসলমানের এই বাজে অবস্থা কেন জানেন ওরা নেতা মানে জিন্নারে এজন্য দেখবেন কেউ কচি মেয়ে নিয়ে হোটেলে কট আবার কেউ ছোট পোলাপান হো গা মারে আবার কেউ পোলাপান পাইলেই চুমায়। পরকীয়া তো আছেই আল্লাহর রহমতে। মামুনের ৫০১ আলাপ আর টানলাম না।
মোসলমানের ঈমান কতটুকু মজবুত হলে জিন্নারে নেতা মানতে পারে আমার ধারণা নেই।
ক্যাঙ্গারু কোর্টের পূর্বনির্ধারিত প্রহসনমূলক রায়কে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
14/09/2026
বঙ্গবন্ধু'র বাংলায় রাজাকারের ঠাঁই নাই✊
12/09/2026
পুলিশ পেটানো কি এখন বাংলাদেশে দৈনন্দিন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে?
সাত মাসে ৪৪১ জন পুলিশ সদস্য মার খেয়েছেন। মানে গড়ে প্রতিদিন দুইজনেরও বেশি। থানায় ঢুকে কোপানো, হাতকড়া পরা আসামি ছিনতাই, সড়কে ট্রাফিক পুলিশকে প্রকাশ্যে চড়থাপ্পড়, আর সবশেষে সাভারের আমিনবাজারে একজন এসবি সদস্যকে পিটিয়ে মেরে ফেলা। যে সংখ্যাটা সবচেয়ে চোখে লাগার মতো, সেটা হলো এই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় যুবদলের এক ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা। রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা দলের নিজস্ব সংগঠনের একজন কর্মীর বিরুদ্ধেই যখন একজন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে, তখন প্রশ্নটা আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনার থাকে না। প্রশ্নটা তখন হয়ে দাঁড়ায় রাষ্ট্র আসলে কার পক্ষে দাঁড়িয়ে আছে।
২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে যে পুলিশ বাহিনী একবার পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল, দেড় বছর পার হয়ে গেলেও সেই বাহিনী এখনো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেনি। উল্টো ২০২৫ সালে ৬০১ জন এবং তার পরের সাত মাসেই আরও ৪৪১ জন সদস্য আহত হওয়ার পরিসংখ্যান বলছে পরিস্থিতি খারাপ থেকে আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। মোট ১৯ মাসে ১ হাজার ৪২ জন পুলিশ সদস্য আহত, এই সংখ্যাটা কোনো স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সংখ্যা হতে পারে না। এটা একটা রাষ্ট্রযন্ত্রের অসহায়ত্বেরই প্রমাণপত্র।
আর এই অসহায়ত্বের সময়টাতেই ক্ষমতা দখল করে আছে বিএনপি। ফেব্রুয়ারি থেকে দলটির নেতাকর্মীরা মাঠপর্যায়ে যেভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, তাতে থানা পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘাতের ঘটনাও বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠছে বারবার। ক্ষমতার প্রথম কয়েক মাসেই যদি নিজেদের সংগঠনের কর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশ হত্যার অভিযোগ ওঠে, তাহলে আগামী দিনগুলোতে কী হতে যাচ্ছে, সেই আশঙ্কা অমূলক নয়। জামায়াতে ইসলামী আর বিএনপি, দুই দশক আগে ঠিক এই দুই দলই একসঙ্গে ক্ষমতায় ছিল, আর সেই সময়টা বাংলাদেশের ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছে দলীয় ক্যাডারদের হাতে থানা-পুলিশ জিম্মি হয়ে পড়ার সময় হিসেবে। এতগুলো বছর পরও যখন একই দুই দলের রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি আবার পুলিশের গায়ে রক্তের দাগ হয়ে ফুটে ওঠে, তখন মানুষ পুরনো স্মৃতি হাতড়ে বেড়াবে, এটাই স্বাভাবিক।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ট্রাফিক পুলিশের গায়ে হাত তোলা হয়েছে জুলাই দাঙ্গার সমন্বয়ক পরিচয়ে, সাভারে এক নারী কনস্টেবলকে লোহার রড দিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে, যশোরে এক রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ট্রাফিক কনস্টেবলের নাকে ঘুসি মারার অভিযোগ উঠেছে, নরসিংদীতে চাঁদাবাজি থামাতে গিয়ে আহত হয়েছেন একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পল্লবীর ওসিসহ তিন কর্মকর্তা সড়কেই আক্রান্ত হয়েছেন। এই তালিকাটা দিনে দিনে লম্বা হচ্ছে, অথচ প্রশাসনের তরফে যে ধরনের কঠোরতা বা জবাবদিহিতা দেখানো দরকার ছিল, তার লেশমাত্র দেখা যাচ্ছে না। একজন সাবেক আইজিপি পর্যন্ত স্বীকার করছেন পুলিশ এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই বাস্তবতা যখন স্বীকৃত, তখন সরকারের ব্যর্থতা অস্বীকার করার আর কোনো জায়গা থাকে না।।
মানুষ এমনিতেই ভুগছে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে অনিশ্চয়তায়। যে বাহিনীর কাছে মানুষ নিরাপত্তা চায়, সেই বাহিনীই যখন নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকে, তখন সাধারণ মানুষের ভরসা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়? থানায় ঢুকে পুলিশ কোপানো, প্রকাশ্য রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ পেটানো, এসব কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ প্রবণতা নয়, বরং এটা বলে দেয় রাষ্ট্রের প্রতি ভয় এবং শ্রদ্ধা দুটোই কমে গেছে। আর সেই ভয় কমে যাওয়ার পেছনে ক্ষমতাসীন দলের নিজস্ব নেতাকর্মীদের বেপরোয়া আচরণের দায় অস্বীকার করার সুযোগ নেই।।
12/09/2026
মনে রেখ বাংলাদেশ,,,,
11/09/2026
শুধু লাটিচার্জ নয় পুলিশের রাবার বুলেটেও পারেনি জনতার স্রোত আটকাতে।
বিভিন্ন রাস্তা অলিগলির ভিতর থেকে স্রোতের মতো মানুষ এসেছে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিলে , জনতার গণরোষে স্বৈরাচারের পুলিশ বাধ্য হয়ে পিছু হটেছে, পথ খুঁজেছে পালাবার,এভাবেই রাজপথ দখল হবে সারা বাংলার।
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Morelganj
Bagerhat
9320
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Sheikh Rakibul Islam Tuhin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.