Fahim Raihan
Fahim Raihan is a well-known voice artist. Film | Ovc | Presenter Since 2015 | Student Activist. I'm Fahim Raihan is A filmmaker and social influencer.
08/09/2026
এই খা* পোলারে উল্টো ঝুলাই মা'রা হোক!
04/09/2026
আমরা অতীত থেকে শিক্ষা নেইনি আমাদের পরিনতি অতীত এর মতোই।
01/09/2026
১২৪ টাকা ডলার রেট গেল আজকে। ব্যাংক কিনছে ১২৩ দিয়ে। বিক্রি করছে ১২৪ দিয়ে। টাকার মান শুধু কমছে দিন দিন। চারিদিকে মূল্যস্ফীতি। ঋণ। জিনিষ পত্রের উচ্চ মুল্য। সরকার এই সময় আবার পে স্কেল দিচ্ছে। রাজস্ব খাতের এসব টাকা যে বিলি করছে সেসব টাকা আসে কোথায় থেকে জানেন? আমারদের পকেটের টাকা রাজস্ব হিসেবে নিয়ে এ কার্ড, ঐ কার্ড, পে স্কেল এসবের পিছনে ব্যয় করছে। এর প্রভাব ঘুরেফিরে বাজারে আমাদের উপরই পড়তেছে তাইনা? এতে কি লাভ হচ্ছে? জিনিসপত্রের দাম বেড়ে পে স্কেলের বাড়তি টাকার সাথে এডজাস্ট হয়ে যাবে। যা ছিল তাই থাকবে।
মাঝখান দিয়ে ধরা খাবে সরকারি চাকুরীজিবী ছাড়া অন্য আর সব পেশার মানুষ। তাদের বেতন আয় রোজগার তো বাড়ছে না৷ কিন্তু জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে। এই বাড়তি টাকার হিসাব তারা কিভাবে মেলাবে?
একটা বিশাল অর্থনৈতিক সংকট ও মুদ্রাস্ফীতির এই সময় এ ধরনের পে- স্কেল আরও সংকট তৈরী করে৷ এরা কি এগুলো জানে না? দেশকে কি এরা দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যাবে নাকি?
এখন কতগুলো সরকারি চাকুরীজিবী এসে আজাইরা চিল্লাবে।। সেই একই গীত। শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থের জন্য দেশের অন্য সবার ক্ষতি হলেও এদের কোন সমস্যা নেই।
25/08/2026
যে যা পারিস, করে মিলে খা' বাপ। সকাল বিকেল দাম বাড়ালেই বা কে দেখে। উৎপাদন বন্ধ করে এক লাফে তিন চারগুন বাড়ালেই বা কী!! সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকলেই বা কী, আর না থাকলেই কী!! সব দায় তো জনগণের। যেহেতু এই দেশে জন্ম নিয়েছে তারা।
যেহেতু অসুস্থ, ভগ্ন, ভঙ্গ, বিকলাঙ্গ জাতি। ঔষধ, ডাক্তার, হাসপাতাল আর প্যাথলজির উপরেই বেঁচে থাকতে হবে। কাজেই সব দায় জনগণের।
25/08/2026
চিন্তা করেন, ১,০০০ টাকা সেন্ড মানিতে পাঠাতেই ১০ টাকা কেটে নিচ্ছে। এরপর সেই টাকা যার কাছে পাঠালেন, তিনি নিজের টাকা ক্যাশ করতে আবার দিচ্ছেন ১৮.৫০ টাকা। অর্থাৎ ১,০০০ টাকার একটি সাধারণ লেনদেনেই সাধারণ মানুষের পকেট থেকে চলে যাচ্ছে ২৮.৫০ টাকা!
ডিজিটাল লেনদেনের উদ্দেশ্য হওয়ার কথা ছিল মানুষের সময় ও খরচ কমানো। অথচ এখানে ডিজিটাল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে উল্টো সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই একাধিক ধাপে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে।
ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসকে জনপ্রিয় করা হলো, কিন্তু প্রশ্ন হলো এই সেবার সুবিধা আসলে সাধারণ মানুষ কতটা পাচ্ছে, আর চার্জের নামে তাদের কাছ থেকে কত টাকা আদায় করা হচ্ছে?
একজন দিনমজুর, রিকশাচালক কিংবা নিম্নআয়ের মানুষ যখন ১,০০০ টাকা পরিবারের কাছে পাঠান, তখন সেই টাকার ২৮.৫০ টাকা শুধু লেনদেনের খরচ হিসেবেই চলে যাচ্ছে। যে মানুষটা সারাদিন পরিশ্রম করে ১,০০০ টাকা আয় করেন, তার জন্য ২৮.৫০ টাকা কোনো সামান্য অঙ্ক না।
এসব মনিটরিং করার কেউ নেই? বাংলাদেশ ব্যাংক কি দেখেও না দেখার ভান করছে? সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এই হিসাব দেখার দায়িত্ব তাহলে কার? ডিজিটাল লেনদেন যদি মানুষের খরচ কমানোর বদলে মানুষের পকেট কাটার নতুন ব্যবস্থা হয়, তাহলে এটাকে সেবা না বলে ব্যবসার নামে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি বোঝা চাপানো বলাই বেশি যুক্তিযুক্ত।
আখিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার অনুরোধ আমরা এক হলেই বেঁচে যেতে পারে প্রান!
সরকার বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
অর্থাৎ আপনার এলাকায় বিদ্যুতের যে তার আসে, বাসায় যে মিটার বসে, মাস শেষে যে বিল আসে, এই সব নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে প্রাইভেট কোম্পানির হাতে।
চাল-ডাল কিনতে গিয়ে এক দোকানে দাম বেশি রাখলে আপনি পাশের দোকান থেকে ন্যায্য দামে কেনেন। এই ভয়েই দোকানদার ন্যায্য দাম রাখেন। বিদ্যুতের বেলায় কি সে উপায় থাকবে?
থাকবে না। আপনার এলাকায় বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য চারটা কোম্পানি চার সেট খুঁটি আর তার টেনে রাখবে না, যে আপনি দেখেশুনে বেছে নেবেন কে কম দামে ভালো সেবা দেয়, ঝড়বৃষ্টিতে কার লাইন আগে ফেরে। তার থাকবে একটাই। সেই তারের মালিক যে কোম্পানি, বিদ্যুৎ আপনাকে তার কাছ থেকেই নিতে হবে।
এখন চিন্তা করুন, আপনার মহল্লায় যদি একটামাত্র চাল-ডালের দোকানের অনুমতি থাকে, দ্বিতীয় দোকান খোলাই নিষেধ, সেই দোকানদার কি দাম কমাবেন? কমাবেন না।
---
অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন যে, পৃথিবীর কোনো দেশে কি বিদ্যুৎ প্রাইভেট কোম্পানির হাতে নাই? আছে। কিন্তু সেখানে কঠিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা থাকে। ব্যবসাগুলো যা ইচ্ছা তাই করতে পারে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ হচ্ছে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা, এবং তারা সেটা স্বাধীনভাবে করেন।
যেমন ব্রিটেনে ঝড়ে লাইন গেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না ফেরালে তারের কোম্পানি গ্রাহককে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকে। এটা গ্রাহককে চাইতে হয় না, কোম্পানিকে নিজে পাঠাতে হয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এটা নিশ্চিত করে।
আরেকটা উদাহরণ: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বছরের পর বছর প্রকাশ্যে দাবি করে গেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমাক। নিজের বসানো গভর্নরকে গালমন্দ করেছেন, বরখাস্তের হুমকি দিয়েছেন। কাজ হয় নাই।
একটু মনে করার চেষ্টা করুন, আমাদের দেশে কবে, কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা সরকারের মুখের উপর "না" বলেছে? মনে পড়বে না। বরং উল্টোটা মনে পড়বে।
---
বিদ্যুৎ সরকারের হাতে থাকলে তবু ব্যর্থতা কোথায় হচ্ছে সেটা আপনি জানেন। লোডশেডিং হলে, বিল অস্বাভাবিক আসলে সরকারের দায় থাকে। নির্বাচনে হারার ভয় থাকে।
প্রাইভেট কোম্পানির বেলায় সেই পথও বন্ধ। সে আপনার ভোটে নির্বাচিত না, ভোট দিয়ে তাকে সরানোও যাবে না। বাজারে তার প্রতিদ্বন্দ্বীও নাই যে আপনি পাশের দোকানে চলে যাবেন। সই হয়ে গেলে সরকার বদলালেও চুক্তি বদলায় না ২০ বছর। আমাদের এই ভার আমাদের উপর দিয়ে যাবে এই ব্যার্থ সরকার
11/08/2026
গাজী সালাহউদ্দীন তানভীর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক পোস্টের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। তারপরও তাকে দল থেকেও বহিষ্কার করা হলো।
এই ঘটনায় মামলা হওয়া, তারপর গ্রেফতার এখন দেখি রিমান্ড। এতো দেখি মুরগী চুরির ফাসি দেওয়ার মত অবস্থা।
কিন্তু এই ব্যাপার নিয়ে এনসিপি চুপ। বহিষ্কার হয়ে যাওয়ার মানে এই নয় যে তার সাথে জুলুম হলে সেই প্রতিবাদ এনসিপি করবে না।
এমন এনসিপিকে অন্তত আমি দেখতে চাইনা। Abdul Hannan Masud Asif Mahmud Shojib Pinaki Bhattacharya - পিনাকী Nahid Islam Akhter Hossen
09/08/2026
প্রতিবেশি মনির হোসেনের মুদির দোকানে পন্য কিনতে যেতো দরিদ্র পরিবারের এই তরুনী, প্রতিনিয়তই দোকানদার মনির তরুনীকে উত্যক্ত করতো,
গত পরশু মুদির দোকানদার মনির তরুনীকে কুপ্রস্তাব দিলে তরুনী তাতে রাজী হয়নি
এতেই তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে, তরুনী ও তরুনীর ছোট বোনের উপর দেওয়া হয় চানাচুর চুরির অভিযোগ,
সেই মিথ্যা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে মুদির দোকানদারের পুরো পরিবার দুই বোনকে গাছের সাথে বেঁধে তরুনীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে, দুই বোনের চুল কেটে এরপর জুতোর মালা গলায় দিয়ে তরুনীর পুরো পরিবারকে গ্রামছাড়া করে,
আল্লাহ আমরা জানি আপনি উত্তম বিচারক,
দয়া করে, এই জা'লেম দের বিচার দুনিয়া এবং আখিরাতে করিয়েন' আমিন এই দেশ যদি তাদের বিচার করতে না পারে তাহলে এটাদেশের জন্য লজ্জার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর জন্য লজ্জার।
আল্লাহর দোহাই লাগে স্কিপ করবেন না। মুন্সীগঞ্জের #আখিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন! 🙏
মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আখি দীর্ঘ এক বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছে। বর্তমানে নিয়মিত ডায়ালাইসিস চলছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, দ্রুত কিডনি প্রতিস্থাপন জরুরি, যার ব্যয় প্রায় ১৫–১৭ লক্ষ টাকা।
আপনারা তাকে যতটুকু পারেন সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করুন প্লিজ.. ২০ টাকা ৫০ টাকা হলেও সাহায্য করুন।।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
নগদ/বিকাশ: 01304303064 ( Akhi Kabir)
Akhi Akter
Account num: 3709301035398
Sonali Bank, Munshiganj.
🙏 যে যতটুকু পারেন, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনার একটি শেয়ারও হয়তো আখির জীবন বাঁচানোর কারণ হতে পারে।
Category
Address
Chandpur
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Fahim Raihan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.