Comilla University
This page is the official Page of Comilla University run by the University Administration.
26/08/2026
কুবিতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মাহফিলে কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মোহাম্মদ খলিলুর রহমান নবী করিম (সা.) এর জীবনাদর্শ, মানবকল্যাণে তাঁর অবদান ও সিরাত পাঠের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘রাসুলের জীবনের প্রতিটা অধ্যায় আমাদের জন্য শিক্ষা, অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। আমার-আপনার দ্বারা যদি একজন রুমমেট বা সহপাঠী, একই ক্লাসের সঙ্গী যদি নামাজি হয়, দ্বীনদার হয়; এটার উসিলায় আল্লাহ আপনার জন্য নাজাতের ব্যবস্থা করতে পারেন। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব রাসুল (সা:) এর সিরাত অধ্যায়ন করা।’
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
26/08/2026
22/08/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কুবিতে ‘আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ পদ্ধতি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
প্রত্নতত্ত্বে আধুনিক ধারা ও প্রযুক্তির ব্যবহার করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রত্নস্থল ও প্রত্ননিদর্শন অনুসন্ধানের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (HEAT) সাব-প্রকল্পের উদ্যোগে ‘আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ পদ্ধতি’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন এবং আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান।
অনুষ্ঠানে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহসান, তুরস্কের Mardin Artuklu University-এর সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু বি. সিদ্দিক এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও HEAT Sub-Project-এর SPM অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “কুমিল্লা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের এক সমৃদ্ধ অঞ্চল। এ মাটির নিচে এখনো বহু অজানা ইতিহাস ও রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। আধুনিক গবেষণা পদ্ধতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব প্রত্নসম্পদ অনুসন্ধান ও নথিবদ্ধ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, গবেষণার মাধ্যমে নতুন তথ্য ও উপাত্ত যেমন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে, তেমনি এর ফলাফল রাষ্ট্র ও সমাজের নীতি নির্ধারণেও ভূমিকা রাখতে পারে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, “ কুমিল্লার শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার-সহ বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার আমাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য। এসব নিদর্শন একবার ধ্বংস হয়ে গেলে পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত কঠিন। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এগুলো সংরক্ষণের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণার সুযোগ তৈরি করতে হবে। গবেষণার ফলাফল প্রকাশনার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ আরও সমৃদ্ধ হবে।”
আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও গবেষণা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার পাশাপাশি হাতে-কলমে ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড.সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “আমাদের জ্ঞানী ও দক্ষ শিক্ষার্থী প্রয়োজন। একাডেমিক পড়াশোনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান দেওয়া সম্ভব হলেও দক্ষ করে তুলতে প্রয়োজন আধুনিক যন্ত্রপাতি। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ল্যাব ও ইনস্ট্রুমেন্টের জন্য প্রতি বছর বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে, যা একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আরও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা দরকার। আমি আশা করি, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একদিন ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, “এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য কুমিল্লা অঞ্চলের ৬টি জেলার ৫৩টি উপজেলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিক ও সমন্বিত ডকুমেন্টেশন তৈরি করা। প্রায় দুই বছরব্যাপী পরিচালিত এ জরিপে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সরাসরি যুক্ত থাকবেন। পাশাপাশি মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থাও থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রকল্পের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী প্রত্নতাত্ত্বিক ডাটাবেজ গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যৎ গবেষণার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। প্রকল্প শেষে ১৫ থেকে ২০টি গবেষণাপত্র, দুটি প্রকাশনা এবং একঝাঁক দক্ষ প্রত্নতাত্ত্বিক তৈরি হবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু ময়নামতিকে কেন্দ্র করে নয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঠপর্যায়ের গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ করা।”
দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, তথ্য সংগ্রহ, নথিবদ্ধকরণ ও গবেষণা পদ্ধতি বিষয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এতে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক ও বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
বার্তা প্রেরক,
মোহাম্মদ এমদাদুল হক
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
21/08/2026
অভিনন্দন বার্তা
নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কুবি উপাচার্যের অভিনন্দন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) এক অভিনন্দন বার্তায় মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সজ্জন, প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন। একজন নির্মোহ, প্রাজ্ঞ ও প্রদীপ্ত রাজনৈতিক আলোকবর্তিকা হিসেবে তিনি যুগ যুগ ধরে দেশের মানুষের হৃদয়ে বুনেছেন এক গভীর আস্থা ও অবিচল শ্রদ্ধার বীজ। রাজনীতির বন্ধুর পথ, দীর্ঘ ঝড়-ঝাপটা ও দুঃসময়ের আঁধারে তাঁর বীরত্বপূর্ণ দৃঢ়তা, হিমালয়সম সাহস, নিখাদ সততা ও আপসহীন দায়িত্ববোধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তাঁকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে সমাসীন করার যে প্রজ্ঞাপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, তা মূলত তাঁর দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস, ত্যাগের মহিমা, নিঃস্বার্থ দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার প্রতি এক অভাবনীয় এবং সমুচিত মূল্যায়ন।
অভিনন্দন বার্তায় মাননীয় উপাচার্য বলেন, একজন প্রাজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমি আনন্দিত। তাঁর প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ, উন্নত ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, গবেষণার প্রসার এবং উদ্ভাবনী জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বার্তার শেষে কুবি উপাচার্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফল কর্মময় জীবন কামনা করেন।
19/08/2026
প্রেস রিলিজ
কুবিতে মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সেমিনার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে নয়টায় প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এবং মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান।
সেমিনারে বক্তারা মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ ও কর্মমুখী মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শিক্ষক সংকট নিরসনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা ও শিল্পখাতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রাণ হলো শিক্ষার্থীরা এবং তাঁদের দক্ষ ও কর্মমুখী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা শিক্ষক ও গবেষকদের অন্যতম দায়িত্ব। ইতোমধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ৪২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্প-একাডেমিয়া বৈঠক করেছে এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিল্পখাতের বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে সেগুলোর সমাধানে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের সমস্যা ও শিল্পখাতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে গবেষণায় সম্পৃক্ত হতে হবে। একই সঙ্গে মানসম্মত শিক্ষাদান ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের দক্ষ, যোগ্য ও কর্মমুখী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষকদের অন্যতম দায়িত্ব। বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় শুধু গতানুগতিক পড়াশোনা করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া যথেষ্ট নয়। কর্মক্ষেত্রের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ধারাবাহিক প্রচেষ্টা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন ও বাস্তবমুখী জ্ঞানচর্চায় আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে।”
সেমিনারে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “মানসম্মত শিক্ষাদানের জন্য মানসম্মত গবেষণা প্রয়োজন এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান শ্রেণিকক্ষে প্রয়োগ করতে হবে। বিশেষ করে মাস্টার্স পর্যায়ের গবেষণারত শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র, থিসিস ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি শিক্ষকদের অতিরিক্ত কোর্স লোড কমিয়ে গবেষণা ও মানসম্মত পাঠদানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠদান ও ডিগ্রি প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও চরিত্র গঠনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করাই এর মূল লক্ষ্য। গবেষণার ক্ষেত্রে প্রকাশনার পাশাপাশি এর সামাজিক ও জাতীয় প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন। তিনি ‘Kaizen approach’-এর মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণার ধারাবাহিক মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মানোন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বার্তা প্রেরক,
মোহাম্মদ এমদাদুল হক
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
18/08/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কুবিতে ‘রাউন্ডটেবিল অন ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশন ইনিশিয়েটিভস’ শীর্ষক বৈঠক অনুষ্ঠিত
শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন, ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘রাউন্ডটেবিল অন ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশন ইনিশিয়েটিভস’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) মাননীয় সদস্য অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মাননীয় উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার। বৈঠকে ৪২টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানগণ অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি চাকরিতে কুবি শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ল্যাব সুবিধা বিনিময়েরও প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁরা বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং সমসাময়িক পেশাগত চাহিদা পূরণে যুগোপযোগী কোর্স কাঠামোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠক শেষে ছয়টি প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে এমওইউ স্বাক্ষরে সম্মতি জানায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, ‘আমাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা শুরু থেকেই ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করার কথা বলে আসছি। বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির উৎসাহেই আজকের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ ৪২টি প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছি। এসব এমওইউর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ তৈরি করা, ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ, পারস্পরিক চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কাজ করা এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের ল্যাব পারস্পরিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা। আমরা অবশ্যই আমাদের মূল লক্ষ্ অর্থাৎ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কর্মযোগ্যতা ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে কাজ করে যাব।’
ইউজিসির মাননীয় সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন। এর অন্যতম অনুষঙ্গ হলো একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করা। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে যেসব সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হচ্ছে, সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং এমওইউর উদ্দেশ্যের কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না, তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে আমরা যে জব লার্নিং পিরিয়ড নির্ধারণ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয় ও একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির সম্পর্কের মাধ্যমে সেটিও যেন ফলপ্রসূ হয়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।’
তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের আয়োজন এবারই প্রথম। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এটি ১২ তম আয়োজন।’
উল্লেখ্য, ৪২টি প্রতিষ্ঠান বৈঠকে অংশ নিলেও এমওইউ স্বাক্ষর করেছে ছয়টি প্রতিষ্ঠান। স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো স্মার্ট সলিউশন, বাংলাদেশ স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিক), ড্যাপকো ভেঞ্চারস লিমিটেড, সুপ্রিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, উইডেভস অ্যান্ড উইল্যাব এবং ফ্লোরিনা কসমেটিকস।
মোহাম্মদ এমদাদুল হক
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
10/08/2026
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কিভাবে আরও শিক্ষার্থীবান্ধব করা যায়, তা নিয়ে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এম এম শরীফুল করীম, মাননীয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এবং মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।
05/08/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কুবিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় ছাত্র-জনতার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ এর ২য় বর্ষপূর্তি পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাস গেট, গোলচত্বর ও শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।
পরবর্তীতে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল কাইয়ুমের পরিবারকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আলোচনা সভা শেষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ শিক্ষার্থী আবদুল কাইয়ুমের পরিবার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাননীয় উপ- উপাচার্য ও ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার।
শহীদ আব্দুল কাইয়ুমের কথা স্মরণ করে অশ্রুশিক্ত কণ্ঠে তাঁর মা বলেন, " আমার ছেলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই এত বড় একটা আয়োজন করেছে এটার জন্য আমি খুশি। আপনারা আমার অবস্থা জানেন; বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আমার বাড়িতে গিয়ে আমার অবস্থা সম্পর্কে দেখেছেন। আমার যে ক্ষতি হয়েছে এটা নিয়ে আমার আর বলার কিছু নেই।”
শহীদ আব্দুল কাইয়ুম এবং তার পরিবারকে নিয়ে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, "আমরা আব্দুল কাইয়ুমের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ তারা আমাদের আমন্ত্রণে সারা দিয়েছেন, আমাদের অনুষ্ঠানে এসেছেন। আব্দুল কাইয়ুম কোন ফ্যাকাল্টিতে পড়তো, কোন বিভাগে ক্লাস করতো, পরীক্ষা দিতো এগুলো তার পরিবারকে দেখানোর জন্যই এই ফ্যাকাল্টিতে আয়োজন করেছি। শহীদ আব্দুল কাইয়ুম ৪ তারিখে যেদিন গুলিবিদ্ধ হয় সেদিন স্বৈরাচার দেশে ছিলো, আর ৬ তারিখ যেদিন মারা যায় সেদিন দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছিলো।"
তিনি আরও বলেন, "সরকার শহীদ পরিবারদেরকে যে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিচ্ছে। আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, যেন আপনাদের পরিবারও সেই সুবিধাটুকু পায়৷ সেটা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু করা লাগে আমরা সবটুকুই করবো। প্রয়োজনে আমরা মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে দেখা করে সেই সুবিধাটুকু নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো। আপনারা আমাদের মাঝে এসেছেন৷ আপনাদের হারানের যে বেদনা, সেটা পূরণ করার ক্ষমতা আমাদের নেই। কিন্তু আপনাদের হারানোর মাধ্যমে দেশ যে প্রাপ্তিটা পেয়েছে, আমরা যে প্রাপ্তিটা পেয়েছি তার কৃতজ্ঞতা আপনাদের পরিবারের প্রতি আমাদের সারা জীবন থাকবে।"
মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, "আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই এদেশ বিনির্মাণে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন এবং সর্বশেষ ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত হয়েছেন তাদেরকে। জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে সামনে রেখে আমাদের দেশ, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমরা যে যেখানে আছি সে জায়গা থেকে কাজ করে যেতে চাই। আব্দুল কাইয়ূম আমার বিভাগের একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী স্টুডেন্ট ছিলেন। আমার প্রত্যাশা থাকবে আমরা যেন শহীদ আব্দুল কাইয়ূম-কে ভুলে না যাই। প্রশাসনের প্রতি আমার প্রত্যাশা আব্দুল কাইয়ূম এর পরিবারকে যেন সর্বোচ্চ সহায়তা করা হয়।"
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশের তরুণ সমাজের আত্মত্যাগ, সাহস ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার এক ঐতিহাসিক প্রতিফলন। এ আন্দোলনের চেতনা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহৃত হওয়ার নয়; বরং জাতীয় ঐক্য, ন্যায়বিচার এবং জনকল্যাণ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই জুলাইয়ের প্রকৃত মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের আবেগের সঙ্গে জড়িত। যারা এ আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। সেই সময়ে শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের সাহসী অংশগ্রহণ না থাকলে আন্দোলনটি গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিত কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে ।'
তিনি আরও বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সাংস্কৃতিক সংগঠনকে নিয়ে আমরা একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছি। তারা একসঙ্গে বসে বছরের কোন সময়ে কোন সাংস্কৃতিক আয়োজন হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। তারা নিজস্ব কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং এ ক্ষেত্রে ছাত্র উপদেষ্টা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আয়োজন সফল করার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।'
মোহাম্মদ এমদাদুল হক
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
Category
Contact the school
Website
Address
Comilla University, Kotbari
Comilla
3506
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Comilla University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.