Masud Rana Nehal
Dhaka
বাংলাদেশ টেলিভিশনের চলতি বছরের আয় ৮ কোটি টাকা আর ব্যয় ২৫৪ কোটি টাকা। কই যাইতাম
19/06/2026
🎉 Facebook recognized me as a top rising creator this week!
19/06/2026
🎉 Facebook recognized me for starting engaging conversations and producing inspiring content among my audience and peers!
17/06/2026
আজকে সংসদে জামায়াতের আর BNP এর দুই সংসদ সদস্য ইংরেজিতে স্পিচ দিয়েছে।
প্রথমজন জামায়েতের এমপি, বাজেট নিয়ে আলোচনা করতে উঠে উনি এমন এক লেভেলের ইংরেজি স্পিচ দিলেন, যা শুনে মনে হচ্ছিলো সংসদ ভবনটা রাতারাতি কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি হয়ে গেছে!
বাজেট ডেফিসিট, জিডিপি রেশিও, ট্যাক্স স্ট্রাকচার এসব কঠিন কঠিন ইকোনমিক টার্মস তো আছেই, কিন্তু উনি সেখানেই থামেননি।
সবাইকে চমকে দিয়ে উনি সোজা টেনে আনলেন সর্বকালের সেরা সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপিয়রকে!
উনার বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট থেকে একদম মুখস্থ কোটেশন ঝেড়ে দিলেন, Neither a borrower nor a lender be, for loan oft loses both itself and friend...
(মানে ঋণ নিও না, ঋণ দিও না; ঋণ দিলে টাকাও যায়, বন্ধুও যায়!)।
সাথে বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথের থিওরি-ও টেনে এনেছেন!
এমন জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য দিলেন যে, স্পিকার মহোদয় নিজেই মুগ্ধ হয়ে উনাকে আরও ২ মিনিট সময় বাড়িয়ে দিলেন!😁
আর BNP এর নারী সদস্য জেবা আমিন আন্টি উনি হয়তো ভাবলেন, দূর মিয়া! সংসদে এত কঠিন ইংরেজি বলে কী লাভ? আমি শোনাবো একদম মন থেকে আসা পিউর অ্যান্ড রিয়েল ইংলিশ!
যেই ভাবা সেই কাজ! সংসদে দাড়িয়ে একদম খাস বাংলায় ইংরেজি মেশানো এক যুগান্তকারী স্পিচ দিয়ে বসলেন,
"I want to thank প্রধানমন্ত্রী from my heart. 1600 miles of কাঁচা রাস্তাস (Rastas). The রাস্তাজ (Rastaj) are very very bad situation !"
আন্টি 'রাস্তা' শব্দের বহুবচন করতে গিয়ে যে বৈশ্বিক ব্যাকরণ তৈরি করলেন, একটাতে লাগালেন 'S' (রাস্তাস) আর পরের লাইনেই সেটাকে আরও মডিফাই করে বানায় দিলেন 'জ' (রাস্তাজ)!
আন্টির এই "কাঁচা রাস্তাজ ইন আ ভেরি ভেরি ব্যাড সিচুয়েশন"এর চেয়ে নিখাদ দেশি ব্লেন্ডেড ইংলিশ আর হতেই পারে না! এটা শোনার পর হয়তো ব্রিটিশরা নিজেরাই নিজেদের ইংরেজি নিয়ে নতুন করে ভাবা শুরু করবে!🤷♀️
যাই হোক, একই সংসদ, অথচ কী চমৎকার বৈচিত্র্য! একজন হ্যামলেটের ফিলোসফি দিয়ে সবার মাথা ঘুরায় দিচ্ছেন, আরেকজন কাঁচা রাস্তাস দিয়ে পুরো জাতিকে বিনোদনের সাগরে ভাসাচ্ছেন। হিহি!!
15/06/2026
ইরানি জনগণ বলছে পুড়লে আরো পুড়বো ধংস হলে আরো হবে সব জ্বলে পুড়ে ছাড়খার হবে কিন্তু ইসরায়েল আমেরিকাকে উচিত শিক্ষা দিয়ে ছাড়তে হবে!!!যে কোন ক্ষতি আমরা মাথা পেতে নেব তাও বিন্দুমাত্র ছাড় হবে না!!!ইতিমধ্যেই আরাঘচির বিরুদ্ধে জনগণ মিছিল করেছে কারন আসলে এই সুযোগটা তারা ছাড়তে চাচ্ছেন না যেভাবে ওদের ধরা হয়েছে এবার আর ছাড় দেয়া হবে না ইরানি জনগণের স্পষ্ট কথা!!!
ই-রানের জনগণ রাস্তায় নেমেছে মার্কিন দের সাথে সমঝোতা চুক্তির বিপক্ষে! আব্বাস আরাগাচির মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রী কে লজ্জা পাওয়ার স্লোগান দিয়ে যে, কেন মার্কিন দের সাথে সমঝোতায় যাচ্ছে সরকার। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি র ইরানের জনগনের পুরাটাই কলিজা। আহলে বাইত প্রেমী জাতি শহীদ হতে রাজি,মাঝামাঝি কোনো কিছু তে বিশ্বাসী না৷ তাদের চাওয়া একটাই,শুত্রু কে ডান্ডার মাধ্যমে শিক্ষা দেয়া,কোনো সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে নয়,তাতে ক্ষতি আরো হলে হবে। ভেংগে চুরমার তবু মাথা নোয়াবার নয়।
এখন এমন এক স্টেপ নিতে হবে এক হাতে হামলা করে তাদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়া করতে হবে আর ইসরাইল ক্যান্সারটার ভালোমতো চিকিৎসা দিয়ে একদম গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে হবে!!!
অন্য হাতে বলতে হবে হ্যা চুক্তি করবো আসো!!!
15/06/2026
আমার তো ব্যক্তিগত সোনা নাই! 🫣
15/06/2026
ইরান-আমেরিকার যুদ্ধ বিরতি চুক্তির মূল দফাগুলোঃ
মেহর নিউজ (Mehr News) সমঝোতা স্মারকের (MoU) ১৪টি দফার একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ প্রকাশ করেছে, যেখানে ইরান কী দাবি করছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে কী বিষয়ে সম্মত হয়েছে তা বর্ণনা করা হয়েছে।
১. লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা।
২. ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর বিষয়ে মার্কিন প্রতিশ্রুতি।
৩. ৩০ দিনের মধ্যে নৌ অবরোধ সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করা।
৪. ইরানের চারপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি।
৫. ইরানি "ব্যবস্থাপনা"র অধীনে ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা।
৬. তেল, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য ও উপজাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা এবং এ থেকে প্রাপ্ত আর্থিক উপার্জনে ইরানের পূর্ণ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।
৭. ইরান পুনর্গঠনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা পেশ করার বাধ্যবাধকতা।
৮. পারমাণবিক বিষয়াবলি এবং মার্কিন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞাগুলোর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের পাশাপাশি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব এবং আইএইএ (IAEA) গভর্নিং বোর্ডের প্রস্তাবের ওপর ভিত্তি করে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ৬০ দিনের আলোচনা।
৯. পরমাণু অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে এনপিটি (NPT)-এর অধীনে ইরানের প্রতিশ্রুতির পুনর্ব্যক্তকরণ।
১০. আলোচনাকালীন সময়ে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে তার সৈন্য সংখ্যা বৃদ্ধি না করতে এবং কোনো নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
১১. ৬০ দিনের চূড়ান্ত আলোচনাকালে ইরানের অবরুদ্ধ তহবিলের ২৪ বিলিয়ন ডলার মুক্তি দেওয়া। এই অঙ্কের অর্ধেক আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই ইরানের কাছে সহজলভ্য করতে হবে।
১২. চুক্তিটি বাস্তবায়নের জন্য একটি তদারকি ব্যবস্থা বা মেকানিজম গঠন করা।
১৩. চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে।
১৪. ইরানের অবরুদ্ধ তহবিলের অর্ধেক মুক্তি, তেল নিষেধাজ্ঞা স্থগিত এবং নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত আলোচনা শুরু হবে না। চূড়ান্ত চুক্তিটি কেবলমাত্র সমৃদ্ধকরণ ও সমৃদ্ধকৃত উপকরণের ভাগ্য, নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি এবং ইরানের অর্থনীতি পুনর্গঠনের কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং প্রতিরোধ (Resistance) গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন সংক্রান্ত আলোচনা এজেন্ডা থেকে নিশ্চিতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।
মন্দ নয়, শেষ পর্যন্ত এটি ইরানের সবকটি মূল দাবিই পূরণ করছে। আমার মনে হয় ইরানের জনগণের এই চুক্তিটি মেনে নেওয়া উচিত। জনাব আব্বাস আরাগচি (Mr. Abbas Aragchi)-র জন্য শুভ কামনা।
15/06/2026
সব হুমকি-ধমকি পেছনে ফেলে এক ঐতিহাসিক বিজয়ের পথে ইরান।
‘ইসলামাবাদ ফ্রেমওয়ার্ক’ এর অধীনে জেনেভায় যে চুক্তি সই হতে পারে, তা মূলত তেহরানের শিরদাঁড়া সোজা রাখার ফল।
এই চুক্তির সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো....ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোকে ( হিজবুল্লাহ, হামাস, হুতি) সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি আলোচনার বাইরে রাখতে আমেরিকাকে বাধ্য করেছে।
তাছাড়া, শুধু পরমাণু অস্ত্র না বানানোর স্বাভাবিক প্রতিশ্রুতি দিয়েই ওয়াশিংটনের কাছ থেকে বিশাল অর্থনৈতিক সুবিধাও আদায় করবে।
ইরানি গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী....চূড়ান্ত আলোচনার শর্ত হিসেবেই ইরান তাদের আটকে থাকা ২৪ বিলিয়ন ডলারের অর্ধেক (১২ বিলিয়ন ডলার) অগ্রিম ছাড় দিতে আমেরিকাকে বাধ্য করেছে, যা না দিলে তারা আলোচনাতেই বসবে না।
শুধু তাই নয়, ইরানের অর্থনীতি পুনর্গঠনে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট দিতে হচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হলেও তার পুরো নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকবে।
তবে এই চুক্তির আসল পরীক্ষা এখন লেবানন সীমান্তে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেনে....লেবাননে ইসরায়েলি হামলা সম্পূর্ণ ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দায়িত্ব আমেরিকারই, না হলে এই চুক্তি টিকবে না।
12/06/2026
পে-স্কেল বনাম মূল্যস্ফীতি: সংখ্যার বৃদ্ধি, নাকি জীবনের উন্নতি?
নতুন পে-স্কেলের ঘোষণা এলেই চাকরিজীবীদের মনে একটুকরো স্বস্তির হাওয়া লাগে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, হিসাব-নিকাশ আর ভবিষ্যতের ছোট ছোট স্বপ্নগুলো যেন আবার মাথা তুলে দাঁড়ায়। কর্মজীবী মানুষের মনে তখন আশার সঞ্চার হয়—হয়তো এবার কিছুটা স্বস্তি মিলবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বেতন বাড়লেই কি সত্যিই জীবন সহজ হয়?
বাস্তবতা হলো, পে-স্কেল যতটা ধীরে বাড়ে, মূল্যস্ফীতি অনেক সময় তার চেয়ে দ্রুত গতিতে ছুটে চলে। কয়েক বছর আগে যে টাকায় একটি পরিবারের মাসিক বাজার হতো, আজ সেই একই বাজার করতে খরচ হয় প্রায় দ্বিগুণ। চাল, ডাল, তেল, মাছ, মাংস থেকে শুরু করে শিক্ষা, চিকিৎসা ও যাতায়াত—সবকিছুর ব্যয় বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।
একজন চাকরিজীবীর বেতন যদি ২০ শতাংশ বাড়ে, কিন্তু একই সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ৩০ বা ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, তাহলে প্রকৃত অর্থে তার ক্রয়ক্ষমতা কমেই যায়। কাগজে-কলমে আয় বাড়লেও জীবনের মান উন্নত হয় না; বরং সংসারের হিসাব আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
তাই শুধু নতুন পে-স্কেল ঘোষণাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা রক্ষার কার্যকর পদক্ষেপ। কারণ একজন কর্মজীবী মানুষের কাছে বেতনের অঙ্কের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই বেতন দিয়ে কতটুকু জীবন চালানো যায়।
পে-স্কেল মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারে, কিন্তু মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই পারে সেই হাসি ধরে রাখতে।
বেতন বৃদ্ধি সুখবর, কিন্তু মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া সেই সুখবর অনেক সময় কেবল সংখ্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
12/06/2026
শাকিরা এই শতাব্দীর বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক শিল্পী ❤
দুই দশক আগে, ২০০৬ সালের গ্রীষ্মে বার্লিনে বিশ্বকাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি Wyclef Jean-এর সঙ্গে পরিবেশন করেছিলেন "Hips Don't Lie"। সে সময় গানটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর একটি।
২০১০ সালে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসের অংশ হয়ে যান "Waka Waka" গানের মাধ্যমে। আফ্রিকা মহাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ছিল এটি। উদ্বোধনী কনসার্ট থেকে শুরু করে ফাইনালের আগে সমাপনী অনুষ্ঠান সবখানেই ছিল তার উপস্থিতি। সেই বিশ্বকাপই বদলে দিয়েছিল তার ব্যক্তিগত জীবনও।
"Waka Waka" মিউজিক ভিডিওর শুটিংয়ের সময় মাদ্রিদে তার পরিচয় হয়েছিল স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকের সঙ্গে। পিকে ভিডিওতে অংশ নিয়েছিলেন, পরে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন, শাকিরার জীবনসঙ্গী হয়েছিলেন এবং তাদের ঘর আলো করে জন্ম নিয়েছিল দুই ছেলে।
২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপেও তিনি ফিরে আসেন। মারাকানায় জার্মানি-আর্জেন্টিনা ফাইনালের আগে সমাপনী অনুষ্ঠানে পরিবেশন করেন "La La La"।
আর এখন, ২০২৬ সালে, মেক্সিকো সিটিতে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে Burna Boy-এর সঙ্গে "Dai Dai" পরিবেশন করে আবারও মঞ্চ কাঁপিয়েছেন শাকিরা।
তবে এখানেই শেষ নয়। আগামী মাসে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ফাইনালের হাফ-টাইম শোতেও তিনি ফিরবেন। তার সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করবেন Madonna এবং BTS।
বিশ্বকাপ বদলেছে অনেক কিছু, বদলেছে প্রজন্ম। কিন্তু শাকিরা যেন বিশ্বকাপের চিরন্তন এক সঙ্গীত-প্রতীক 🌸
- plaantik
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Cumilla