Science Express
Science Express (সায়েন্স এক্সপ্রেস) is a platform that helps young people learn about science in a simple and fun way!
21/06/2026
ভাই দয়া করে কেউ এংরি রিয়েক্ট দিয়েন না 🥹
বিস্তারিত কমেন্ট।
20/06/2026
বিখ্যাত জুতা কোম্পানি পুমা (Puma) ১৯৭০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে পেলেকে বলেছিল, তিনি যেন ম্যাচের মাঝে একটু থেমে তার জুতার ফিতা বাঁধেন। এতে পুরো পৃথিবী তাকে পিউমা জুতা পরতে দেখবে। এই কাজের জন্য পিউমা পেলেকে ৭ কোটি টাকা দিয়েছিল।
📍 যুক্ত হোন : বিজ্ঞানচর্চা - BigganChorcha
20/06/2026
এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।''
এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।
ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ হয়ে গেলাম। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা।
তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়া গুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।
এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করেনা।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়া গুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকেনা। তিনি হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ঐ এন্টিবায়োটিক কাজ করেনা। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।
আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করেনা, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হসপিটাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবেনা। সামান্য সর্দীতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।
উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। 'মেডিসিনের বাইবেল' নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,
"This organism is registrant against this Drugs in Indian subcontinent''
টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়েও জরুরী। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা।
আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসিওয়ালারা
রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসীতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Ezithromycin or,cefixime or cefuroxime or levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কতো দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষধটি ১ ডোজ খাবেন সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।
চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।
বিজ্ঞানের অজানা তথ্য আপনিও শেয়ার করতে পারেন বিজ্ঞানচর্চা - BigganChorcha তে।
20/06/2026
বিজ্ঞান শুধুমাত্র পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি আমাদের প্রতিদিনের জীবনের অংশ। দীর্ঘ সময় পর আবার ফিরে এলাম, নতুন উদ্যমে! এখন থেকে আরও বেশি মজার বিজ্ঞানীয় আলোচনা, অজানা তথ্য আর চমকপ্রদ আবিষ্কার নিয়ে একসাথে চলবো। ইনশাআল্লাহ, আমাদের এই বিজ্ঞানযাত্রা হবে আরও গতিশীল এবং শক্তিশালী!
এই কয়েকদিনের অদৃশ্য থাকা সময়ে প্রায় ২ হাজার ফলোয়ার হারালেও, যারা এখনও আছেন, তাদের প্রতি আমার অন্তরের কৃতজ্ঞতা। আপনারাই তো আমার শক্তি, আপনারাই তো আমার আসল সঙ্গী! ধন্যবাদ আপনাদের ভালোবাসা আর সমর্থনের জন্য। এবার আবার শুরু হল, নতুন উদ্যমে, নতুন মজা নিয়ে। চলুন, একসাথে নতুন কিছু শিখি, নতুন কিছু আবিষ্কার করি!
- এডমিন [সায়েন্স এক্সপ্রেস]
নতুন উদ্যম, নতুন পরিকল্পনা এবং আরও সমৃদ্ধ কনটেন্ট নিয়ে আমরা শুরু করছি Team Science Express -এর পথচলা।
আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ—নতুন পেইজটি ফলো করে আমাদের এই নতুন যাত্রার অংশ হোন। আপনাদের সমর্থনই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি।
এন্টার্কটিকায় ছয় মাসের দিন!
গ্রীষ্মকালে এন্টার্কটিকায় সূর্য অস্ত যায় না! কারণ, এই সময় দক্ষিণ মেরু সরাসরি সূর্যের দিকে হেলে থাকে, ফলে টানা প্রায় ছয় মাস ধরে দিন থাকে এবং সূর্যালোক দেখা যায়।
যুক্ত হোন Science Express Family
16/06/2026
Frontiers in Nutrition-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত পরিমাণে যোগ করা চিনি (Added Sugar) গ্রহণের সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির একটি উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক রয়েছে। গবেষক নিউশা কাসায়ান (Niusha Kasayan) এবং আলিরেজা হাশেমি (Alireza Hashemi)-সহ একটি দল হাজারো প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন যে, যাদের খাদ্যতালিকায় চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয়ের পরিমাণ বেশি, তাদের মধ্যে বিষণ্নতা (Depression), উদ্বেগ (Anxiety) এবং মানসিক অস্বস্তির লক্ষণ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়।
পুষ্টিবিজ্ঞান (Nutritional Science) ও স্নায়ুবিজ্ঞান (Neuroscience) অনুযায়ী, অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ করলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়ে এবং পরে দ্রুত কমে যায়। এই ওঠানামা ক্লান্তি, খিটখিটে মেজাজ, মুড পরিবর্তন এবং শক্তির ঘাটতির কারণ হতে পারে। গবেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ শরীরে প্রদাহ (Inflammation) এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়াতে পারে, যা মস্তিষ্কের কার্যক্রম ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণকারী নিউরোট্রান্সমিটারগুলোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
এই গবেষণাটি ক্রমবর্ধমান সেই বৈজ্ঞানিক প্রমাণকে আরও শক্তিশালী করে যে, খাদ্যাভ্যাস শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। তবে গবেষণাটি সম্পর্ক (Association) দেখিয়েছে, সরাসরি কারণ-ফলাফল (Causation) প্রমাণ করেনি। অর্থাৎ, বেশি চিনি খাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা বেশি দেখা গেছে, কিন্তু চিনি একাই এসব সমস্যার কারণ—এটি নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এখনো পরামর্শ দেন যে খাদ্যতালিকায় যোগ করা চিনি কমানো এবং ফলমূল, শাকসবজি, পূর্ণ শস্য, চর্বিহীন প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। এ ধরনের খাদ্যাভ্যাস শারীরিক বিপাকীয় স্বাস্থ্য উন্নত করার পাশাপাশি মানসিক স্থিতিশীলতা, স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং সামগ্রিক মানসিক সুস্থতাও বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।
📍 যুক্ত হোন : বিজ্ঞানচর্চা - BigganChorcha
15/06/2026
ইন্টারনেট চালানো সার্ভারের অতিরিক্ত তাপ একসময় অপচয় হতো। এখন সেই তাপই ফিনল্যান্ডে আবাসন, অফিস আর সরকারি ভবন গরম রাখতে ব্যবহার হচ্ছে। Google, Microsoft-সহ একাধিক প্রযুক্তি সংস্থা ডেটা সেন্টারের বর্জ্য তাপ সরাসরি শহরের হিটিং নেটওয়ার্কে পাঠাচ্ছে। দীর্ঘ শীত আর বাড়তে থাকা এআই অবকাঠামোর মধ্যে এই প্রযুক্তি এখন ইউরোপের জ্বালানি ব্যবস্থার নতুন মডেল হয়ে উঠছে।
---
ফিনল্যান্ডে এখন এমন ডেটা সেন্টার তৈরি হচ্ছে, যেগুলো শুধু ইন্টারনেট চালায় না, একই সঙ্গে শহরের হাজার হাজার মানুষের ঘরও গরম রাখে। সার্ভার থেকে বের হওয়া অতিরিক্ত তাপকে কাজে লাগিয়ে সরাসরি আবাসন, অফিস আর সরকারি ভবনে তাপ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ইউরোপে দ্রুত বাড়তে থাকা এআই আর ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের চাপে যেখানে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ খরচ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, সেখানে ফিনল্যান্ড সেই একই অবকাঠামোকে শহরের জ্বালানি ব্যবস্থার অংশে বদলে ফেলছে।
ডেটা সেন্টারের ভিতরে হাজার হাজার সার্ভার একসঙ্গে কাজ করে। এই সার্ভার ঠান্ডা রাখতে বিশাল কুলিং সিস্টেম চালাতে হয়। সেই প্রক্রিয়ায় ক্রমাগত তাপ উৎপন্ন হয়। সাধারণভাবে এই তাপ বাইরে বের করে দেওয়া হয়। কিন্তু ফিনল্যান্ডের একাধিক প্রকল্পে সেই তাপ সংগ্রহ করে বড় শিল্প-মানের হিট পাম্পের সাহায্যে ৬০ থেকে ৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে। তারপর গরম জল ডিস্ট্রিক্ট হিটিং নেটওয়ার্কের পাইপ দিয়ে শহরের বিভিন্ন ভবনে পৌঁছে যাচ্ছে।
ফিনল্যান্ডের Hamina শহরে Google-এর ডেটা সেন্টার এখন এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় উদাহরণগুলোর একটি। ২০২৪ সালে সংস্থাটি জানায়, তাদের হিট রিকভারি প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হলে শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ হিটিং চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। স্থানীয় আবাসন, স্কুল আর সরকারি ভবন এই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হবে। Google-এর হিসাব অনুযায়ী, এই প্রকল্প বছরে কয়েক হাজার টন কার্বন নির্গমন কমাতে সাহায্য করতে পারে।
শুধু Google নয়, Microsoft-ও ফিনল্যান্ডে একই ধরনের বড় পরিকল্পনা শুরু করেছে। Fortum-এর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি হওয়া নতুন ডেটা সেন্টার নেটওয়ার্ক থেকে উদ্ধার হওয়া তাপ Espoo, Kauniainen আর Kirkkonummi অঞ্চলের ডিস্ট্রিক্ট হিটিং ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হবে। Fortum জানিয়েছে, প্রকল্প পুরোপুরি চালু হলে ওই এলাকার প্রায় ৪০ শতাংশ গরমের চাহিদা ডেটা সেন্টারের বর্জ্য তাপ থেকেই আসতে পারে। এই প্রকল্পকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার হিট-রিকভারি উদ্যোগগুলোর মধ্যে ধরা হচ্ছে।
হেলসিঙ্কিতেও একই প্রযুক্তি বহু বছর ধরে ব্যবহার হচ্ছে। শহরের জ্বালানি সংস্থা Helen ইতিমধ্যেই ডেটা সেন্টারের অতিরিক্ত তাপ ব্যবহার করে হাজার হাজার ফ্ল্যাট গরম রাখছে। সেখানে সার্ভার কক্ষের তাপ প্রথমে কুলিং সিস্টেম থেকে সংগ্রহ করা হয়, তারপর বিশাল হিট পাম্প সেটিকে আরও উচ্চ তাপমাত্রায় রূপান্তর করে ডিস্ট্রিক্ট হিটিং লাইনে পাঠায়। এই পুরো ব্যবস্থার ফলে একই শক্তি থেকে একসঙ্গে কম্পিউটিং আর তাপ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।
ফিনল্যান্ডের ঠান্ডা আবহাওয়া এই প্রযুক্তিকে আরও কার্যকর করে তুলেছে। দেশের দীর্ঘ শীতের কারণে হিটিংয়ের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। একই সঙ্গে বাইরের কম তাপমাত্রা ডেটা সেন্টারের কুলিং খরচও কমায়। ফলে সার্ভার ঠান্ডা রাখতে কম শক্তি লাগে, আবার সেই সার্ভারের উৎপন্ন তাপ শহরের কাজে ব্যবহার করা যায়। ইউরোপের অনেক দেশে নতুন হিটিং অবকাঠামো তৈরি করতে হলেও ফিনল্যান্ডে আগে থেকেই বিস্তৃত ডিস্ট্রিক্ট হিটিং নেটওয়ার্ক ছিল। তাই নতুন পাইপলাইন তৈরির বদলে শুধু নতুন তাপ উৎস যুক্ত করলেই কাজ হচ্ছে।
২০২৬ সালে এই প্রযুক্তি আরও বড় আকার নিতে শুরু করেছে। atNorth নামের একটি ডেটা সেন্টার সংস্থা Espoo অঞ্চলে তাদের উদ্ধার করা তাপ সরাসরি Kesko-র খুচরা বিপণি ভবনে ব্যবহার শুরু করেছে। একই সময়ে Saarijärvi অঞ্চলে নতুন ডেটা সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা হয়েছে, যেটি শুরু থেকেই স্থানীয় হিটিং নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।
২০২২ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, ডেটা সেন্টার যদি তাপের চাহিদাসম্পন্ন শহুরে এলাকার কাছে তৈরি হয় এবং উন্নত হিট পাম্প ব্যবহার করা যায়, তাহলে সার্ভারের বর্জ্য তাপ ডিস্ট্রিক্ট হিটিংয়ের বড় উৎস হয়ে উঠতে পারে। গবেষকরা বলছেন, এআই প্রযুক্তির কারণে ভবিষ্যতে ডেটা সেন্টারের সংখ্যা আরও বাড়বে। ফলে এই অতিরিক্ত তাপকে পুনর্ব্যবহার করা না গেলে বিপুল পরিমাণ শক্তি অপচয় হবে।
একসময় ডেটা সেন্টারকে শুধু বিশাল বিদ্যুৎ-খেকো ভবন হিসেবে দেখা হতো। এখন ফিনল্যান্ডে একই ভবনকে একসঙ্গে কম্পিউটিং কেন্দ্র, তাপ উৎপাদন কেন্দ্র আর শহুরে জ্বালানি অবকাঠামোর অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সার্ভারের ভিতরে চলতে থাকা এআই মডেল আর ক্লাউড পরিষেবার তাপই এখন পাশের আবাসনের রেডিয়েটর গরম রাখছে।
📍 যুক্ত হোন : বিজ্ঞানচর্চা - BigganChorcha
এই উদ্ভাবনটি বিমান দুর্ঘটনার সময় যাত্রীদের জীবন বাঁচানোর জন্য একটি অত্যন্ত কার্যকরী সমাধান হতে পারে বলে মনে করা হয়।
Free user's : একজন ইউক্রেনীয় প্রকৌশলী একটি এমন বিমানের ডিজাইন তৈরি করেছেন যার ডিটাচেবল (বিচ্ছিন্নযোগ্য) ক্যাবিন রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে, এই ক্যাবিনটি বিমান থেকে আলাদা হয়ে যেতে পারে, প্যারাসুট খুলে ধীরে ধীরে মাটিতে বা পানিতে নেমে আসে। এতে যাত্রীদের নিরাপদে ভূমি বা পানিতে অবতরণের সুযোগ তৈরি হয়।
15/06/2026
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক যুগান্তকারী সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে মৌমাছির বিষে থাকা শক্তিশালী যৌগ মেলিটিন মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ১০০ শতাংশ স্তন ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম। আরও বিস্ময়ের বিষয় এই বিষ কেবল ক্যানসার কোষকেই আক্রমণ করে। কিন্তু আশেপাশের সুস্থ কোষ অক্ষত থাকে।
গবেষকদের মতে, মেলিটিন কয়েক মিনিটের মধ্যেই ক্যানসার কোষের ঝিল্লিতে প্রবেশ করে তা ভেঙে দেয়, ফলে কোষগুলো দ্রুত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। প্রচলিত কেমোথেরাপিতে যেখানে সুস্থ টিস্যুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেখানে মেলিটিন নির্দিষ্টভাবে শুধু আক্রান্ত কোষের ওপরই কাজ করে যা লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা উদ্ভাবনে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে।
পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই যৌগটি বিভিন্ন ধরনের স্তন ক্যানসারের ক্ষেত্রেও কার্যকর, এমনকি যেসব আগ্রাসী ক্যানসার প্রচলিত চিকিৎসায় প্রতিরোধী সেগুলোর বিরুদ্ধেও এর সমান কার্যকারিতা রয়েছে।
বর্তমানে গবেষকরা কৃত্রিম মেলিটিন তৈরি করে তা লক্ষ্যভিত্তিক ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহারের ওপর কাজ করছেন। ফলে প্রকৃতির ভেতরে লুকিয়ে থাকা চিকিৎসাশক্তিকে আধুনিক বিজ্ঞানের সঙ্গে একীভূত করার পথ আরও উন্মুক্ত হচ্ছে।
📍 যুক্ত হোন : বিজ্ঞানচর্চা - BigganChorcha
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Maijdee Court
Cumilla