Cold zone engineering solution
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Cold zone engineering solution, In-Home Service, 60 fit , Mirpur/2, Dhaka.
❄️ Cold Zone Engineering Solution
ইলেকট্রিক্যাল কাজ ও এসি, ফ্রিজ, গিজার ও ওয়াশিং মেশিনের সকল সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান।
✅ অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান
✅ বাসায় এসে সার্ভিস
✅ দ্রুত ও মানসম্মত কাজ
📍 মিরপুর, ঢাকা (সারা ঢাকায় সার্ভিস)
📞 01751-010099
এভাবে যদি গ্যাস এবং বিদ্যুতের দাম বাড়তে থাকে প্রতিনিয়ত তাহলে এসি চালাবো কিভাবে আমরা🫠🫠
আরে পিপিনুর না😄ভিপি নূর 🤣
বিপুল ভাইয়ের মিছিল 💃
অভিযোগ : পানি পড়া এবং বরফ জমে যাওয়া 💦
আমি একা হাসব কেন😑 আপনারাও একটু হাসেন 🤣🤣
পাটোয়ারীর সাথে ভাইয়ের ব্লাড কানেকশন আছে হয়তো কোন ভাবে 🤣
14/08/2026
সাবস্টেশন সর্ম্পকিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন এবং নাম সহ তালিকা দেয়া হলো।
১। প্রশ্নঃ সাবস্টেশন কি?
উওরঃ সাবস্টেশন হচ্ছে পাওয়ার সিস্টেমের একটি অংশ যা, বিদ্যুৎ পরিবহণ, সঞ্চালন, বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ।
২। প্রশ্নঃ ১১কেভি সাবস্টেশনের কি কি ইকুপমেন্ট থাকে?
ক. ট্রান্সফরমার
খ. LT সুইচগিয়ার
গ. HT সুইচগিয়ার
ঘ. PFI প্লান্ট।
৩। প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কি?
উওরঃ সুইচগিয়ার হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, যা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করে থাকে। সুইচিং ডিভাইস হলো, রিলে, সার্কিট ব্রেকার, ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ইত্যাদি।
৪। প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কত প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার।
১। LT সুইচগিয়ার
২। HT সুইচগিয়ার।
৫। প্রশ্নঃ LT & HT সুইচগিয়ার বলতে কি বুঝ?
উওরঃ LT সুইচগিয়ার হলো, সাবস্টেশনের লো-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে LT সুইচগিয়ার বলে।
HT সুইচগিয়ার হলো, সাবস্টেশনের হাই-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং, কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে HT সুইচগিয়ার বলে।
৬। প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার LT & HT ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ
LT সুইচগিয়ারঃ
MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার।
HT সুইচগিয়ারঃ VCB সার্কিট ব্রেকার।
৭। প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কি?
উওরঃ সার্কিট ব্রেকার হচ্ছে এক ধরনের সুইচিং ডিভাইস, যা দ্বারা বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সাপ্লাই এর সাথে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা যায়। তবে সার্কিট ব্রেকারের সবচেয়ে বড় কাজ হল, যখন অতিরিক্ত কারেন্ট বা ত্রুটিপুর্ন কারেন্ট লাইনে প্রবাহিত হয়, তা থেকে সার্কিটকে অটোমেটিক রক্ষা করা।
৮। প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার সাবস্টেশনে ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার, VCB সার্কিট ব্রেকার।
৯।প্রশ্নঃ LT & HT সাইডের মেইন কাজ কি?
উওরঃ
HT সুইচগিয়ার মূলত: ট্রান্সফরমার কে সাট-ডাউন করানো।
LT সুইচগিয়ার মূলত: লোডকে কন্ট্রোল করে অথবা রক্ষা করে।
১০। প্রশ্নঃ PFI কি?
উত্তর: পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট যা পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট করে।
১১। প্রশ্নঃ কেন PFI ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ কারন আমাদের ট্রান্সমিশন লাইনে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট এর কারনে একটি এঙ্গেল সৃস্টি হয় যা লস হিসাবে ধরা হয়। এই লসকে কমানোর জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
১২। প্রশ্নঃ PFI রেটিং কিভাবে নিতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৬০% হিসাবে নিতে হয়।
১৩। প্রশ্নঃ PFI স্টেপ কি এবং কিভাবে স্টপ সিলেকশন করতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ১০০ কেভি থেকে ২৫০ কেভি পর্যন্ত তাহলে ৬ স্টেপের ১টা।
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ৩১৫ কেভি থেকে ২০০০ কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ১টা।
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ২৫০০ কেভি থেকে ৪০০০ কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ২টা।
১৪। প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে কিভাবে লোড বের করতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৮০% হিসাবে নিতে হয়।
১৫। প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে LT & HT সাইড কোন অংশ কে বলে?
উওরঃ ৩৩ কেভি থেকে ১১ কেভি পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইনকে বলা হয়। HT সাইড এবং ১১ কেভি থেকে ০.৪ কেভি (৪০০ ভোল্ট) পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় LT সাইড।
১৬। প্রশ্নঃ জেনারেশন পাওয়ার এবং ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারের রেটিং দেখাও?
উওরঃ
জেনারেশন পাওয়ারঃ ১১ কেভি, ৩৩ কেভি, ১৩২ কেভি, ২৩০ কেভি, ৪০০ কেভি।
ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারঃ ৪০০ কেভি, ২৩০ কেভি, ১৩২ কেভি, ৩৩ কেভি, ১১ কেভি।
১৭। প্রশ্নঃ কেন ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ৪০০০ কেভির বেশি ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না?
উওরঃ কারন ৪০০০ কেভি উপরের ট্রান্সফরমারের জন্য সার্কিট ব্রেকার নেই তাই ব্যবহার করা হয় না।
১) 1 kWh = 1 ইউনিট (১ কিলোওয়াট আওয়ার = ১ ইউনিট
২) 1hp = 746 Watt
৩) Power,
P = VIcosφ W (Single Phase)
P = √3VIcosφ W (Three Phase)
৪) 1000W = 1kW
৫) h = time (ঘন্টায়)
৬) kW কে সময় (ঘন্টা) দিয়ে গুন করলে গুনফলটি ইউনিট হবে।
৭) বছরে কোন মাস কত দিনে তা জানতে হবে।
লোডের হিসাবঃ
* যদি লোড ওয়াটে দেওয়া থাকে তাহলে সেটাই W এর মান।
* যদি কারেন্ট, ভোল্টেজের মান দেওয়া থাকে তাহলে P এর সূত্র দিয়ে বের করে নিতে হবে।
* যদি হর্স পাওয়ার (hp) এ দেওয়া থাকলে 746 দিয়ে গুণ করে W এ নিতে হবে, যেমন: 10hp=10*746 =7460W ।
* W কে ১০০০ দিয়ে ভাগ করে kW এ নিতে হবে।
* kW কে সময় (ঘন্টা) দিয়ে গুন করে ইউনিট বের করতে হবে।
• প্রয়োজনীয় কিছু পরিমাপক যন্ত্রের নামঃ
• বিদ্যুৎ প্রবাহ মাপক যন্ত্র - অ্যামিটার।
• ভোল্টেজ পরিমাপ - ভোল্টমিটার।
• পরীবাহীর রোধ নির্ণয় যন্ত্র - ওহম মিটার।
• আলো পরিমাপ - লুমেন মিটার।
• ফ্রিকুয়েন্সি পরিমাপ - ফ্রিকুয়েন্সি মিটার।
• পাওয়ার ফ্যাক্টর - পাওয়ার ফ্যাক্টর মিটার।
• তাপ পরিমাপ- ক্যালরিমিটার
• আর্থিং রেজিস্টান্স পরিমাপ - মেগার / আর্থ টেস্টার।
• ক্যাবল ইনসুলেশন পরিমাপ - মেগার।
• উষ্ণতা পরিমাপ- থার্মোমিটার।
#ইলেকট্রিক্যাল #সাবস্টেশন #এসি #ফ্রিজ
R22,134 গ্যাস, বিদ্যুৎ, এসি, ফ্রিজ এর দাম কমাই দে নইলে গদি ছাইড়া দে 🫣🫣
বাংলাদেশের কোন সরকার এই পারলো না অটো রিক্সার সাথে 🤣🤣আর এরকম দুই চারটা গাড়ি আর সার্জেন মিলে কি ধরতে পারবে 🤣টেছলা পাওয়ার 🫣
বিদ্যুৎ অফিস থেকে শিক্ষামন্ত্রীর অফিসের লাইনের দূরত্ব অনেক বেশি 😑
বিদ্যুতের মিটারের রেটিং ও যত অপশন আছে তার পরিচিতি,
১. বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ (kWh - Reading)
শুরুর রিডিং: 000000.14\text{ kWh}
শেষের রিডিং: 000000.16\text{ kWh}
ব্যাখ্যা: কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh) হলো বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার মূল একক (যাকে আমরা সাধারণ ভাষায় "ইউনিট" বলি)। এই মিটারে মোট খরচ হওয়া বিদ্যুতের পরিমাণ দেখানো হচ্ছে। ভিডিওর শুরুতে এটি 0.14 ইউনিট ছিল এবং ব্যবহার চলার কারণে ভিডিওর শেষে 0.16 ইউনিটে গিয়ে পৌঁছেছে।
২. পর্যায়ক্রমে প্রদর্শিত মিটারের অন্যান্য প্যারামিটার
পাওয়ার ফ্যাক্টর (PF - Power Factor): 1.000
ব্যাখ্যা: পাওয়ার ফ্যাক্টর ১.০০০ হওয়া মানে হলো বিদ্যুতের সর্বত্তম ব্যবহার হচ্ছে এবং কোনো অপচয় (Reactive loss) হচ্ছে না। এটি মিটারের জন্য একটি আদর্শ মান।
সর্বোচ্চ চাহিদা (MD - Maximum Demand): 0.000 kW
ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ কত কিলোওয়াট লোড একবারে ব্যবহার করা হয়েছে, তা এখানে রেকর্ড হয়।
সিরিয়াল নম্বর (SN): 00309658
ব্যাখ্যা: এটি মিটারের অভ্যন্তরীণ ডিজিটাল সিগনেচারে সংরক্ষিত ইউনিক সিরিয়াল নম্বর।
ভোল্টেজ (Voltage): ~216.00\text{ V} - 226.10\text{ V}
ব্যাখ্যা: আপনার লাইনে আসা বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ বা চাপ দেখাচ্ছে। সাধারণ গৃহস্থালি লাইনে এটি ২২০ ভোল্টের আশপাশে থাকা স্বাভাবিক।
বিদ্যুৎ প্রবাহ/কারেন্ট (Current): ~5.556\text{ A} - 5.565\text{ A} (অ্যাম্পিয়ার)
ব্যাখ্যা: এই মুহূর্তে মিটারের মধ্য দিয়ে প্রায় ৫.৫৬ অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হচ্ছে। অর্থাৎ লাইনে কোনো লোড বা বৈদ্যুতিক যন্ত্র চলছে।
চলতি পাওয়ার/লোড (Active Power): ~1.170\text{ kW} - 1.186\text{ kW} (প্রায় ১১৭০ - ১১৮৬ ওয়াট)
ব্যাখ্যা: বর্তমানে চালু থাকা বৈদ্যুতিক যন্ত্রগুলো মোট প্রায় ১.১৮ কিলোওয়াট (বা ১১৮০ ওয়াট) বিদ্যুৎ টানছে।
৩. মিটারের গায়ে থাকা স্পেসিফিকেশন
প্রস্তুতকারক: Capital Electrical Industries
মডেল: CM-16 10(60)A
শ্রেণি (Class): Class 1 (অত্যন্ত নিখুঁত ও মানসম্মত মিটার)
রেটিং: 230V, 50Hz
পালস রেট (Pulse Rate): 1600\text{ imp/kWh}
ব্যাখ্যা: মিটারের 'Pulse' লেখা লাল আলোটি ১৬০০ বার জ্বললে-নিভলে ঠিক ১ ইউনিট (১ kWh) বিদ্যুৎ খরচ হিসাব হবে।
উৎপাদন বছর ও ম্যানুয়াল নম্বর: Year 2025, Serial No. 309658
সবই আল্লাহর ইচ্ছা এবং আপনাদের দোয়া 🫠
কেউ হাসবেন না কিন্তু।
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
60 Fit , Mirpur/2
Dhaka
1216
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Cold zone engineering solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.