LifeSpring
Mental Health Ambassador - 2026 (Dhaka): https://ln.run/VusrX
শরীরের সাথে মন জড়িত নিবিড়ভাবে, তাই LifeSpring বিশ্বাস করে শরীর এবং মন দুটোরই সমান যত্ন প্রয়োজন। শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়ার মাধ্যমেই বদলে যেতে পারে একেকটি জীবন, তৈরি হতে পারে একেকটি নতুন সম্ভাবনা, একেকটি নতুন গল্প। এমনই হাজারও গল্প সৃষ্টির লক্ষ্যেই LifeSpring এর পথচলা।
LifeSpring - Redefining Healthcare!
ভালোবাসা ভেবে যেটা ধরে আছেন, সেটা আসলে কী?
Speaker:
Ferdous Ara Reshmin
MS & BS in Psychology (RU)
PGT in Psychotherapy (BSMMU)
RBT & Autism Management Training (USA)
Consultant Psychologist, LifeSpring
অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01301-466281
17/09/2026
'ঠিক আছি' বলেছেন অথচ ভেতরে ভেতরে একদমই ঠিক ছিলেন না
হয়তো কারও একটা কথা খুব কষ্ট দিয়েছে, হয়তো অনেক অভিমান জমে আছে, হয়তো কাউকে খুব miss করছেন।
কিন্তু কাউকে কিছু বলেননি, চুপ করে থেকেছেন, স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করেছেন।
হেসেছেনও।
আর মনে মনে ভেবেছেন 'থাক, বলেই বা কী হবে?'
যে কষ্টটা আপনি কাউকে বলেননি সেটা হয়তো রাতে ঘুমানোর সময় আবার মনে পড়ে।
যে রাগটা আপনি চেপে গেছেন সেটা হয়তো পরে খুব ছোট একটা বিষয়েও বিরক্তি হয়ে বের হয়।
যে অভিমানটা আপনি দিনের পর দিন নিজের মধ্যে রেখেছেন সেটাই একসময় মানুষ থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণ হতে পারে।
অনেক দিন emotion চেপে রাখলে ছোট ছোট বিষয়ে বেশি বিরক্ত লাগে, মাথার মধ্যে একই কথা বারবার ঘুরে, সবসময় মানসিকভাবে ক্লান্ত লাগে, ঘুমাতে সমস্যা হওয়া বা ঘুমের মাঝেও অস্থির লাগে, মনোযোগ ধরে রাখতে কষ্ট হয়, কাছের মানুষদের থেকেও দূরে সরে যেতে ইচ্ছা করে, ছোট একটা কথায় চোখে পানি চলে আসে বা emotion বেশি intense হয়ে যায়।
আপনাকে সব কথা সবার সঙ্গে share করতে হবে এমনও না কিন্তু অন্তত নিজের কাছে নিজের emotions স্বীকার করুন।
মন খুব ভারী লাগলে বিশ্বাসের কাউকে বলতে পারেন। লিখে ফেলতে পারেন।
কিছু সময় নিজের সঙ্গে থাকতে পারেন। কান্না পেলে কাঁদতেও পারেন।
কারণ সবসময় strong থাকার অভিনয় করতে করতে মানুষ একসময় নিজের কাছেই ক্লান্ত হয়ে যায়।
আর যদি কোনো কষ্ট অনেক দিন ধরে আপনার ঘুম, কাজ, সম্পর্ক বা প্রতিদিনের জীবনকে এলোমেলো করে দিতে শুরু করে তাহলে একজন mental health professional-এর সঙ্গে কথা বলা উচিত।
Emotion চেপে রাখা আর emotion সামলে নেওয়া এক জিনিস না।
আপনার জীবনে এমন কোন emotion আছে যেটা আপনি অনেক দিন ধরে লুকিয়ে রেখেছেন?
আমরা আমাদের চিন্তার মতই কাজ করি?
Speaker:
Mithila Khandaker
Bachelor of Psychology (DU),
MS in Counseling Psychology (DU),
Consultant Psychologist, LifeSpring
অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: +880 1301-466281
16/09/2026
মন থেকে আপনি স্পষ্টভাবে বলতে চাইছেন
'না, আমি এটা করতে পারব না'
কিন্তু মুখ দিয়ে বের হচ্ছে
'আচ্ছা ঠিক আছে চেষ্টা করছি'
তারপর আমরা নিজের কাজ ফেলে অন্যের কাজ করি। নিজে tired থাকলেও help করতে রাজি হয়ে যাই। মনে না চাইলেও ঠিক আছে বলে দেই।
শুধু কাউকে disappointed করতে চাই না বলে।
না বললে সে কী ভাববে?
ও কি কষ্ট পাবে?
আমাকে কি স্বার্থপর মনে হবে?
আর কোনোভাবে না বলে ফেললে সারাদিন একটা guilty feeling কাজ করতে থাকে।
আর এভাবেই একসময় ভেতরে ভেতরে বিরক্তি জমে।
মানুষ আমাদের boundary বুঝবে কীভাবে যদি আমরা নিজেরাই সেটা clear না করি?
আমরা ছোটবেলা থেকেই শিখে বড় হই ভালো মানুষ মানে সবার কথা শোনা, কাউকে হতাশ না করা, নিজের প্রয়োজনের আগে অন্যের প্রয়োজন দেখা।
তাই বড় হয়ে যখন নিজের জন্য একটা boundary তৈরি করতে যাই তখন মনেই হয় যেন আমরা ভুল কিছু করছি।
সবকিছুতে হ্যাঁ বলা ভালো মানুষ হওয়ার প্রমাণ না।
বন্ধুর অনুরোধ রাখতে গিয়ে নিজের গুরুত্বপূর্ণ কাজটা পিছিয়ে গেল।
অফিসে বাড়তি দায়িত্ব নিতে নিতে আপনি মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়লেন।
পরিবারের সবাইকে সময় দিতে গিয়ে নিজের জন্য দশ মিনিটও রাখলেন না।
এখানেই healthy boundary দরকার।
Boundary মানে কাউকে দূরে সরিয়ে দেওয়া না নিজের সীমাটা নিজে বোঝা।
অতিরিক্ত মোবাইল দেখা কি সন্তানের অটিজমের কারণ?
🎙️Speaker:
Dr. Touhida Ferdousi
MBBS, MD (BSMMU)
Child & Adolescent Psychiatrist, LifeSpring
অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: +880 1301-466281
15/09/2026
আমি ওই কথাটা কেন বললাম?
সে এমন করল কেন?
আরেকটু অন্যভাবে করলে কি সবকিছু বদলে যেত?
আপনি কথা বলছেন, কাজ করছেন, হাসছেনও।
কিন্তু মাথার ভেতর একই ঘটনা বারবার চলছে।
একই কথা, একই স্মৃতি, একই প্রশ্ন আর সবচেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার হলো আপনি নিজেও জানেন এভাবে ভেবে কোনো লাভ হচ্ছে না।
তবু মাথা থামছে না। এটাই অনেক সময় overthinking-এর একটা খুব পরিচিত রূপ।
কখনো কারো বলা একটা কথা, কখনো নিজের করা একটা ভুল, কখনো কোনো সম্পর্ক আবার কখনো এমন একটা ঘটনা যেটা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।
ঘটনা শেষ কিন্তু আপনার মাথার ভেতর সেটা এখনও শেষ হয়নি।
আপনি বারবার ভাবছেন,
কেন হলো?
আমি কী ভুল করলাম?
অন্যভাবে করলে কী হতো?
কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখা দরকার
সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না।
আর সব উত্তর খুঁজে বের করাও জরুরি না।
যখন দেখবেন একই চিন্তা বারবার মাথায় আসলে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন
এই বিষয়টা কি এখন আমার হাতে আছে?
এটা নিয়ে ভাবলে কি কোনো সমাধান বের হচ্ছে?
নাকি আমি শুধু একই কষ্টটা আবার অনুভব করছি?
এই তিনটা প্রশ্ন অনেক সময় আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে আপনি সমস্যার সমাধান করছেন নাকি শুধু চিন্তার একটা loop-এর মধ্যে আটকে আছেন।
কিছু ঘটনা হয়তো আপনি কোনোদিনই পুরোপুরি ভুলবেন না।
কিন্তু সেই ঘটনাকে আপনার পুরো দিনটা নষ্ট করতে দিবেন না।
এই জায়গায় পৌঁছানোই অনেক বড় একটা পরিবর্তন।
নিজেকে ভালোবাসছেন নাকি আপনি নার্সিসিস্ট?
🎙️Speaker:
Jarina Akter Akhi
BSc in Psychology (JnU)
MS in Counseling Psychology (DU)
Psychologist, Lifespring
অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: +880 1301-466281
14/09/2026
আমাদের সমাজে অনেক আচরণকে খুব সহজেই ভালোবাসা, অধিকার, রাগ বা শাসন বলে স্বাভাবিক করে ফেলা হয়।
তোমার ভালো চাই বলেই তোমাকে এত কিছু মানতে বলি
রাগের মাথায় একটু বেশি বলে ফেলেছি
স্বামী/স্ত্রী হিসেবে আমার তো কিছু অধিকার আছে
সংসার করলে একটু-আধটু মারধর তো হতেই পারে
কিন্তু কোনো আচরণকে ভালোবাসা বা শাসনের নামে বলা হলেই সেটি ভালোবাসা বা শাসন হয়ে যায় না।
সঙ্গী কোথায় যাবে, কার সঙ্গে কথা বলবে, কী পরবে, কার সঙ্গে মিশবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা ভালোবাসার প্রমাণ নয়।
তার ফোন বা মেসেজ বারবার check করা, password চাওয়া, কোথায় গেলো, কখন গেলো সবকিছুতে তদারকি করা, বন্ধু বা পরিবারের কাছ থেকে দূরে রাখতে চাওয়া, উপার্জনের ওপর অপরজন জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণ রাখা বা চিকিৎসা, কাজ বা পড়াশোনার সিদ্ধান্তে জোর করে বাধা দেওয়া বা সবসময় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়াটাও নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের অংশ হতে পারে, যা সম্পর্ককে অনিরাপদ বানিয়ে ফেলতে পারে।
আবার রাগের সময় গালাগালি করা, অপমান করা, character নিয়ে আঘাত করা, বারবার ছোট করা, ভয় দেখানো বা হুমকি দেওয়া এসবকেও শুধু রাগের মাথায় হয়ে গেছে বলে স্বাভাবিক করে ফেলা যায় না।
ইচ্ছাকৃতভাবে silent treatment দিয়ে শাস্তি দেওয়া, guilt তৈরি করে নিজের কথা মানানো, সন্তানকে ব্যবহার করে emotional pressure দেওয়া কিংবা সঙ্গীর না-কে সম্মান না করে যৌন সম্পর্কে চাপ দেওয়াও সম্পর্কের জন্য গুরুতর বিষয়।
আর শারীরিকভাবে আঘাত করা, জিনিসপত্র ছোড়া বা ভাঙচুর করে ভয় তৈরি করা এসব কোনোভাবেই শাসন বা রাগের বহিঃপ্রকাশ না।
দাম্পত্য জীবনে মতের অমিল থাকবে, রাগ-অভিমান থাকবে, ভুল বোঝাবুঝিও থাকবে।
কিন্তু রাগ প্রকাশ করা আর কাউকে অপমান করা এক বিষয় নয়। অধিকার থাকা আর কাউকে নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার থাকা এক বিষয় নয়। শাসন করা আর নির্যাতন করা এক বিষয় না।
সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি শুধু ভালোবাসা না সেখানে থাকে সম্মান, নিরাপত্তা, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার জায়গা।
তাই সম্পর্কের কোনো আচরণ নিয়ে বারবার conflict তৈরি হলে, নিজের বা সঙ্গীর আচরণের pattern বুঝতে therapy সহায়ক হতে পারে।
তবে যেখানে শারীরিক বা যৌন নির্যাতন, গুরুতর মানসিক নির্যাতন, হুমকি বা নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত নিরাপত্তা সংসার টিকিয়ে রাখা নয়।
কোনো আচরণকে শুধু সে আমাকে ভালোবাসে বলেই এমন করে বললেই সেই আচরণটি ভালোবাসার আচরণ হয়ে যায় না।
ভালোবাসা কাছে টানে কিন্তু বন্দী করে না। যত্ন করে কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করে না। সম্মান করে ভয় দেখায় না।
খুব বেশি অস্থির লাগলে কি করবেন?
Speaker:
Simun Nasa
BSc in Psychology, DU
MS in Clinical Psychology, DU
M.Phil Researcher in Clinical Psychology, DU
Clinical Psychologists, LifeSpring
অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01301-466281
13/09/2026
হয়তো আপনার স্বপ্ন অনেক বড়
হয়তো আপনি এখনও সেই জায়গায় পৌঁছাননি যেখানে নিজেকে দেখতে চান।
কিন্তু তাই বলে কি আপনার ছোট ছোট অর্জনগুলো মূল্যহীন?
আমরা বেশিরভাগ সময় বড় অর্জনের দিকেই তাকিয়ে থাকি। বড় ডিগ্রি, স্বপ্নের চাকরি, বড় সাফল্য, বড় পরিবর্তন এসব না হলে নিজের ছোট ছোট এগিয়ে যাওয়াগুলোকে যেন অর্জনই মনে হয় না।
যে মানুষটা একসময় খুব সহজেই হাল ছেড়ে দিত সে এখন একটু বেশি চেষ্টা করছে।
যে কাজটা করতে আগে ভয় লাগত এখন সেটাই আপনি সাহস করে শুরু করেছেন।
হয়তো আপনি এখন আগের চেয়ে একটু বেশি ধৈর্য ধরতে পারেন, আগের মতো সহজে হাল ছেড়ে দেন না, হয়তো নিজের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে শিখেছেন।
হয়তো এমন কিছু পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন যেগুলো একসময় আপনার কাছে অসম্ভব মনে হতো।
এসব ছোট মনে হতে পারে কিন্তু এগুলোও আপনার growth
সমস্যা হলো আমরা নিজের অগ্রগতির চেয়ে অন্য মানুষের সাফল্য বেশি দেখি।
কেউ কোথায় পৌঁছে গেছে, কে কত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এসব দেখতে দেখতে নিজের পথটাই ছোট মনে হতে শুরু করে।
কিন্তু আমরা ভুলে যাই প্রত্যেক মানুষের পথ, সময় এবং লড়াই আলাদা।
জীবনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোও একদিনে আসে না। ছোট ছোট সিদ্ধান্ত, ছোট ছোট চেষ্টা আর ছোট ছোট অগ্রগতিই একসময় বড় সাফল্যে পরিণত হয়।
ছোট একটা কাজ শেষ করেছেন?
নিজেকে credit দিন
নতুন কিছু শিখেছেন?
নিজেকে appreciate করুন
নিজের ছোট অর্জনগুলোতে খুশি হতে শিখুন।
এই ছোট ছোট স্বীকৃতি আপনাকে আবার পরের ধাপের জন্য সাহস দেবে।
Category
Contact the business
Telephone
Address
Level # 6/Union Heights, 55/2 Panthapath
Dhaka
1205
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 22:00 |
| Tuesday | 09:00 - 22:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Friday | 09:00 - 22:00 |
| Saturday | 09:00 - 22:00 |
| Sunday | 09:00 - 22:00 |