Muhammad Raj -NouMuslim

Muhammad Raj -NouMuslim

Share

ব্রাহ্মণ থেকে ইসলামের ছায়াতলে 🕊️
সত্যের পথে অবিচল এক পথিক।

17/09/2026
Photos from Muhammad Raj -NouMuslim's post 16/09/2026

রাতের আলোয় থাকে মেহমানদারি ছিন্নমূল মানুষের জন্য

আলহামদুলিল্লাহ। যত কাজের ব্যস্ততাই থাকুক, প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার ইফতারের পর আমাদের ছোট্ট একটি আয়োজন থাকে 'রাতের মেহমানদারি’। এই মেহমানদারির অতিথি সমাজের ছিন্নমূল, অসহায় ও অভাবী মানুষগুলো।

আমরা দেখি, অসহায় মানুষের জন্য খাবারের আয়োজন হলে অধিকাংশ সময়ই দুপুরের খাবার দেওয়া হয়। কিন্তু রাত নামার পর? শহরের আলো জ্বলে ওঠে, দোকানপাট আর রেস্তোরাঁয় খাবারের আয়োজন চলে অথচ ফুটপাতের কোনো মানুষ হয়তো তখনও অপেক্ষায় থাকেন, আজ রাতে পেট ভরে একবেলা ভাত খেতে পারবেন কি না।

তাই আমরা রাতটাকেই বেছে নিয়েছি।
রাতের আলোয়, সম্মানের সঙ্গে, একটু ভালো খাবার তুলে দিতে চাই আমাদের এই মেহমানদের হাতে।

গত কাল আমাদের নির্ধারিত আয়োজন ছিল না। কিন্তু আল্লাহর এক বান্দা হঠাৎ একটি খাসি নিয়ে উপস্থিত হলেন। আলহামদুলিল্লাহ, সেই খাসির গোশত দিয়ে ভাত রান্না করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হলো।

আজ আবার আল্লাহর আরেক বান্দা সদকার নিয়তে একটি খাসি পাঠিয়েছেন। সেটিও একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আপনিও চাইলে সদকা, মান্নত কিংবা সাধারণ দানের নিয়তে গরু-খাসি বা খাবারের ব্যবস্থা করতে পারেন। আমরা ইনশাআল্লাহ তা ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের কাছে অথবা প্রত্যন্ত অঞ্চলের কোনো মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করব।

আর বড় কিছু করার সামর্থ্য না থাকলেও সমস্যা নেই।

মাত্র ৫০ টাকায় একজন অসহায় মানুষের রাতের খাবারের মেহমানদারি করতে পারেন।

৫০ টাকায় হয়তো আমাদের জীবনে খুব বেশি কিছু বদলায় না।
কিন্তু সেই ৫০ টাকার এক প্লেট গরম ভাত ও প্রটিন যুক্ত একটা আইটেম একজন ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে হতে পারে সারাদিনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত।

প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার রাতের আলোয় আমাদের মেহমান হোক সেই মানুষগুলো, যাদের মেহমান করার মতো কেউ নেই।

আল্লাহ আমাদের দানকে কবুল করুন, রিজিকে বরকত দিন এবং মানুষের মুখে একবেলা তৃপ্তির হাসি ফোটানোর তাওফিক দিন। আমিন।

📌যেকোন এমাউন্ট দিয়ে শরীক হতে পারেন। সহযোগিতা করার বিস্তারিত বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট নাম্বার পিন পোষ্টে।

মুহাম্মদ রাজ (নওমুসলিম)
মহাপরিচালক
Team Hafezzi (ব্যাকআপ পেইজ)
Whatsapp +8801406970907

16/09/2026

#সুদানে_আমরা!! মানবিক কাজের ক্ষেত্রে এভাবে প্রতিটি কার্যক্রমের সময় ও তারিখ প্রকাশ করা সহজ নয়; এর জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছতার সাহস, সততার সাহস এবং মানুষের আমানত যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার।

গাজা ও সুদানের যুদ্ধবিধ্বস্ত ও বাস্তুচ্যুত শিশু, নারী এবং অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ ছিল, আছে এবং ইনশাআল্লাহ আগামীতেও থাকবে।
মানুষের আমানত মানুষের কাছেই স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহির সঙ্গে।

হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ
মানবতার সেবায় বাংলাদেশ থেকে বিশ্বজুড়ে।

16/09/2026

মক্কার আকাশে সাইরেন! যে শহরে আবাবিল নেমেছিল, সেই শহরের মানুষ আজ আশ্রয় খুঁজছে

রাতটা ছিল অন্য দশটা রাতের মতোই। হারামের মিনারে আলো জ্বলছিল, তাওয়াফ চলছিল, কারও ঠোঁটে তালবিয়া, কারও চোখে অশ্রু। হঠাৎ সেই পবিত্র নিস্তব্ধতা চিরে বেজে উঠল সাইরেন। মক্কায়! যে শহরের নাম শুনলে পৃথিবীর দুইশ কোটি মানুষের হৃদয় কেঁপে ওঠে ভালোবাসায়, সেই শহরের বাসিন্দাদের বলা হলো, খোলা জায়গা ছেড়ে দিন, নিরাপদ আশ্রয়ে যান। ইতিহাস সাক্ষী, আবরাহার হাতিও এই শহরের সীমানা পেরোতে পারেনি। অথচ আজ সেই শহরের আকাশে উড়ছে যুদ্ধের ছায়া।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও সিএনএনের তথ্যমতে, সৌদি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে তারা মক্কার উপকণ্ঠে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। মক্কা, জেদ্দা ও তায়েফে জরুরি সতর্কতা জারি হয়, মদিনার বিমানবন্দরগামী ফ্লাইট পর্যন্ত থেমে যায়। যদিও হুতিরা মক্কায় হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে, কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, তাহলে পবিত্র নগরীর আকাশে সাইরেন বাজল কেন? কেন মায়েরা শিশুদের বুকে জড়িয়ে ঘরের কোণে আশ্রয় নিল?

কারা এই হুতি? ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের এই সশস্ত্র গোষ্ঠী এক দশকের বেশি সময় ধরে সৌদি সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিশ্লেষণ বলছে, তাদের পেছনে রয়েছে আঞ্চলিক পরাশক্তির অস্ত্র ও অর্থের জোগান। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তারা লোহিত সাগরের বন্দর দখল করেছে, বাব আল মান্দাব প্রণালির দিকে এগিয়েছে, আর সৌদি শহরগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, যাতে নিরীহ বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছে। জবাবে ইয়েমেনের মাটিতেও পড়ছে বোমা। অর্থাৎ দুই পাশেই রক্ত ঝরছে মুসলমানের, দুই পাশেই কাঁদছে এতিম শিশু আর বিধবা মা।

আর এখানেই বুকটা ভেঙে যায়। ইয়েমেন, যে দেশকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া দিয়েছিলেন, সেই দেশের মানুষ আজ পৃথিবীর ভয়াবহতম মানবিক বিপর্যয়ে ধুঁকছে, জাতিসংঘের হিসাবে লাখো শিশু অপুষ্টিতে মৃত্যুর মুখে। আর ওদিকে সেই যুদ্ধের আগুনের ফুলকি এসে পড়ছে মক্কার আকাশে। যে কিবলার দিকে ফিরে আমরা দিনে পাঁচবার দাঁড়াই, সেই কিবলার শহরে আজ সাইরেন। এই দৃশ্য কোনো মুমিনের চোখ শুকনো রাখতে পারে না।

আমরা রাজনীতি বুঝি না, আমরা বুঝি হারামের সম্মান। যে পক্ষই হোক, যে উদ্দেশ্যেই হোক, পবিত্র নগরীগুলোর দিকে অস্ত্র তাক করা গোটা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে আঘাত করার শামিল। আজ প্রয়োজন উম্মাহর ঐক্য, প্রয়োজন ইয়েমেনের ক্ষুধার্ত শিশুটির জন্য দোয়া ও সাহায্য, প্রয়োজন হারামাইনের হেফাজতের জন্য দুহাত তুলে কান্না। হে আল্লাহ, আপনি আপনার ঘরের হেফাজত করুন, মুসলমানের রক্ত ঝরা বন্ধ করুন, আর এই উম্মাহকে আবার এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দিন। আমিন।

Disclaimer: This post is based on reports from international media outlets including Al Jazeera and CNN. It is shared solely for humanitarian awareness and prayer, without support for any armed group or political party. All contested claims are attributed to their respective sources.

Muhammad Raj -NouMuslim

#মক্কা #ইয়েমেন

16/09/2026

সব হারিয়েও যারা বলে আলহামদুলিল্লাহ, তাদের নাম গাজাবাসী।

15/09/2026

অনেক অসুস্থ রবের পরীক্ষা চলছে, সবার কাছে দোয়া চাই।
🤲

15/09/2026

আমার Original British Shorthair "Leo"—Pure British Bloodline, Full Pedigree & ঘাড়ে Microchipped বসানো!!

14/09/2026

কী বীরের জাতি! আত্মমর্যাদা কাকে বলে, আজ আমি নতুন করে শিখলাম!!

আজ এক গভীর উপলব্ধির দিন। ইরানের সম্মানিত রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সেলেন্সির সঙ্গে আজ আমার সাক্ষাৎ হলো, সাক্ষাতের বিস্তারিত আগের পোষ্টে জানিয়েছি!!। কথার এক পর্যায়ে তিনি যা বললেন, তা শুনে আমি কিছুক্ষণের জন্য নির্বাক হয়ে গেলাম।

তিনি বললেন, "রাজ, আমরা কোনো ধরনের সহযোগিতা চাই না। আমরা শুধু চাই, ইরানের ওপর এই হামলার নিন্দা জানাক মুসলিম বিশ্ব। এতটুকুই আমাদের চাওয়া।"

আমি তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। সেখানে কোনো অসহায়ত্ব ছিল না, ছিল না কোনো প্রার্থনার সুর। ছিল কেবল এক পাহাড়সম আত্মমর্যাদা, এক অটল দৃঢ়তা।

ভাবুন তো একবার! একটি জাতি, যারা আক্রান্ত হয়েও কারও কাছে হাত পাতে না। যারা সাহায্য চায় না, অর্থ চায় না, অস্ত্র চায় না। তারা চায় শুধু একটি শব্দ, একটি স্পষ্ট কণ্ঠস্বর, অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি সত্য উচ্চারণ।

এই চাওয়াটুকু কি খুব বেশি কিছু? মজলুমের পাশে দাঁড়িয়ে শুধু এইটুকু বলা যে, "যা হচ্ছে, তা অন্যায়।" অথচ আজ মুসলিম বিশ্বের কত রাজধানী নীরব, কত মিনার নিশ্চুপ।

আত্মমর্যাদা কাকে বলে, আজ আমি নতুন করে শিখলাম। মাথা উঁচু করে বাঁচতে জানা এই জাতিকে দেখে বুঝলাম, সম্পদ নয়, সাহসই একটি জাতির প্রকৃত সম্বল।

কথাটা আমার হৃদয়ে গভীর দাগ কেটে গেছে। হয়তো আজীবন থেকে যাবে।

কী বীরের জাতি!

Disclaimer: This post reflects a personal reflection on a diplomatic conversation and a call for peace and justice. It does not promote violence or hatred against any nation, group, or individual.

মুহাম্মদ রাজ

#ইরান #মুসলিমবিশ্ব

Photos from Muhammad Raj -NouMuslim's post 14/09/2026

🇸🇩 সুদানের বিপন্ন মানুষের পাশে আমরা!! তারিখ দেখে নিন।

আলহামদুলিল্লাহ। যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত সুদানের অসহায় মানুষের পাশে নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ।

সুদান ও গাজায় আমাদের প্রতিটি মানবিক কার্যক্রম যথাসম্ভব স্বচ্ছভাবে নথিভুক্ত করা হয়। ত্রাণ বিতরণের তারিখ, দিন, স্থান ও সংশ্লিষ্ট এলাকার তথ্য উল্লেখ করে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয় যাতে আমাদের সম্মানিত দাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানতে পারেন, তাঁদের আমানত কোথায় এবং কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে।

আজ সুদানের মানবিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। কোটি কোটি মুসলমান মানুষ বাস্তুচ্যুত; অসংখ্য পরিবার খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকটে দিন কাটাচ্ছে। ক্ষুধার্ত শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও অসহায় পরিবারগুলোর জন্য আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আলহামদুলিল্লাহ, সুদানে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের ধারাবাহিক মানবিক কার্যক্রম দেশটির জাতীয় ও শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের নজর কেড়েছে। সুদানের জাতীয় টেলিভিশন, সুপরিচিত টাইবা টিভি, জার্কা টিভি এবং দেশটির প্রসিদ্ধ সিকান পত্রিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমাদের মানবিক কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের জানা ও সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোনো বেসরকারি মানবিক সংস্থার সুদানে পরিচালিত কার্যক্রম এভাবে একযোগে দেশটির একাধিক জাতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ গণমাধ্যমে উঠে আসার ঘটনা অত্যন্ত বিরল এবং আমাদের জন্য গর্বের একটি অধ্যায়। এটি শুধু হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটির স্বীকৃতি নয়; বরং বাংলাদেশের মানুষের মানবিকতা, আমানতদারি এবং হাজার মাইল দূরের বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আন্তরিকতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

জাযাকাল্লাহু খাইরান, ইদ্দিখার ফাউন্ডেশনকে যারা আমাদের এই প্রজেক্টে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।

সুদান আমাদের থেকে অনেক দূরে, কিন্তু ক্ষুধার্ত মানুষের আহ্বান দূরের নয়। আসুন, জাতি ও ভূখণ্ডের সীমা অতিক্রম করে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াই।

আল্লাহ তাআলা সুদানের মজলুম ও অসহায় মানুষদের হেফাজত করুন এবং আমাদের প্রত্যেকের সাহায্য ও দানকে কবুল করুন। আমিন।

হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ
মানবতার সেবায় বাংলাদেশ থেকে বিশ্বজুড়ে।

মুহাম্মদ রাজ (নওমুসলিম)
মহাপরিচালক
Team Hafezzi (Backup Page)
www.hcsb.org.bd
Whatsapp +8801406970907

: This content is published solely to document the humanitarian activities of Hafezzi Charitable Society of Bangladesh in Sudan. It does not represent or endorse any government, political party, armed group, or party to the conflict. All visuals, dates, banners, and volunteer messages are presented for transparency, accountability, and donor verification.

Category

Address


House No/57/a, Road No/6, Muhammadia Housing Society, Bangladesh
Dhaka
1207