AR.Fazle Rabby

AR.Fazle Rabby

Share

আমার পরিচয়, আমি একজন বাংলাদেশী। completed B.Sc in Textile Engineering from Primeasia University.

doing agro bussiness also students of LLB from Peoples University of Bangladesh.

Photos from Dr. Monjur-E-Khoda's post 04/04/2026
05/03/2026
16/02/2026

আসন্ন #পবিত্র #রমজানুল #মোবারক উপলক্ষ্যে #দেওয়ানবাগ #শরীফের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ। মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর প্রিয় বন্ধু মোহাম্মদী ইসলামের একমাত্র মোর্শেদ, সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহ্বুব-এ-খোদা #দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর সুমহান শিক্ষানুযায়ী হাকিকতে সিয়াম পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


https://maps.app.goo.gl/vb8iD3u23FBePzWDA

24/12/2025
09/12/2025

মহান আল্লাহ্ পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন-

"আসমান ও জমিনের মালিকানা একমাত্র আল্লাহ্‌রই।" (সূরা আলে ইমরান-৩ : আয়াত-১৮৯)

অথচ ব্রিটিশ আমল থেকে প্রচলিত জমি রেজিস্ট্রেশনের পদ্ধতি অনুসারে আমাদের দেশে জমির দলিলে উল্লেখ করা হতো-

"কস্য সাফ কাবলা পত্র মিদং কার্যাঞ্চাগে..."

অর্থাৎ- "এই দাগে খরিদা সূত্রে কিংবা ওয়ারিশ সূত্রে বর্তমানে আমি মালিক। আমার মালিকানা স্বত্ব অমুকের কাছে বিক্রি করলাম।"

এ বিষয়টি লক্ষ্য করে আমার মহান মুর্শেদ ও সম্মানিত পিতা, মহান সংস্কারক সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী হুজুর কেব্‌লাজান বলেন-

"নিজেকে জমির মালিক দাবি করা চরম শিরক ও গর্হিত অপরাধ, যেটি করা কোনো মানুষের উচিত নয়।"

এমতাবস্থায় সূফী সম্রাট হুজুর কেব্‌লাজান সমাজে প্রচলিত পবিত্র কুরআন বিরোধী ভ্রান্ত রীতি পরিবর্তন করে ইসলামি রীতি অনুযায়ী দলিল লিখন পদ্ধতি প্রবর্তন করেন, যা ছিল নিম্নরূপ-

"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। পরম করুণাময় আল্লাহ্ তায়ালা আসমান ও জমিনের প্রকৃত মালিক। তাঁর বান্দা হিসেবে আমার জমির দখলিস্বত্ব অমুকের নিকট বিক্রি করলাম।"

সূফী সম্রাট হুজুর কেব্‌লাজানের এই প্রস্তাব ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই আগস্ট বাংলাদেশ সরকার সাদরে গ্রহণ করে এবং তখন থেকেই বাংলাদেশের সর্বত্র সূফী সম্রাট কর্তৃক প্রস্তাবিত ইসলামি বিধান মোতাবেক দলিল লিখনের নির্দেশ জারি করা হয়।

আল্লাহ্ তায়ালার অপার দয়ায় সূফী সম্রাট হুজুর কেব্‌লাজানের এই সংস্কারটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তবায়ন হওয়ায় বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ এক কঠিন শিরিকির হাত থেকে রক্ষা পায়।

08/12/2025

যুগ যুগ ধরে আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছে, হযরত রাসুল (সা.) ১২ই রবিউল আউয়াল তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং ১২ই রবিউল আউয়াল তারিখেই তিনি ওফাত লাভ করেছেন। এ কারণে মুসলমানগণ দয়াল রাসুল (সা.)-এর শুভ জন্মদিনে আনন্দ করবেন, নাকি দুঃখ করবেন, তা নিয়েই সর্বদা দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। এই দ্বিধা দূর করার জন্য আমার মহান মুর্শেদ ও সম্মানিত পিতা, মহান সংস্কারক, সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহ্‌বুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী হুজুর কেব্‌লাজান তাফসিরগ্রন্থ, হাদিস শরিফ এবং হযরত রাসুল (সা.)-এর জীবনী মোবারকের উপর ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে প্রমাণ করেছেন, আল্লাহ্‌র রাসুল (সা.)-এর ওফাত দিবস ১২ই রবিউল আউয়াল ছিল না, ছিল ১লা রবিউল আউয়াল। আর এটি আমার মহান মুর্শেদ সূফী সম্রাট হুজুর কেব্‌লাজানের আরেকটি যুগান্তকারী ধর্মীয় সংস্কার, যা তিনি তাঁর রচিত "বিশ্ব নবীর স্বরূপ উদ্‌ঘাটনে সূফী সম্রাট : রাসূল (সঃ) সত্যিই কি গরীব ছিলেন?" নামক গ্রন্থে সবিস্তারে বর্ণনা করেছেন। উক্ত গ্রন্থের আলোকে সূফী সম্রাট হুজুর কেব্‌লাজানের এই ধর্মীয় সংস্কারটি উপস্থাপন করছি-

বিভিন্ন তাফসিরগ্রন্থ, হাদিসগ্রন্থ ও সাহাবায়ে কেরামের বর্ণনা হতে জানা যায়, হযরত রাসুল (সা.) বিদায় হজের ৮১তম দিবসে ওফাত লাভ করেছেন। (তাফসীরে দুররে মানছুর, খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা ২০; তাফসীরে তাবারী, খণ্ড-৪, পৃষ্ঠা ৮০; তাফসীরে মাজহারী, খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা ২৫; তাফসীরে ইবনে কাছীর, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা ১৩) বিদায় হজ যে ১০ম হিজরির ৯ই জিলহজ, শুক্রবার সংঘটিত হয়েছিল, এটি সর্বজনস্বীকৃত। হযরত উমর (রা.) কর্তৃক প্রণীত আট বছর চক্রের চান্দ্র পঞ্জিকা (Eight Yearly Cyclic Lunar Calendar) অনুযায়ী ১০ম হিজরির ৯ই জিলহজ হতে হিসাব করলে দেখা যায়- জিলহজ মাসের ২১ দিন + মহররম মাসের ৩০ দিন + সফর মাসের ২৯ দিন + রবিউল আউয়াল মাসের ১ দিন = ৮১ দিন হয়।

এছাড়াও হযরত রাসুল (সা.)-এর বিভিন্ন জীবনীগ্রন্থ থেকে জানা যায়, জীবনের শেষভাগে হযরত রাসুল (সা.) বেশ কিছুদিন অসুস্থ ছিলেন। তবে ওফাতের ৫ দিন পূর্বে, সফর মাসের শেষ বুধবার হযরত রাসুল (সা.) হঠাৎ সুস্থ হয়ে ওঠেন। এই ঘটনার ৫ম দিনে হযরত রাসুল (সা.) ওফাত লাভ করেন। এই বুধবারটি ছিল হযরত রাসুল (সা.)-এর জীবনের শেষ বুধবার। এরপর তিনি আর কোনো বুধবার পাননি। এই কারণে এই দিনটিকে 'আখেরি চাহার শোম্বা' বা 'হযরত রাসুল (সা.)-এর জীবনের শেষ বুধবার' বলা হয়। হযরত উমর ফারুক (রা.) প্রণীত আট বছর চক্রের চান্দ্র পঞ্জিকা অনুযায়ী ২৫শে সফরের ৫ দিন পর কোনোভাবেই ১২ই রবিউল আউয়াল হয় না, হয় ১লা রবিউল আউয়াল। সুতরাং উল্লিখিত তথ্য-উপাত্ত থেকে এ কথা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে, ১১তম হিজরির ১লা রবিউল আউয়াল, সোমবারই হযরত রাসুল (সা.)-এর ওফাত দিবস।

‘একাত্তরের সেই মুক্তিযুদ্ধতে সুফি সম্রাট দেওয়ানবাগী’ 03/12/2025

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1311835624080965&id=100057636181482

‘একাত্তরের সেই মুক্তিযুদ্ধতে সুফি সম্রাট দেওয়ানবাগী’ শর্ষিণার পীর যখন বাঙালি নারীদের ‘গনিমতের মাল’ আখ্যা দিয়ে ফতোয়া দিচ্ছিলেন কিংবা জামায়াতে ইসলামীর নেতারা যখন বুদ.....

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


আশেকে রাসূল (সঃ) সরণি
Dhaka
1230