M.R. Telecom
আমাদের সেবা সমূহ :-
#মোবাইল
#কভার
#চার্জার
#হেডফোন
#ব্যাটারি
#লাইট
#বাল্প
#মাল্টিপ্লাগ
#টেম্পার
সময়ের সাথে এগিয়ে থাকতে বর্তমান বিশ্ব এখন অনেকটাই প্রযুক্তি নির্ভর।
আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে করেছে সহজ থেকে সহজতর।
দূরে প্রিয়জনের সাথে কথা বলার জন্য মোবাইল স্মার্টফোন, ট্যাব এখন মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় দৈনন্দিন সঙ্গী, বলা যায় এক অপরিহার্য অংশ। এই সকল মোবাইল ও ট্যাব এর সবচাইতে বড় লেটেস্ট বডি, কেচিং,কাভার, ব্যাটারী, হেডফোন, চার্জার,মেমোরী, স্পিকার, রিং, টেম্পার গ্লাস, এম.পি ত্রি প্লেয়ার, কালেকশন রয়েছে আমাদের কাছে...
12/08/2026
সু সংবাদ
ফুটবল ফাইনাল নিয়ে আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল আড্ডা...
08/12/2025
☞ এই ৫ জায়গায় রাউটার রাখলে কমবে ওয়াইফাইয়ের গতি...
আজকের ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট ছাড়া জীবন কল্পনা করা প্রায় অসম্ভব। চাকরি হোক, পড়াশোনা কিংবা বিনোদন সবকিছু এখন ওয়াইফাইয়ের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু মাঝে মাঝে দেখা যায় ওয়াইফাইয়ের গতি ভালো থাকার পর হঠাৎ করেই কমে যায়। এর পেছনে নেটওয়ার্ক কোম্পানির ভুল নয়, বরং রাউটারের ভুল জায়গায় অবস্থান দায়ী।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ওয়াইফাই সিগন্যাল যত বেশি বাধার মুখে পড়ে, গতি ততই কমে যায়। তাই রাউটার কোথায় রাখবেন, সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
চলুন জেনে নিই পাঁচটি এমন জায়গা যেখানে রাউটার রাখলে ওয়াইফাই স্পিড কমে যায়:
মেঝেতে রাউটার রাখা:
মেঝেতে রাখলে সিগন্যাল ওপরের দিকে পৌঁছায় না, যার ফলে ঘরের ওপরের তলা বা দূরবর্তী জায়গার ডিভাইসগুলো সঠিক গতি পায় না।
ভারী আসবাবপত্র বা সোফার আড়ালে রাখা: সিগন্যাল শক্ত বস্তু যেমন আলমারি বা সোফার পেছনে আটকে যায়, ফলে গতি কমে যায়।
বেসমেন্ট বা নিচতলায় রাখা:
বৈদ্যুতিক তার, পাইপ ও লাইটের কারণে বেসমেন্টে সিগন্যাল দুর্বল হয় এবং ব্যবহারকারীর কাছ থেকেও দূরে থাকার কারণে গতি কমে যায়।
আলমারি বা ক্যাবিনেটে রাখা:
রাউটার লুকানোর জন্য ক্যাবিনেটের মধ্যে রাখলে সিগন্যাল ব্লক হয় এবং অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণে রাউটারের ক্ষতি হতে পারে।
অন্য রাউটারের পাশেই রাখা:
একাধিক রাউটার এক জায়গায় রাখলে সিগন্যাল কনফ্লিক্টের কারণে গতি মারাত্মকভাবে কমে যায়।
সেরা অবস্থান: রাউটার ঘরের মাঝখানে, উঁচু জায়গায় এবং দেয়াল বা বড় আসবাব থেকে দূরে রাখুন। চারপাশে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখলেই পাওয়া যাবে সর্বোচ্চ ওয়াইফাই স্পিড। প্লাস্টিক বা কাপড়ের ঝুড়িতে রাখলেও সমস্যা নেই, তবে ধাতুর উপর কখনো রাখবেন না।
17/11/2025
৯৯% সিম কার্ড গুলোই এখন রিসাইকেল্ড, মানে কখনও না কখনও কেউ কিনেছে। সেটা হয়তো বাতিল করেছে না হয় বাতিল হয়েছে এবং রিসাইকেল হয়ে আবার বাজারে চলে এসেছে।
তো প্রশ্ন রিসাইকেল সিমের নয়, কারণ উত্তর টা জানা। প্রশ্ন হচ্ছে সিম টা ফ্রেশ কিনা। আমরা নানান চেকিং করার মাধ্যমে সেটা নিশ্চিত করতে পারি।
[বিঃদ্রঃ পোস্টে আমি বেশ কিছু লিংক শেয়ার করেছি কিন্তু * চিহ্ন সরিয়ে সেই লিঙ্ক গুলো ভিজিট করতে হবে]
📌 সিম টি রিসাইকেল্ড কিনা?
চলুন প্রথমে মনের শান্তি করার জন্য চেক করে দেখি সিম টি রিসাইকেল লিস্টে আছে কিনা।
🔴 রবি: tinyurl*.com/robi-recycled-sim
🔴 এয়ারটেল: tinyurl*.com/airtel-recycled-sim
🔵 জিপি: tinyurl*.com/gp-recycled-sim
🟠 বাংলালিংক: tinyurl*.com/bl-recycled-sim
🟢 টেলিটকের: একমাত্র টেলিটকের সম্ভবত রিসাইকেল্ড নাম্বার পাবেন না
রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক সাইট থেকে নাম্বার সার্চ করতে পারবেন। কিন্তু জিপি নাম্বার সরাসরি সার্চ করতে পারবেন না। নাম্বারের লিস্ট ডাউনলোড করে তারপরে সার্চ করতে হবে।
📌 এবার নাম্বারটির পুরাতন মালিক খোঁজার চেস্টা করি
নাম্বার টি যদি Recycled হয়ে থাকে, তবে নাম্বারটি পূর্বের মালিক কতদিন বা কিভাবে ব্যবহার করেছে সেই অনুসারে নাম্বার টি থেকে কিছু তথ্য অবশ্যই খুঁজে পাওয়া যাবে।
👉 প্রথমে টেলিগ্রামে যান, লিখে সার্চ দিন। ট্রু কলার বটে জয়েন করে নাম্বার টি সার্চ করে দেখুন। এখানে পুরাতন মালিকের নাম, ভাগ্য ভালো হলে ঠিকানা, ইমেইল, এমন কি ছবি ও বের হয়ে আসবে।
👉 আপনি ট্রু কলারের রিভার্স নাম্বার লুকাপ লিঙ্ক থেকেও নাম্বারের ডিটেইলস বের করতে পারবেন: tinyurl.*com/tc-num-search
👉 গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে Truecaller বা eyecon জাতীয় অ্যাপ গুলো ডাউনলোড করেও আপনি নাম্বার টি লুকাপ করতে পারবেন।
📌 নাম্বারটি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ খোলা আছে কিনা
রিসাইকেল্ড নাম্বার কেনার পরে সবচেয়ে বড় প্যারা খেতে হয় যদি WhatsApp আগে থেকেই খোলা থাকে। যারা যে অ্যাপ গুলো ব্যবহার করেন, সেই অ্যাপ গুলোতে নাম্বার টি দিয়ে চেক করে নেবেন কোনো একাউন্ট আগে থেকেই খোলা রয়েছে কিনা। ফেসবুকেও নাম্বার টি দিয়ে সার্চ করে দেখুন, কি রেজাল্ট আসে।
👉 হোয়াটসঅ্যাপ খোলা আছে কিনা সহজে বোঝার জন্য wa*.me/+8801819123456 — এই লিংকের নাম্বার টি রিপ্লেস করে ঢুকলেই সহজেই বুঝতে পারবেন Whatsapp খোলা আছে কিনা।
📌 বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি খোলা রয়েছে কিনা
নাম্বারে বিকাশ, নগদ ইত্যাদি আগে থেকেই খোলা থাকলে আরেক প্যারা।
👉 আপনার বিকাশ, নগদ অ্যাপ থেকে উক্ত নাম্বারে ১ টাকা সেন্ড ম্যানি করার চেষ্টা করুন। আপনি অ্যাপ থেকেই সহজেই জেনে যাবেন ঐ নাম্বারে কোনো একাউন্ট করা রয়েছে কিনা।
⭕ খুব অল্প ব্যবহৃত নাম্বার গুলোর ক্ষেত্রে ট্রু কলারের ডিটেইলস পাওয়া যায় না। সেগুলো মূলত ফ্রেশ নাম্বার হয়। তারপরেও আপনি নানান সার্ভিসের মধ্যে ক্রস চেক করে নেবেন।
এভাবে প্রত্যেকটা চেকিং এ নাম্বার টি পাশ করলে, এটি একটি ফ্রেশ নাম্বার বলতে পারেন।
পোস্ট টি কাজের মনে হলে আপনার রিয়াকশন দিন। বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং সেভ করে রাখতে পারেন। কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে নিচে কমেন্ট করে জানান!
29/10/2025
ব্যবসা সবার দ্বারা হয় না!
কেন জানেন?
ব্যবসা করতে হলে প্রচুর ধৈর্য থাকতে হয়,
08/07/2025
একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০টি মোবাইল সিম ব্যবহার করতে পারবেন এমন নিয়ম চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নতুন এই নির্দেশনা আগামী ১৫ আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে। বর্তমানে যাদের নামে ১০টির বেশি সিম রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত সিম ধাপে ধাপে নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হবে। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরসহ সংশ্লিষ্টদের এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত নির্দেশনা পাঠাবে।
এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বিটিআরসির গত ৩০ জুনের নিয়মিত কমিশন বৈঠকে। কমিশনের হিসাবে দেখা গেছে, নতুন সীমা কার্যকর হলে প্রায় ২৬ লাখ গ্রাহকের নামে থাকা ৬৭ লাখ অতিরিক্ত সিম বন্ধ করতে হবে। বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরদের একটি তালিকা দেবে, যাতে দেখা যাবে কার নামে কতটি সিম আছে। যাদের নামে ১০টির বেশি সিম রয়েছে, অপারেটররা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনে নেবে কোন ১০টি সিম সক্রিয় রাখা হবে। বেশি ব্যবহৃত সিম এবং যেসব নম্বর মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় যুক্ত, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
এর আগে, ২০১৭ সালে একজন গ্রাহকের জন্য সর্বোচ্চ ১৫টি সিম ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। ২০২২ সালে সিম নিবন্ধন পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন এলেও সিমের সংখ্যা অপরিবর্তিত ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জালিয়াতি, প্রতারণা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে মোবাইল সিম ব্যবহারের হার বেড়ে যাওয়ায় বিটিআরসি নতুন এই সিদ্ধান্ত নেয়।
আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক বৈঠকে উঠে আসে, অতিরিক্ত সিম ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইল ও জালিয়াতি করছে। এমনকি সরকারি কর্মকর্তাদের নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে। এসব কারণে সীমা কমানোর সিদ্ধান্তে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ১৮ কোটি ৬২ লাখ সক্রিয় সিম রয়েছে। তবে প্রকৃত গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৭৫ লাখ। এদের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি গ্রাহক ৫টির কম সিম ব্যবহার করেন। ৬ থেকে ১০টি সিম আছে ১৬ শতাংশের, আর ১১টির বেশি সিম ব্যবহার করেন মাত্র ৩ শতাংশ গ্রাহক।
Category
Contact the business
Telephone
Address
Shahin Academy Road, Rampur.
Feni
3900
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 21:00 |
| Tuesday | 09:00 - 21:00 |
| Wednesday | 09:00 - 21:00 |
| Thursday | 09:00 - 21:00 |
| Friday | 09:00 - 21:00 |
| Saturday | 09:00 - 21:00 |
| Sunday | 09:00 - 21:00 |