BRRI Rice Museum
Come and visit us. Email ✉️ [email protected].
ধানভিত্তিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্রি রাইস মিউজিয়ামটি শিক্ষণীয় স্থান, A knowledge hub; collection of ricebased history, heritage and culture. দেশের ধান গবেষণার অতীত ইতিহাস, ঐতিহ্য, ধানভিত্তিক কৃষ্টি ও কালচার সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের প্রথম রাইস মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করেছে। বিশেষ করে খাদ্য নিরাপত্তায় ব্রি তথা বাংলাদ
23/06/2026
প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে কৃষককার্ড প্রাপ্ত আলোচিত কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন। আজ রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কবির হোসেন ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
কবির হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃষকের জীবন, সংগ্রাম ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। সম্প্রতি তিনি প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের মাধ্যমে দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে প্রশাসনিক তদন্তে তিনি একজন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন
23/06/2026
বিশ্বব্যাপী ধানের সরবরাহ এখনও স্থিতিশীল, কিন্তু উৎপাদন ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, সার ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির এই সময়ে টেকসই ও প্রকৃতিনির্ভর সমাধানই হতে পারে ভবিষ্যতের পথ।
গর্বের বিষয়, আমাদের নিজস্ব উদ্ভাবিত ধানের জাত ইতোমধ্যেই বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে। এখন প্রয়োজন কার্যকর প্রযুক্তির বিস্তার ও গবেষণায় আরও বিনিয়োগ।
23/06/2026
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মোতাবেক বাংলাদেশে মাথাপিছু দৈনিক চালের গড় গ্রহণ ৩২৮.৯ গ্রাম এবং দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৭৮ লাখ হলে—
দৈনিক চালের চাহিদা কত?
মাসিক চাহিদা কত?
বার্ষিক চাহিদা কত?
তাহলে ৪কোটি টনের বেশি উৎপাদন হলেও চাল যায় কোথায়? আমদানী করা লাগে কেন? অনুগ্রহ করে পুরোটা পড়ে মন্তব্য করুন প্লিজ....
উপকূলীয় দুমকী উপজেলায় লবণাক্ততা-সহনশীল ধান চাষে কৃষকের ভাগ্য বদল
22/06/2026
বলতে হবে কোন জাত?
22/06/2026
ব্রি ধান৩৪ আমন মৌসুমের একটি জনপ্রিয়, উচ্চফলনশীল এবং সুগন্ধিযুক্ত ধানের জাত। এটি কালিজিরা বা চিনিগুঁড়া চালের বিকল্প হিসেবে পোলাও, বিরিয়ানি ও পায়েস রান্নায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
মুড়ি ধান (Ratoon Rice) হলো মূল ধান কাটার পর জমিতে রেখে দেওয়া গোঁড়া (স্টাবল) থেকে আবার নতুন কুশি গজিয়ে যে ধান উৎপন্ন হয়, তাকে রেটুন ধান বলা হয়।
রেটুন ধানের সুবিধা
পুনরায় জমি চাষ ও রোপণ প্রয়োজন হয় না।
উৎপাদন খরচ কম লাগে।
স্বল্প সময়ে ফসল পাওয়া যায়।
শ্রম ও বীজের খরচ সাশ্রয় হয়।
অসুবিধা
ফলন সাধারণত মূল ফসলের তুলনায় কম হয়।
রোগ ও পোকার আক্রমণের ঝুঁকি থাকতে পারে। সব ধানের জাত রেটুনের জন্য সমান উপযোগী নয়।
বাংলাদেশে কিছু উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড ধানের ক্ষেত্রে রেটুন ফসলের সম্ভাবনা দেখা যায়। সাধারণত ধান কাটার সময় ২০–৩০ সেন্টিমিটার গোঁড়া রেখে দিলে রেটুন ভালো হয়। #বাংলাদেশকৃষি
22/06/2026
Good Evening ✨
22/06/2026
#ধান বীজ কিভাবে #শোধন করতে হবে?
রোগমুক্ত ও শক্তিশালী চারা পেতে ধানের বীজ শোধন করা অত্যন্ত জরুরি। এটি বীজের বাহিত রোগ (যেমন: ব্লাস্ট, বাদামী দাগ, বাকানি রোগ) দমন করে। নিচে সহজ ধাপে বীজ শোধন পদ্ধতি দেওয়া হলো:
১. বীজ বাছাই: প্রথমে কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে (১০ লিটার পানিতে ২ কেজি লবণ) ধানগুলো ছাড়ুন। সুস্থ-সবল বীজগুলো নিচে তলিয়ে যাবে এবং অপুষ্ট ও হালকা বীজগুলো ভেসে উঠবে। ভাসমান বীজগুলো ফেলে দিন এবং তলানিগুলো পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
২. রোদে শুকানো ও ঠান্ডা করা: বাছাই করা বীজগুলো ২-৩ ঘণ্টা রোদে শুকিয়ে নিন। এরপর ছায়ায় এনে ঠান্ডা করে নিন।
৩. ছত্রাকনাশক দিয়ে শোধন: প্রতি কেজি ধানের বীজের জন্য ৩ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম (যেমন- নোইন, কার্বাজিম) অথবা ২.৫ গ্রাম ট্রাইসাইক্লাজোল বা থিরাম গ্রুপের ছত্রাকনাশক ব্যবহার করতে পারেন।
৪. জাগ দেওয়া (ভেজা পদ্ধতি): ১.৫ লিটার পানিতে পরিমাণমতো ছত্রাকনাশক গুলে নিন। সেখানে ১ কেজি বীজ ৮-১০ ঘণ্টা ডুবিয়ে রাখুন। এরপর পানি থেকে বীজগুলো তুলে ভালোভাবে ধুয়ে ১২-২৪ ঘণ্টা জাগ (অঙ্কুরোদগমের জন্য) দিয়ে বপন করুন।
৫. জৈব বা প্রাকৃতিক পদ্ধতি: রাসায়নিক ব্যবহার করতে না চাইলে, প্রতি কেজি বীজের সঙ্গে ৪-৫ গ্রাম ট্রাইকোডারমা ভিরিডি পাউডার মিশিয়ে বীজ শোধন করতে পারেন। এতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক দূর হয়।
21/06/2026
সংকট মোকাবেলায় পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Address
BRRI
Gazipur
1701
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |