XP Weather
We make weather forecast on weather now, weather today, weather tomorrow, weather report, local weather and etc.
XP Weather মানেই সঠিক, তাৎক্ষণিক, এবং নির্ভরযোগ্য আবহাওয়া আপডেট! দিন ও রাতের তাপমাত্রা, ঝড় বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড়ের তথ্য নিয়ে থাকুন সদা প্রস্তুত, নিন সঠিক সিদ্ধান্ত। ফলো করুন, শেয়ার করুন আপনার বন্ধু-বান্ধবীকেও। #WeatherUpdate #XPWeather #BangladeshWeather Xp Weather হলো একটি আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রদানকারী সংস্থা। যারা আজকের খবর বা আজকের আবহাওয়া ও আজকের আবহাওয়ার খবর, আজকের দিনের আবহাওয়া, আজকের আবহাওয়া কেমন থাকবে, আগামীকালের আবহাওয়া পরিস্থিতি এসকল বিষয়ে পূর্বাভাস করে থাকে।
Xp Weather is a weather forecasting organisation. Even we provide current temperature, 10 day forecast, temperature today, hail storm forecast, today weather, hourly weather, current weather, weather this week, 10 day weather forecast, 10 day weather and weather map. So We are very to give public services.
#XpWeather #WeatherToday #WeatherTomorrow #WeatherReport #LocalWeather
17/07/2026
শক্তিশালী এল নিনো, তীব্র গরম! ২০২৪ সালের পুনরাবৃত্তি?
আপনার ইতিমধ্যেই জেনে গেছেন, প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হয়েছে এল নিনো! যেটা এই বছরের বাকি সময় ও আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এবং এই সময়ে এই এল নিনো ইতিহাসের সর্বোচ্চ শক্তিধর হতে পারে বলে ইতিমধ্যে আমরা ধারণা পেয়েছি। এই বছরের এল নিনো নিয়ে আমরা ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পোস্ট এবং বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছি।
সর্বশেষ আমরা ২০২৩ সালে এল নিনো দেখেছিলাম! যেটা মৌসুমী বায়ু থেকে শুরু করে ২০২৪ এর প্রায় ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। এবং সেই বছরগুলোতে অর্থাৎ ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে আমরা দেখেছি বাংলাদেশ থেকে শুরু করে ভারতীয় অনেক স্থানের তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের থেকে অনেক বেশি। মূলত এল নিনো তৈরির বছরের পরের বছরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার প্রভাব দেখা যায়। ফলে ২০২৩ সালের এল নিনোর পর ২০২৪ সালের তাপমাত্রা ছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ।
তাহলে এই যে ২০২৬ সালের ইতিহাসকৃত শক্তিশালী এল নিনো সাগরে তৈরি হচ্ছে, এর ফলে ২০২৭ সালের তাপমাত্রা আবারও কি রেকর্ড করতে পারে বাংলাদেশ ? চলুন এটা নিয়ে আলোচনা করা যাক-
এল নিনো তৈরি হলে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলেও, মূলত বাংলাদেশের অধিকাংশ স্থানের তাপমাত্রায় তেমন প্রভাব রাখে না! নিচের ছবিতে লক্ষ্য করুন:
এই ছবিতে আমরা (অক্টোবর - নভেম্বরের) এল নিনো বা লা লিনার সাথে পরের বছরের গ্রীষ্মকালের (এপ্রিল এবং মে মাসের) তাপমাত্রার একটা সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। ছবিতে উজ্জল সবুজ থেকে লাল মূলত সদৃশ বা অনুরূপ সম্পর্ক বুঝানো হয়েছে এবং উজ্জ্বল নীল থেকে গোলাপি মূলত বিপরীত সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে।
অর্থাৎ, যখন Enso3.4 এলাকার তাপমাত্রা বেশি থাকে মানে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে অর্থাৎ এল নিনো থাকে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে তখন এর ফলে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও মে মাসে কোন এলাকার তাপমাত্রা সদৃশ বা অনুরূপ সম্পর্ক রয়েছে? দেখুন দেশের খুলনা বিভাগের যশোর থেকে তার দক্ষিণ তাছাড়া বরিশাল বিভাগে এবং চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম ও তার দক্ষিণ অংশে মূলত এল নিনো বা লা লিনার সাথে তাপমাত্রা সুসম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ এল নিনা হলে এই সকল স্থানের তাপমাত্রায় কিছুটা বৃদ্ধি দেখা যায়। এবং লা লিনা হলে তাপমাত্রা সামান্য কিছুটা কমতি দেখা যায়।
পক্ষান্তরে, খুলনার যশোরের উত্তর, বরিশালের উত্তর এবং চট্টগ্রামের চট্টগ্রাম থেকে তার উত্তরে এর সম্পর্ক সম্পূর্ণ নেই! অর্থাৎ এখানে লা লিনা বা এল নিনোর সাথে না সুসম্পর্ক রয়েছে না বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে! অর্থাৎ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর, খুলনা বিভাগের যশোরের উত্তর এবং চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রামের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে লা লিনা হলে তাপমাত্রা তেমন পরিবর্তন হয় না ঠিক এল নিনো হলেও সেখানে তাপমাত্রার তেমন প্রভাবিত হয় না। সেখানে তাপমাত্রার পরিবর্তনে মূলত আবহাওয়ার অন্যান্য উপাদান বা প্যারামিটার কাজ করে।
এখন প্রশ্ন হতে পারে তাহলে ভাই ২০২৩ সালের এল নিনো কিভাবে ২০২৪ সালের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করেছিল?
আমি আগেই বলেছি, এল নিনো থেকে মূলত দেশের খুলনা, যশোরে, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম ও তার দক্ষিণ অংশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল। কিন্তু ঢাকার তাপমাত্রা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে কাজ করেছিল অন্য প্যারামিটার। ২০২৩ সালের এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগর থেকে পর্যাপ্ত গরম জল বা তাপ অপসারণ করতে পারেনি। যার কারণে এর যে স্বভাবগত রূপ, অর্থাৎ এল নিনোর সময় পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাৎপর্য স্বাভাবিকের থেকে বেশি এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার থেকে কম সেই রূপ দেখা যায়নি। ফলে এর থেকে তৈরি হওয়া রসবি তরঙ্গ মূলত ব্লকিং প্যাটার্নের মাধ্যমে উক্ত স্থানগুলোতে প্রভাবিত করেছিল। ফলে এল নিনোর জন্য যশোর ও তার দক্ষিণ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম ও তার দক্ষিণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও রসবি ব্লকিং প্যাটার্নের জন্য অন্যান্য স্থানের তাপমাত্রা মূলত বৃদ্ধি পেয়েছিল। ফলে সকল কিছু মিলে দেশের তাপমাত্রা ছিল ইতিহাসকৃত সর্বোচ্চ।
তাহলে এই বছর কি হবে?
এখন এই বছরের যেই জলের তাপমাত্রা বা প্রশান্ত মহাসাগরে যেই তাপ সরবরাহ ছিল সেটা বেশ কমে গেছে। এবং এই এল নিনো সেটাকে আরও হ্রাস করবে ফলে এইবার রসবি ব্লকিং প্যাটার্নের সম্ভাবনা অনেক কম থাকবে। ফলে দেশের মধ্য, পশ্চিম এবং উত্তরাঞ্চলে ২০২৭ সালে তাপমাত্রায় প্রভাব রাখার সম্ভাবনা কম। তবে এই এল নিনোর প্রভাবে দেশের দক্ষিণ অঞ্চল এবং উপকূলীয় স্থানগুলোতে সামান্য তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে।
মোটকথা: এল নিনো হোক বা লা লিনা সেটা নিয়ে এত তুলকালাম হওয়ার মত কিছু নেই! সেটা নিয়ে অতিরঞ্জিত হওয়ার মত কিছু নেই। এল নিনো হলেই যে তাপমাত্রা বাড়বে তেমন না! আবার লালিনা হলেই যে তাপমাত্রা কমতি থাকবে সেটাও ঠিক না। দেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে অন্যান্য উপাদান বা প্যাটার্ন কাজ করে।
--- ধন্যবাদ (অভিজ্ঞ আবহাওয়া সংস্থা - XP Weather)
11/07/2026
চট্টগ্রাম বিভাগে জলাবদ্ধ! এখানেই শেষ নয়!
আমাদের দীর্ঘকালীন পূর্বাভাসে উল্লেখ করেছিলাম এই বছরের বর্ষা কিছুটা পূর্বে ও দক্ষিণ পূর্বে হেলে থাকবে। আমাদের পূর্বাভাস অনুযায়ীই, ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে জনজীবনে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটেছে!
গত বেশ কিছুদিন যাবৎ ধরে চলতে থাকা মূলত অতি ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। তাছাড়া পাহাড়ি ঢলের সাথে পাহাড় ধ্বসের মতো পরিস্থিতিতে প্রাণ হারাচ্ছে অনেক মানুষ ও প্রাণী!
এই বিষয়ে আমরা পূর্বেই সতর্ক করেছিলাম! তাছাড়া এখানেই শেষ নয়! এই বছরে আরো বৃষ্টিপাত রয়েছে! যারফলে সাময়িক উন্নতি দেখা দিলেও পুনরায় আবার অতিরিক্ত ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে জলাবদ্ধ পরিস্থিতি আবার তৈরি হতে পারে। ফলে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
--- ধন্যবাদ (অভিজ্ঞ আবহাওয়া সংস্থা - XP Weather)
22/06/2026
দেশে ভূমিকম্প অনুভূত!
ঢাকার থেকে ১৬ কিমি উত্তর পূর্বে, আজ রাত ৯ টা ২৮ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
যার মাত্রা ছিল ৪.০ মাগনিটিটিউড!
এর উৎপত্তির গভীরতা ছিল ১৬ কিমি!
খুব অল্প সময়ের জন্য এর কম্পন অনুভূত হয়!
রাজধানীসহ দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে!
বিস্তারিত আসছে...
বর্ষা প্রবেশের পূর্ব ও প্রবেশ মুহূর্তে দেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল, কিন্তু গত ২/১ দিন ধরে দেশে বৃষ্টিপাত হ্রাস পাওয়ার কারণ মৌসুমী অক্ষরেখা দুর্বল ও পূর্ব ভারতে অবস্থান, তবে সামনে থেকে আবার মৌসুমী বায়ু সক্রিয় হতে পারে।
10/06/2026
*মৌসুমি বায়ুর আরও অগ্রযাত্রা, বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে!*
বাংলাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আরও অগ্রসর হয়েছে এবং বর্তমানে বরিশাল বিভাগের বেশকিছু অংশ, ঢাকা বিভাগের কয়েকটি এলাকা, ময়মনসিংহ বিভাগের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ও রংপুর বিভাগের কিছু অংশে এর প্রভাব বিস্তার করেছে।
বর্তমান সিনপটিক পরিস্থিতি অনুযায়ী, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুলনা বিভাগের কিছু অংশ, পুরো বরিশাল বিভাগ, ঢাকা বিভাগের অধিকাংশ এলাকা, সমগ্র ময়মনসিংহ বিভাগ এবং রংপুর বিভাগের আরও বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়াও মিয়ানমার ও উত্তর ভারতের উপরস্থিত উচ্চস্তরের ঘূর্ণাবর্ত এবং বাংলাদেশ অতিক্রমকারী ট্রফ দেশের উপর আর্দ্রতাসমৃদ্ধ বায়ুপ্রবাহকে আরও সক্রিয় করে তুলছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
🌦️ সম্ভাব্য প্রভাব:
✅ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি
✅ আকাশ অধিকাংশ সময় আংশিক থেকে মেঘলা থাকতে পারে
✅ দক্ষিণ ও উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার সক্রিয়তা বাড়তে পারে
✅ গরমের তীব্রতা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা
📌 বর্ষার অগ্রগতি, বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা এবং সর্বশেষ আবহাওয়া বিশ্লেষণ জানতে XP Weather-এর সাথেই থাকুন।
**XP Weather**
*নির্ভুল বিশ্লেষণ, সময়োপযোগী সতর্কতা* 🌦️
08/06/2026
⚠️ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় মেঘমালা, উপকূলে বাড়ছে বৃষ্টি!
📡 *XP Weather Ltd | রিয়েল-টাইম রাডার আপডেট*
🗓️ ০৮ জুন ২০২৬ | 🕓 বিকাল ৪:০০টা (BST)
বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আকাশে বর্তমানে সক্রিয় বজ্রমেঘের বিস্তার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, পার্বত্য অঞ্চল এবং উপকূল সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিবাহী মেঘমালা সক্রিয় রয়েছে।
🌩️ **রাডার বিশ্লেষণে যা দেখা যাচ্ছে:**
🔸 দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী কনভেকটিভ মেঘমালার উপস্থিতি
🔸 কক্সবাজার উপকূল ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা
🔸 সিলেট সীমান্তবর্তী এলাকায় বিচ্ছিন্ন শক্তিশালী বজ্রমেঘ
🔸 উপকূলীয় অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও স্বল্প সময়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
⚠️ **সতর্কতা:**
উপকূলীয় ও নদীবন্দর এলাকায় অবস্থানকারীদের স্থানীয় আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রতি নজর রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে। বজ্রপাতের সময় খোলা স্থানে অবস্থান না করাই নিরাপদ।
📍এই মুহূর্তে কোনো সংগঠিত ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপের উপস্থিতি নেই, তবে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
📸 রাডার: চট্টগ্রাম ডপলার রাডার
📡 বিশ্লেষণ: XP Weather Ltd
08/06/2026
🚨 **এক রাতেই ১১৮ মিমি বৃষ্টি! সতর্কতা জারি? 🌧️**
গত ২৪ ঘণ্টায় মূলত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে সিলেট বিভাগের কয়েকটি এলাকায় অতি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
🔴 **অতি ভারী বৃষ্টিপাত**
📍 সুনামগঞ্জ — ১১৮ মিমি
📍 লালাখাল — ১০৬ মিমি
📍 ছাতক — ৮৮ মিমি
🟠 **ভারী বৃষ্টিপাত**
📍জগলং — ৬৭ মিমি
📍 জকিগঞ্জ — ৬৬ মিমি
📍 শ্রীমঙ্গল — ৫৭ মিমি
📍 শেওলা — ৫৬ মিমি
📍 লাতু — ৫২ মিমি
📍 সিলেট — ৫১ মিমি
📍 লরেরঘর — ৫০ মিমি
📍 কানাইঘাট — ৪৮ মিমি
📍 পঞ্চগড় — ৪৮ মিমি
📍 খুলনা — ৪৮ মিমি
এছাড়া দেশের অনেক এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ও বেশ কিছু জায়গায় মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে আবার বেশকিছু স্থানে খুবই কম ছিল, কোথাও কোথাও একেবারেই বৃষ্টি হয়নি।
🌧️ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলমান বৃষ্টিপাতের কারণে স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা, পাহাড়ি ঢল এবং ছোট নদী-খালগুলোর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই মূলত সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
📌 আপনার এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় কেমন বৃষ্টি হয়েছে?
জেলার নাম লিখে কমেন্ট করুন👇
08/06/2026
🌧️ **মৌসুমী বায়ুর দারুণ অগ্রগতি!**
বাংলাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর অগ্রগতি আরও জোরালো হয়েছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পুরো অঞ্চল, সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকা এবং বরিশাল বিভাগের কিছু অংশে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করেছে।
📌 আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে:
✔️ সিলেট বিভাগের বাকি অংশ
✔️ বরিশাল বিভাগের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা
✔️ খুলনা বিভাগের কিছু অংশ
✔️ ঢাকা বিভাগের কিছু স্থানে
মৌসুমী বায়ু পৌঁছানোর অনুকূল পরিবেশ বজায় রয়েছে।
একইসাথে বিহার ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থানরত উচ্চ বায়ুমণ্ডলের ঘূর্ণাবর্ত এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
🌦️ আপনার এলাকায় কি এখনো বর্ষার আমেজ শুরু হয়েছে? নাকি এখনও অপেক্ষা করছেন প্রথম ভারী বৃষ্টির জন্য? নাকি গরমে অতিষ্ঠ?
জেলার নাম কমেন্টে জানিয়ে দিন। 👇
07/06/2026
🚨 রাজধানী সহ দেশের উত্তরাঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত!
আজ রাত ১১:৩৬ মিনিটে ভুটানে ৫.৬ মাত্রার একটি মাঝারি শক্তির ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার কম্পন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলে অনুভূত হয়েছে।
📍 উৎপত্তিস্থল: ভুটান
📊 মাত্রা: ৫.৬ মাগনিটিউড
📏 গভীরতা: ১০ কিমি
🕒 সময়: রাত ১১:৩৬ (স্থানীয় সময়)
প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পের পর আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
আপনার এলাকায় কি কম্পন অনুভূত হয়েছে? জেলা বা এলাকার নাম কমেন্টে জানান। 👇
Category
Contact the organization
Telephone
Website
Address
Gazipur
1740