Chalitabaria R.D High School
It's the renowned & old high school in Sharsha, Jessore . It was established in 1969 . It was famous for study's instruction, teacher's responsibility.
" কথা বলা শিখতে একজন মানুষের দুই বছর লাগে, কিন্তু 'কি বলা উচিত নয়' তা শিখতে লাগে সারাজীবন। "
__________________হুমায়ুন আহমেদ
15/08/2017
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে Chalitabaria R.D High School এর পালিত বিভিন্ন কর্মসূচীর কিছু চিত্র ।
08/04/2017
" সৎ পরামর্শের চেয়ে কোনো উপহার অধিক মূল্য নয়।"
21/02/2017
#শহীদ_মিনারে_জনতার_ঢল, সবার মুখে শোকের ছায়া:
বাহান্নোর ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অভিমুখে ঢল নেমেছে সর্বস্তরের মানুষের। অধিকাংশের বুকে কালো ব্যাচ, হাতে শোভিত ফুল, সঙ্গে কালো ব্যানার। গোটা শহীদ মিনার এলাকায় শোকের আবহ।
নীলক্ষেত থেকে পলাশী, আজিমপুর থেকে শহীদ মিনারের বেদী পর্যন্ত বাঙালির জাতিসত্তার পরিচয় শহীদ দিবস পালনে শোভা পাচ্ছে সাদা হরফে লেখা কালো ব্যানার, ফেস্টুন।
ব্যানারে স্থান পেয়েছে বাংলা বর্ণমালা অ আ ক খ। এছাড়া লেখা একুশে ফেব্রুয়ারি অমর হোক, একুশ মানে মাথা নত না করা, ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। ব্যানারে শোভা পাচ্ছে শহীদ মিনারের ছবি। অনেকে এসেছেন ফেস্টুন নিয়ে।
শুধু ব্যানার নয়, শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষদের পোশাকেও রয়েছে একুশের ছোঁয়া। মেয়েরা সাদা কালো নকশা করা শাড়ি পরে এসেছেন। যেখানে রয়েছে বাংলা বর্ণমালা। ছেলেদের পাঞ্জাবিতেও রয়েছে একুশের ছাপ। অনেকে ধারণ করেছেন কালো ব্যাজ।
বেলা বাড়লেও কমছে না খালি পায়ে প্রভাতফেরির মিছিল। সবার কণ্ঠে অমর সেই গান, 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি...'।
জগন্নাথ হল, পলাশী মোড় ছাড়িয়ে নীলক্ষেত ও ইডেন কলেজ পর্যন্ত ফুল আর ছোট ছোট পতাকা হাতে লাইন বেঁধে অপেক্ষায় থাকতে দেখা যাচ্ছে সব বয়স আর শ্রেণী-পেশার মানুষকে।
16/12/2015
বিজয়ের আনন্দে মেতেছে দেশ :
বাড়ি, গাড়ি, প্রতিষ্ঠানে পতপত করে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা। মানুষের মাথায় পতাকার রঙের ফিতা। গায়ে পতাকার রঙের পোশাক। পতাকায় সজ্জিত রাজধানীসহ দেশের বড় শহরগুলোর প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ। সবার মনে বিপুল আনন্দ। দেশজুড়ে উৎসব। আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাংলাদেশের সবচেয়ে আনন্দের, বড় প্রাপ্তির দিন।
নয় মাসের সংগ্রাম আর রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বহু আকাঙ্ক্ষিত এই দিনটি এসেছিল। ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ৪৪ বছর আগের এই দিনে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী হাতের অস্ত্র ফেলে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়েছিল বিজয়ী বীর বাঙালির সামনে। যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জাতি দিবসটি পালন করছে।
ঢাকায় ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
পরে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা।
বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সাংসদ, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনীতিকেরাও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
পরে সর্বসাধারণের জন্য স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে ঢল নামে সর্বস্তরের মানুষের।
বেলা ১১টার দিকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া স্মৃতিসৌধে যান। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বরাবরের মতো এবারও মহান বিজয় দিবস পালনের বিস্তারিত কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ সকাল ১০টার দিকে বিজয় দিবস কুচকাওয়াজ শুরু হয়। কুচকাওয়াজে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত হন।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধদলীয় নেতা এবং বিএনপির চেয়ারপারসন পৃথক বাণী দিয়েছেন।
আজ সরকারি ছুটি। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাতে গুরুত্বপূর্ণ ভবনে করা হবে আলোকসজ্জা। হাসপাতাল, শিশুসদন ও কারাগারগুলোতে পরিবেশন করা হবে বিশেষ খাবার।
বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে বিজয় শোভাযাত্রাসহ নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
বিএনপি ঢাকায় বিজয় শোভাযাত্রা করবে। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, সিপিবিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই বিজয়ের দিনটিতে আনন্দের পাশাপাশি বেদনাও বাজছে বাঙালির বুকে। বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় জাতি স্মরণ করবে জানা-অজানা সেই সব শহীদকে, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এসেছে এই স্বাধীনতা।
আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেই বর্ণিত,
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘সর্বোত্তম
কাজ কি?’ তিনি বললেন, “আল্লাহ ও তার
রসূলের প্রতি ঈমান রাখা।”
পুনরায় তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘অতঃপর কি?’ তিনি বললেন,
“মাবরূর’ (বিশুদ্ধ বা গৃহীত) হজ্জ।” রিয়াদুস
স্বালেহীন ১২৮১। সহীহুল বুখারী ২৬, ১৫১৯,
মুসলিম ৮৩
‘মাবরূর’ (বিশুদ্ধ বা গৃহীত) হজ্জ সেই হজ্জকে
বলা হয়, যাতে হাজী কোনো প্রকার আল্লাহর
অবাধ্যতা ও পাপাচারে লিপ্ত হয়নি।
((((((((( .- Anisur_Rahman))))))))))
" কথা বলা শিখতে একজন মানুষের দুই বছর
লাগে, কিন্তু 'কি বলা উচিত নয়' তা শিখতে লাগে
সারাজীবন। "
__________________হুমায়ুন আহমেদ
Category
Website
Address
Jessore