Creative Solution
প্রতিদিন এই পেজটিতে থাকবে , মঞ্চ থেকে শুরু করে টিভি নাটক, মূলধারা ও বিকল্প ধারার চলচ্চিত্র
রাষ্ট্রীয় অনুদানে নির্মিত ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত **দহন** বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী ও তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন। কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন শেখ নিয়ামত আলী—যিনি তাঁর স্বতন্ত্র নির্মাণভঙ্গি ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয়।
‘দহন’ কেবল প্রেমের গল্প নয়; এটি ঢাকার মধ্যবিত্ত সমাজের স্বপ্নভঙ্গ, টানাপোড়েন ও নীরব সংগ্রামের এক নির্মোহ দলিল। এখানে ব্যক্তিগত প্রেম, স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষা বৃহত্তর সামাজিক দায়বদ্ধতার মুখোমুখি দাঁড়ায়। চলচ্চিত্রটি দেখায়—মধ্যবিত্ত এমন এক শ্রেণি, যারা না পুরোপুরি জয়ী হতে পারে, না পুরোপুরি পরাজিত; এক অদৃশ্য দেয়ালের ভেতর তাদের জীবন যেন অবিরাম দহন।
ছবির শুরুতেই দর্শক ঢাকার নগরবাস্তবতার মধ্যে নিক্ষিপ্ত হন—উঁচু ভবনের উত্থান, কালোটাকার দাপট, ইটভাঙা নারী-শিশুশ্রমিক, রিকশাচালক ও যাত্রীর তুচ্ছ দ্বন্দ্ব—সব মিলিয়ে শহরের এক কঠোর বাস্তবতা ফুটে ওঠে। বিচ্ছিন্ন দৃশ্যগুলো আসলে মধ্যবিত্তের ক্রমবর্ধমান চাপ ও সংকটের সামগ্রিক চিত্র।
মুনির চরিত্রের মাধ্যমে সমাজ-সচেতন এক তরুণের দৃষ্টিতে অর্থনৈতিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক কৌশলের দগ্ধ বাস্তবতা উঠে আসে। হুমায়ুন ফরীদি তাঁর শক্তিশালী অভিনয়ে মুনিরকে সময়ের এক প্রতীকী চরিত্রে রূপ দিয়েছেন।
চলচ্চিত্রটিকে বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছেন বুলবুল আহমেদ, ববিতা, শর্মিলী আহমেদ ও আসাদুজ্জামান নূর-সহ অন্যান্য শিল্পীরা।
‘দহন’-এর আরেকটি বড় শক্তি এর নির্মাণশৈলী—ফ্যাক্টস, ফিকশন, প্রতীক ও হিউমারের সংমিশ্রণে এটি এক ধরনের ডকু-ড্রামার রূপ পেয়েছে। পরিচালক পুরোনো সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভাঙার সংগ্রামী আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরে মুক্তির সম্ভাবনা অনুসন্ধান করেছেন।
তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও দশটি বাচসাস পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘দহন’ আজও প্রাসঙ্গিক—কারণ এর প্রশ্নগুলো এখনো আমাদের সমাজে অনুরণিত হয়। আশির দশকের ঢাকা ও মধ্যবিত্ত মানসিকতার যে জীবন্ত দলিল এটি নির্মাণ করেছে, তা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রভাণ্ডারে এক অনন্য সংযোজন হয়ে আছে।
ইলিয়াস কাঞ্চন চাইলেন ৬ লাখ, মান্না পেল ২০ হাজার
শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেলেন আফরান নিশো
মেকাপ আটিস্ট প্রশিক্ষণ শিবিরে অপু বিশ্বাস
আপনাদের ভালবাসায় আজ আমি অপু বিশ্বাস
আমি আপনাদেরই অপু বিশ্বাস
মিরপুর লাভ রোডের ভাইরাল ফুচকার দোকান
আমি বাংলাদেশ কে অনেক ভালবাসি
আমি খুব ইমোশনাল
ক্রেতা সাবধান
বলুন তো দেখি এই জায়গাটি রাজধানীর কোথায়?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Kazipara