Golam Rabbani
Former General Secretary, Dhaka University Central Students Union (DUCSU).
Former General Secretary, Bangladesh Students' League (BSL)
Founder of the Social Humanitarian Platform, Team Positive Bangladesh (TPB).
15/09/2026
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ বিবৃতি:
অবৈধ ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ কর্তৃক প্রদত্ত পূর্বনির্ধারিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রহসনের রায়কে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানের বিরুদ্ধে অবৈধ ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ কর্তৃক প্রদত্ত পূর্বনির্ধারিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রহসনের রায়কে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শুধু একটি ছাত্রসংগঠনের নাম নয়; এটি বাঙালির অধিকার, গণতন্ত্র, মুক্তি ও স্বাধীনতার সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এ দেশের ছাত্রসমাজের অধিকার এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে আসছে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ ছিল অন্যতম অগ্রণী শক্তি যারা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার লক্ষ্যে সাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছে।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী জীবন বাজি রেখে সশস্ত্র সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। ছাত্রলীগের ১৭ হাজার নেতাকর্মী তাঁদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছেন এই দেশের স্বাধীনতার জন্য, উপহার দিয়েছেন লাল-সবুজের পতাকা। তাঁদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কোনো অবৈধ, পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা এ দেশের ছাত্রসমাজ ও জনগণ মেনে নেবে না। ইতিহাসের সত্যকে কোনো প্রহসনের রায় দিয়ে মুছে ফেলা যায় না।
আমরা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ, সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি এই অবৈধ ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ কর্তৃক প্রদত্ত পূর্বনির্ধারিত, প্রহসনমূলক, মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রায়কে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। একই সঙ্গে এই রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমরা বিশ্বাস করি, সত্য কখনো পরাজিত হয় না, ইতিহাস কখনো মিথ্যার কাছে মাথা নত করে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস কোনো ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার কিংবা প্রহসনের বিচার দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অবিচল। অন্যায়, অবিচার, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
অসিম কুমার উকিল-
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
মাঈনউদ্দিন হাসান চৌধুরী-
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
ইকবালুর রহিম-
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
একে এম এনামুল হক শামীম-
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
লিয়াকত সিকদার-
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
নজরুল ইসলাম বাবু-
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
মাহমুদ হাসান রিপন-
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন-
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
বদিউজ্জামন সোহাগ-
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
সিদ্দিকী নাজমুল আলম-
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
সাইফুর রহমান সোহাগ-
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
এস এম জাকির হোসাইন-
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন-
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
গোলাম রাব্বানী-
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
আল নাহিয়ান খান জয়-
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
লেখক ভট্টাচার্য-
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু।
ভ্যানে পন্য বেচা হকারদের চেনা সুর মনে পড়ছে-বাইছা লন ১০০, দেইখা লন ১০০, যা লন ১০০! ক্যাংগারু ট্রাইবুনালের প্রতিহিংসা ও প্রহশনের রায়, এর বাইরে কিছু মনে হচ্ছে না। নিন্দা-ধিক্কার জানানোর ভাষা নাই!
15/09/2026
“I have immense respect for the faculty members who helped me come this far, and they deserve credit for the achievements I have had,” AR Tahseen Jahan wrote. “But with all due respect to my faculty, I cannot celebrate an award from an institution or administration that I believe has played a role in ruining the lives of thousands of students.”
Prof Mahbobor Rahman, dean of the Faculty of Social Sciences at Dhaka University, said he was not informed of Tahseen’s decision to refuse the award.
ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি সাঁটানোর প্রতিক্রিয়ায় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ছবি টাঙিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা। 💚
হার্ভার্ড বুক স্টোরের উলটো দিকে হার্ভার্ড ইয়ার্ডের প্রবেশ পথে আছে এই ছবিটা।
এটা জিন্নাহ'র বাংলাদেশ নয়, এটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের বাংলাদেশ, এখানে কোন খলনায়কের ছবি থাকতে পারে না।
14/09/2026
২০০১ এর হাওয়া ভবন বনাম ২০২৬ এর এনএস এনার্জি, তফাত শুধু ঠিকানায়!
আরেকটা এমপির নাতি, আরেকটা কমিশন বাণিজ্য, আরেকবার পাবলিকের পকেট কাটার প্রকল্পের অবতারণা দেখতে হলো আমাদেরকে। ২০০১-২০০৬ সালের বিএনপি জামাত জোট সরকারের সেই হাওয়া ভবন যুগ যারা দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই এখন দেজা ভুঁ বোধ করছেন। মাত্র কয়েক মাস ক্ষমতায় বসেই তারেক রহমানের বিএনপি দেখিয়ে দিলো পুরনো অভ্যাস কতটা শক্ত করে গাঁথা তাদের রাজনৈতিক ডিএনএ-তে!
ঘটনার সূত্রপাত হয় এনএস এনার্জি নেভিগেশন নামের এক আমেরিকান কোম্পানি দিয়ে। নিউইয়র্ক ভিত্তিক এই কোম্পানির সিইও তারিফ রহমান, যিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া চার আসনের এমপি এবং সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মুশফিকুর রহমানের নাতি। পাওয়ার এবং এনার্জি সেক্টরে এই কোম্পানির কোনো আগের অভিজ্ঞতাই নেই, তারপরও গত মে মাসে তারা সরাসরি প্রস্তাব পাঠিয়ে দেয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে, বাংলাদেশের তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল বানানোর জন্য। মাত্র আটত্রিশ দিন পর চাইনিজ কোম্পানি সিএনইই যে প্রস্তাব জমা দেয়, তার সাথে এনএস এনার্জির প্রস্তাবের মিল এতটাই হুবহু যে সিএনইই এর নিজেদের নকশাতেই ভুলে থেকে গেছে লেখা, প্রোজেক্ট ম্যাপের নিচে এখনো লেখা আছে প্রপোজড এনএস এনার্জি এফএসআরইউ। কপি পেস্ট করতে গিয়ে এতটাই তাড়াহুড়ো করেছে যে নিজেদের প্রতারণার প্রমাণ নিজেরাই রেখে দিয়েছে কাগজে।
এই এনএস এনার্জির ওয়েবসাইট রেজিস্ট্রেশন হয় দুই হাজার চব্বিশের সেপ্টেম্বরে, আরেকটা দুই হাজার পঁচিশের ডিসেম্বরে। কোম্পানির ইনকরপোরেশনও পাঁচ আগস্টের পরে, মানে শেখ হাসিনা সরকার পতনের ধুলা এখনো জমেনি তখনই এই শেল কোম্পানি খোলা হয়েছে ভবিষ্যতের বন্দোবস্ত সাজাতে। এই যে কোম্পানির কোনো অপারেশন নাই, ইতিহাস নাই, অভিজ্ঞতা নাই, শুধু একটা এমপির রক্তের সম্পর্ক আছে, এটাই তাদের একমাত্র যোগ্যতা। আর সেই যোগ্যতা দিয়েই তারা মধ্যস্থতা করে দিলো চাইনিজ কোম্পানির জন্য, কমিশনের বিনিময়ে।
সিএনইই এর মতো পুরনো কোম্পানি বাংলাদেশে ব্রিজ আর পাওয়ার প্রজেক্টে কাজ করেছে ঠিকই, কিন্তু এলএনজি এফএসআরইউ এর মতো স্পেশালাইজড কাজে তাদের কার্যত কোনো অভিজ্ঞতাই নেই। তারপরও তাদের হাতেই তুলে দেয়া হচ্ছে দুই বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট, দৈনিক তিন লাখ বিয়াল্লিশ হাজার ডলার হারে পনেরো বছরের চুক্তি। অথচ সৌদি আরামকো অফার করেছিল মাত্র এক লাখ নব্বই হাজার ডলার প্রতিদিন। সিএমআই অফার করেছিল মাত্র এক লাখ ডলার প্রতিদিন, বারো বছর পর টার্মিনাল পেট্রোবাংলার নামে লিখে দেয়ার শর্তে। এই দুইটা অফার নিলে দেশ বাঁচাতে পারতো কয়েক বিলিয়ন ডলার। তা না করে সরকার বেছে নিলো সবচেয়ে বেশি খরচের অপশন, যেখানে এমপির নাতির কোম্পানি মধ্যস্থতা করেছে, শুধুমাত্র এইজন্যই।
আঠারো মাসে ডেলিভারির অজুহাত দেখিয়ে সরকার এই সিদ্ধান্তকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছে, অথচ আরামকো, ওকিউ, সোকার সবাই একই সময়ে ডেলিভারি দেয়ার কথা বলেছিল আগের অ্যাসেসমেন্টে। তাহলে দ্রুততার অজুহাত পুরোপুরি মিথ্যা, আসল কারণ একটাই, পরিবার আর কমিশনের হিসাব।
২০০১-০৬ সালে হাওয়া ভবন যেভাবে টেন্ডার, কমিশন, পাওয়ার প্ল্যান্ট বাগিয়ে নিতো আত্মীয়স্বজনের কোম্পানি দিয়ে, ঠিক সেই মডেলই এখন রিসাইকেল হচ্ছে নতুন মোড়কে। শুধু হাওয়া ভবনের জায়গায় এখন এমপির নাতির নিউইয়র্কের অফিস, আর টেন্ডারের জায়গায় এলএনজি টার্মিনাল। চরিত্র বদলেছে ঠিকই, কিন্তু লুটপাটের কাঠামো একচুলও বদলায়নি।
শেষ পর্যন্ত এই বাড়তি খরচের বোঝা তো গিয়ে পড়বে সাধারণ মানুষের গ্যাস আর বিদ্যুৎ বিলে। এমপির নাতি বসে থাকবেন নিউইয়র্কে, কমিশনের টাকা ঢুকবে যেখানে ঢোকার সেখানেই ঢুকবে, আর রান্নাঘরের চুলা জ্বালাতে গিয়ে হিসাব মেলাতে হবে দেশের সাধারণ মানুষকে। বিএনপি ক্ষমতায় ফিরেছে সংস্কারের মূলো ঝুলিয়ে, অথচ প্রথম কয়েক মাসেই তারা প্রমাণ করে দিলো, মিথ্যাচারের সুর বদলেছে শুধু, লুটপাটের চেহারা একদম অপরিবর্তিত আছে।
14/09/2026
#ডাকসু সংগ্রহশাল থেকে #বঙ্গবন্ধু'র ছবি সরিয়ে বর্তমান ডাকসু বডির আব্বা, মদ-শুকর ভক্ষণকারী জিন্নাহর ছবি টাঙিয়েছে! এগুলো আরো বেশি করে করো, তাহলে তোমাদের স্বরুপ চিনতে-বুঝতে সমগ্র জাতির জন্য আরও সুবিধা হবে।
#জয়বাংলা বলে আগে বাড়ো 💚
14/09/2026
রাজধানীতে চলমান গণতল্লাশি ও গণগ্রেফতারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
গত ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনায় অদক্ষতা ও অক্ষমতার প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় নেমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিল করেছে। এতে পূর্ব-নির্ধারিত ফলাফলের পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী ভীত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় ব্লক-রেইড দিয়ে গণতল্লাশি চালিয়ে গণগ্রেফতার শুরু করেছে। বিশেষ করে গুলশান-বনানী-বারিধারা-নিকেতন-মহাখালী-কড়াইল বস্তি-শাহজাদপুর-কালাচাঁদপুর-ভাষানটেক-মাটিকাটা ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বেসামরিক মানুষের ওপর চলমান অত্যাচার-নির্যাতনের মাধ্যমে সরকারের স্বৈরাচারী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এহেন জুলুম ও অন্যায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
একদিকে তথাকথিত সরকার ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দখল-লুটপাট-চাঁদাবাজি-খুন-ধর্ষণ-নির্যাতন এবং বিশাল জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অধিকার হরণে মানুষ অতিষ্ঠ; অপরদিকে সরকারের লুটেরা মানসিকতার ফলে চরম অর্থনৈতিক সংকট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সার সংকট, বিনিয়োগ বন্ধ, প্রতিদিন মিল-কারখানা বন্ধ হচ্ছে, বেকারত্ব বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বাকস্বাধীনতা হরণ, হরেদরে চাকরিচ্যুতি এবং আরও অসংখ্য সমস্যা-সংকটে মানুষ দিশেহারা। এমতাবস্থায় সরকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন-যাপন ও বসবাসের ওপর হামলা চালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। জনতার শক্তির উত্থানে সরকার ভীত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় গুণ্ডাদের দিয়ে জনতাকে ভয় দেখাতে শুরু করেছে। একটি সভ্য দেশে যা অকল্পনীয় হলেও বাস্তবতা হলো বিশ্ববাটপারের ধারাবাহিকতায় বিশ্বচোরের ক্ষমতারোহণের ফলাফল এরকমই হবার কথা। এতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিস্মিত না হয়ে বরং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আহবান ও সতর্ক করে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিচ্ছে, যারা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আপনাদের সহকর্মীকে হত্যা করে থানা পুড়িয়ে অস্ত্র লুট করেছে, সহকর্মীদের চাকরিচ্যুতি এবং মামলা-গ্রেফতার করে নির্যাতন চালাচ্ছে এবং নৈতিক স্থলনে চাকরিচ্যুতদের ধরে এনে বড় আসনে বসিয়ে দিয়েছে, এহেন জুলুমবাজ সরকারের অন্যায় নির্দেশে জনগণের ওপর চালানো নির্যাতনের জবাব একদিন দিতে হবে।
সরকারের সকল ধরনের অন্যায়-অত্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সুস্পষ্টভাবে বলছে, অবিলম্বে গণগ্রেফতার ও গণতল্লাশি বন্ধ করুন। জনগণ জেগে উঠেছে, সকলকিছুর জবাব দিয়ে এবং জবাব নিয়েই ঘরবে ফিরবে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের সঙ্গেই আছে।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
Category
Contact the public figure
Website
Address
Ramna
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Golam Rabbani posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.