Golam Rabbani
Former General Secretary, Dhaka University Central Students Union (DUCSU).
Former General Secretary, Bangladesh Students' League (BSL)
Founder of the Social Humanitarian Platform, Team Positive Bangladesh (TPB).
11/06/2026
প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু প্রকল্পে যেভাবে নতুন সংযোজন হিসেবে রেললাইন দিয়েছেন ঠিক তেমনি পদ্মা সেতু প্রকল্পের ভিতরে বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেছেন। অর্থাৎ পদ্মা সেতু প্রকল্পের জায়গা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছেন।
দেশের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো পদ্মা সেতু এবার শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহারই করছে না, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহও করছে।
আর কোন কোন ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার অবদানকে অস্বীকার করবেন?
-Khandaker Tarek Raihan
ইতিহাসের ঠিকানায় বাংলাদেশ!🔥🇧🇩
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়, টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জয়।
সময় এখন বাংলাদেশের! অভিনন্দন গোটা দলকে।
#গাইবান্ধা জেলায় পানের বাজারের দখল'কে কেন্দ্র করে #বিএনপি- #জামায়াত নেতাকর্মীর সং'ঘ'র্ষ। দখলবাজি ও চাঁদাবাজিকে ঘিরে সারাদেশ অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে!
কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে লাইভে সংযুক্ত আছেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা 🇧🇩
সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেলে
11/06/2026
এত ষড়যন্ত্র, এত অপপ্রচার... তবু দিনশেষে বাংলার অসহায়, মেহনতী শ্রমজীবী মানুষের ভরসা কেবল, শেখ হাসিনায়! ♥
আজ আমাদের প্রেরণাদায়ী নেত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস!
সেনা সমর্থিত ১/১১ এর তত্ত্বাবধায়ক সরকার গ্রেফতার করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী #শেখহাসিনা'কে কিন্তু নেতাকর্মীর আপোসহীন মনোভাব, অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল।
#ইউনুস আর #তারেক দুজনেই মুদ্রার এপিড—ওপিঠ!
10/06/2026
১১ জুন গনতন্ত্রের মানসকন্যা #শেখহাসিনা'র মুক্তি দিবস
----------
দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
সেনা সমর্থিত ১/১১ এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপোসহীন মনোভাব এবং অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
#বাংলাদেশ #শেখহাসিনা #আওয়ামীলীগ #১১ইজুন #একএগারো #তত্ত্বাবধায়কসরকার #কারামুক্তিদিবস
10/06/2026
গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি
বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর বগুড়ার ভাষা সৈনিক
বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মকবুল হোসেন মারা গেছেন
--------------------------
ডা. মকবুল হোসেন ছিলেন বগুড়ার মাটি ও মানুষের নেতা।
প্রবীণ বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বগুড়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।
তিনি ১৯৩৪ সালে জন্ম নেওয়া ডা. মকবুল হোসেন ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নের সময় ছাত্রলীগের মিছিল মিটিংয়ে অংশ নিতেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালে তিনি বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার কাগইল করুণা কান্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে ভাষা আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন। মকবুল হোসেন ১৯৫০ স্যলে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করার পর তৎকালীন একটি বেসরকারি মেডিকেল স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে ‘এলএমএফ’-এর সমমানের ডিগ্রী অর্জনের পর ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নেন। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সকল আন্দোলনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে তাকে প্রথম বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হন। এরপর দ্বিতীয় মেয়াদে ২০২২ সালে তিনি পুনরায় বিপুল ভোটে বগুড়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
তাঁর এই চলে যাওয়া বগুড়ার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি সব সময়ই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আপসহীন সংগ্রাম করে গেছেন। প্রবীণ এই নেতার মৃত্যুতে বগুড়াবাসী সৎ ও নির্ভীক ব্যক্তিকে হারালো।
উল্লেখ্য, তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ৯৩ বছর হয়েছিল। মৃত্যুকালে ১ ছেলে, ২ মেয়ে, নাতি-নাতনী পরিবার-পরিজন সহ অসংখ্য আত্মীয়, স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী এবং শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের মেটিকুলাস ডিজাইনে নাম পরিচয়হীন নানা প্রজাতির টিকিটিকিকেও ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের স্বার্থে বেঢপ কুমিরের আলখাল্লা পরিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির করা হয়।
অভিভূত দর্শকদের তুমুল হর্ষধ্বনিতে টিকটিকিও তখন নিজেকে কুমির ভাবতে শুরু করে। বুভুক্ষু মিডিয়াও তাদের কুমির হিসেবেই উপস্থাপন করে। সাময়িক দর্শকপ্রিয়তা আর মিডিয়া ফোকাস পেয়ে বেচারা টিকটিকিগুলো কুমিরের মত চোয়াল শক্ত করে অযাচিতভাবে এরওর পা কামড়ে ধরার হাস্যকর দৃশ্যের অবতারণা করে।
কালের বিবর্তনে কুমিরের আলখাল্লাগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ও বিবর্ণ হয়। একসময় টিকটিকির কুমির সুলভ আদিখ্যেতায় দর্শক-মিডিয়ারও অরুচি ধরে। অত:পর, অনবরত আদিখ্যেতায় সেই বিরক্তি সীমালঙ্ঘন করলে একদা অভিভূত দর্শকেরাই একযোগে টিকটিকিটির লেজ ধরে উল্টো ঝুলিয়ে কড়া রোদে শুকাতে দেয়!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Ramna