CAD Engineering Solutions
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from CAD Engineering Solutions, Business Center, Sherpur.
ইঞ্জিনিয়ারিং)
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি
বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
→
ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।
# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
সাধারণত এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন ৫০ কেজি হয়ে থাকে। তবে, নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড এবং পণ্যের উপর নির্ভর করে ওজনে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে, যেমন কিছু বিশেষ ধরনের সিমেন্ট বা হোয়াইট সিমেন্টের ওজন ৪০ কেজি হতে পারে।
সাধারণ সিমেন্ট: প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের ওজন ৫০ কেজি।
হোয়াইট সিমেন্ট: এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন ৪০ কেজি হতে পারে।
অন্যান্য: কিছু বিশেষ ধরনের সিমেন্টের ব্যাগ ৪০ কেজি বা অন্য কোনো ওজনের হতে পারে।
15/08/2025
🏠 লেআউট দেয়ার নিয়ম :-
প্রজেক্ট এর মধ্যে যে বাউন্ডারী ওয়ালটি সোজা সেই দিক থেকে লেআউট শুরু করতে হবে।
👉 উত্তর দক্ষিণ এবং পূর্ব পস্চিমে ড্রইং অনুসারে গ্রিড লাইন বরাবর সুতা টানাতে হবে ,এবং কর্নারটি মাটাম অর্থাৎ ৯০ ডিগ্রি আছে কিনা তা চেক করতে হবে।
🦺 চেক করার জন্য পিথাগোরাসের সূত্র অনুসারে সুতার সাহায্যে ৩ ফুট -৪ফুট ও ৫ফুট বাহু দিয়ে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরী করে কর্ণারটি ৯০ ডিগ্রি চেক করতে হবে।
🏗️ উপরের নিয়ম অনুসারে বাকী তিনটি কর্ণার বরাবর সুতা টানতে হবে।
🧱 ড্রইং অনুসারে যে যায়গা থাকার কথা তা চেক করতে হবে।
গ্রিড লাইনের পয়েন্টগুলি চিহ্নিত করে চারদিকের ওয়ালে তারকাটার সাহায্যে চিহ্নিত করতে হবে ||
লেআউট একাধিক বার চেক করতে হবে,কারণ লেআউট ভুল হলে পুরো বিল্ডিং এর কাজ ভুল হবে।
🗣️ আমি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মোস্তফা কামাল মিয়াজী ,পরিচিত সবাই মিয়াজী নামে চিনে, ইঞ্জিনিয়ার পেশা নিয়ে সধারন মানুষের নানা প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা, স্থাপত্য নিয়ে ভুল ধারনা ভেঙ্গে সঠিক পথ দেখানো, এছাড়া নানা স্থাপত্য বিষয়ক টিপস ও ট্রিক্স অথবা কাজের ফাকে ঘুরেবেড়ানো বা জীবন মুখি জিনিস নিয়ে ভিডিও পাবেন এই পেইজে ।
💞 আমরা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কিত ভিডিও নিয়মিত আপলোড করে থাকি। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাকে আপনাদের সামনে কিছুটা সহজ ভাবে তুলে ধরার সামান্য চেষ্টা মাত্র।
আমার ভিডিও নির্মাণ সম্পূর্ণ শখের বশে অবসরের কাজ। ভিডিও গুলা ধারন ও নিজ হাতেই করি। তাই ভিডিও ধারনের ক্ষেত্রে আমি আমার স্মার্ট ফোন মাঝে মাঝে গিম্বেল ক্যামেরা ব্যাবহার করি।ছবির চাইতে কন্টেন এর বিষয় গত মান আমার কাছে বেশি মূল্যবান । আমার আসল উদ্দেশ আপনাদের সাথে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করা। ভিডিও গুলা আপনাদের কাজ আর আমার বিনোদনের উদ্দেশেই তৈরি করা । আমার শখের এই কাজ আপনাদের উপকার বা আনন্দ দিলে এইটা আমার একটা অতিরিক্ত পাওয়া।
-------------------------------------------
31/05/2025
21/05/2025
কংক্রিট স্প্যালিং (Concrete Spalling) বলতে বোঝানো হয় কংক্রিটের পৃষ্ঠ থেকে স্তর খসে পড়া বা ফেটে গিয়ে কণা বা খণ্ড বেরিয়ে আসা। এটি একটি গঠনগত সমস্যা, যা ভবনের স্থায়িত্ব এবং সৌন্দর্য দুইই ক্ষতিগ্রস্ত করে।
⌛কংক্রিট স্প্যালিং-এর কারণসমূহ:
রিবারে জং (Corrosion of Reinforcement): রডে মরিচা ধরলে তা ফেঁপে ওঠে এবং কংক্রিট চাপ সহ্য করতে না পেরে খসে পড়ে।
⌛ফ্রিজ-থ‘ অ্যাকশন (Freeze-Thaw Cycle): পানি জমে বরফ হয়ে কংক্রিট ফাটিয়ে দেয়।
⌛নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী: খারাপ মানের সিমেন্ট বা মিশ্রণ ঠিক না হলে কংক্রিট দুর্বল হয়।
⌛অত্যধিক লোড বা কম্পন: কাঠামোর উপর অতিরিক্ত চাপ বা কম্পন স্প্যালিংয়ের কারণ হতে পারে।
⌛অধিক পানির ব্যবহার: মিশ্রণে বেশি পানি ব্যবহার করলে কংক্রিট দুর্বল হয়।
⌛চিহ্ন:
কংক্রিটের পৃষ্ঠে ফাটল
রড বা স্টিল দৃশ্যমান হওয়া
খসে পড়া অংশ
মরিচা পড়া দাগ
⌛প্রতিকার:
ক্ষতিগ্রস্ত অংশ অপসারণ করে নতুন করে রিপেয়ার করা
রড পরিষ্কার করে অ্যান্টি-করোজন প্রলেপ ব্যবহার
উচ্চমানের রিপেয়ার মর্টার ব্যবহার
পর্যাপ্ত কিউরিং নিশ্চিত করা
⌛প্রতিরোধ:
ভালো মানের উপকরণ ব্যবহার
উপযুক্ত কনস্ট্রাকশন টেকনিক অনুসরণ
সঠিক ওয়াটারপ্রুফিং ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা
কলামে "হানিকম্ব (Honeycomb)" রোগ।
কলামের সমস্যাটির নাম "হানিকম্ব (Honeycomb)"। এটি সাধারণত ঢালাইকৃত কংক্রিটের গাঁথুনিতে দেখা যায়, যেখানে ফাঁকা জায়গা বা ছিদ্র তৈরি হয়।
সমস্যার কারণ:
1. সঠিকভাবে কম্প্যাকশন না হওয়া – কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় কম্প্যাকশন যথাযথভাবে না করলে ফাঁকা স্থান তৈরি হয়।
2. খারাপ মিশ্রণ অনুপাত – অনুপযুক্ত কংক্রিট মিশ্রণ (সিমেন্ট, বালু, পাথর ও পানির অনুপাত সঠিক না হওয়া)।
3. শুকনো কংক্রিটের ব্যবহার – পানির পরিমাণ কম থাকলে কংক্রিট সহজে একত্রে মিশে না।
4. বড় সাইজের কোর্স এগ্রিগেটের ব্যবহার – বড় পাথরের টুকরা বেশি থাকলে ফাঁকা স্থান তৈরি হতে পারে।
5. ফর্মওয়ার্কের দুর্বলতা – ঠিকমতো ফর্মওয়ার্ক সেট না হলে কংক্রিট ঠিকভাবে বসতে পারে না।
সমাধান:
1. ভালোভাবে কম্প্যাকশন করা – ঢালাইয়ের সময় ভাইব্রেটর ব্যবহার করে কম্প্যাকশন নিশ্চিত করতে হবে।
2. সঠিক মিশ্রণ অনুপাত বজায় রাখা – মানসম্মত মিক্স ডিজাইন অনুসারে কংক্রিট প্রস্তুত করতে হবে।
3. সঠিক আকারের এগ্রিগেট ব্যবহার করা – বড় পাথরের পরিমাণ কমিয়ে উপযুক্ত সাইজের পাথর ব্যবহার করা।
4. প্লাস্টিসাইজার বা অ্যাডমিক্সচার ব্যবহার করা – কংক্রিটের ওয়ার্কেবিলিটি বাড়ানোর জন্য অ্যাডমিক্সচার ব্যবহার করা যেতে পারে।
5. রিপেয়ারিং করা – হানিকম্ব ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিষ্কার করে সিমেন্ট গ্রাউট, মাইক্রোকংক্রিট বা এপোক্সি মর্টার ব্যবহার করে মেরামত করতে হবে।
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা:
• কংক্রিট ঢালাইয়ের আগে ফর্মওয়ার্ক এবং রডিং সঠিকভাবে চেক করা।
• ঢালাইয়ের সময় পর্যাপ্ত ভাইব্রেটর ব্যবহার করা।
• উপযুক্ত মিক্স ডিজাইন অনুসারে কংক্রিট প্রস্তুত করা।
• দক্ষ শ্রমিক এবং ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে কাজ করা।
এই সমস্যাটি নির্মাণ কাজের গুণগতমানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তাই শুরুতেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। আর অবশ্যই ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিবেন।
#ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #ছাদঢালাই #সিভিলইঞ্জিনিয়ার #নির্মানকাজ #রডের_হিসাব #বিল্ডিং_কন্সট্রাকশন #হানিকম্ব #কলাম #ঢালাই
রডের (steel rebar) গায়ে লেখা DWR এবং CWR হলো বিভিন্ন ধরনের রডের শ্রেণিবিন্যাস, যা সাধারণত তাদের উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যবহারের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। এগুলোর মানে হলো:
1. DWR – Deformed Weldable Rebar
Deformed: এই রডগুলোর গায়ে খাঁজ বা প্যাটার্ন থাকে, যা কংক্রিটের সাথে ভালভাবে আটকে থাকে।
Weldable: এই রডগুলোকে সহজে ওয়েল্ড বা জোড়া লাগানো যায়।
সাধারণত high strength (yield strength 500 MPa বা তার বেশি) রড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাংলাদেশে DWR 500 বা DWR 60 নামে পাওয়া যায় (৬০ ksi ≈ 500 MPa)।
2. CWR – Cold Worked Rebar
Cold Worked: এই রডগুলো ঠাণ্ডা অবস্থায় যান্ত্রিকভাবে শক্তিশালী করা হয়, যেমন টান দিয়ে।
সাধারণত কিছুটা কম মানের স্টিল, এবং সবসময় ওয়েল্ডিং উপযোগী নাও হতে পারে।
শক্তিশালী হলেও DWR-এর তুলনায় কম নমনীয় হতে পারে।
সারাংশে:
DWR বেশি মানসম্পন্ন ও ওয়েল্ডযোগ্য রড।
CWR সাধারণত তুলনামূলক সস্তা, কিন্তু সব প্রোজেক্টে ব্যবহার উপযোগী নয়।
বিভিন্ন প্রকার বালির F.M ও বালির ব্যবহার:
(১) ভিটি বালি ( F.m=0.5) = ভরাট কাজে ব্যবহৃত হয়।
(২) সরু বালি ( F.m= 1.0) = প্লাস্টার কাজে ব্যবহৃত হয়।
(৩) মধ্যম বালি( F.m= 1.5)= ইটের গাথুনী কাজে ব্যবহৃত হয়।
(৪) মোটা বালি ( F.m= 2.0) = কংক্রিট ঢালাই কাজে ব্যবহৃত হয়।
(৫) মোটা বালি (F.m= 2.5) = কংক্রিটের ১/৩ অংশ মোটা বালি ব্যবহার করলে কংক্রিট ভালো হয়।
Category
Website
Address
Sherpur
2100
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when CAD Engineering Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.