Swapnotthan

Swapnotthan

Share

A voluntary organization of SUST for disadvantaged children

‘দীপ শিখা হাতে স্বপ্নের পথে’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০০৭ সালে যাত্রা শুরু করে ‘স্বপ্নোত্থান’। দেশের উত্তরপূর্বের এ জনপদে প্রযুক্তি বিদ্যার আতুড়ঘর নামে পরিচিত ডিজিটাল শিক্ষাঙ্গন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু উদ্যমী তরুণের অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে ওঠে এ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি।


দীর্ঘ এ পথচলায় এ সংগঠনের হাল ধরেছেন অনেকেই। ‘শফিকুর রহমান’ নামটি এর মাঝে একটু আলাদা করেই উচ্চারিত হয়। তাঁরই নেতৃত্বে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের শিক্ষা ও সেবার মানসে স্বপ্নবান কিছু তরুনের নিরলস প্রচেষ্ঠার ফসল আজকের স্বপ্নকামী সংগঠন ‘স্বপ্নোত্থান’। অবহেলিত জনগোষ্ঠীর সেবা নিশ্চিত করতে স্বপ্নোত্থানিয়ানরা সেই থেকে দেখিয়ে চলেছে স্বপ্ন। ব্রত থেকেছে এক একটি স্বপ্নের বাস্তবায়নে। সংগঠনটি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বপ্নের প্রতিবন্ধকতা কাটাতে বদ্ধপরিকর।


অর্থাভাবে পরিবারহীন বেড়ে ওঠা শিশুটিকে জীবনের সঠিক রাস্তা দেখাতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ‘স্বপ্নোত্থান’। পরিবেশ পরিস্থিতির শিকার হয়ে ভুল পথে পা বাড়ানো শিশুটির পাশে স্বপ্নোত্থানের সেচ্ছাসেবীরা দাঁড়াই ভাইয়া-আপু হয়ে। মা-বাবার মমতা না পাওয়া শিশুটির পাশে থাকে অভিভাবকের ছায়া হয়ে। এর সবকিছু সম্ভব হয় স্বপ্নোত্থানের স্বপ্নকামী অন্তঃপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবীদেও জন্য। পরম ভালবাসা, মমতা আর স্নেহের পরশ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে এক একটি শিশুর স্বপ্ন।

স্বপ্নোত্থান মূলত কাজ করে শিক্ষা নিয়ে। এ কাজের অংশ হিসেবে স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করে কর্মজীবী শিশুদের স্কুল ভোলানন্দ নৈশ বিদ্যালয়ে। এখানের শিক্ষার্থীদের কম-বেশি সবাই দিনে কাজ করে। রাতের সময়টা বেছে নেয় শিক্ষার কাজে। এই সময়ে সারাদিন ক্লাস পরীক্ষার ধকল পাশ কাটিয়ে স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীরা শিক্ষা সেবায় মন দেয়। সারাদিন কাজে থাকা ক্লান্ত শিক্ষার্থীদের ক্লাসে স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীরা তখন নিজেদের শিক্ষার্থী পরিচয় ভুলে গিয়ে স্বপ্ন সারথী হিসেবে নির্দেশনা দিয়ে থাকে। ভোলানন্দ নৈশ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমাজের বৈষম্যপূর্ণ ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অদম্য আগ্রহে পড়াশুনা চালিয়ে যায়। নৈশ বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকদের পাশাপাশি স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীরা এখানে সপ্তাহে নিয়মিত ৫ম থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত ক্লাস নিয়ে থাকে। পড়ানোর পাশাপাশি দিয়ে থাকে মূল্যবোধের শিক্ষা। অনুপ্রাণিত করে পৃথিবীকে জয় করার বিভিন্ন গল্প শুনিয়ে। পাঠ্যক্রমে তাদের অংশগ্রহনের ফলেই এ বিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা পরে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের কাতারেও নাম লেখায়। তেমনি সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্য। প্রতিবছরের বিভিন্ন জাতীয় দিবস এদের সাথে উদযাপন করে স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীরা। এসব দিনে ক্রীড়া প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয় স্বপ্নোত্থানের পক্ষ থেকে।

৩.
স্বপ্নোত্থানের আরেকটি বিশেষ কর্মের ক্ষেত্র ‘ছোটমণি নিবাস’। পরিবারহীন ০-৬ বছর বয়সী এক-ঝাঁক প্রজাপতির মিলনমেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের এই এতিমখানাটিতে। স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীরা চেষ্টা করে তাদের আপনজন হয়ে কিছুটা আদর ভালোবাসা দিতে, চেষ্টা করে পরম মমতায় জড়িয়ে নিতে। নাচ-গান, খেলাধুলা, কবিতার মাধ্যমে কিছুক্ষন চেষ্টা করে তাদের মাতিয়ে রাখতে। তারাও পরম ভালোবাসায় স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীদের বুকে টেনে নেয়; নিজের আপন কেউ মনে করে। কোলে উঠলে তো নামতেই চায় না। যতক্ষণ স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীরা সেখানে থাকে, ততক্ষণই চেষ্টা করে এইসব বাচ্চাদের বুঝাতে যে তারা কখনোই একা নয়।

এছাড়া প্রতিবছর ঈদের আগে ছোটমণিতে মেহেদী উৎসবের আয়োজন করা হয়। নতুন নতুন উপহারের পাশাপাশি ছোটমণিদের হাত রাঙিয়ে দেয় স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীরা। ঈদের আগে নতুন উপহার ও মেহেদীতে এইসব বাচ্চাদের চোখে-মুখের আনন্দের ঝিলিক দেখাটা আসলেই অসাধারণ।

৪. পুনর্বাসন কাজেও স্বপ্নোত্থান রেখেছে অনন্য ভূমিকা। ঢাকায় কুড়িয়ে পাওয়া শিশু ‘শব্দ’ এর পূনর্বাসনে কিংবা দশম শ্রেনীর ‘জোনাকি’র শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেয়া এর মধ্যে অন্যতম।

৫. স্বপ্নোত্থানের নিয়মিত কার্যক্রমের মধ্যে আরেকটি হচ্ছে সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রক্তদাতা নিবন্ধন এবং রক্তদান কার্যক্রম পরিচালনা করা। প্রতিমাসে স্বেচ্ছাসেবীরা বিভিন্ন জায়গায় রক্ত দান করে। প্রয়োজনে দ্রুত রক্ত পাওয়ার উদ্দেশ্যে স্বপ্নোত্থান এর পক্ষ থেকে ‘স্বেচ্ছা’ নামক একটি ইন্টারনেটভিত্তিক অনলাইন বøাড ডোনার আর্কাইভও করা হয়েছে।

৬. প্রতিবছর শীতে শীতার্ত মানুষের পাশে দাড়ায় ‘স্বপ্নোত্থান’। বিভিন্ন হল মেসের পাশাপাশি আশেপাশের আবাসিক এলাকা থেকে পুরাতন শীতবস্ত্র, আর্থিক সাহায্য সংগ্রহ করে তা পরবর্তীতে বাছাই করে সাথে নতুন কিছু যোগ করে শীতার্ত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।

৭. ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। আর ঈদের খুশি থেকে যাতে একটি শিশুও বঞ্চিত না হয় সে লক্ষ্যে স্বপ্নোত্থান ঈদবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। ক্যাম্পাসের শিক্ষক এবং সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আর্থিক অনুদান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও আশেপাশের এলাকাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ করে থাকে ‘স্বপ্নোত্থান’।

৮. পবিত্র মাহে রমজানে ভোলানন্দ নৈশ বিদ্যালয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে থাকে ‘স্বপ্নোত্থান’।

অসহায়, দরিদ্র ও চিকিৎসা ব্যয়ভার বহনে অক্ষম, দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য ক্ষেত্র বিশেষে স্বপ্নোত্থান বিভিন্ন তহবিল সংগ্রহ করে থাকে। এছাড়া দেশের যেকোনো সংকট, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা করে স্বপ্নোত্থান। আর এ তহবিল সংগ্রহের কাজে বিভিন্ন সময় ইনডোর গেমস, বইমেলা কিংবা চ্যারিটি ফিল্ম ফেস্টিভালেরও আয়োজন করে স্বপ্নোত্থান ।

এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলো পালন করে থাকে ‘স্বপ্নোত্থান’। জাতীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশমাতৃকার প্রতি সম্মান জানিয়ে দিবসগুলোতে কুইজ প্রতিযোগীতা, ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করে ‘স্বপ্নোত্থান’।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একঘেয়েমিতা ও স্বেচ্ছাসেবীমূলক কাজের মধ্যে সমন্বয়, নতুনত্ব ও সজীবতা নিয়ে আসতে স্বপ্নোত্থান নিজেদের সদস্য ও শুভাকাঙ্খীদের নিয়ে করে থাকে বার্ষিক বনভোজন ও বারবিকিউ উৎসব। অন্যদিকে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট, রোড পেইন্টিং, ফল উৎসবের আয়োজন করে থাকে। তদুপরি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে একযোগে সচেতনতামুলক বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন মাদকদ্রব্য নিরোধ কেন্দ্রের সাথে মাদকবিরোধী সেমিনার, ইউনাইটেড নেশনস ভলান্টিয়ার (ইউএনভি) এর সাথে স্বেচ্ছাসেবীতার উপর সেমিনার, কিংবা ডেন্টাল কেয়ার সিলেট এর সাথে যৌথভাবে ফ্রি ডেন্টাল চেকআপ এন্ড ওরাল হেলথ এ্যাওয়ারনেস শীর্ষক কাজ কওে চলেছে ‘স্বপ্নোত্থান’।

‘স্বপ্নোত্থান’ স্বপ্ন দেখে মানবিক বাংলাদেশে বির্নিমানের। ফলশ্রতিতে প্রতিদিনের সূর্যাস্তের সাথে সাথে অপেক্ষা করে আগামী দিনের নতুন সূর্যোদয়ের।

16/07/2026

'স্বপ্নোত্থান' গত ২-৪ জুলাই তিনদিন ব্যাপী Swapnotthan Charity Film Festival 2026 আয়োজন করে।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ ফিল্ম ফেস্ট থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ ৩০,০০০ টাকা শাবিপ্রবির পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী আশরাফুল আলম এর চিকিৎসার জন্য প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, উনার দুটো কিডনি অকেজো হয়ে যাওয়ায় কিডনি প্রতিস্থাপন ও চিকিৎসা বাবদ প্রায় ৬০লক্ষ টাকার প্রয়োজন।

'স্বপ্নোত্থান' আশা করে আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগে আপনাদের সকলের সহযোগিতায় উনি অতি দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবেন।

Photos from Swapnotthan's post 05/07/2026

তিনদিন ব্যাপী 'স্বপ্নোত্থান' কর্তৃক আয়োজিত Swapnotthan Charity Film Festival 2026 এর ৩য় ও শেষদিন ছিল গতকাল।
আমাদের এই আয়োজনে ৩দিনে মোট ৬টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে।
আপনাদের সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

বি.দ্র.: আমাদের এই আয়োজন থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে উপযুক্ত চ্যারিটির কাজে ব্যবহৃত হবে। এসংক্রান্ত সকল আপডেট পরবর্তীতে আমাদের পেইজের মাধ্যমে জানানো হবে।

28/06/2026

আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, Swapnotthan Charity Film Festival 2026 আয়োজনের মূল লক্ষ্য ক্যান্সার আক্রান্ত ৬ বছরের ছোট্ট শিশু 'মরিয়ম জান্নাত তুবা' আর আমাদের মাঝে নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তুবা'র মৃত্যুতে 'স্বপ্নোত্থান' পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। 'স্বপ্নোত্থান' তুবা'র বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে৷

আমাদের 'Swapnotthan Charity Film Festival 2026' পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। উক্ত প্রোগ্রামের মাধ্যমেই আমরা অর্থ সংগ্রহ চালিয়ে যাবো এবং প্রাপ্ত লভ্যাংশ যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে পরবর্তী কোনো চ্যারিটির কাজে ব্যবহৃত হবে। এসংক্রান্ত সকল আপডেট পরবর্তীতে আমাদের পেইজের মাধ্যমে জানানো হবে।

25/06/2026

আজ ২৬ জুন, 'আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী দিবস'।
মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ১৯৮৭ সালে জাতিসংঘ দিনটিকে স্বীকৃতি দান করে। দিবসটির এবারের মূল প্রতিপাদ্য হলো, "World drug problem: persisting issues, new challenges, innovative responses"

'স্বপ্নোত্থান' বিশ্বাস করে, বিশ্বব্যাপী মাদকদ্রব্যের অবাধ বিস্তার প্রতিরোধে মাদকবিরোধী আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক নিরোধ শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি করার মাধ্যমেই মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

21/06/2026

আজ ২১ জুন, 'বিশ্ব বাবা দিবস'।
শৈশবে আঙুল ধরে চলতে শেখা থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি সময় মাথার উপর ছায়া হয়ে থাকা বাবা ছোটবড় অসংখ্য আত্মত্যাগের মাধ্যমে সন্তানকে মানুষ করে তোলেন। যেকোনো বিপদে দাঁড়িয়ে থাকেন ঢাল হয়ে৷
সন্তানের প্রতিটি সাফল্যের পেছনে নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে অনুপ্রেরণা দিয়ে যাওয়া মানুষটি ভালো থাকুক৷ ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল বাবা৷
'স্বপ্নোত্থান' এর পক্ষ থেকে বিশ্বের সকল বাবাদের জানাই শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

14/06/2026

“One Drop of Humanity. Give Blood. Save Lives. - WHO”

আজ, ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস৷ প্রতিবছর এইদিনে যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে রক্তদাতা দিবস পালন করা হয়। যারা মানবতার খাতিরে রক্তদান করে থাকেন, আপনাদের প্রতি স্বপ্নোত্থান পরিবার কৃতজ্ঞ।

রক্তদান একটি মহান কাজ। এক ব্যাগ রক্তে বেঁচে যেতে পারে একটি মানুষের জীবন। বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে স্বপ্নোত্থান আশা করে রক্তদান সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণার অবসান হবে এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

11/06/2026

আজ ১২ই জুন, বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস।
বিশ্বব্যাপী শিশুশ্রম প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এই দিবসটি চালু করে। দিবসটির এবছরের প্রতিপাদ্য হলো: "Red card to child labour: Fair play for children, decent work for adults"

সুন্দর সুষ্ঠ ও নিরাপদ পরিবেশে হেসে খেলে বেড়ে উঠার সুযোগ পাওয়া সমাজের প্রতিটি শিশুর অধিকার। কিন্তু শিশুদের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত না হওয়া, মানসম্মত শিক্ষা অর্জন করার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকা ও সামাজিক সচেতনতার অভাবে অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল পরিবারের শিশুরা নিজেদের সম্ভাবনাময় জীবনকে বিসর্জন দিয়ে যুক্ত হচ্ছে শিশুশ্রমে।

'স্বপ্নোত্থান' বিশ্বাস করে, দরিদ্রতা দূরীকরণ, মানসম্মত শিক্ষার প্রসার এবং শিশুদের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করার মাধ্যমেই শিশুশ্রমমুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব।

04/06/2026

আজ ৫ই জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষা ও পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ এই দিনটিকে 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রকৃতি আমাদের অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব। আজকের ছোট ছোট উদ্যোগই আগামী দিনের সবুজ পৃথিবী গড়ে তুলতে পারবে৷

'স্বপ্নোত্থান' বিশ্বাস করে, পরিবেশ রক্ষায় আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতাই পারে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, বাসযোগ্য ও দূষণমুক্ত পৃথিবী গড়ে তুলতে।

27/05/2026

আত্মার পরিশুদ্ধি আর ত্যাগের শিক্ষায় উজ্জীবিত হয়ে উঠুক সমাজ। প্রতিটি মানুষের মুখে ফুটে উঠুক হাসি। সব বিভেদের রেখা মুছে উৎসবের আনন্দে বিভোর হয়ে উঠুক প্রতিটি প্রাণ।

পবিত্র ইদ-উল-আযহা উপলক্ষে 'স্বপ্নোত্থান' পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।

ইদ মোবারক।

09/05/2026

'মা' শব্দটি ছোট হলেও এটি আমাদের প্রত্যেকের জীবনের সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে থাকে ৷ হাজারো ত্যাগ স্বীকার করে সন্তানকে স্নেহ মমতায় লালন পালন করে বড় করে তোলার মাঝেই 'মা' নিজেকে সার্থক মনে করেন।
'বিশ্ব মা দিবস' উপলক্ষে 'স্বপ্নোত্থান' এর পক্ষ থেকে বিশ্বের প্রতিটি মাকে জানাই শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা ।

হাসি আনন্দে ভরে উঠুক প্রতিটি মায়ের জীবন। মায়ের জন্য উৎসর্গ হোক বছরের প্রতিটি দিন।

Telephone

Website

Address


Sylhet
3114