Kalim Uddin

Kalim Uddin

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kalim Uddin, Writer, Sylhet.

10/08/2026

শেষ বেলায় তাই বলতে হয়,
আহা রে সংসার
কত কঠিন জটিল সরল সুন্দর!

15/07/2026

অমিমাংসিত সন্ধি
হেলাল হাফিজ
#নিঃশব্দে

13/07/2026

স্পষ্টভাষী শত্রু নির্বাক মৃত্যু অপেক্ষা শ্রেয়

মাটিতে কিছু খাবার দেখে ময়ূর সেটা খাওয়া শুরু করে দিল। কিন্তু ময়ূরী দেখল, কিছু দূরে এক দরবেশ এর মত লোক, সুফিয়ানা পোশাক পড়ে মাটিতে খাবার ছিটাচ্ছিল।

ময়ূরী বলল আমাদের সাবধান থাকতে হবে। যদি আমাদেরকে ধরার জন্য কোন ফাঁদ হয়ে থাকে?
ময়ূর বলল, ওই ভালো লোক তার সময় নষ্ট করে আমাদেরকে খাবার দিচ্ছে, আর তুমি সন্দেহ করছো? শুকরিয়া আদায় কর আর খাবার খাও।

কিছু সময় যেতেই সে দরবেশ এর মত লোকটি তার আল-খাল্লার নিচ থেকে তীর ধনুক বের করে চালিয়ে দিল। টিটি সোজা ময়ূরের গায়ে গিয়ে লাগলো এবং ময়ূর মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।

ময়ূরী চিৎকার করতে করতে বাদশার কাছে গিয়ে সব ঘটনা খুলে বলল।
বাদশা ঐ ব্যক্তিকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি ময়ূরকে ধোকা দিয়ে মেরেছো?
লোকটি বললো, হ্যাঁ। আমি একজন শিকারি আর এটাই আমার স্বীকার করার কৌশল।
বাদশা তখন ময়ূরী কে বললেন ফয়সালা এখন তোমার হাতে। বল তুমি কি শাস্তি দিতে চাও?

ময়ূরী কেঁদে কেঁদে বলল, হুজুর, আপনি শুধু একে এই নির্দেশ দিয়ে দেন যে, এ যদি শিকারি হয় তাহলে যেন শিকারির পোশাক পরে। তীর ধনুক হাতে রাখে। কোন দরবেশের লেবাস পড়ে যেন ধোঁকাবাজি করে কাউকে না মারে।

বাদশা তখন শিকারী কে বললেন, এটা নিঃসন্দেহে তোমার অন্যায় হয়েছে যে, তুমি শিকারি হওয়া সত্ত্বেও দরবেশের পোশাক পরে ধোঁকা দিচ্ছ।
নেকীর পোশাক পড়ে তুমি ধোঁকা দিয়ে জীব হত্যা করছো।

এতে করে যেমন তুমি অন্যায় করছো। তেমন তোমার কারনে সত্যিকারে যারা নেকি বান আছেন তাদেরকে তুমি কলুষিত করছো।
এইজন্য অবশ্যই তোমাকে শাস্তি পেতে হবে।
#স্পষ্টভাষীশত্রুনির্বাকমৃত্যুঅপেক্ষাশ্রেয়

13/07/2026

যার জন্য চুরি করলাম, সেই-ই কয় চোর

12/07/2026

সবার আগে নিজেকে ভালোবাসুন

নতুন বাসায় উঠার পর থেকেই একটা জিনিস বারবার চোখে পড়ছে,আমাদের বারান্দার মুখোমুখি পাশের বিল্ডিং এর একদম লাগোয়া বারান্দায় একজন মাঝবয়সি মহিলা,বয়স সর্বোচ্চ ৪০ হবে,তিনি প্রায়ই মন খারাপ করে বারান্দার গ্রীল ধরে দাড়িয়ে থাকেন,দিনে বা রাতের বেশীর ভাগ সময়টাতেই উনি বারান্দায়ই কাটান।
আমি যতোবার ই বারান্দায় যাই কাপড় চোপড় নাড়তে ততোবার ই চোখে পড়ে।
কখোনো কখোনো রাতে ঘুম ভাঙলে টয়েলেটে যাওয়ার সময় বারান্দা থেকে চাপা কান্নার স্বর শুনতে পাই।
আবিরকে বিষয়টা নিয়ে দুএকবার বলেছি,সে তেমন কোনো গুরুত্ব দেয়নি।
একদিন না পারতে আমি ঐ মহিলার সাথে যেচে পড়ে কথা বললাম,আমি জানতে চাই উনার কি এমন দুঃখ,কি এমন কষ্ট যে জীবনবটা একটা বারান্দায় সীমাবদ্ধ হয়ে গেলো।
কথায় কথায় জানতে পারলাম উনি একজন ক্যান্সার রোগী,ডাক্তার সময় বেধে দিয়েছে বড়োজোর ৭/৮ মাস বাচঁবে,এখন উনাকে দেখা শোনার জন্য উনার ছোটবোন এসে রয়েছে,সংসার সামলাচ্ছে,হাজবেন্ড ব্যাংকে চাকরি করেন,আর একমাত্র ছেলে কলেজে পড়ে,হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে,বাসায় উনারা তিনজন ই বলতে গেলে।
কথা গুলো শুনার পর ভেতরটা কেমন শূন্য হয়ে গেলো,মানুষের জীবনে কতরকম কষ্ট থাকে ভাবা যায়!আমি উনাকে আপা বলেই ডাকা শুরু করলাম,এরপর থেকে আপার সাথে আমার প্রতিদিন টুকটাক কথা হতো,আমি যতটুকু পারতাম আপাকে সংঙ্গ দিতাম,অল্প দিনের পরিচয়ে আপা কেমন আপন হয়ে গেলো আমার।

একদিন দুপুর বেলা আপার ডাকাডাকিতে আমার ঘুম ভেঙে গেলো,দৌঁড়ে বারান্দায় গেলাম,আপাকে খুব উষ্কখুষ্ক লাগছে,মলিন গলায় বললো মিরা তোমার বাসায় চিংড়ি মাছ আছে আমার খুব চিংড়ি ভুনা খেতে মন চাচ্ছে, আমার জন্য নিয়ে আসবে?

আমার মনটা ভিষন খারাপ হয়ে গেলো,এই প্রথম আপা মুখ ফুটে কিছু একটা খেতে চাইলো,কত সময় কত কিছু সেধেছি,নিতে চায়নাই,এখন যাও চাইলো কিন্তু বাসায় তো চিংড়ি নেই,আমি বললাম আপা চিংড়ি নেই,আমি ছোট আলু দিয়ে পাবদা মাছের ঝোল আর টমেটোর টক রান্না করেছি খাবেন?

আপা খুশিতে আপ্লুত হয়ে বলল,অবশ্যই খাবো,আমার খুব খুদা পেয়েছে,বাসায় তো কেউ নেই,আমার বোনকে টুকটাক কেনা কাটা করে দিতে আমার হাজবেন্ড শপিং এ নিয়ে গেছে,আর যা রান্না করা আছে তা মুখে দেওয়া যাচ্ছে না,রুচিতে কুলোয়না এখন সব খাবার।তাই তোমাকে বলা,কিছু মনে করোনা বোন।

আমি তরিঘরি করে টিফিন ক্যারিয়ার এ করে খাবার নিয়ে প্রথমবারের মতো আপার বাসায় গেলাম,
আপা আমাকে তার নিজের ঘরে নিয়ে বসালো।
আপার রুমে ঢুকে আমি ধাক্কা মতো খেলাম,ছোট সিংগেল একটা খাট,খুব এলোমেলো স্টোর রুমের মতো একটা রুম,এটার সাথে বারান্দাটা,পাশের রুমটা পরিপাটি গুছানো,কাপল রুম বোঝাই যাচ্ছে,হিসেব অনুযায়ী ওটা আপার রুম হওয়ার কথা।
আমার মনে হাজারটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, তবু চুপ করে রইলাম।
আপা খুব তৃপ্তি নিয়ে সবটুকু খাবার খেলো,খাওয়া শেষে আমার কাধে হাত রেখে বললো কতদিন পর পেট ভরে খেলাম জানিনা,আল্লাহ তোমাকে সুখি করুক।
আপা তার ছেলের ছবি দেখালো,কতশত গল্প আওড়ালো,আমি মনোযোগ দিয়ে সব শুনলাম,হয়তো অনেকদিন পর মন খুলে কথা বলছে,তবে আমার মনের কনফিউশন আর ধরে রাখতে না পেরে বললাম,আপা পাশের রুমটায় কে কে থাকে?
আপনি এখানে একা থাকেন?

আপা মুহুর্তেই কেমন স্তব্ধ হয়ে গেলো,অন্যদিকে দৃষ্টি রেখে বললো,বোন ডেকেছো লুকাবো কি আর বলো?
আসোলে ঐটা আমার সতীনের সংসার,সে আমার বোন নয়!সংসারটা আমার ছিলো, এইতো গত বছর ও ঐ রুমটাই আমি আর শফিক থাকতাম আর এটায় আমার ছেলে থাকতো।সাজানো গোছানো ছিমছাম সংসার।
আমি কিছু বলার আগেই আপা আমার দুইহাত মুঠোতে নিয়ে বলল,মিরা আমার জীবনে অনেক দুঃখ,তোমার কি দুদন্ড সময় হবে কথা গুলো শোনার?
খুব হাসফাস লাগে জানো কাউকে বলতে পারিনা।আল্লাহ ছাড়া কাউকে পাইনা বলার,কিন্তু আল্লাহ তো নিশ্চুপ থাকে,আমাকে শান্তনা দেয়না,শান্তনা কই পাবো বলোতো?
বলেই আপা ঝরঝর করে কেঁদে ফেলল।

আমি আপার নিষ্প্রাণ চোখের দিকে তাকিয়ে রইলাম,গলা দিয়ে আমার কোনো কথা বেরুচ্ছে না।

আপা নিজেকে সামলে নিয়ে আবার বলতে শুরু করল,জানো মিরা আমার যখন প্রথম ক্যান্সার ধরা পড়ে তখন ডাক্তার বলেছিলো ইন্ডিয়া গিয়ে চিকিৎসা করালে আমি সুস্থ হয়ে যেতে পারি,অনেক টাকা লাগবে,সেদিন বাসায় আসার পর তুহিনের আব্বু যখন হাউমাউ করে কান্না করছিলো আমি তাকে শান্তনা দিয়ে বলেছিলাম,কেঁদোনা,আমি সুস্থ হয়ে যাবো, গ্রামের বাড়ির উত্তরের জমিটা বেঁচে দেও,চিকিৎসার টাকা জোগাড় হয়ে যাবে,তখন সে মাথা নেড়ে হ্যা সূচক সম্মতি জানালেও,কিছুদিন পর যখন আবার বললাম কি ব্যবস্থা করছো জানাও না তো কিছু!

তখন ই তুহিনের আব্বু আমতা আমতা করে বলল,আমাদের তুহিনের ভবিষ্যতের কথা তো ভাবতে হবে,একটা মাত্র জমি বেঁচে দেওয়া কি ঠিক হবে?,আর তা ছাড়া তুমি সুস্থ হবে এটার শিউরিটি তো ডাক্তার দিচ্ছে না,যদি শিউর হতাম তবে না হয় বেচেই দিতাম।
আমি খুব অবাক হয়ে তুহিনের আব্বুর মুখটা দেখলাম,হুট করে খেয়াল করলাম ঐ চেহারায় কোনো মায়া নেই,ভালোবাসা নেই,কিচ্ছু নেই আমি তাহোলে এতোদিন মরিচিকার পেছনে ছুটেছি।মানুষ কত নিষ্ঠুর হয়,১৯ বছর সংসার করার পর তার মনে হলে আমার মৃত্যু মেনে নেওয়াটা খুব সহজ!
সেদিন থেকে আমার মৃত্যু ভয় শুরু হলো,কেননা আমি বুঝে গিয়েছিলাম আমার বেঁচে থাকার চেয়ে জমি থাকাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ,আমি নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য প্রহর গুনতে শুরু করলাম। তখন আমার ছেলেটা আমার কাছেই থাকতো,এরপর ওর বাবা তরিঘরি করে ওকে হোস্টেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করলো,বললো আমার অসুস্থতা দেখে নাকি ছেলের পড়াশোনার ক্ষতি হবে,সেদিন না বুঝলেও পরে বুঝেছিলাম কেনো ছেলেকে হোস্টেল এ পাঠিয়েছে যখন দেখলাম আমি বেঁচে থাকতেই নতুন কাউকে আমার সংসার হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুঝলে মিরা আমার স্বামী আমাকে বুঝ দিয়েছে আমাকে দেখাশোনা করার জন্য নাকি লোক লাগবে,তাই বিয়ে করে এনেছে যেনো সমাজ আবার খারাপ কথা না বলতে পারে।
কিন্তু আমার খোজ নিতে কেউ তো এ ঘরে উকিও দেয় না,আমি শরীরের যন্তনায় যখন চিতকার করি তারা বিরক্ত হয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়,
আমি রাতেও বারান্দায় বসে থাকি,এ ঘর থেকে পাশের ঘরের সুখের আওয়াজ শুনতে আমার ভিষন কষ্ট হয়,আমার শারীরিক কষ্টের চেয়ে মানসিক কষ্ট খুব বেশী হয়।তাদের সুখের সংসার,প্রেম ভালোবাসা এগুলো আমি সহ্য কেনো করতে পারছিনা বলোতো?
জানো একদিন রাতে আমার স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রী আবদার করলো নতুন বড় ফ্ল্যাট কিনে দিতে,আমার প্রানপ্রিয় স্বামী তাকে আশ্বস্ত করে বলল,"এখন ফ্ল্যাট কিনলে সবার চোখে সে খারাপ হয়ে যাবে যে চিকিৎসা কেনো করালো না, সে শান্তনার স্বরে বললো আর তো কয়েকটা মাস এরপর তোমার মনের মতো করে সব গুছিয়ে দিবো,চিন্তা করোনা"
সেদিন সারারাত আমি হাউমাউ করে কেঁদেছি,কার জন্য সংসার সাজালাম,কাকে উজার করে ভালোবাসলাম,সে কিনা আমার মৃত্যুর প্রহর গুনে?আমি কখোনো কিচ্ছু চাইনি ওর কাছ থেকে ভালোবাসা ছাড়া,আর সেটাও পেলাম না।
আত্মহত্যা মহাপাপ না হলে কবে নিজেকে শেষ করে ফেলতাম।কথা গুলো বলতে বলতে আপা জোরে শ্বাস নিতে শুরু করলো।
আপার সাথে সাথে আমার চোখ থেকেও পানি ঝরছে,আবিরের মুখটা চোখের সামনে ভেসে উঠছে।
আমি আপাকে শান্ত করার চেষ্টা করে বললাম,আপা আল্লাহ আপনার ধৈর্যের ফল নিশ্চয়ই দিবেন,আপনি পরপারে সুখি হবেন।

কেনো জানিনা বাসায় ফিরে আমি হাউমাউ করে কাদলাম,আমার আপার জন্য ভয়ানক কষ্ট হতে লাগলো,কত নির্মম কষ্ট আল্লাহ কারো কারো জন্য নির্ধারন করে রেখেছে ভাবতেই শিউরে উঠছি।একটা মানুষ মৃত্যুর আগে না পাচ্ছে চিকিৎসা না পাচ্ছে স্বামীর ভালোবাসা,সন্তানটাও দূরে।
রাতে আবিরের বুকে মাথা রেখে কাঁদতে কাঁদতে বললাম পুরুষ মানুষ শুধু শারীরিক সুখ খুজে তাইনা আবির?মনের কোনো দাম নেই ওদের কাছে।

আবির ভারী গলায় বললো,সবাইকে এক পাল্লায় মেপোনা,তুমি যখন অসুস্থ হও আমি সারারাত জেগে তোমার সেবা করতে করতে কখোনো ক্লান্ত বোধ করিনা,যখন তুমি সুস্থ হও তখন খুব শান্তি অনুভব হয় যে আমি সেবা করে তোমাকে সুস্থ করতে পেরেছি।সেবা করায়,যত্ন করায় ও যে সুখ আছে এটা খুব কম মানুষ ই উপলব্ধি করতে পারে।আমি ভাগ্যবান এদের মাঝে আমিও আছি।
আমি আবিরকে জরিয়ে রেখে বললাম,আমাকে ছেড়ে যেওনা প্লিজ।

এর মাঝে আমার শাশুড়ী অসুস্থ হওয়ায় আমাকে গ্রামে যেতে হলো,যাওয়ার সময় আপাকে কথা দিয়েছিলাম ফিরে এসে আপাকে চিংড়ি ভুনা খাওয়াবো।
কিন্তু ফিরে এসে দেখি আপা তো নাই,শুন্য বারান্দায় হাহাকার,আমার ভিতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো,আপার তো আটমাস বাচার কথা ছিলো,এখোনো ২ মাস বাকি।
আমি ছুটে গেলাম ও বাড়িতে, খোজ নিয়ে জানলাম আপা মারা গেছেন,তবে ক্যান্সারে নয়,হার্ট এ্যাটাক করে।আপাকে খালি বাসায় ২ দিনের রান্না করে দিয়ে নাকি তারা স্বামী স্ত্রী শশুড় বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন,
তিনদিন পর এসে আপাকে মৃত দেখতে পান,পুরো একদিন আপার লাশ রুমে পড়ে থেকে পঁচন ধরেছিলো।
তাই পুলিশ কেস হয়,পোস্ট মার্টোম এ জানা যায় আপা ভয় এবং মানসিক চাপ থেকে হার্টস্ট্রোক করে মারা যান!
আপা ভেবেছিলো ক্যান্সারে মরবেন,কিন্তু আপা তো রোগে মরেনি,আপাকে খুন করা হয়েছে,কতটা অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে আপা দুনিয়া ছেড়েছে।পুরো অন্ধকার বাসায় আপা মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করেছে,পাশে বসে মাথায় হাত বুলানোর কেউ ছিলো না,দোয়া পড়ার কেউ ছিলো না,শুন্য বাসায় আপা একবুক অভিমান নিয়ে পৃথিবী ছেড়েছে।
আমার ভেতরটা ভেঙেচুরে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে, আপাকে দেওয়া কথা তো রাখতে পারলাম না।আপাকে আর চিংড়ি ভুনা খাওয়ানো হলো না।এই আফসোস নিয়ে আমাকে সারাটা জীবন কাটাতে হবে।

আপার মৃত্যুর পর আমি কয়েকমাস মানসিক সমস্যায় ভুগেছি,মাঝরাতে উঠে আবিরকে জরিয়ে ধরে চিৎকার করে বলতাম আমাকে ছেড়ে যেওনা,আমাকে একা রেখোনা!
আবির এর যত্নে আস্তে আস্তে ট্রমা কাটিয়ে উঠলেও এখনো মাঝে মাঝে তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় আপাকে জানালার গ্রীল ধরে দাড়িয়ে থাকতে দেখি,আপার চুলো গুলো এলোমেলো,চোখের নিচে কালশিটে দাগ,আপা উদাস হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে,আমি চিৎকার করে আপাকে ডাকি, আপা আপনাকে ছাড়া আমি চিংড়ি খাবো না,কখনো না,কিন্তু আপা তো আমার ডাক শুনতে পায়না।

এই মহাবিশ্বে মানুষ চেনা বড়ই কঠিন... যাদের জন্য আপনি সব করছেন, বিশ্বাস করুন—বিছানায় পড়ে গেলে তাদের কেউ আপনাকে মনে রাখবে না। তাই সবার আগে নিজেকে ভালোবাসুন।

#সবার #আগে #নিজেকে #ভালোবাসুন।

12/07/2026

নিঃশব্দে পাতা ফাঁদ

মানুষকে ফাঁদে ফেলার সবচেয়ে নিঃশব্দ পদ্ধতিগুলোর একটি হলো শব্দহীন যত্ন। এটা চিৎকার করে না, ঘোষণা দেয় না।চুপচাপ আপনার জীবনের ফাঁকা জায়গাগুলো পূরণ করতে শুরু করে।
ধরুন, আপনি একটা ঘরে থাকেন যেখানে অনেকদিন ধরে আলো কম। আপনি অভ্যস্ত হয়ে গেছেন অন্ধকারে চলাফেরা করতে। হঠাৎ একদিন কেউ এসে খুব আস্তে করে একটা বাতি জ্বালিয়ে দিল। চোখ ঝলসে গেলেও আপনি স্বস্তি পেলেন। মনে হলো,এই আলোটাই তো দরকার ছিল।
সমস্যাটা আলোতে না, সমস্যাটা হলো,আলোটা কার হাতে।
কিছু মানুষ আছে, যারা আপনার জীবনে আলো হয়ে আসে না,ওরা আলো “নিয়ন্ত্রণ” করতে আসে। তারা জানে, আপনি কোথায় ক্লান্ত, কোথায় ভাঙা, কোথায় শুনতে চান “তুমি যথেষ্ট” আর ঠিক সেখানেই তারা স্পর্শ করে।
শুরুটা সবসময়ই অদ্ভুত সুন্দর হয়।
আপনি লক্ষ্য করবেন, সে আপনাকে “বুঝতে” শুরু করেছে আপনার চেয়েও দ্রুত। আপনি যেটা বলতে দ্বিধা করেন, সে সেটাই বলে দেয়। আপনি যেটা পেতে চেয়েছিলেন, সেটা সে আগেই সাজিয়ে রাখে। যেন আপনি কোনো গল্পের চরিত্র, আর সে আগেই পুরো স্ক্রিপ্ট পড়ে এসেছে।
এই অনুভূতিটা নেশার মতো।
কারণ এখানে ভালোবাসার চেয়েও বড় কিছু কাজ করে। কেউ যখন আপনাকে এমনভাবে দেখে, যেভাবে আপনি নিজেকেও ঠিকমতো দেখেন না,আপনি তার দিকে ঝুঁকে পড়বেন, এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু একটা জায়গায় খেয়াল করুন, সে কি আপনাকে ধীরে ধীরে জানছে, নাকি দ্রুত “ডিকোড” করে ফেলছে?
যারা সত্যিকারের থাকে, তারা আপনাকে বুঝতে সময় নেয়। যারা ধোকা দিতে আসে, তারা আপনাকে বুঝতে তাড়াহুড়া করে।
কারণ তাদের কাছে আপনি একজন মানুষ নন, আপনি একটা প্যাটার্ন।
শুরুতে তারা দেয় সময়, মনোযোগ, প্রশংসা, নিশ্চয়তা, গুরুত্ব।
কিন্তু এগুলো তারা থাকার জন্য দেয় না। এগুলো তারা দেয় দূরে সরে যাবার জন্য।
আপনি যখন ভাবতে শুরু করেন, এই মানুষটা আলাদা। ঠিক তখনই আপনি আস্তে আস্তে নিজের কিছু অংশ তার হাতে তুলে দিতে থাকেন। আপনার ভয়, আপনার অভাব, আপনার একাকিত্ব,সব।
এবং মজার বিষয় হলো, আপনি নিজেই বুঝতে পারেন না কখন আপনি নিজের ভেতর থেকে বের হয়ে তার ভেতরে বাস করতে শুরু করেছেন।
তারপর একদিন, সবকিছু বদলাতে শুরু করে।
কোনো বড় ঘটনা না, কোনো নাটকীয় ভাঙন না,শুধু ছোট ছোট ফাঁক তৈরি হয়। মেসেজের মাঝে দেরি। কথার মাঝে অনাগ্রহ। যত্নের জায়গায় ব্যস্ততা। নিশ্চয়তার জায়গায় অস্পষ্টতা।
আপনি প্রথমে নিজেকে বোঝান, “হয়তো ও ব্যস্ত” “হয়তো সময়টা খারাপ” “হয়তো আমি বেশি ভাবছি”
কারণ আপনি যাকে চিনেছেন শুরুতে, তাকে হারাতে আপনার ভয় লাগে।
কিন্তু সত্যিটা অনেক সময় শুধু কঠিন না অস্বস্তিকর।
সে নতুন কিছু হয়ে যায়নি। সে আসলে আগের মতোই আছে।আপনি শুধু এবার তাকে স্পষ্ট দেখছেন।
শুরুর যত্নটা ছিল একটা দরজা খোলার চাবি। ভেতরে ঢোকার পর সেই চাবির দরকার আর পড়ে না।
সবচেয়ে অদ্ভুত অংশটা হলো,আপনি তাকে দোষ দিতেও কষ্ট পান।
কারণ আপনার মনে পড়ে, সে তো একসময় আপনার জন্য এত কিছু করেছিল। সে তো আপনাকে অন্যরকম অনুভব করিয়েছিল। সে তো আপনাকে “বিশেষ” বলেছিল।
কিন্তু একটা জিনিস আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, কেউ আপনাকে একসময় ভালো অনুভব করিয়েছে মানেই সে ভালো মানুষ, এমন কোনো নিয়ম নেই।
অনেক সময়, সবচেয়ে নিখুঁত অভিনয়টাই সবচেয়ে সত্যি মনে হয়।
আরেকটা জটিল ব্যাপার আছে, সে পুরোপুরি হারিয়ে যায় না।
মাঝে মাঝে ফিরে আসে। একটু কথা, একটু যত্ন, একটু পুরনো vibe নিয়ে। যাতে আপনি আবার ভাবেন,“হয়তো এবার ঠিক হবে”
এই অর্ধেক উপস্থিতি মানুষকে পুরো অনুপস্থিতির চেয়েও বেশি আটকে রাখে।
কারণ আপনার মস্তিষ্ক একটা অসমাপ্ত গল্প শেষ করতে চায়।
আপনি অপেক্ষা করেন, আবার আগের মতো হবে, আবার সে বদলাবে, আবার সব ঠিক হবে।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, যে সম্পর্ক আপনাকে বারবার “আগের মতো হওয়ার” আশা দেখায়, সেটা আসলে কখনোই স্থির ছিল না।
তাই হয়তো নিজেকে কিছু প্রশ্ন করা দরকার,
সে কি আপনাকে শান্তি দেয়, নাকি উত্তেজনা দিয়ে ক্লান্ত করে? সে কি আপনাকে স্থির করে, নাকি অনিশ্চয়তায় রাখে? সে কি আপনাকে নিজের কাছে ফিরিয়ে দেয়, নাকি নিজের থেকেই দূরে সরিয়ে দেয়?
কারণ সত্যিকারের মানুষ আপনার জীবনে ঢুকে আপনার ভেতরের জায়গা দখল করে না।সে আপনার পাশে জায়গা নেয়।
সে আপনাকে মুগ্ধ করতে ব্যস্ত থাকে না। সে আপনাকে নিরাপদ রাখতে ধারাবাহিক থাকে।
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সে আপনাকে এমন আলো দেয় না, যাতে আপনি অন্ধ হয়ে যান। সে এমন আলো দেয়, যাতে আপনি সবকিছু পরিষ্কার দেখতে পারেন।এমনকি তাকেও।
মনে রাখবেন, যে আলো চোখ ধাঁধিয়ে দেয়, সেটা সবসময় পথ দেখায় না। কখনো কখনো সেটা শুধু দিক ভুলিয়ে দেয়।
#নিঃশব্দে #পাতা #ফাঁদ

28/06/2026

জোয়ার ভাটার প্রেম

হারিয়ে যেতে যেতে
হঠাৎই খোঁজে পেলাম এক নদীকে।
দূকুল ছাপিয়ে ওঠা উচ্ছ্বাস আর,
বেগবান স্রোতের মাঝে ভাসিয়ে দিলেম নৌকো।
ভেসে যেতে যেতে
দেখা হলো বাতাসের সাথে।
প্রবল প্রলয়ঙ্কর ঝর আর
ঘূর্ণাবর্তের মাঝে খড়খুটোর মতো
উড়ে চললাম আমি।
উড়ে যেতে যেতেই পরিচয় হয় বৃষ্টির সাথে।
বর্শার ফলার মতো সে তখন
বিঁধছে শরীর আমার,
অক্লেশে ভিজে চললাম আমি।

ভিজতে ভিজতেই
হাত বাড়ালাম একটু উষ্ণতার জন্য।
দৃঢ় আলিঙ্গনের উত্তাপে
পুড়ে যেতে যেতেই হারালাম নিজেকে,
আবিষ্কার করলাম জোয়ার ভাটার প্রেম।
যে জোয়ার ভাটার প্রেম আজও ভাসায়,
আজও ডুবায়।
এভাবেই যদি নদী সাগরের দেখা পায়,
তবেই তার স্বার্থকতা অন্যথায় বৃথা।

22/06/2026

আসুন আজকে একটু অন্ধকারে চাপা পড়া ইতিহাস জেনে নেইঃ
১৯৪৭ সালে আমরা জানি ভারতীয় উপমহাদেশ ভেঙে দুটি দেশ সৃষ্টি হয়। কিন্তু না, এটা ভুল ইতিহাস আমরা জানি।ভারতীয় উপমহাদেশ ভেঙে হয় মোট ৪ টি নতুন ও স্বতন্ত্র দেশ। ভারত,পাকিস্তান, জুনাগড়,হায়দারাবাদ।এছাড়াও ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাষন এর বাহিরে আরো তিনটি দেশ ছিলো। গোয়া,কাশ্মির এবং সিকিম।ভারত পাকিস্তান এর ইতিহাস তো আমরা মোটামুটি জানি, বাকিগুলোর ইতিহাস এবারে বিস্তারিত জানি। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের 'ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭' অনুযায়ী, এই রাজ্যগুলোর ওপর থেকে ব্রিটিশ আধিপত্য (Suzerainty) শেষ হয়ে যায়। তাদের সামনে তিনটি পথ খোলা ছিল:
>​ভারতের সঙ্গে যোগ দেওয়া।
>​পাকিস্তানের সঙ্গে যোগ দেওয়া।
>​অথবা, স্বাধীন থাকা।

​হায়দ্রাবাদ ও জুনাগড়ঃ
এই রাজ্যগুলো শুরুতে স্বাধীন থাকার চেষ্টা করেছিল।কিন্তু ভারত তাদেরকে হুমকি মনে করলো। কারন এগুলোর চতুরপাশেই ছিলো ভারতীয় সিমান্ত। তবুও হায়দ্রাবাদের নিজাম স্বাধীন থাকতে চেয়েছিলেন, আর জুনাগড়ের নবাব পাকিস্তানে যোগদানের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভারত সরকার সামরিক এবং রাজনৈতিক চাপের মাধ্যমে (যেমন হায়দ্রাবাদে 'অপারেশন পোলো') এই দেশগুলোকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়।

​কাশ্মীরঃ
কাশ্মির তখন ছিলো স্বাধীন। কাশ্মির এর মহারাজা হরি সিং শুরুতে স্বাধীন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে অধিক জনসংখ্যা মুসলিম হওয়ায় জনগন চেয়েছিলো পাকিস্তানে যোগ দিতে। তাই মহারাজা হরি সিং পড়ে যান চাপে।তখন ভারত ছিলো কাশ্মীর এর বন্ধু। তিনি ভারতের কাছে সাহায্য চান। ভারত তখন সেখানে তাদের সেনাবাহিনী প্রবেশ করায়, ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রবেশ দেখে পাকিস্তান ও তাদের সেনাবাহিনী পাঠায়, ফলাফল কাশ্মীর দুই ভাগে বিভক্ত। এক অংশ ভারত দখল করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় অন্য অংশ পাকিস্তান।

​সিকিমঃ
সিকিম ব্রিটিশ ভারতের অংশ ছিল না। এটি ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত একটি রাজতন্ত্র ছিল। সিকিমের রাজা বা চোগিয়াল পালদেন থোনদুপ নামগিয়াল রাজতন্ত্র ধরে রাখতে চাইলেও জনগণের একটি বড় অংশ মনে করত যে, রাজতন্ত্র তাদের প্রগতি ও রাজনৈতিক অধিকারের পথে বাধা। ১৯৫০-এর দশকে যে রাজনৈতিক সচেতনতা শুরু হয়েছিল, তা ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে তীব্র রূপ নেয়। ১৯৭৩ সালে রাজপ্রাসাদের সামনে ব্যাপক জনবিক্ষোভ হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভারতের সহায়তা চাওয়া হয়। ফালাফল সিকিম ভারতের রাজ্য হয়ে যায়।

​গোয়াঃ
গোয়া কখনোই ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল না। এটি ছিল পর্তুগিজদের অধীনে একটি উপনিবেশ। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হলেও গোয়া পর্তুগিজদের দখলেই ছিল। ভারত পর্তুগিজ দের তাড়াতে ১৯৬১ সালে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ভারত গোয়াকে পর্তুগিজ শাসন থেকে মুক্ত করে এবং ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে। কারন গোয়া আলাদা থাকলে তা হতো ভারতের জন্য খুবই বিপদজনক।

এবার আসি ১৯৭১ এর প্রসঙ্গে। ভারত কি সত্যি আমাদের সাহায্য করেছিলো? আসলে ভারত চেয়েছিলো পাকিস্তান কে তাড়িয়ে তারা নিজেদের দখলে নিবে। কিন্তু বাংলাদেশের ততকালীন নেতারা মুক্তিযুদ্ধ শেষে সর্বপ্রথম ভারতীয় সেনাবাহিনী কে ফেরত যেতে বললো। আসলে বিষয়টা তখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচনার বিষয় ছিলো। ততকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং চিনের মতো দেশগুলো এই যুদ্ধে প্রবেশের চেষ্ঠা করেছিলো। ফলে ভারত সেই সময় তাদের সেনাবাহিনী ফেরত নিতে বাধ্য হয়। কিন্তু তাদের মনে সেই ক্ষত থেকে যায়। আজকের দিনে দাড়িয়ে একটা চিন্তা করেন যে বাংলাদেশ ভারত এর জন্য কতোটা হুমকি। চতুর্পাশে ভারত কিন্তু বাংলাদেশ মাঝখানে তাদের বাধা।তাদের সেভেন সিস্টার বাচাতে হলে বাংলাদেশ লাগবে।আবার সেই অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠা করতে গেলেও বাংলাদেশ লাগবে। কিন্তু তারা বহু চেষ্টা চালিয়েছে ইভেন এখন পর্যন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ফলাফল আমাদের দেশে সামরিক সক্ষমতার দিকে তাকালে বুঝা যায়। কারন এ পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় থেকে ভারতের কথামতো চলেনি তাদের পরিনাম খারাপ হয়েছে। উদাহরণ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, জিয়াউর রহমান ততকালীন জামায়াত নেতাদের পরিনতি দেখলেই বুঝা যায়। ভারতের চেষ্টা চলতেছে এখন ভিন্ন লেভেলে। আমি জানি না তারেক রহমান সরকার কার কথামতো চলছে।কিন্তু খালেদা জিয়া সরকার থাকা কালিন পর্যন্ত তিনি ভারতের দিকে ঝুকেননি। তার ফলাফল কি হয়েছে সেটাও আমরা দেখেছি। কিন্তু ভারত চাচ্ছে এমন কোনো সুযোগ যাতে তারা সামরিক অভিযান বা হস্তক্ষেপ করতে পারে। আপনি একটা বিষয় খেয়াল করবেন ভারত আমাদের কে চাল ডাল পেয়াজ এমনকি তেল সহ অন্যান্য জিনিস আমাদের সাথে বানিজ্য করছে। সেইটা নিয়ে অনেক ভারতীয় আমাদের খোটা দেয়। কিন্তু একটাবারও ভেবে দেখেছেন তারা চাইলে কিন্তু এই বানিজ্য বন্ধ করতে পারে।কিন্তু কেনো করে না জানেন। তখন আমাদের বিকল্প দেশ থেকে আমদানি করতে হবে। হোক চায়না বা হোক পাকিস্তান। তার ফলাফল কি হবে,তাদের সাথে আমাদের ভালো বন্ধুত্ব সম্পর্ক তৈরি হবে। আর এটাই চায় না ভারত। আমাদের মধ্যেই এমনও লোক আছে যারা এখনও বলে যে ভারত আমাদের বন্ধু। আমি বলবো তারা ইতিহাস জানে না আর নয়তো তারা চায় যে বাংলাদেশ ভারতের অংশ হোক।

সোর্সঃ ​"The Last Days of the British Raj"
​লেখক: লিওনার্ড মোসলি।

Category

Website

Address


Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kalim Uddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Sylhet.