Channel MB
“মানবতার লক্ষ্যে,আগামীর পথে”
উপদেষ্টা মন্ডলী:-
শাহ-আলম চৌধুরী-(সাংবাদিক,কানাডা)
লিংকন ডি কস্টা-(মানবাদিকার কমী,কানাডা)
সাফায়েত আল আমিন-(কলাম লেখক,আমেরিকা)
আইন উপদেষ্টা:-
এড,জাহিদুল ইসলাম
এড,আবু মামুন
প্রধান সম্পাদক:-
এম এম আর
প্রধান সংবাদ-বিভাগ সম্পাদক:-
সৈয়দ তাহসান
শাহ এমরান মিরন
প্রধান এডমিন সম্পাদক:-
মাহফুজ আহমেদ জাম
রুমা আক্তার চৌধুরী
রুহান আহমেদ
রাকিন আল হাসান
মোছা: মিলি আক্তার লিলি
মাহাদী ইসলাম শুভ
দিপন
শিশির খানম শিশি
মুনিম খাঁন
টিপু সুলতান(রকি)
আহমেদ কবি
এডমিন:-
মৌমিতা মৌ-ঢাকা
জান্নাত আরা নিপা-খুলনা
শেফালী রায়-চাঁদপুর
জুলি আক্তার-নড়াইল
দিপা রানী-বরিশাল
তিন্নী বেগম-কুমিল্লা
নাওমী রহমান মৌ-ময়মনসিংহ
লাবনী আক্তার লিমা-সিলেট
যোগাযোগ:-
Mob:-+16742358001
[email protected]
ফিরে দেখা
Manisha Chakraborty
07/08/2026
04/08/2026
🇫🇷 ফ্রান্সে পরিবার আনার পর কেন অনেক প্রবাসী স্বামী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ?
অনেক প্রবাসী স্বামী এমন একটি কথা কখনো মুখে বলেন না, কিন্তু মনে মনে বহুবার ভাবেন—“হয়তো পরিবারকে প্যারিসে নিয়ে আসাটাই আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল।” এই কথার অর্থ পরিবারকে ভালো না বাসা নয়। বরং এর পেছনে লুকিয়ে থাকে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ক্লান্তি, মানসিক চাপ, দায়িত্ব আর অসহায়ত্বের গল্প।
একজন প্রবাসীর জীবন শুরু থেকেই সহজ নয়। পরিবারকে নিজের কাছে নিয়ে আসার জন্য তিনি বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করেন। ছোট্ট একটি রুমে অনেকজন মিলে থাকেন, দুই-তলা খাটে ঘুমান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দিন কাটান, নিজের ইচ্ছা-শখ বিসর্জন দেন এবং অতিরিক্ত সময় কাজ করেন। তার একটাই স্বপ্ন থাকে—একদিন স্ত্রী-সন্তানকে নিজের কাছে এনে একটি সুন্দর ও নিরাপদ জীবন উপহার দেবেন।
কিন্তু পরিবার বিদেশে আসার পর বাস্তবতা অনেক সময় সেই স্বপ্নের সঙ্গে মেলে না। নতুন দেশে এসে সবারই কিছু প্রত্যাশা থাকে, যা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই প্রত্যাশাগুলো অনেক বড় হয়ে যায়। ভালো বাসা, সুন্দর আসবাবপত্র, গাড়ি, নিয়মিত ঘুরতে যাওয়া, ভালো স্কুল, ভালো পরিবেশ—সবকিছু একসঙ্গে চাওয়া শুরু হয়। অথচ একজন মানুষের আয় দিয়ে একসঙ্গে সবকিছু পূরণ করা সব সময় সম্ভব হয় না।
অনেক পরিবারের প্রথম অভিযোগ থাকে, “এত ছোট বাসায় থাকতে হবে কেন?” কিন্তু খুব কম মানুষই বুঝতে চেষ্টা করেন যে প্যারিসে একটি বড় বাসা ভাড়া নেওয়া কতটা ব্যয়বহুল। যে মানুষটি এতদিন একা কষ্ট করে থেকেছেন, তিনি ইচ্ছা করলেই রাতারাতি সবকিছু বদলে দিতে পারেন না।
এরপর আসে নতুন নতুন প্রশ্ন। “গাড়ি নেই কেন ? ” “অমুকের মতো জীবন আমাদের নয় কেন?” “সব সময় কাজ করো, পরিবারের জন্য সময় কোথায়?” কিন্তু এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুব সহজ। একজন প্রবাসী যদি প্রতিদিন দীর্ঘ সময় কাজ না করেন, তাহলে সংসারের খরচ, বাসাভাড়া, বিল, সন্তানদের ভবিষ্যৎ—সবকিছু সামলানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে চান না, এমন নয়; বরং পরিবারের প্রয়োজন মেটাতেই তাকে পরিবারের বাইরে বেশি সময় কাটাতে হয়।
আরেকটি বিষয় একজন প্রবাসীকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়, সেটি হলো তুলনা। “অমুক নতুন গাড়ি কিনেছে”, “তমুক ব্যবসা শুরু করেছে”, “ওরা বড় বাসায় থাকে”, “ওরা প্রতি মাসে বেড়াতে যায়”—এই ধরনের তুলনা একজন মানুষের আত্মবিশ্বাসকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেয়। কিন্তু কেউ জানে না, প্রত্যেক মানুষের আয়, সুযোগ, দায়িত্ব এবং ভাগ্য এক নয়।
এর সঙ্গে যোগ হয় প্রশাসনিক জটিলতা। অনেক সময় সেজুর (Titre de séjour) নবায়ন বা প্রিফেকচারের কাগজপত্র দীর্ঘদিন আটকে থাকে। এসব বিষয় একজন স্বামীর নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তবুও পরিবারের উদ্বেগ, হতাশা এবং মানসিক চাপের বড় অংশ তাকেই বহন করতে হয়।
একজন স্বামীর সবচেয়ে বড় কষ্ট অভাব নয়, বরং নিজের পরিবারের চোখে হতাশা দেখা। সন্তানের ছোট্ট একটি ইচ্ছা সঙ্গে সঙ্গে পূরণ করতে না পারার কষ্ট, স্ত্রীর মুখের চিন্তা, আর নিজের অসহায়ত্ব কাউকে বলতে না পারার যন্ত্রণা—এসবই তাকে প্রতিদিন ভেতর থেকে ভেঙে দেয়। তবুও তিনি পরিবারের সামনে হাসিমুখে থাকেন, যেন সবকিছু ঠিক আছে।
প্রবাস জীবন বাইরে থেকে যতটা সুন্দর মনে হয়, বাস্তবে ততটাই কঠিন। এখানে প্রতিটি অর্জনের পেছনে থাকে অসংখ্য ত্যাগ, ঘাম, নির্ঘুম রাত এবং অজানা সংগ্রাম। তাই একজন প্রবাসীকে শুধু উপার্জনকারী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও বোঝার চেষ্টা করা উচিত। তারও অনুভূতি আছে, ক্লান্তি আছে, স্বপ্ন আছে এবং ভেঙে পড়ার মুহূর্তও আছে।
একটি পরিবার তখনই সুখী হয়, যখন সেখানে শুধু প্রত্যাশা নয়, পারস্পরিক বোঝাপড়া, ধৈর্য, সম্মান এবং কৃতজ্ঞতাও থাকে। একজন স্বামী যদি পরিবারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন, তাহলে তার পাশে দাঁড়ানোও পরিবারের দায়িত্ব। কারণ সংসার একা একজনের নয়; এটি সবার ভালোবাসা, সহযোগিতা এবং ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে।
আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর সকল প্রবাসী এবং তাদের পরিবারকে পারস্পরিক বোঝাপড়া, ধৈর্য, ভালোবাসা ও হালাল রিজিক দান করুন। আমিন।
27/07/2026
#ইবলিশশয়তানধারানিয়ন্ত্রিত
মৌলভীবাজারের যুবকের প্রেমে মজে পালালেন বালাগঞ্জের ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ!
সিলেটের বালাগঞ্জে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন স্বামী। আর সেই সুযোগেই ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা হাতিয়ে নিয়ে অন্য পুরুষের সাথে পালিয়েছেন বলে মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী বাদি হয়ে বালাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে বালাগঞ্জ উপজেলার কায়েচ্ছঘাট গ্রামে। ভুক্তভোগী স্বামীর নাম রনজিত বিশ্বাস (৩৬)।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর পূর্বে রনজিত বিশ্বাসের সাথে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার বাসিন্দা রত্না বিশ্বাসের (১৯) হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ে হয়। বর্তমানে রত্না ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। রনজিত বিশ্বাস জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ১৯ জুলাই তিনি সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।
হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে ২২ জুলাই বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে একাধিকবার স্ত্রীর সাথে মুঠোফোনে কথা হয় তার। তবে বাড়ি পৌঁছে স্ত্রীকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তিনি। পরে স্ত্রীর ফেলে যাওয়া মোবাইল ফোনের ইমো মেসেজ পর্যালোচনা করে দেখতে পান, মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার নয়ন বিশ্বাস (২৫) নামের এক যুবকের সাথে প'র'কীয়ায় জড়িয়ে তার সাথে পালিয়েছেন স্ত্রী।
বাড়ি ছাড়ার সময় রত্না বিশ্বাস বিছানায় নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফেলে যান। রনজিত অভিযোগ করেন, তিনি ঘরে না থাকার সুযোগে স্ত্রী ১ ভরি ওজনের ২২ ক্যারেটের সোনার চেইন, ১টি সোনার আংটি, ৮ আনার সোনার কানের দুলসহ মোট ৪ লাখ টাকা মূল্যের অলংকার, নগদ ১০,০০০ টাকা এবং ৫টি নতুন শাড়ি নিয়ে চম্পট দিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, রনজিত বাড়ি পৌঁছানোর মাত্র ২০ মিনিট আগে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির সিএনজি অটোরিকশায় চড়ে বাড়ি ত্যাগ করেন রত্না।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী রনজিত বিশ্বাস বিষয়টি রত্নার পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তারা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরই ভিত্তিতে তিনি বালাগঞ্জ থানায় অভিযুক্ত রত্না বিশ্বাস ও প্ররোচনাকারী নয়ন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে বালাগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটির তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
#বালাগঞ্জ #রাজনগর #মৌলভীবাজার #মৌলভীবাজার_পৌর_পার্ক
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.
Type
Contacter l'entreprise
Site Web
Adresse
Paris
Paris
75013