Faiz Rabbani
❀꧁﷽꧂❀
‘‘আস্সালামুয়ালাইকুম’’
আমার ফেইসবুক পোষ্টের সাথে ব্যক্তিগত জীবনের কোন মিল নেই, আমার যা করতে মন চায় তাই করি বা যা মনে আসে তাই লিখি। আমি ভয়ংকর রকমের সুখী একজন মানুষ। কোন মানুষকে ভেবে কষ্ট পাওয়া বা মন খারাপ করা কখনো হয় না কারণ এই সব বাদেও জীবনে আরো অনেক কিছু নিয়ে ভাবতে হয়। আমার নিজের কিছু স্বপ্ন আছে আমার লক্ষ্য ওই স্বপ্নগুলোকে ছুঁয়ে দেখা।
আমি সবকিছুর বিনিময়ে নিজেকে খুঁজেছি। খুঁজে পায়নি কোথাও। কোথাও আমার অস্তিত্ব নেই।
আমি ভিখারির ন্যায় পথে পথে ঘুরেছি তবে কিসের সন্ধানে জানা নেই। আমি জানিনা আমার জীবনের উদ্দেশ্য কী?
দিন শেষে আমি বুঝলাম মহান রবের দিকে ফিরে আসা ছাড়া কোন উপায়েই ভালো থাকা সম্ভব নয়।
লাহোর স্টেশনে একেরপর এক ট্রেন আসছে ভারত থেকে। বগির দরজায় রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। দরজা খোলা হলো, কিন্তু একি! পুরো বগিতে কোন মানুষ নেই, শুধু লাশের উপর লাশের স্তুপ। না, কোনো হরর মুভির দৃশ্য নয় এটি। ইতিহাসে যা “The Ghost Train” বা লাশের ট্রেন নামে পরিচিত।
১৯৪৭ সালের আগস্ট মাস। পাকিস্তান স্বাধীন হয়েছে। ভারত থেকে মুসলিম রিফিউজিদের নিয়ে ছেড়ে আসা ট্রেন যখন লাহোর বা অমৃতসর স্টেশনে পৌঁছাত, তখন অনেক সময়ই দেখা যেত ট্রেনের সব যাত্রীই মৃত এবং ভেতরে কেবল লাশের স্তূপ। সীমান্ত পারাপারের প্রধান মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু অচিরেই শরণার্থী বোঝাই এই ট্রেনগুলো পরিণত হয় চলন্ত কবরস্থানে।
ভারত থেকে লাহোরগামী শরণার্থী ট্রেনে হামলা চালিয়ে মুসলিম যাত্রীদের হত্যা করা হতো, লাশভর্তি ট্রেনগুলো সীমান্তবর্তী লাহোর বা শিয়ালকোট স্টেশনে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। ট্রেনের বগির গায়ে রক্ত, চক অথবা কয়লা দিয়ে লিখে দেওয়া হতো ভয়াবহ উস্কানিমূলক বার্তা: A Gift to Jinnah (জিন্নাহর জন্য উপহার)।
শত শত কিলোমিটার পায়ে হেঁটে ভারতীয় মুসলিমরা পাকিস্তানে এসেছিলেন। পথে পথে উগ্র হিন্দু ও শিখদের আ'ক্রমণে হাজার হাজার মুসলিম মারা যায়। ধ'র্ষণের শিকার হয় অসংখ্য মুসলিম মা-বোনেরা। শুধু ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বহু নারী রাস্তার পাশের পানির কূপে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এমনকি মুসলিমদের কাফেলা যে পথ দিয়ে পাকিস্তানে যাবে সেসব পথের সকল কূপে বিষ পর্যন্ত মিশিয়ে রাখা হয়েছিল, যেন পিপাসিত মুসলিমরা কূপের পানি পান করে মারা যায়। কতটা জঘন্য বর্বর আচরণের এসব ইতিহাস আমাদের থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে!
ব্যক্তিগত জীবনে জিন্নাহ প্র্যাক্টিসিং মুসলিম ছিলেন না, তার নানান কাজে সমালোচনার অনেক সুযোগ আছে। কিন্তু আজ যে আমরা প্রকাশ্যে গরুর গোশত খেতে পারি, মাথায় টুপি পরতে পারি, আজান দিতে পারি, ঈদের দিন এলাকার সবাই এক কাতারে শামিল হতে পারি, এসব কিছুর স্বাধীনতা এনে দিয়েছিল জিন্নাহ। ১৯৪৭ আমাদেরকে মুক্তি দিয়েছে উগ্রবাদী ভারত থেকে, যেখানে গরুর মাংস বহনের মিথ্যা অভিযোগে পিটিয়ে মানুষ খুন হয়, অথচ কোন বিচার হয় না।
১৯৪৭ আমাদের অঘোষিত অস্তিত্ব! যে অস্তিত্বকে এতোদিন নতুন প্রজন্ম থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছিল, আগামীর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে সেই ইতিহাস জানিয়ে যাওয়া হোক আমাদের অঙ্গীকার। উপমহাদেশে মুসলিমদের রাজনৈতিক মুক্তির দূত, মহান নেতা জিন্নাহ সাহেবের কারণে আজ আমরা কট্টর ভারতীয়দের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি।
গরু খাওয়ার অপরাধে ভারতে যখন মানুষ মরে, জিন্নাহ তোমায় মনে পড়ে। কলকাতায় মুসলিম হওয়ার অপরাধে যখন মানুষ মরে, জিন্নাহ তোমায় মনে পড়ে। পশ্চিমবঙ্গে মসজিদে নামাজ পড়া অবস্থায় যখন মানুষ মরে, জিন্নাহ তোমায় মনে পড়ে। মুসলিমদের জোর করে জয়-শ্রীরাম বলতে বাধ্য করে যখন, জিন্নাহ তোমায় মনে পড়ে। তখন তোমায় পরম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি হে মহান নেতা, কওমের মুহাফিজ, কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
কমরেড জিন্নাহ, হে মহারাজা, তোমারে সেলাম!
✍️ উমর হাসান | ১৪.০৯.২০২৬
12/09/2026
যখন আপনি বুঝবেন নামাজের নাম কেন- ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা রাখা হলো - তখন আপনি আর নামাজ বাদ দিবেন না।
আপনি কি কখনো ভেবেছেন কেন এই নামাজগুলোর নাম ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা? কারণ, আল্লাহ এগুলোর নাম এলোমেলোভাবে রাখেননি। প্রতিটি নাম দিনের একটি সুন্দর মুহূর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত যে সময় তিনি আপনাকে তাঁর দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
ফজর - যখন অন্ধকার ভেদ করে দিনের প্রথম আলো ফুটে ওঠে। পৃথিবীর কাজ শুরু করার আগে আল্লাহকে স্মরণ করে আপনার দিন শুরু করুন।
যোহর - যখন জীবন সবচেয়ে ব্যস্ত থাকে। একটু থামুন এবং সেই সত্তাকে স্মরণ করুন, যিনি আপনাকে শক্তি দেন।
আসর - যখন দিন ফুরিয়ে আসতে শুরু করে। এটি মনে করিয়ে দেয় যে আমাদের জীবনও ধীরে ধীরে শেষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
মাগরিব - যখন সূর্য অস্ত যায়। আরেকটি দিন শেষ হয়ে যাওয়ার আগে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন।
এশা - যখন চারপাশ শান্ত হয়ে যায়। আপনার দিনটি শেষ করুন সেই মহান সত্তার আশ্রয়ে, যিনি কখনো ঘুমান না।
পাঁচটি নাম-পাঁচটি মুহূর্ত-আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঁচটি আহ্বান।
সালাত কোনো বোঝা নয়, বরং আল্লাহ ভালোবাসার সঙ্গে সারাদিনে বারবার আপনাকে তাঁর দিকে ফিরে আসার জন্য ডাকছেন।
ফজর → জন্ম এবং নতুন সূচনা
যোহর → যৌবন ও শক্তি
আসর → পরিণত বয়স
মাগরিব → বার্ধক্য
এশা → জীবনের শেষ পর্যায় এবং আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তুতি।
আমি নিজেও স্বীকার করছি যে, মাঝে মাঝে আমার এখনো সময়মত সঠিকভাবে কিছু কিছু ওয়াক্তের নামাজ আদায় করা হয় না। মহান আল্লাহ্ যেন আমাকে প্রত্যেকটি ওয়াক্তের নামাজ সময়মত আদায় করার তাওফিক দান করেন।
‘গোপাল ভাড়’ চরিত্রটি সম্পর্কে আমরা কম-বেশী সকলেই জানি।
সেই গোপাল ভাড়’কে নিয়ে ভারতীয়রা একটি কার্টুণ বানিয়েছে, যেখানে শতশত এপিসোড করা হচ্ছে। প্রচারিত হচ্ছে। আমরাও তা দেখি বা দেখছি।
একটি সূক্ষ্ন বিষয় কি লক্ষ্য করেছেন?
১৭১০ সালে জন্ম নিয়ে নদীয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রাজত্ব করেছেন ১৭২৮ থেকে ১৭৮৩ সাল পর্যন্ত। তাকে মহারাজা বলা হলেও আদতে তিনি ছিলেন একজন ’জমিদার’ মাত্র। সে সময় বড় জমিদারদের রাজা বা মহারাজা বলে ডাকতেন তাদের চাটুকাররা।
স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এসব জমিদারদের কাজ ছিলো অনেকটা থানার দারোগাদের মতোই।
সে যাই হোক, মূল প্রসংগে ফিরি।
সেই কার্টুণটিতে লক্ষ্য করবেন ‘ইংরেজী নববর্ষ’, ‘বড়দিন’ নিয়ে অনেকগুলো এপিসোড করা হয়েছে। যদিও সে সময়ে ইংরেজী নববর্ষ বা বড়দিন পালনের কোন প্রশ্নই আসতো না; কারণ সে সময় সবে মাত্র বৃটেন থেকে ইংরেজরা ভারত-বর্ষে আসা শুরু করেছে। তাদের ধর্ম বা সাংস্কৃতি তখনও ভারত-বর্ষে গেড়ে বসেনি।
সেই সংগে অধিকাংশ এপিসোড এ দেখা যাবে হোলি, রাখি, স্বরস্মতি পুজা, দুর্গা পুজা ইত্যাদি হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠানসমূহ।
মুর্শিদাবাদে তখন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আসিন; তিনি মুসলিম। দিল্লীতে তখন মোগলরা ক্ষমতায়। তারাও মুসলিম।
অর্থাৎ সেই সময়ে ভারত বর্ষে, বিশেষ করে আলোচ্য নদীয়া বা মুর্শিদাবাদে হিন্দু ও মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় সমান সমান। অথবা হিন্দু সংখ্যা হয়তো সামান্য বেশী।
কিন্তু, সেই আমলের বিষয় নিয়ে তৈরী কার্টুণে আপনি রাখি বন্ধন পাবেন, দুর্গা পুজো পাবেন, বড়দিন পাবেন, অযাচিতভাবে ইংরেজী নববর্ষ পাবেন, হোলির রঙ পাবেন।
কিন্তু পুরো গোপাল ভাড়েরও প্রতিটি এপিসোড তন্ন তন্ন করে খুঁজেও ঈদ নিয়ে বা মুসলিমদের ধর্মীয় বা কালচার নিয়ে একটি এপিসোডও পাবেন না।
হ্যাঁ, এই না পাওয়াটাই হচ্ছে ইসলাম-বিদ্বেষ।
ভারতীয়রা কতটা ইসলাম-বিদ্বেষী বা ক্ষুদ্র মানসিকতাসম্পন্ন একটি মূর্খ জাতি তারও একটি বড় প্রমাণ এটি।
ভারতকে ঘৃণা করতে হয় না, ঘৃণা ওরা ডিজার্ভ করে।
টাকা মানুষকে সুন্দর করে।পরিপাটি মানুষ তৈরী করেনা। বেঁচে থাকতে জীবনে টাকা খুব জরুরী!
-ফয়েজ রাব্বানী
29/08/2026
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রতিবাদ হলো চুপ থাকা।
কাউকে দেখে ও না দেখার বান করা।
যে নদী যতো গভীর তার শব্দ ততো ক্ষীণ!!😊🥀
Miss you ma🖤🌼
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Address
The Rennie Vaults, 2/4 Tooley Street
London
SE1,2SY,
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Faiz Rabbani posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.