Contai Quiz Forum
An entertaining intellectual quiz group with smart digitalization. Contact us for any kind of QUIZ COMPETITION..
02/10/2026
পৃথিবীর আইকনিক ছবিগুলোর মধ্যে একেবারে প্রথম সারিতে থাকবে প্রথম ছবিটা। সমালোচকরা বলেন মহাত্মার আত্মাকে এত সুন্দর আর কোন ছবিতে ধরতে পারেনি।
অনেকেই জানি না,ছবিটা তুলেছিলেন মার্গারেট বার্কে হোয়াইট। কে তিনি?লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম এবং বহুদিন পর্যন্ত একমাত্র মহিলা চিত্রগ্রাহক। ভারত যখন স্বাধীন হব হব সেই সময় ভারতে এসে দীর্ঘদিন ছবি তুলেছেন তিনি। প্রাণ হাতে নিয়ে গেছেন নোয়াখালি বা কলকাতার দাঙ্গা বিধ্বস্ত এলাকায়। ছবি তুলে জীবন্ত করে রেখেছেন সেই আগুনে দিনগুলোকে…
"সেদিন আমি ক্যামেরাখানা নিয়ে চুপচাপ গান্ধীর ঘরে এসে বসেছিলাম। উনি চরকা কাটছিলেন আর মাঝে মাঝে আমার সঙ্গে গল্প করছিলেন। তারপর ওর এক সঙ্গী এসে একটা কাগজ ধরিয়ে গেলেন। কথা বন্ধ করে একমনে উনি সেটা পড়ছেন, আমি ক্যামেরা বাগিয়ে কিচ্ছুটি না বলে শাটার টিপে দিলাম"
২৫ জুন ১৯৪৬ এর লাইফ ম্যাগাজিনে গান্ধীজির অন্য কিছু ছবির সাথে ছোট্ট করে এই ছবি ছাপা হয়েছিল। ফুটনোটে ছিল "At 76, the Mahatma is in good physical condition. He weighs 110 pounds, but he is not so frail as he looks."
খুব একটা কেউ পাত্তা দিল না ছবিটিকে। কিছুদিন বাদেই খুন হলেন গান্ধিজি। আর দুপাতা জুড়ে বিরাট করে এই ছবিটিই ছাপল লাইফ। দেখতে দেখতে সারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে গেল এই ছবি …কার্সের তোলা আইনস্টাইন বা চে-র ছবির মত।
আজ জন্মদিনে এই ছবিটাই থাক।
Courtesy- Koushik Majumdar
23/09/2026
আজ শরৎ বিষুব, পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত সমান
Courtesy- anasristi
18/09/2026
||বাঙালি আর অবাঙালি বিশ্বকর্মা||
বিশ্বকর্মা পুজো কেবল ক্যালেন্ডারের একটা পাতা ওল্টানো নয়, এ হলো শরতের আগমনী গান—দুর্গাপুজো যে আর মাত্র কয়েক কদম দূরে, তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বার্তা।
কিন্তু আপনি যদি কখনো বাংলার সীমানা ছাড়িয়ে একটু উত্তর বা পশ্চিম ভারতে পা রাখেন, তবে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য! সেখানে বিশ্বকর্মার যে রূপটি আপনি দেখবেন, তা আমাদের চেনা কার্তিক-মার্কা চনমনে ঠাকুরের থেকে যোজন দূরে।
বাঙালির বিশ্বকর্মা হলেন এক বলিষ্ঠ, নবীন যুবক। কোঁকড়া চুল, চোখে-মুখে পৌরুষের দীপ্তি, ঠোঁটের ওপর নিখুঁত গোঁফের রেখা। তিনি রাজবেশে বসে আছেন এক প্রকান্ড হাতির পিঠে। অথচ বাংলা পেরোলেই তিনি এক প্রাজ্ঞ, শুভ্রকেশী ঋষিতুল্য বৃদ্ধ! দীর্ঘ শ্বেতদাড়ি বুক পর্যন্ত নেমে এসেছে, এক হাতে কমণ্ডলু, অন্য হাতে বেদ আর মাপকাঠি, আর তাঁর বাহন হলো ধ্যানমগ্ন এক রাজহাঁস—ঠিক যেন স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার আরেক রূপ। একই দেবতা, কিন্তু ভূগোল বদলাতেই তাঁর বয়সের এই শতাব্দী-প্রাচীন ফারাক কেন?
এর শিকড় খুঁজতে আমাদের ফিরে যেতে হবে বৈদিক অতীতে। ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের বিশ্বকর্মা সূক্তে তিনি হলেন 'সর্বদ্রষ্টা' ও 'সর্বস্রষ্টা'—যাঁর কোনো আকার নেই, তিনি স্বয়ম্ভূ। মানব ইতিহাসের আদিম পর্বে তাঁর কোনো মৃন্ময় প্রতিমা ছিল না। প্রথম যুগে বিশ্বকর্মা পুজো হতো সম্পূর্ণ প্রতীকী উপায়ে। আদি কারিগর, কর্মকার ও সূত্রধর সম্প্রদায় ভাদ্র সংক্রান্তির দিন (কন্যা সংক্রান্তি—যেদিন সূর্য শিল্প ও বুদ্ধির প্রতীক কন্যা রাশিতে প্রবেশ করে) তাঁদের হাতুড়ি, নেহাই, বাটালি ও আগুনকে পুজো করতেন। সামনে রাখা হতো তামার পূত ঘট। শ্রম আর যন্ত্রই ছিল দেবতার মন্দির।
পৌরাণিক আখ্যানে এই নিরাকার শক্তিই রূপ পেলেন দেবশিল্পীরূপে। প্রভাস আর যোগসিদ্ধার পুত্র এই মহান স্থপতি দেবতাদের জন্য তৈরি করলেন স্বর্গপুরী, শিবের ত্রিশূল, বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র, ইন্দ্রের বজ্র আর শ্রীকৃষ্ণের মায়াময় দ্বারকা নগরী। পুরীর জগন্নাথের দারুমূর্তি নির্মাণের পেছনেও লুকিয়ে আছে অনন্ত মহারানা রূপী তাঁরই অলৌকিক হাত।
উত্তর ও পশ্চিম ভারত ধরে রাখল তাঁর এই পৌরাণিক মহাজ্ঞানী 'স্থপতি ঋষি' রূপটিকে—যেখানে রাজহাঁস হলো বিচারবুদ্ধি ও বিশুদ্ধ সৃষ্টির প্রতীক, আর সাদা দাড়ি হলো অনন্ত অভিজ্ঞতার স্মারক।
কিন্তু বাংলায় ছবিটা বদলে গেল উনিশ শতকে। হুগলি নদীর দুই তীরে তখন গজিয়ে উঠছে একের পর এক চটকল, হাওড়ার ঢালাই কারখানা, কলকাতার অজস্র ছাপাখানা আর ট্রাম ডিপো। এই ধূসর, ধোঁয়াটে কারখানার শ্রমিক আর মেকানিকদের প্রয়োজন ছিল এমন এক দেবতার, যিনি ক্লান্তিহীন যৌবনের প্রতীক, যিনি ঘামের মর্যাদা বোঝেন। কুমারটুলির মৃৎশিল্পীরা বাংলার তৎকালীন বাবু সংস্কৃতির রুচি এবং কার্তিকের সুঠাম বীরত্বকে মিলিয়ে বিশ্বকর্মার এক নতুন রূপ গড়লেন। বাহন হিসেবে হাঁসের বদলে নিয়ে এলেন হস্তী বা ঐরাবতকে—যা বিপুল ভারবাহী পেশিশক্তি, ভারোত্তলন ক্ষমতা এবং শিল্পের অবিচল অগ্রগতির চূড়ান্ত প্রতীক।
বাঙালির কাছে বিশ্বকর্মা পুজো কেবল লোহার যন্ত্রপাতিতে সিঁদুর লেপে দেওয়ার আচার নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক তীব্র নস্টালজিয়া। আগের রাতের 'রান্না পুজো' বা অরন্ধন পর্বের পান্তা ভাত আর ইলিশের স্বাদ, পাড়ার গ্যারাজে স্পিকারে হিন্দি গানের ধুমধাম, আর পড়ন্ত বিকেলে এক অদ্ভুত শূন্যতা—যখন সুতো-কাটা ঘুড়ি ভেসে যায় দূর দিগন্তে। বাঙালির বিশ্বকর্মা চিরকালই ঘরের ছেলে, যে শ্রমিকের খসখসে হাতে হাত রেখে নিঃশব্দে বলে যায়: সৃষ্টির চেয়ে বড় কোনো ধর্ম নেই।
@চিত্র-গুপ্ত
15/09/2026
মোরিয়া গোসাবী ত্রয়োদশ শতকের সেই মানুষ, যিনি ছিলেন গণেশের একনিষ্ঠ ভক্ত। প্রতিদিন দীর্ঘপথ অতিক্রম করে মোরগাঁও অঞ্চলে বাবা ময়ূরেশ্বর গণপতির দেখা করে যেতেন।
বাবা ময়ূরেশ্বর হল গণেশের সেই রূপ যার বাহন ময়ূর, যিনি সিন্ধু নামক দানব বধ করে জগৎকে উদ্ধার করেছিলেন।
এই বহুদূর পথ অতিক্রম করে মোরিয়া সাধু প্রতিদিন আসতেন প্রভুকে দেখা করতে, একটা সময় বার্ধক্য প্রধান বাধা হয়ে ওঠে। শরীর আর সায় দেয় না!
তখন প্রভু স্বয়ং তাকে স্বপ্নাদেশ দেন যে তিনি যে স্থানে বর্তমান, সেখানেই প্রভু নিজে আসবেন! আর পরদিন নদীতে স্নান সারার পর মোরিয়া সাধু নিজেই পেলেন বাপ্পার এক মূর্তি! যা প্রতিষ্ঠিত হল চিনচওয়াড়ে! ভক্তের কথা মাথায় রেখে ভগবান নিজে ভক্তের কাছে চলে এলেন!
লোককথা বলে, মোরিয়ার এই অকৃত্রিম ভক্তিতে তুষ্ট হয়ে গণপতি তাঁকে নিজের নামের সাথে জুড়ে নিলেন! তাই আজকেও আমরা যতবার "গণপতি বাপ্পা মোরিয়া" বলছি, আমরা স্মরণ করে চলেছি ত্রয়োদশ শতকের সেই সাধককে যিনি সারাজীবনে ভগবানের কাছে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে সমর্পণ করে গেছেন, আর ভগবান জুড়ে নিয়েছেন নিজের সাথে!
গ্রামগঞ্জে হরিকীর্তনে একটা কথা শ্রীকৃষ্ণ বলেন " আমা হতে নাম বড়, নাম হতে ভক্ত!"
বাবা গণপতিও তাই করলেন, ভবতারিণীর আদরের গদাধর, তারা মায়ের আদরের বামা!
আর গণপতির আদরের মোরিয়া!
গণপতি বাপ্পা মোরিয়া! যতবার বলবো, স্মরণে রাখবো সেই সাধককে!
Courtesy- krishnendu mondal
05/09/2026
Happy Teacher's Day...
03/09/2026
🙏🙏🙏
01/09/2026
Contact us🙏
31/08/2026
Gracias, Leo. 🇦🇷
29/08/2026
🎙️ বাঙালি জাতির কাছে আজ অনেকটাই ভুলে যাওয়া এক নাম—তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়
🌸 জন্মশতবর্ষে ফিরে দেখা এক অসামান্য কণ্ঠকে 🌸
বাংলা গানের ইতিহাস লিখতে গেলে আমরা অনায়াসে বলে যাই—
মান্না দে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, কিশোর কুমার...
কিন্তু এই তিন মহীরুহের উজ্জ্বল উপস্থিতির মাঝখানে যে কয়েকটি অসাধারণ কণ্ঠ অনেকটাই আড়ালে থেকে গিয়েছিল, তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদেরই একজন।
সিনেমায় খুব বেশি গান গাননি তিনি। সংখ্যার বিচারে তাই হয়তো আজকের প্রজন্মের কাছে তাঁর নাম খুব পরিচিত নয়। কিন্তু যে কয়েকটি গান তিনি গেয়েছেন, তার অনেকগুলিই বাংলা গানের ভাণ্ডারে আজও অমূল্য সম্পদ।
🎵 “কাজল নদীর জলে ভরা ঢেউ ছলছলে…”
🎵 “চলো রীনা ক্যাসুরিনা…”
🎵 “বেশ তো না হয়…”
🎵 “আলতা পায়ের আলতো ছোঁয়া…”
🎵 “আর দেরি নেই…”
🎵 “নীলাঞ্জনা রে…”
একদিকে শ্যামল মিত্রের সুরে “কাজল নদীর জলে”, অন্যদিকে নচিকেতা ঘোষ, সলিল চৌধুরী, প্রশান্ত ভট্টাচার্যের মতো সুরকারদের সৃষ্টিতে তাঁর কণ্ঠ—তাঁর বৈচিত্র্যের পরিচয় বহন করে।
বিশেষ করে “কাজল নদীর জলে”—গানটি যেন তাঁর পরিচয়ের সঙ্গে চিরকালের জন্য জড়িয়ে গেছে। পবিত্র মিত্রের কথায়, শ্যামল মিত্রের সুরে এই গান আজও পুরনো দিনের বাংলা গানের অনুরাগীদের মনে আলাদা জায়গা করে আছে।
সম্ভবত এটাই সময়ের নির্মমতা—
যাঁরা একসময় বাঙালির ঘরে ঘরে গান শোনাতেন, তাঁদেরই অনেককে আজ আমরা প্রায় ভুলে গিয়েছি।
মান্না দে, হেমন্ত, কিশোরের নক্ষত্রমণ্ডলে
একটি স্বতন্ত্র নক্ষত্র হয়েও
তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে গেছেন আমাদের স্মৃতি থেকে।
তাই তাঁর জন্মশতবর্ষে শুধু শ্রদ্ধা নয়—
তাঁর গানগুলোকে আবারও নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই হোক আমাদের দায়িত্ব।
💐 শতবর্ষে প্রণাম, তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আপনি বিস্মৃত নন—
আপনার গান যতদিন বাঙালির হৃদয়ে বাজবে, ততদিন আপনিও বেঁচে থাকবেন। ❤️🎶
#তরুণবন্দ্যোপাধ্যায় #জন্মশতবর্ষ #শতবর্ষে_শ্রদ্ধা #বাংলাগান #বাংলাসঙ্গীত #সোনালীযুগ #বিস্মৃতশিল্পী #কাজলনদীরজলে #চলো_রীনা_ক্যাসুরিনা #পুরনোদিনেরগান
নার্সারি বিভাগের কুইজের বাছাই পর্ব
Category
Telephone
Website
Address
Contai
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Contai Quiz Forum posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.