Geo.study centre

Geo.study centre

Share

�ভূগোলকে ভালোবেসে
এগিয়ে নিয়ে যেতে
এক বিশেষ উদ্যোগ ।

20/08/2026

“শূন্যতা” আসলে কতটা শূন্য?
ভূগোল, ভূ-পদার্থবিদ্যা ও আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে একটি বিশ্লেষণ

দৈনন্দিন ভাষায় আমরা প্রায়ই বলি—“এখানে কিছু নেই” বা “জায়গাটি সম্পূর্ণ ফাঁকা।” কিন্তু বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে “শূন্যতা” একটি আপেক্ষিক ও প্রেক্ষিতনির্ভর ধারণা। কোনো স্থানে মানুষ, উদ্ভিদ, জল বা দৃশ্যমান বস্তু অনুপস্থিত থাকতে পারে; কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে সেখানে কোনো ভৌত, ভূ-প্রাকৃতিক, পরিবেশগত বা স্থানিক প্রক্রিয়া নেই। ভূগোল কোনো স্থানকে বিচ্ছিন্ন ও নিষ্ক্রিয় “খালি পাত্র” হিসেবে না দেখে বিভিন্ন বস্তু, প্রক্রিয়া ও সম্পর্কের সমন্বিত ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করে। ভূ-পদার্থবিদ্যার দৃষ্টিতেও কোনো অঞ্চল জীবহীন বা মানবশূন্য হলেও সেখানে তাপ, চাপ, ভূকম্পীয় তরঙ্গ, মহাকর্ষ, চৌম্বকীয় ক্ষেত্র, ভূগর্ভস্থ তরল এবং শিলার deformation-এর মতো প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকতে পারে। অন্যদিকে, আধুনিক ভৌতবিজ্ঞানের vacuum-ও absolute nothingness-এর সমার্থক নয়। সাম্প্রতিক ভূগোল গবেষণা আবার দেখিয়েছে যে “nothingness” বা অনুপস্থিতিও নিজস্ব ভৌগোলিক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। ফলে “শূন্যতা নেই” বলার পরিবর্তে “শূন্যতা আপেক্ষিক, প্রেক্ষিতনির্ভর এবং সম্পর্কযুক্ত”—এই বক্তব্যটি বেশি বৈজ্ঞানিক।
সুতরাং বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত হলো:
“কোনো স্থানকে সম্পূর্ণ শূন্য বলা সাধারণত একটি আপেক্ষিক ও প্রেক্ষিতনির্ভর বর্ণনা। কোনো নির্দিষ্ট বস্তু বা প্রক্রিয়া সেখানে অনুপস্থিত হতে পারে, কিন্তু সেই স্থান বৃহত্তর ভৌত, ভূ-প্রাকৃতিক, পরিবেশগত ও স্থানিক সম্পর্কের বাইরে নয়। তাই ‘শূন্যতা’কে absolute absence-এর পরিবর্তে context-dependent absence হিসেবে বোঝা বেশি বৈজ্ঞানিক।”

Photos from Geo.study centre's post 11/08/2026

রামসার সাইট :
আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetland of International Importance) হিসেবে রামসার কনভেনশনের অধীনে তালিকাভুক্ত জলাভূমিকে রামসার সাইট (Ramsar Site) বলা হয়। অর্থাৎ, কোনো জলাভূমির আন্তর্জাতিক পরিবেশগত গুরুত্ব বেশি হলে এবং সেটি রামসার কনভেনশনের নির্দিষ্ট মানদণ্ডের অন্তত একটি পূরণ করলে তাকে রামসার সাইট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা যেতে পারে।
“Ramsar” নামটি এসেছে ইরানের Ramsar (রামসার) শহরের নাম থেকে। ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইরানের রামসার শহরে জলাভূমি সংরক্ষণ নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি গৃহীত হয়। তাই চুক্তিটির নাম হয় Ramsar Convention এবং এই চুক্তির অধীনে আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমিগুলিকে বলা হয় Ramsar Sites। ভারত ১৯৮২ সালে রামসার কনভেনশনের সদস্য হয়।
রামসার কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য হলো—
① জলাভূমি সংরক্ষণ: জলাভূমির স্বাভাবিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা।
② জলাভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার: জলাভূমিকে সম্পূর্ণভাবে মানুষের ব্যবহার থেকে বাদ না দিয়ে পরিবেশের ক্ষতি না করে টেকসইভাবে ব্যবহার করা।
③ জলচর পাখি সংরক্ষণ: পরিযায়ী ও অন্যান্য জলচর পাখির গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল সংরক্ষণ করা।
④ জীববৈচিত্র্য রক্ষা: মাছ, পাখি, উভচর, সরীসৃপ, জলজ উদ্ভিদসহ বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থল রক্ষা করা।
⑤ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: বিভিন্ন দেশের মধ্যে জলাভূমি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা ইত্যাদি।
রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে কোন জলাভূমিকে আন্তর্জাতিক গুরুত্বের নির্দিষ্ট ৯টি মানদণ্ডের অন্তত একটি পূরণ করতে হয়।
যেমন—
বিপন্ন বা সংকটাপন্ন প্রজাতির আবাসস্থল হওয়া। পরিযায়ী পাখির গুরুত্বপূর্ণ বিশ্রাম বা খাদ্য সংগ্রহের স্থান হওয়া।
মাছের প্রজনন ও খাদ্য সংগ্রহের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হওয়া ইত্যাদি।
তাই বলা যায়- “সব রামসার সাইটই জলাভূমি, কিন্তু সব জলাভূমি রামসার সাইট নয়।”
রামসার সাইট শুধু পাখির আবাসস্থল নয়; মানুষের জীবন ও পরিবেশের জন্যও এগুলির বিরাট গুরুত্ব রয়েছে।
① জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ: বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদ, মাছ, পাখি, উভচর ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল।
② বন্যা নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত জল ধরে রেখে অনেক ক্ষেত্রে বন্যার তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে।
③ ভূগর্ভস্থ জলের পুনর্ভরণ: জলাভূমির জল মাটির ভিতরে প্রবেশ করে ভূগর্ভস্থ জলের ভাণ্ডার পূরণে সাহায্য করে।
④ জল পরিশোধন: জলাভূমির উদ্ভিদ ও মাটি দূষিত পদার্থ শোষণ বা আটকে রেখে জলকে প্রাকৃতিকভাবে পরিশোধনে সাহায্য করে।
⑤ মৎস্য ও কৃষি: মাছ চাষ, কৃষিকাজ ও অন্যান্য জীবিকার সঙ্গে বহু জলাভূমি সরাসরি যুক্ত।
⑥ পরিযায়ী পাখির আবাস: শীতকালে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা পরিযায়ী পাখির খাদ্য, বিশ্রাম ও প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
⑦ জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ: জলাভূমির উদ্ভিদ ও মাটি কার্বন ধরে রাখতে পারে এবং স্থানীয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ভারতের রামসার সাইট:
ভারতের রামসার সাইটের সংখ্যা বর্তমানে ১০১টি ।
ভারতের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রামসার সাইট—
পশ্চিমবঙ্গ- সুন্দরবন জলাভূমি, পূর্ব কলকাতা জলাভূমি
ওড়িশা- চিলিকা হ্রদ, ভিতরকণিকা ম্যানগ্রোভ
অসম- দীপোর বিল
অন্ধ্রপ্রদেশ- কোলেরু হ্রদ
গুজরাট- নল সরোবর, থোল লেক
কেরালা- ভেম্বানাদ, অষ্টমুদি
২০২৬ সালের আগস্টে অরুণাচল প্রদেশের Glaw Lake রামসার সাইট হওয়ার ফলে বর্তমানে ভারতের ৩টি রাজ্যে কোনো রামসার সাইট নেই—
মেঘালয় ,নাগাল্যান্ড, তেলেঙ্গানা।
পূর্ব কলকাতা জলাভূমি: পূর্ব কলকাতা জলাভূমি পশ্চিমবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ রামসার সাইট । এটি ১৯ আগস্ট ২০০২ রামসার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। রামসার নথিতে এই জলাভূমির আয়তন ১২,৫০০ হেক্টর উল্লেখ করা হয়েছে।
পূর্ব কলকাতা জলাভূমির গুরুত্ব:
① কলকাতা শহরের বর্জ্যজল বিভিন্ন জলাশয় ও মাছের ভেড়িতে প্রবাহিত হয়। সেখানে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় জল পরিশোধিত হয়।
② বর্জ্যজল ব্যবহার করে এখানে মাছের চাষ করা হয়। ফলে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি মানুষের জীবিকাও তৈরি হয়।
③ জলাভূমির সঙ্গে ধান ও বিভিন্ন সবজি উৎপাদনের মতো কৃষিকাজও যুক্ত।
④ বিভিন্ন জলচর পাখি, মাছ ও জলজ উদ্ভিদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।
⑤ এই জলাভূমি কলকাতার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জল ধারণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
⑥ প্রায় ২০,০০০ পরিবার এই জলাভূমির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন জীবিকার ওপর নির্ভর করে বলে রামসারের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
পূর্ব কলকাতা জলাভূমিকে “কলকাতার কিডনি” বলা হয় কারণ - আমাদের শরীরের কিডনি যেমন রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে, পূর্ব কলকাতা জলাভূমিও তেমনভাবে কলকাতা শহরের বর্জ্যজলকে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে শোধনে সাহায্য করে। তাই একে রূপক অর্থে বলা হয়— “কলকাতার কিডনি” (Kidneys of Kolkata)।
রামসারের নথিতেও এই জলাভূমির ঐতিহ্যবাহী wastewater-fed aquaculture ও resource recovery system-এর বিশেষ গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

09/09/2024

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Management of Waste)
প্রশ্নোত্তর :-

১. বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি গুলি হল—
(ক) বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার (খ) বর্জ্যের পুনর্নবীকরণ (গ) বর্জ্যের পরিমাণগত হ্রাস (ঘ) সবগুলিই প্রযোজ্য

২. নিম্নলিখিত বর্জ্য পদার্থটি জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য —
(ক) প্লাস্টিক বর্জ্য (খ) কৃত্রিম রবার বর্জ্য (গ) অ্যালুমিনিয়াম পাত (ঘ) সবকটিই প্রযোজ্য

৩. মানব শরীরে দূষিত জল থেকে সৃষ্টি হয়—
(ক) আমাশয় (খ) হাঁপানি (গ) ফুসফুসের ক্যান্সার (ঘ) দৃষ্টিহীনতা

১. ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ থেকে নির্গত দূষিত জলের প্রভাবে ভৌমজলের দূষণকে বলে—

(ক) চিলেট (খ) কম্পোস্টিং (গ) লিচেট (ঘ) ইউট্রোফিকেশন

২. ফ্লাই অ্যাশ ব্যবহার করা হয়—

(ক) বাসন তৈরিতে (খ) ইট তৈরিতে (গ) কাগজ তৈরিতে (ঘ) সার তৈরিতে

৩ দ্রুত প্রকৃতিতে মিশে যায়—

(ক) গ্যাসীয় বর্জ্য (খ) কঠিন বর্জ্য (গ) তরল বর্জ্য (ঘ) বিষহীন বর্জ্য

৪. গ্রামীণ শক্তির চাহিদা অনেকটা মেটায়—

(ক) এলপিজি (খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড (গ) গোবর গ্যাস (ঘ) ইলেকট্রিক উনুন

৫. সংগৃহীত পৌর বর্জ্য শহর থেকে দূরে মাটিতে পুঁতে দেওয়ার পদ্ধতি হল —

(ক) ল্যান্ডফিল (খ) কম্পোস্টিং (গ) নিষ্কাশন (ঘ) স্ক্রাবার

৬. একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য হল—

(ক) সবজির খোসা (খ) সাবান ধোয়া জল (গ) খাবারের প্যাকেট (ঘ) ইনজেকশন সিরিঞ্জ

৭. জীবাণু দ্বারা বর্জ্যের বিয়োজন হল—

(ক) কম্পোস্টিং (খ) ল্যান্ডফিলিং (গ) ওভারফিলিং (ঘ) কম্পাউন্ডিং

৮. ধোঁয়া-ধুলোর মতো বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থাপনার নাম হল—

(ক) ভরাটকরণ (খ) নিষ্কাশন (গ) কম্পোস্টিং (ঘ) স্ক্রাবার

৯. তরল বর্জ্য শোধনের উপযুক্ত পদ্ধতি হল—

(ক) ভরাটকরণ (খ) কম্পোস্টিং (গ) শক্তি উৎপাদন (ঘ) নিষ্কাশন

১০. কলকারখানায় স্ক্রাবার যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়—

(ক) জলদূষণ নিয়ন্ত্রণে (খ) বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে (গ) শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে (ঘ) মৃত্তিকাদূষণ নিয়ন্ত্রণে

১১. কৃষিজ বর্জ্যের একটি উৎস হল—

(ক) পৌরসভা (খ) শিল্পকেন্দ্র (গ) কয়লাখনি (ঘ) হর্টিকালচার

১২. ভাগিরথী-হুগলি নদীর দূষণের প্রধান কারণ—

(ক) কৃষিজ বর্জ্য (খ) শিল্পজাত বর্জ্য (গ) গৃহস্থালির বর্জ্য (ঘ) প্যাথলজিক্যাল বর্জ্য

১৩. 'কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা' আইন (Solid Waste Disposal) কত সালে শুরু হয় ?

(ক) ১৯৬৫ সালে (খ) ১৯৩৯ সালে (গ) ২০১৬ সালে (ঘ) ১৯৯৫ সালে

১৪. বাতাসে দ্রুত জীবাণু ছড়ায়—

(ক) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য (খ) চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য (গ) জৈব বর্জ্য (ঘ) গৃহস্থালির বর্জ্য ।

১৫. একটি বিষাক্ত বর্জ্য হল—

(ক) সবজির খোসা (খ) ডিমের খোলা (গ) সিসা (ঘ) খড়

১৬. স্ক্রাবার ব্যবহার করা হয়—

(ক) জঞ্জাল সরানোর জন্য (খ) জঞ্জাল বাছাইয়ের জন্য (গ) শিল্পের বায়ুকে শোধনের জন্য (ঘ) কোনোটিই নয়

১৭. একটি জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য হল—

(ক) কাঁচ (খ) প্লাস্টিক (গ) আর্সেনিক (ঘ) ধানের তুষ

১৮. ল্যান্ডফিল থেকে উৎপন্ন গ্যাস হল—

(ক) মিথেন (খ) নাইট্রোজেন (গ) অক্সিজেন (ঘ) ক্লোরিন

১৯. ফ্লাই অ্যাশ উৎপন্ন হয়—

(ক) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে (খ) জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে (গ) বায়ুশক্তি কেন্দ্র থেকে (ঘ) পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে

২০. সর্বাধিক বিষাক্ত বর্জ্য উৎপন্ন হয়—

(ক) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে (খ) জৈব বর্জ্য থেকে (গ) ফ্লাই অ্যাশ থেকে (ঘ) জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে

২১. বর্জ্য সিসা দূষণে যে রোগ সৃষ্টি হয়—

(ক) মিনামাটা (খ) ডিসলেক্সিয়া (গ) ইটাই ইটাই (ঘ) ফ্লুরোসিস

২২. গ্যাসীয় বর্জ্য থেকে যে ধরনের রোগের সংক্রমণ হতে পারে, তার মধ্যে প্রধান হল—

(ক) ফুসফুসের রোগ (খ) এইডস (গ) অ্যানিমিয়া (ঘ) ক্যান্সার

২৩. বায়ুদূষণ হয়—

(ক) গাড়ি ও কারখানা থেকে (খ) কারখানা নির্গত জল থেকে (গ) ঘরের বর্জ্য থেকে (ঘ) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে

২৪. ভারতের গ্রামাঞ্চলে কঠিন বর্জ্য যে পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেটি হল—

(ক) কম্পোস্টিং করা (খ) পুড়িয়ে ফেলা (গ) উন্মুক্তভাবে সঞ্চয় করা (ঘ) ম্যানিওর পিট তৈরি করা

২৫. কম্পোস্টিং পদ্ধতিতে নির্মিত হয়—

(ক) শিল্পজাত পদার্থ (খ) উচ্চফলনশীল বীজ (গ) জৈব সার (ঘ) রাসায়নিক সার

২৬. একটি চিকিৎসাজনিত বর্জ্য পদার্থ হল—

(ক) ইঞ্জেকশন সিরিঞ্জ (খ) খাবারের প্যাকেট (গ) সাবান ধোয়া জল (ঘ) সবজির খোসা

২৭. তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের মূল উৎস—

(ক) কয়লা (খ) চা শিল্প (গ) পারমাণবিক শিল্প (ঘ) কাগজ শিল্প

২৮. একটি বিষহীন বর্জ্য পদার্থ হল—

(ক) শিল্পজাত বর্জ্য পদার্থ (খ) বাজারের বর্জ্য পদার্থ (গ) হাসপাতালের বর্জ্য পদার্থ (ঘ) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য পদার্থ

২৯. 'গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান' পরিকল্পনাটি গৃহীত হয়—

(ক) ১৯৮৬ সালে (খ) ১৯৮৪ সালে (গ) ১৯৮৭ সালে (ঘ) ১৯৮৯ সালে

৩০. পুনর্ব্যবহার সম্ভব নয়—

(ক) ধাতব বর্জ্য (খ) প্লাস্টিকজাত বর্জ্য (গ) কাঁচ (ঘ) কৃষিজ বর্জ্য

৩১. বর্জ্যপদার্থের ব্যবস্থাপনায় একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি হল—

(ক) বাসেল (খ) কিয়োটো (গ) মনট্রিল (ঘ) লন্ডন চুক্তি

৩২. উত্তপ্ত সন্ধান প্রক্রিয়ার অপর নাম—

(ক) ব্যাঙ্গালোর পদ্ধতি (খ) নিকাশি (গ) যান্ত্রিক পদ্ধতি (ঘ) ল্যান্ডফিল

৩৩. গ্যাসীয় শিল্প বর্জ্যটি হল—

(ক) CFC (খ) ইউরিয়া (গ) ডিমের খোসা (ঘ) ক্যাডমিয়াম

৩৪. পরিবেশে যাবতীয় বর্জ্যের মধ্যে সর্বাধিক পরিমাণে দেখা যায়—

(ক) পৌরসভার বর্জ্য (খ) শিল্প বর্জ্য (গ) গৃহস্থালির বর্জ্য (ঘ) চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য

৩৫. বিষাক্ত নয় এমন একটি বর্জ্য হল—

(ক) পলিথিন (খ) ধানের খোসা (গ) কাচ (ঘ) প্লাস্টিক

৩৬. 'নমামি গঙ্গে (Namami Gange) পরিকল্পনা হল—

(ক) ব্রহ্মপুত্র নদের পরিকল্পনা

(খ) গঙ্গাদূষণ নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা

(গ) গঙ্গা নদী জলবিভাজিকা পরিকল্পনা

(ঘ) গঙ্গানদীর গভীরতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা

৩৭. স্বচ্ছ ভারত অভিযান শুরু হয় ২রা অক্টোবর—

(ক) ২০১২ সালে (খ) ২০১৩ সালে (গ) ২০১৪ সালে (ঘ) ২০১৫ সালে

৩৮. প্রদত্ত বর্জ্যগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর হল—

(ক) প্লাস্টিক (খ) কাঠ (গ) ধাতু (ঘ) কৃষিজাত বর্জ্য

৩৯. ইট ছাড়া ফ্লাই অ্যাশ আর যে কাজে ব্যবহার করা হয়, সেটি হল—

(ক) চিনামাটির বাসন তৈরিতে (খ) কারখানার চিমনি প্রস্তুতিতে (গ) রাস্তা তৈরিতে (ঘ) রান্নাঘরের বেসিন তৈরিতে

৪০. জৈব বর্জ্য থেকে যে গ্যাস পাওয়া যায়, তার নাম—

(ক) ল্যান্ডফিল (খ) এলপিজি (গ) বায়োগ্যাস (ঘ) দুর্গন্ধনাশক গ্যাস

৪১. ল্যান্ডফিল পদ্ধতিতে জৈব পদার্থের পচন হতে সময় লাগে—

(ক) ১০-১৫ দিন (খ) ৪-৬ মাস (গ) ৬-৮ মাস (ঘ) ১ বছর

৪২. প্রদত্ত কোনটি কঠিন বর্জ্যের অন্তর্গত নয় ?

(ক) কৃষিক্ষেত্রের বর্জ্য (খ) শিল্পজাত বর্জ্য (গ) জঞ্জাল (ঘ) প্রয়ঃপ্রণালীর বর্জ্য

৪৩. ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরিতে প্রধান ভূমিকা নেয়—

(ক) সাপ (খ) কেঁচো (গ) ব্যাকটেরিয়া (ঘ) ইঁদুর

৪৪. গৃহস্থালি বা শিল্পজাত বিষাক্ত বর্জ্যের নিয়ন্ত্রণের অধুনা কৌশল—

(ক) র‍্যাগপিকার (খ) ব্যাগাসি (গ) সবুজ রসায়ন (ঘ) কম্পোস্ট

৪৫. একটি পুনর্নবীকরণযোগ্য বর্জ্য হল—

(ক) ব্যবহৃত সিরিঞ্জ (খ) ফ্লাই অ্যাশ (গ) আণবিক ভস্ম (ঘ) অক্সাইড গ্যাস

৪৬. উচ্চ তাপমাত্রায় বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলার যন্ত্র—

(ক) স্ক্রাবার (খ) ইনসিনেরেটর (গ) ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর (ঘ) ব্লাস্ট ফার্নেস

৪৭. 'Clean City' পরিকল্পনাটি পরিলক্ষিত হয়—

(ক) কলকাতা শহরে (খ) দিল্লি শহরে (গ) মুম্বাই শহরে (ঘ) গুজরাট শহরে

৪৮. শিল্পে নির্গত ধোঁয়া থেকে অম্ল দূর করা হয় কোন পদ্ধতিতে ?

(ক) কম্পোস্টিং (খ) নিষ্কাশন (গ) শুষ্ক স্ক্রাবার (ঘ) আর্দ্র স্ক্রাবার

৪৯. একটি কৃষিজাত বর্জ্য হল—

(ক) গাছের কান্ড (খ) খড় (গ) কাচের বোতল (ঘ) প্লাস্টিক পাত

৫০. একটি পৌর আবর্জনার উদাহরণ হল—

(ক) অ্যালুমিনিয়াম টুকরো (খ) গোবর (গ) কঙ্কাল (ঘ) তুষ

৫১. একটি পরিবেশমিত্র বর্জ্যের নাম—

(ক) পাটের চট (খ) সিসা (গ) রবার (ঘ) প্লাস্টিক

৫২. একটি অবিষাক্ত বর্জ্য হল—

(ক) পুরোনো ফুল (খ) কীটনাশক (গ) পারদ (ঘ) প্লাস্টিক

৫৩. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য উপায় হল—

(ক) পুনর্নবীকরণ (খ) ল্যান্ডফিল (গ) বর্জ্য কম উৎপাদন করা (ঘ) কম্পোস্ট সার তৈরি

৫৪. ভরাটকরণ প্রক্রিয়াটি যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্তর্গত তা হল—

(ক) কঠিন (খ) তরল (গ) গ্যাসীয় (ঘ) সবকটি ঠিক

৫৫. বায়োগ্যাস -এর প্রধান উপাদান হল—

(ক) কার্বন ডাই অক্সাইড (খ) অ্যামোনিয়া (গ) ক্লোরিন (ঘ) মিথেন

৫৬. প্রদত্ত যে উৎস থেকে বর্জ্য আসে না, তা হল—

(ক) গৃহস্থালি (খ) শিল্পকেন্দ্র (গ) হাসপাতাল (ঘ) সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র

৫৭. ব্যবহারের অনুপযুক্ত বর্জ্য পদার্থকে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করলে তাকে বলে—

(ক) পরিমাণগত হ্রাস (ক) পুনর্ব্যবহার কম্পোস্টিং (গ) পুনর্নবীকরণ (ঘ) পুনর্ব্যবহার

৫৮. জীববিশ্লেষ্য বর্জ্যগুলিকে ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা বিশ্লেষণ করার পদ্ধতিকে বলে—

(ক) ভরাটকরণ (খ) স্ক্রাবার (গ) কম্পোস্টিং (ঘ) নিষ্কাশন

৫৯. পেস্টিসাইড হল—

(ক) গৃহস্থালির বর্জ্য (খ) জৈব বর্জ্য (গ) কৃষি বর্জ্য (ঘ) চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য

৬০. ইউট্রোফিকেশন মূলত যে বর্জ্যের প্রভাবে হয়—

(ক) চিকিৎসা বর্জ্য (খ) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য (গ) শিল্প বর্জ্য (ঘ) কৃষিজ বর্জ্য

৬১. তরল বর্জ্যের একটি উদাহরণ হল—

(ক) ফয়েল (খ) ফেনল (গ) সালফার ডাই-অক্সাইড (ঘ) প্লাস্টিক

৬২. কেঁচোর সাহায্যে মিশ্রসার তৈরির পদ্ধতিকে বলা হয়—

(ক) ভার্মি কম্পোস্টিং (খ) লিচেট (গ) কম্পাউন্ডিং (খ) কম্পোস্টিং

৬৩. অকেজো কম্পিউটার একটি—

(ক) কঠিন বর্জ্য (খ) ই-বর্জ্য (গ) পৌরসভার বর্জ্য (ঘ) এদের সবকটি

৬৪. ভরাটকরণ করতে যে বর্জ্যগুলি বেশি ব্যবহার করা হয়—

(ক) জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য (খ) শিল্প বর্জ্য (গ) কঠিন বর্জ্য (ঘ) জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য

৬৫. মানুষ ও প্রাণীর শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করে—

(ক) মৃত্তিকা দূষণ (খ) জলদূষণ (গ) বায়ুদূষণ (ঘ) শব্দদূষণ

Photos from Geo.study centre's post 31/07/2024

পশ্চিমবঙ্গের সবকটি জেলার সেরা পর্যটন কেন্দ্রগুলি একঝলকে:

দার্জিলিংঃ দার্জিলিং হল এই রাজ্যের সর্বপ্রধান পর্যটন কেন্দ্র ও শৈল শহর, হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘার প্রাকৃতিক ও নৈসর্গিক দৃশ্য , অসংখ্য ঝোরা , আরামদায়ক জলবায়ু , বাতাসিয়া লুপ , টয় ট্রেন , টি গার্ডেন , টাইগার হিল , রক গার্ডেন , চিড়িয়াখানা , রোপওয়ে ইত্যাদি দ্রষ্টব্য স্থান।
কার্শিয়াংঃ একটি শৈল শহর , অর্কিড , কাঞ্চনজঙ্ঘা।
মিরিকঃ শৈল শহর , উপত্যকার জন্যে বিখ্যাত।
ঘুমঃ বিশ্বের সর্বোচ্চ রেল স্টেশন ।
পেডংঃ এর অর্থ- ফার গাছের দেশ, কাঞ্চনজঙ্ঘা।
কলিংপঙঃ কলিংপঙ - শৈল শহর , চা বাগান , বৌদ্ধ স্তূপ ।
এছাড়া আছে সান্দাকফু , ফালুট , মংপু , লাভা , লোলেগাঁও, পেসক, তাকদা, তিনচুলে।

জলপাইগুড়িঃ গরুমারা , চাপরামারী ( জাতীয় উদ্যান , হাতি ), চালসা , লাটাগুড়ি , মূর্তি , ডুয়ার্স ( অভয়ারণ্য , চা বাগিচা )।

আলিপুরদুয়ারঃ জলদাপাড়া , হাসিমারা ( অভয়ারণ্য , এক শৃঙ্গ গণ্ডার ), বক্সা , জয়ন্তী ( পাহাড় , চুনাপাথরের গুহা ,ব্যাঘ্র প্রকল্প )।

কোচবিহারঃ কোচবিহার ( রাজবাড়ী , রসিক বিল পাখিরালয় , মদন মোহন মন্দির ,রাস মেলা ) ।

উত্তর দিনাজপুরঃ কুলিক ( এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম পাখিরালয় ) ।

দক্ষিণ দিনাজপুরঃ বালুরঘাট ( মহিপাল দীঘি , তপন দীঘি ), বান গড় ( স্থাপত্য কলা )।

মালদহঃ গৌড় , ইংরেজ বাজার ( আদিনা , কুতুবসাহি , একলাখি মসজিদ , ফিরোজ মিনার ) ।

মুর্শিদাবাদঃ মুর্শিদাবাদ - ঐতিহাসিক হাজার দুয়ারী , ইমামবাড়া, মতিঝিল , কাটরা মসজিদ , খোশবাগ ) । কর্ণসুবর্ণ ( বৌদ্ধ বিহার )। ফারাক্কা ( ব্যারেজ )। কাসিমবাজার ( রাজবাড়ি )। সৈয়দাবাদ ( আর্মেনিয়ান গির্জা )। বহরমপুর , জিয়াগঞ্জ।

বীরভূমঃ শান্তিনিকেতন ( কবিগুরুর পাঠভবন )। ম্যাসেঞ্জার , তিলপাড়া ( জলাধার )। দুবরাজপুর ( মামা ভাগ্নে পাহাড় )। বক্রেশ্বর (উষ্ণ প্রস্রবণ )। তারাপীঠ ( কালী মন্দির )। কেঁদুলি ( কবি জয়দেবের জন্মস্থান )। নানুর ( কবি চন্ডীদাসের জন্মস্থান )।

পূর্ব বর্ধমানঃ বর্ধমান ( রাজবাড়ি , কৃষ্ণ সায়র )। কাটোয়া ( পাণ্ডু রাজার ঢিবি )।

পশ্চিম বর্ধমানঃ দুর্গাপুর ( ব্যারেজ , স্টিল প্লান্ট )। মাইথন ( জলাধার )। আসানসোল ( শিল্প )। রানীগঞ্জ ( কয়লাখনি )। চুরুলিয়া কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মস্থান।

হুগলিঃ কামারপুকুর ( রামকৃষ্ণ দেবের জন্মস্থান )। তারকেশ্বর ( বাবা তারকনাথের মন্দির )। ব্যান্ডেল ( চার্চ )। হুগলি ( ইমামবাড়া )। ফুরফুরা শরিফ ( মসজিদ )। চন্দননগর ( ফরাসী কলোনি )। শ্রীরামপুর ( রাধাবল্লভের মন্দির )। বাঁশবেড়িয়া , সবুজদীপ , চুঁচুড়া । খানাকুলের রাধানগরে রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম ভিটে।

পুরুলিয়াঃ অযোধ্যা , বাগমুন্ডি , পাহাড় , ঝর্না , জঙ্গল । পুরুলিয়া ( সাহেব বাঁধ )। পাঞ্চেত ( জলাধার )।

বাঁকুড়াঃ বিষ্ণুপুর ( টেরাকোটা কাজ , মদনমোহন মন্দির , রাসমঞ্চ )। মুকুটমণিপুর ( জলাধার )।শুশুনিয়া , বিহারীনাথ ( পাহাড় )। জয়রাম বাটি ( সারদা দেবীর জন্মস্থান )। ঝিলিমিলি , রানিবাঁধ ( অরণ্য )। বাঁকুড়া ( টেরাকোটা , ডোকরার কাজ )। জয়পুর ফরেস্ট।

পশ্চিম মেদিনীপুরঃ গনগনি। মেদিনীপুর ( জোড়া মসজিদ )। খড়গপুর ( রেল শহর )। বীরসিংহ ( বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান )।

ঝাড়গ্রামঃ ঝাড়গ্রাম ( রাজবাড়ি )। লোধাশুলি , হাতিবাড়ি, আরাবাড়ি ( জঙ্গল )। বেলপাহাড়ি ( পাহাড় )।

পূর্ব মেদিনীপুরঃ দীঘা , মন্দারমনি , শংকরপুর , তাজপুর ( সমুদ্র সৈকত)। তমলুক ( বর্গভীমা মন্দির )। মহিষাদল ( রাজবাড়ি )।

নদিয়াঃ নবদ্বীপ ( চৈতন্যদেবের জন্মস্থান )। মায়াপুর ( ইসকনের চন্দ্রোদয় মন্দির )। কৃষ্ণনগর ( রাজবাড়ি )। ফুলিয়া ( কবি কৃত্তিবাসের জন্মস্থান )। পলাশী ( ঐতিহাসিক যুদ্ধক্ষেত্র )। বেথুয়াডহরি (অভয়ারণ্য)। শান্তিপুর , কল্যাণী । কল্যাণী সতীমার মেলা। মদনপুর বিরোহি রোডে মদন গোপালের মন্দির। কল্যাণী কুলিয়া পাঠের মেলা

উত্তর 24 পরগনাঃ দক্ষিণেশ্বর ( কালী মন্দির )। ব্যারাকপুর ( গান্ধী ঘাট , মঙ্গলপান্ডের স্মৃতি সৌধ )। চন্দ্রকেতুগড় ( প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন )। হালিশহর ( রামপ্রসাদের জন্মস্থান , নিগমানন্দ আশ্রম )। নৈহাটি ( বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান ), পারমাদান অভয়ারণ্য ।উত্তর চব্বিশ পরগনার টাকী, চাকলা ধাম, পেট্রাপোল সীমান্ত, হাসনাবাদ, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, চারুলিয়ায় দীনবন্ধু মিত্রের বাড়ি, নৈহাটির বড়ো মা,

দক্ষিণ 24 পরগনাঃ সুন্দরবন ( ম্যানগ্রোভ অরণ্য , জাতীয় উদ্যান , ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট , সজনেখালি-পাখিরালয় , ভগবতীপুর-কুমির প্রকল্প , নেতাধোপানি- বাঘপ্রকল্প , কলস দ্বীপ , কাকদ্বীপ , পিয়ালি )। বকখালি ( সমুদ্র সৈকত )। গঙ্গাসাগর ( কপিল মুনির আশ্রম )। ঘুটিয়ারি শরিফ ( মসজিদ )। ডায়মন্ড হারবার ।

হাওড়া : বেলুড় ( মঠ )। শিবপুর ( বোটানিক্যাল গার্ডেন )। হাওড়া ( বিশ্বের বৃহত্তম রেল স্টেশন , রবীন্দ্র সেতু , বিদ্যাসাগর সেতু )। গড়চুমুক ( হরিণ প্রকল্প )। আমতা ( মেলাই চন্ডী মন্দির )। গাদিয়াড়া , পানিত্রাস , মাকরদহ , কাসুন্দিয়া।

কলকাতাঃ কলকাতা ( ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল , জাদুঘর , জাতীয় গ্রন্থাগার , বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম , সায়েন্স সিটি , চিড়িয়াখানা , ঠাকুরবাড়ি , কালীঘাট মন্দির , বিড়লা মন্দির , রবীন্দ্র সরোবর , নিক্কো পার্ক , ইডেন গার্ডেন )।

#ভূগেল

09/07/2024

ভূগোল পর্ব ২১
১. ভারতের কোথায় প্রথম ভূতাপ শক্তি কেন্দ্র গড়ে উঠছে?
উঃ লাদাখের পুগা ভ্যালিতে।
২. গ্রিনিং আইল্যান্ড পরিকল্পনা কোথায় গৃহীত হয়েছে?
উঃ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে।
৩. ভারতের বৃহত্তম বায়ু শক্তি কেন্দ্র কোথায় গড়ে উঠেছে?
উঃ তামিলনাড়ুর মুপান্দালে ।
৪. গুজরাটের লাম্বা কি জন্য বিখ্যাত?
উঃ বায়ু শক্তি উৎপাদনের জন্য।
৫. ভারতের বৃহত্তম সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় গড়ে উঠেছে?
উঃ রাজস্থানের ভাদালা।
৬. NHPC এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
উঃ হরিয়ানার ফরিদাবাদে।
৭. ভারতের কোথায় প্রথম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়?
উঃ দার্জিলিং এর সিদ্রাপং- এ।
৮. পশ্চিমবঙ্গের কোথায় পাম্প স্টোরেজ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র করে উঠেছে?
উঃ পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে।

#ভূগেল

03/06/2024

ভূগোল পর্ব :২০

১.NTPC(National thermal Power corporation limited) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
নিউ দিল্লি ।
২. ভারতের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
মধ্যপ্রদেশের বিন্ধাচল ।
৩. পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
কোলাঘাট ।
৪.NHPC(National hydral Power corporation limited) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
হরিয়ানার ফরিদাবাদ ।
৫. ভারতের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
উত্তরাখণ্ডের তেহরি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ।
৬. পশ্চিমবঙ্গের কোথায় পাম্প স্টোরের জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে?
অযোধ্যা পাহাড়ে ।
৭. শিবসমুদ্রম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোন রাজ্যে অবস্থিত?
কর্ণাটক ।
৮. পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে পৃথিবীতে প্রথম স্থান অধিকার করে কোন দেশ?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ।
৯. ইউক্রেন এর চেরনোবিলে পারমাণবিক দুর্ঘটনা হয় কবে?
১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে ।
১০. জাপানের ফুকুসিমা দাইচিতে পারমাণবিক দুর্ঘটনা ঘটে কবে?
২০১১ খ্রিস্টাব্দে ।
১১. মুম্বাইয়ে atomic energy commission প্রতিষ্ঠা করেন কে?
হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা ।
১২. ভারতে কোথায় প্রথম পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র গড়ে ওঠে?
মহারাষ্ট্রের তারাপুরে ।
১৩. ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
কুদানকুলাম ‌।
১৪. ভারতের কোথায় ধীরুভাই আম্বানি সোলার পার্ক অবস্থিত?
রাজস্থানের পোখরানে ।
১৫.MNRE(ministry of new and renewable energy) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
নিউ দিল্লি তে ।

#ভূগেল

31/05/2024

ভূগোল পর্ব :১৯

১.বাণিজ্যিকভাবে তেল উত্তোলনের উপযোগী ভান্ডারকে কি বলে ?
অয়েল ট্র্যাপ ।
২. এক ব্যারেল তেল বলতে কত লিটার তেলকে বোঝায়?
১৯১ লিটার ।
৩.ONGC সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
দেরাদুনে ।
৪. ভারতের বৃহত্তম তৈল খনি কোনটি?
বোম্বে হাই ।
৫. ভারতের প্রাচীনতম তৈল খনিটির নাম লেখ?
আসামের ডিগবয় ।
৬. পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র তৈল শোধনাগার কোনটি?
হলদিয়া ।
৭. ভারতের বৃহত্তম তৈল শোধনাগার কোনটি?
গুজরাটের জামনগর ।
৮. পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র NTPC পরিচালিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
ফারাক্কা ‌
৯.NTPC এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
নিউ দিল্লিতে ।
১০.NTPC এর পুরো কথা কি?
National thermal Power corporation limited.

#ভূগেল

17/05/2024

ভূগোল পর্ব :১৮

১. সবচেয়ে উৎকৃষ্ট শ্রেণীর আকরিক লোহা কোনটি?
ম্যাগনেটাইট ।
২. ভারতে আকরিক লোহা উত্তোলনের প্রথম স্থান অধিকার করে কে?
উড়িষ্যা ।
৩. ভারতের বৃহত্তম লৌহ খনি কোনটি?
উড়িষ্যার কেওনঝড় জেলার বলদা ।
৪. ভারতের বৃহত্তম ম্যাগনেটাইট খনি কোনটি?
কর্নাটকের কুদ্রেমুখ ।
৫. আকরিক লোহা রপ্তানির জন্য বিখ্যাত বন্দর কোনটি?
মার্মাগাও বন্দর ।
৬. একটি জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ দাও?
কয়লা ।
৭. সবচেয়ে উৎকৃষ্ট শ্রেণীর কয়লা কোনটি?
অ্যানথ্রাসাইট ।
৮. আহরণ অযোগ্য কয়লাকে কোন পদ্ধতিতে গ্যাসে পরিণত করা হয়?
Underground coal gastification.
৯. ভারতের বৃহত্তম কয়লা উত্তোলক সংস্থা কোনটি?
Coal India limited.
১০. উড়িষ্যার বৃহত্তম কয়লা খনি কোনটি?
তালচের ।
১১. ভারতের বৃহত্তম কয়লা খনি কোনটি?
ঝাড়খণ্ডের ঝরিয়া ।
১২. ভারতের প্রাচীনতম কয়লা খনি কোনটি?
রানীগঞ্জ কয়লাখনি ।
১৩. ভারতের বৃহত্তম লিগনাইট কয়লা খনি কোনটি?
তামিলনাড়ুর নিভেলি ।

#ভূগেল

15/05/2024

ভূগোল পর্ব:১৭

১.কোন্‌ জেলাকে পশ্চিমবঙ্গের ‘ধানের গোলা’ বলা হয়?
Ans: বর্ধমান

২.পূর্বের শেফিল্ড কাকে বলা হয়?
Ans: হাওড়াকে

৩.পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত দুটি ‘ফুড পার্ক’-এর নাম লেখো।
Ans: শংকরপুর ও কাকদ্বীপ।

৪.পশ্চিমবঙ্গের উষ্ণতম স্থানটির নাম কী?
Ans: পুরুলিয়ার তোরাং।

৫.পার্বত্য অঞ্চলের মাটির রং কেমন হয়?
Ans: কালো বা ধূসর।

৬.সেবক ব্রিজ কোন নদীর ওপর অবস্থিত?
Ans: তিস্তা।

৭.পশ্চিমবঙ্গের দুটি অর্থকরী ফসলের নাম লেখো।
Ans: চা ও পাট।

৮.দার্জিলিং নেপাল সীমান্তে কোন্‌ শৈলশিরা অবস্থিত?
Ans: সিঙ্গালিলা

৯.পশ্চিমবঙ্গের মালভূমি অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কি?
Ans: গোর্গাবুরু

‘১০.ডুয়ার্স’ কথাটির অর্থ কি?
Ans: দরজা
#ভূগেল

14/05/2024

ভূগোল পর্ব :১৬

১.আলিপুরদুয়ার জেলাটি ভেঙে কোন্‌ জেলার সৃষ্টি করা হয়েছে?
Ans: জলপাইগুড়ি।

২.পশ্চিমবঙ্গের দুটি তন্তুজাতীয় শস্যের নাম লেখো।
Ans: পাট ও শন।

৩.কোন নদী উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলকে দ্বিধাবিভক্ত করেছে?
Ans: তিস্তা নদী।

৪.তরাই’ কথাটির অর্থ কি?
Ans: স্যাঁতস্যাঁতে।

৫.তিস্তা নদীর উৎস কি?
Ans: জিমু হিমবাহ।

৬.পশ্চিমবঙ্গের গ্রীষ্মকালীন ঝড়কে কি বলে?
Ans: কালবৈশাখী।

৭.কোন্‌ জেলাকে পশ্চিমবঙ্গের ‘ধানের গোলা’ বলা হয়?
Ans: পূর্ব বর্ধমান।

৮.পূর্বের শেফিল্ড কাকে বলা হয়?
Ans: হাওড়াকে।

৯.পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত দুটি ‘ফুড পার্ক’-এর নাম লেখো।
Ans: শংকরপুর ও কাকদ্বীপ ।

১০.পশ্চিমবঙ্গে চাষ করা হয় এমন একটি সুগন্ধি ধানের নাম লেখ।
Ans: বাসমতি।

#ভূগেল

Category

Website

Address


Habra

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Geo.study centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Habra.