New Motion
Inspiring wellness through movement. Try to stay a little better in the first life.
জেলার এক অতি গুরুত্বপূর্ণ নেতার প্রশ্ন ছিল, মমতা কান দিয়ে দেখেন।
তিনি এখন ঐ দিকে।কিন্ত, এধরনের মতামত যেকোনও নন-রেজিমেন্টেড দলের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
তবে নন-রেজিমেন্টেড দলে নেতা বা নেত্রীই সর্বোচ্চ পদ অলঙ্করণ করেন। তাঁর পক্ষে সবকিছু দেখা সম্ভব নয়।তিনি বিশ্বস্ত নেতাদের সাহায্যে সব খবর নেন।দেখার বিষয় হলো, সেই নেতা বা নেত্রী তাঁকে কতটা সঠিক ফিডব্যাক দিচ্ছেন। এবাদেও বর্তমান কিছু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে।যেমন ধরুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নানা কারণেই উনি এখন চাপে আছে। একেই সরকারে নেই উনি।তারপর এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে তিনি পুরোপুরিই একলা হোন।তাঁর স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকান্ডে পর্যন্ত বাধাদান করা হচ্ছে।কাল তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আমি জেলা সফরে যেতে চাই।কিন্ত, অনুমতি কি পাবো ? কেন একথা বললেন? তাহলে ভাবুন, কেমন চাপে আছেন তিনি।এহেন পরিস্থিতিতে যদি কিছু ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি তা কি অস্বাভাবিক? মোটেই না।আর কে জানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেমন গরম থাকে।বয়স হচ্ছে।এটাও অস্বীকার করা যায় না।নিজের জীবনেও দেখি, এই বয়সের মানুষেরা কেমন আচরণ করেন। তবুও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে এখনও জেদ আছে।লড়াইয়ের বার্তা দিচ্ছেন। নতুন করে শুরু করার আহ্বান করছেন। লাখ লাখ মানুষ এখনও বলেন, কিছুই বুঝি না,শুধুই দিদি থাকুক।উনি পথ দেখাক।বাকিটা আমরা বুঝে নেবো।
এই আবেগ, যাকে ঘিরে, তাঁর তুলনা বর্তমান ভারতে দ্বিতীয় কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নেই।মানতেই হবে।
সেই সাথে এটাও মানতে হবে,মমতাও রক্তমাংসের মানুষ। অসম্ভব চাপে মাথা গরম হয়।কিন্ত, তাঁর চারপাশে খুব ঘনিষ্ঠ বৃত্তে যে বা যারা আছেন, তারা যেন কোনও ভূল বার্তা না দেন।দিদির কানে বাস্তবটি তুলে ধুরুন।আর এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি না করুন, যাতে আপনার জন্য আপনার সহকর্মীদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।আর,অতি অবশ্যই, গোদি মিডিয়ার সূত্র যেন না হোন।ঘরের সামান্য ভুল বোঝাবুঝি ঘরেই মিটিয়ে নিন।খামাকা মিডিয়ার সূত্র হতে যাবেন কেন ? বিশেষত, দলের এই অবস্থায়।
মমত-অভিষেক-কল্যাণ-মহুয়া-কুণাল-শোভনদেবরা একে অপরের পরিপূরক। এবং,অবশ্যই দোলাদেবী,আপনিও। এখন সোজা ব্যাটে খেলুন সবাই। কর্মী ও সমর্থকদের তাই চাহিদা।নতুন করে আশাভঙ্গ করবেন না যেন আর।
Jayanta Mitra
মিডিয়া দু মাস ধরে প্রচার করলো তৃণমূল শেষ, মমতা শেষ, তৃণমূলের পতাকা ধরার লোক নেই।
এদিকে তৃণমূলের ছাত্র যুবর মিছিল প্রথমে অনুমতি দিলোনা পুলিশ, তারপর কোর্টে গিয়ে অনুমতি নেওয়ার পর মিছিলের দিন শুরু হলো অকথ্য অত্যাচার -
- বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে কালীঘাট অব্দি পুরো রাস্তাটায় প্রথমে মাইক লাগিয়ে রাখা হলো ৫০ মিটার অন্তর করে, যেখানে বাজানো হচ্ছিলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিয়ে অশ্রাব্য গান ও গালাগালি।
- বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হতেই অন্তত ২০০-৩০০ বিজেপির গুণ্ডা মিছিলের মধ্যে ঢুকে পড়লো আর গালাগাল দেওয়া শুরু করলো। কিছু ভাড়া করা হিজড়ে কে নিয়ে এসে মিছিলে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো।
- পুরো রাস্তায় পুলিশ কোনো যান নিয়ন্ত্রণ করেনি, সমস্ত ট্র্যাফিক ঢুকিয়ে দেওয়া হলো মিছিল আটকাতে। রাস্তার ওপর বাইক, পুলিশের ভ্যান দাঁড় করিয়ে রাখা হলো, মিছিল আটকাতে।
- প্রত্যেকটা গলিতে গলিতে বিজেপির গুণ্ডা বাহিনী ২০-২৫ জনের জটলা করে দাঁড়িয়ে ছিল। তৃণমূল কর্মী দেখলেই তারা মারধর শুরু করলো সাথে ইট পাথর বৃষ্টি। মহিলাদের ও ছাড়া হলোনা। চুলের মুঠি ধরে অনেক কে রাস্তায় ফেলে মারা হলো।
- হাজরা মোড়ে বিজেপির সব থেকে বড় স্টেজ বেঁধে জমায়েত ছিল। পুলিশ ব্যারিকেড করে রেখেছিল মোড়ের মাথায় যাতে তৃণমূল কর্মীরা এগোতে না পারে, সেই সুযোগে বিজেপি গুন্ডারা যাকে পেরেছে তার উপর অকথ্য মারধর চালালো - হেলমেট, রড, কিল, ঘুষি। ব্যারিকেডের ওপার থেকে পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে হাসাহাসি করলো।
পুরো ঘটনায় পুলিশ নীরব দর্শক শুধু নয়, যৌথ পরিকল্পনার অংশীদার। এই অপারেশন চালাতে সারা কলকাতা ও আশে পাশের জেলা থেকে বিজেপি ভাড়া করে এনেছিল কয়েক হাজার বাছাই করা গুণ্ডা।
তোদের কথায় শেষ হয়ে যাওয়া একটা দলের ছাত্র যুবর (অন্য কোনো সংগঠন ছিলনা) কয়েকশো কর্মীর একটা মিছিল কে তোদের এতো ভয় ?? আটকাতে এতো কসরত?
Nabarun Bhattacharya
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Jujarsaha Road Howrah
Howrah
711414