True Islam
لَا اِلَهَ اِلاَّ اللهُ مُحَمَّدُ رَّسُوْ لُ الله
04/06/2025
11/05/2017
বিএসএফ পাকিস্থানি মানুষদের হত্যা করতেছে,
হত্যা করতেছে এই বাংলার মানুষদের,
এখন ভারত যদি পাকিস্থানের শত্রু হয়,
তবে,ভারত কিভাবে এই বাংলার বন্ধু হতে পারে,!!!?
যদি কেউ বলে ভারত বাংলার বন্ধু,
তবে বুঝতে হবে সে ওই অসভ্য-লেংটার দেশ ভারতের দাস এবং তার মনে এই দেশ এবং দেশের মানুষ দের প্রতি কোন ভালবাসা নাই,
মোট কথা সে তার নিজের দাস সত্তা রহ্মার জন্য ৩০ লহ্ম শহিদের রক্তের সাথে বেইমানি করছে,
17/12/2016
হিন্দু মুর্তির উপর চাদর বিচায়,সে কাপের!
মুসলমান কবরের উপর চাদর বিচায়,সে পাক্কা মুসলমান?
হিন্দু মুর্তির উপর হার পড়ায়,সে কাপের!
মুসলমান কবরের উপর মালা পড়ায়,সে পাক্কা মুসলমান?
হিন্দু মুর্তির উপর গংগা জল ডালে,সেটা পান করে পবিএ বলে,তাই সে কাপের!
মুসলমান কবরের উপর,পিরের উপর পানি ডালে,সেটা জমজম এর থেকে উওম মনে করে পান করে,সে পাক্কা মুসলমান?
► প্রশ্নঃ নামাজ শেষে হাত তুলে দোয়া করা যাবে কিনা?
উত্তর দিচ্ছেনঃ- শাহ মুহাম্মাদ ওয়ালিউল্লাহ।
সুদি ব্যাংকে চাকরি করা যাবে কি?
>>>>>শায়েখ তৈউসিফুর রহমান (উর্দু)
সূদ খাওয়া হারাম
আল্লাহ তা‘আলা সূদখোর ব্যতীত আর
কারো বিরুদ্ধে স্বয়ং যুদ্ধের ঘোষণা
দেননি। তিনি বলেন,
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺫَﺭُﻭﺍ ﻣَﺎ ﺑَﻘِﻲَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺮِّﺑَﺎ ﺇِﻥْ ﻛُﻨْﺘُﻢْ ﻣُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ- ﻓَﺈِﻥْ ﻟَﻢْ ﺗَﻔْﻌَﻠُﻮﺍ ﻓَﺄْﺫَﻧُﻮﺍ
ﺑِﺤَﺮْﺏٍ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟِﻪِ –
‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয়
কর এবং সূদের যা অবশিষ্ট আছে, তা পরিত্যাগ
কর যদি তোমরা ঈমানদার হও। আর যদি
তোমরা তা না কর, তাহলে আল্লাহ ও তাঁর
রাসূলের পক্ষ হতে যুদ্ধের ঘোষণা
শোন’ (বাক্বারাহ ২৭৮-২৭৯) ।
আল্লাহর নিকট সূদ খাওয়া যে কত মারাত্মক
অপরাধ তা অনুধাবনের জন্য উক্ত আয়াতদ্বয়ই
যথেষ্ট। সূদবৃত্তি দারিদ্র্য, মন্দা, ঋণ
পরিশোধে অক্ষমতা, অর্থনৈতিক স্থবিরতা,
বেকারত্ব বৃদ্ধি, বহু কোম্পানী ও
প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়াত্ব ইত্যাদির ন্যায় কত
যে জঘন্য ক্ষতি ও ধ্বংসের দিকে ব্যক্তি,
সমাজ ও রাষ্ট্রকে ঠেলে দিচ্ছে তা
পর্যবেক্ষক মাত্রই অনুধাবন করতে সক্ষম।
প্রতিদিনের ঘাম ঝরানো শ্রমের বিনিময়ে যা
অর্জিত হয়, সূদের অতলগহবর পূরণেই তা
নিঃশেষ হয়ে যায়। সূদের ফলে সমাজে
একটি বিশেষ শ্রেণীর উদ্ভব হয়।
মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে ব্যাপক
সম্পদ পুঞ্জীভূত হয়ে পড়ে। সম্ভবতঃ
এসব কারণেই আল্লাহ তা‘আলা
সূদীকারবারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
করেছেন।
সূদী কারবারে মূল দু’পক্ষ, মধ্যস্থতাকারী,
সহযোগিতাকারী ইত্যাকার যারাই এর সঙ্গে
সংশ্লিষ্ট, তারা সবাই মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর যবানীতে
অভিশপ্ত। জাবির (রাঃ) বলেন,
ﻟَﻌَﻦَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠﻰَّ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺁﻛِﻞَ ﺍﻟﺮِّﺑَﺎ
ﻭَﻣُﻮﻛِﻠَﻪُ ﻭَﻛَﺎﺗِﺒَﻪُ ﻭَﺷَﺎﻫِﺪَﻳْﻪِ ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻫُﻢْ ﺳَﻮَﺍﺀٌ-
‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সূদ গ্রহীতা, সূদ দাতা, সূদের
লেখক এবং তার সাক্ষীদ্বয়কে অভিসম্পাত
করেছেন। তিনি বলেছেন, তারা সবাই সমান
অপরাধী’।[1]
এ কারণেই সূদ লিপিবদ্ধ করা, এর আদান-
প্রদানে সহায়তা করা, সূদী দ্রব্য গচ্ছিত রাখা
ও এর পাহারাদারীর কাজে নিযুক্ত হওয়া
জায়েয নেই। মোটকথা, সূদের কাজে
অংশগ্রহণ ও যেকোনভাবে এর সাহায্য-
সহযোগিতা করা হারাম।
নবী করীম (ছাঃ) এই মহাঅপরাধের কদর্যতা
ফুটিয়ে তুলতে বড়ই আগ্রহী ছিলেন।
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,
ﺍَﻟﺮِّﺑَﺎ ﺛَﻼَﺛَﺔٌ ﻭَﺳَﺒْﻌُﻮﻥَ ﺑَﺎﺑًﺎ ﺃَﻳْﺴَﺮُﻫَﺎ ﻣِﺜْﻞُ ﺃَﻥْ ﻳَﻨْﻜِﺢَ
ﺍَﻟﺮَّﺟُﻞُ ﺃُﻣَّﻪُ، ﻭَﺇِﻥَّ ﺃَﺭْﺑَﻰ ﺍَﻟﺮِّﺑَﺎ ﻋِﺮْﺽُ ﺍﻟﺮَّﺟُﻞِ
ﺍﻟْﻤُﺴْﻠِﻢِ–
‘সূদের ৭৩টি দ্বার বা স্তর রয়েছে।
তন্মধ্যে সহজতর স্তর হ’ল, নিজ মায়ের
সাথে ব্যভিচারের সমতুল্য। আর সবচেয়ে
কঠিনতম স্তর হল, মুসলিম ব্যক্তির মানহানি’।[2]
আব্দুল্লাহ বিন হানযালা (রাঃ) হতে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ﺩِﺭْﻫَﻢُ ﺭِﺑًﺎ ﻳَﺄْﻛُﻠُﻪُ ﺍﻟﺮَّﺟُﻞُ
ﻭَﻫُﻮَ ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﺃَﺷَﺪُّ ﻣِﻦْ ﺳِﺘَّﺔٍ ﻭَﺛَﻼَﺛِﻴﻦَ ﺯَﻧْﻴَﺔً
‘জেনেশুনে কোন লোকের সূদের
এক টাকা ভক্ষণ করা ৩৬ বার ব্যভিচার করা
থেকেও কঠিন’।[3]
সূদ ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবার জন্য
সর্বদা হারাম। সবাইকে তা পরিহার করতে হবে।
কত ধনিক-বণিক যে এই সূদের কারণে
দেউলিয়া হয়ে গেছে তার কোন ইয়ত্তা
নেই। সূদের সর্বনিম্ন ক্ষতি হল, মালের
বরকত উঠে যাবে, পরিমাণে তা যতই স্ফীত
হৌক না কেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ﺍَﻟﺮِّﺑَﺎ
ﻭَﺇِﻥْ ﻛَﺜُﺮَ ﻓَﺈِﻥَّ ﻋَﺎﻗِﺒَﺘَﻪُ ﺗَﺼِﻴﺮُ ﺇِﻟَﻰ ﻗُﻞٍّ ‘সূদের
দ্বারা সম্পদ যতই বৃদ্ধি পাক না কেন তার শেষ
পরিণতি হ’ল নিঃস্বতা’।[4] সূদের হার কমই
হোক আর চড়াই হোক সবই হারাম।
যেমন করে শয়তান দুনিয়াতে তার স্পর্শে
কাউকে পাগল করে দেয়, তেমনি
সূদখোর ব্যক্তি পাগল হয়ে হাশরের
ময়দানে উত্থিত হবে (বাক্বারা ২/২৭৫) । যদিও
সূদের লেনদেন গুরুতর অন্যায় তবুও মহান
রাববুল আলামীন দয়াপরবশ হয়ে বান্দাকে তা
থেকে তওবার উপায় বলে দিয়েছেন। তিনি
বলেন,
ﻭَﺇِﻥْ ﺗُﺒْﺘُﻢْ ﻓَﻠَﻜُﻢْ ﺭُﺀُﻭﺱُ ﺃَﻣْﻮَﺍﻟِﻜُﻢْ ﻻَ ﺗَﻈْﻠِﻤُﻮﻥَ ﻭَﻻَ
ﺗُﻈْﻠَﻤُﻮﻥَ–
‘যদি তোমরা তওবা কর, তবে তোমরা
তোমাদের মূলধন ফিরে পাবে। তোমরা না
অত্যাচার করবে, আর না অত্যাচারিত হবে’
(বাক্বারাহ ২৭৯) ।
মুমিনের অন্তরে সূদের প্রতি ঘৃণা এবং তার
খারাপ দিকগুলি সম্পর্কে তীব্র অনুভূতি থাকা
একান্ত আবশ্যক। এমনকি যারা টাকা-পয়সা ও
মূল্যবান সম্পদ চুরি হয়ে যাওয়া কিংবা ধ্বংস হয়ে
যাওয়ার ভয়ে সূদী ব্যাংকে জমা রাখে,
তাদের মধ্যেও নিতান্ত দায়েপড়া ব্যক্তির
ন্যায় অনুভূতি থাকতে হবে, যেন তারা মৃত
জীব ভক্ষণ কিংবা তার থেকেও কঠিন
পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। তাই তারা সব
সময় আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং
সূদী ব্যাংকের বিকল্প সূদবিহীন ভাল কোন
উপায় অবলম্বনের চেষ্টা করবে। তাদের
আমানতের বিপরীতে সূদী ব্যাংকের নিকট
সূদ দাবী করা জায়েয হবে না; বরং যদি সূদ
তাদের হিসাবে যুক্ত করে দেওয়া হয়,
তাহলে জায়েয উপায়ে তার থেকে নিষ্কৃতি
লাভের চেষ্টা করবে, উহা (ছওয়াবের
নিয়তে) দান করবে না। কেননা আল্লাহ
পবিত্র। পবিত্র বস্ত্ত ছাড়া তিনি দানের
স্বীকৃতি দেন না। নিজের কোন কাজে
সূদের অর্থ ব্যয় করা যাবে না। না পানাহারে, না
পরিধেয়ে, না সওয়ারীতে, না বাড়ী-ঘর
তৈরীতে, না পুত্র-পরিজন, স্বামী-স্ত্রী,
মাতা-পিতার ভরণ-পোষণে, না যাকাত আদায়ে,
না ট্যাক্স পরিশোধে, না নিজের উপর
অন্যায়ভাবে আরোপিত অর্থ পরিশোধে।
সূদের অর্থ কেবল আল্লাহর শাস্তির ভয়ে
দায় মুক্তির জন্য এমনিতেই কাউকে দিয়ে
দিতে হবে।
– মুহাম্মাদ ছালেহ আল-মুনাজ্জিদ
[1]. মুসলিম; মিশকাত হা/২৮০৭।
[2]. মুস্তাদরাকে হাকেম হা/২২৫৯; ছহীহুল
জামে‘ হা/৩৫৩৯।
[3]. আহমাদ; মিশকাত হা/২৮২৫।
[4]. ইবনু মাজাহ, আহমাদ; মিশকাত হা/২৮২৭।
21/09/2016
লোটা লইয়া দৌড়া দৌড়ি তাও আবার খালি ময়দানে বলেন তো এরা কোন দেশের গর্ভিত জনগণ?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Website
Address
Jeddah
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when True Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.